সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

শ্রমিক আন্দোলনের লক্ষ্য সরকারকে বেকায়দায় ফেলা: হাতেম

CREATOR: gd-jpeg v1.0 (using IJG JPEG v80), quality = 90?

চলমান  শ্রমিক আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে বেকায়দায় ফেলা ও দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

শ্রমিক আন্দোলনের নামে শিল্পকারখানায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির বিষয়টি নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকেও আলোচনা হয়েছে।

মোহাম্মদ হাতেম বলেন, জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি এবং কারখানার ক্ষতি করাই এ আন্দোলনের উদ্দেশ্য। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে।

শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণের জন্য ইতোমধ্যে বোর্ড গঠন করা হয়েছে। সেখানে শ্রমিকদের প্রতিনিধিও রয়েছেন।

আলোচনার টেবিলে বসেই সর্বনিম্ন মজুরি নির্ধারণ করা হবে।
তিনি বলেন, আন্দোলনের পেছনে কারও উসকানি থাকলে তা খতিয়ে দেখা উচিত।

এ বিষয়ে সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বিকেএমইএ সভাপতি আরও বলেন, এক দিনের উৎপাদন বন্ধ থাকলেও মোট রপ্তানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। উৎপাদন ব্যাহত হলে নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহ নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হবে। দীর্ঘমেয়াদে এর ফলে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

জনতার কণ্ঠ / কেএম

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রমিক আন্দোলনের লক্ষ্য সরকারকে বেকায়দায় ফেলা: হাতেম

আপডেট টাইম : ০৯:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

চলমান  শ্রমিক আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে বেকায়দায় ফেলা ও দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

শ্রমিক আন্দোলনের নামে শিল্পকারখানায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির বিষয়টি নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকেও আলোচনা হয়েছে।

মোহাম্মদ হাতেম বলেন, জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি এবং কারখানার ক্ষতি করাই এ আন্দোলনের উদ্দেশ্য। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে।

শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণের জন্য ইতোমধ্যে বোর্ড গঠন করা হয়েছে। সেখানে শ্রমিকদের প্রতিনিধিও রয়েছেন।

আলোচনার টেবিলে বসেই সর্বনিম্ন মজুরি নির্ধারণ করা হবে।
তিনি বলেন, আন্দোলনের পেছনে কারও উসকানি থাকলে তা খতিয়ে দেখা উচিত।

এ বিষয়ে সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বিকেএমইএ সভাপতি আরও বলেন, এক দিনের উৎপাদন বন্ধ থাকলেও মোট রপ্তানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। উৎপাদন ব্যাহত হলে নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহ নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হবে। দীর্ঘমেয়াদে এর ফলে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

জনতার কণ্ঠ / কেএম