সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্ধারণ রোববার Logo সিরাজগঞ্জে নিষিদ্ধ সংগঠনের দুই নেতার বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান Logo জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে সরকারের নানা কর্মসূচি Logo আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ দেবে না জনগণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ‘দাপ্তরিক খরচ কমান, শ্রমিকদের বেতন বাড়বে’ Logo পোশাকশিল্পসহ বিভিন্ন খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র: রিজভী Logo আইনজীবীর প্রধান শক্তি মানবিক মূল্যবোধ, দক্ষতা ও সততা: আইনমন্ত্রী Logo রায়গঞ্জে অটোচালক কছিমুদ্দিন হত্যা মামলার আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার Logo ১০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা Logo পেকিন হাঁস পালনে লাখপতি সিংড়ার জাহিদ

রোজা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

বছরঘুরে আবারও আসতে চলেছে রমজান মাস। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গবেষণা সংস্থাগুলোর হিসেব অনুযায়ী ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে। তবে রমজান ও ঈদুল ফিতরের চূড়ান্ত তারিখ সম্পূর্ণভাবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করবে।

সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাদ্যম গালফ নিউজ এ তথ্য জানায়। প্রতিবেদনে জানানো হয়, হিজরি বর্ষপঞ্জি চন্দ্রভিত্তিক হওয়ায় প্রতিবছর রমজান ১০ থেকে ১২ দিন এগিয়ে আসে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৭ সালের রমজান আগের বছরের চেয়ে প্রায় ১০-১১ দিন আগে শুরু হতে পারে।

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) রমজান শুরু হতে পারে। ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নতুন চাঁদ দেখা গেলে সেই রাতেই প্রথম তারাবি এবং পরদিন থেকে রোজা শুরু হবে। তবে চূড়ান্ত তারিখ চাঁদ দেখার ওপরই নির্ভর করবে।

রমজান ২৯ বা ৩০ দিনের হয়ে থাকে এবং শাওয়ালের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হয়।

বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১০ মার্চ (বুধবার) ঈদুল ফিতর হতে পারে।

 

ইসলামী বর্ষপঞ্জির নবম মাস রমজান মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এ মাসেই মহানবী (সা.)-এর ওপর পবিত্র কোরআন নাজিল শুরু হয়। রমজানে মুসলমানরা সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও ধূমপান থেকে বিরত থেকে রোজা পালন করেন এবং নামাজ, তিলাওয়াত, দান-সদকা ও আত্মসংযমের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।

২০২৭ সালের রমজানকে সামনে রেখে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই মুসলিম দেশগুলো মসজিদ ও জনসেবামূলক কাজের প্রস্তুতি নেবে। পাশাপাশি, ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ চাঁদ দেখার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ঘোষণা করবে।

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গণনা অনুযায়ী ৮ ফেব্রুয়ারি রমজান শুরুর সম্ভাব্য তারিখ হলেও, এর চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের ওপরই নির্ভর করে, যা মূলত চাঁদ দেখার বিষয়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্ধারণ রোববার

রোজা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

আপডেট টাইম : ০২:৪২:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

বছরঘুরে আবারও আসতে চলেছে রমজান মাস। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গবেষণা সংস্থাগুলোর হিসেব অনুযায়ী ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে। তবে রমজান ও ঈদুল ফিতরের চূড়ান্ত তারিখ সম্পূর্ণভাবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করবে।

সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাদ্যম গালফ নিউজ এ তথ্য জানায়। প্রতিবেদনে জানানো হয়, হিজরি বর্ষপঞ্জি চন্দ্রভিত্তিক হওয়ায় প্রতিবছর রমজান ১০ থেকে ১২ দিন এগিয়ে আসে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৭ সালের রমজান আগের বছরের চেয়ে প্রায় ১০-১১ দিন আগে শুরু হতে পারে।

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) রমজান শুরু হতে পারে। ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নতুন চাঁদ দেখা গেলে সেই রাতেই প্রথম তারাবি এবং পরদিন থেকে রোজা শুরু হবে। তবে চূড়ান্ত তারিখ চাঁদ দেখার ওপরই নির্ভর করবে।

রমজান ২৯ বা ৩০ দিনের হয়ে থাকে এবং শাওয়ালের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হয়।

বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১০ মার্চ (বুধবার) ঈদুল ফিতর হতে পারে।

 

ইসলামী বর্ষপঞ্জির নবম মাস রমজান মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এ মাসেই মহানবী (সা.)-এর ওপর পবিত্র কোরআন নাজিল শুরু হয়। রমজানে মুসলমানরা সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও ধূমপান থেকে বিরত থেকে রোজা পালন করেন এবং নামাজ, তিলাওয়াত, দান-সদকা ও আত্মসংযমের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।

২০২৭ সালের রমজানকে সামনে রেখে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই মুসলিম দেশগুলো মসজিদ ও জনসেবামূলক কাজের প্রস্তুতি নেবে। পাশাপাশি, ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ চাঁদ দেখার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ঘোষণা করবে।

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গণনা অনুযায়ী ৮ ফেব্রুয়ারি রমজান শুরুর সম্ভাব্য তারিখ হলেও, এর চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের ওপরই নির্ভর করে, যা মূলত চাঁদ দেখার বিষয়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত।