সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১০ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

সৌদি আরবে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ৪২ ওমরাহযাত্রীর মৃত্যু

ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরবে মদিনা ও বাদরের মধ্যে মুফরাহথ এলাকায় একটি বাস এবং ট্যাংকার লরির সংঘর্ষের ঘটনায় ৪২ জন ওমরাহযাত্রী নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২০ জন নারী ও ১১ জন শিশু রয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন বেঁচে আছেন। নিহত সকলেই হায়দরাবাদের বাসিন্দা বলে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন। দুর্ঘটনার সময় বেশিরভাগ যাত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাসটি সংঘর্ষের পর আগুন ধরে যায়। এতে হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যায়।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্কর দুর্ঘটনার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, রিয়াধের রাষ্ট্রদূতাবাস এবং জেদ্দার কনসুলেট নিহতদের পরিবার এবং আহতদের সহায়তার জন্য কাজ করছে। তিনি নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত সেরে ওঠার প্রার্থনা করেন।

এ ঘটনায় জেদ্দার কনসুলেটে ২৪ ঘণ্টা একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

তেলাঙ্গানা মুখ্যমন্ত্রী রেভান্থ রেড্ডি দুর্ঘটনার বিষয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি প্রধান সচিব ও ডিজিপি-কে দ্রুত বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন। তেলাঙ্গানা সচিব ক. রামাকৃষ্ণ রাও দিল্লির কো-অর্ডিনেশন সচিব গৌরব উপ্পালের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং সচিবালয়ে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করে পরিস্থিতি মনিটরিং করার নির্দেশ দিয়েছেন।

হায়দরাবাদ এমপি আসাদউদ্দিন ওয়াইসি জানিয়েছেন, আহতদের চিকিৎসা ও নিহতদের দ্রুত দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়েও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তদারকি দাবি করা হচ্ছে।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট ওমরাহ অপারেটরদের সঙ্গে সমন্বয় করে ভারতীয় কনসুলেট ও কমিউনিটি স্বেচ্ছাসেবীরা হাসপাতালে ও দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘সোজা গুলি করার’ ওপেন নির্দেশনা দিয়ে রেখেছিল শেখ হাসিনা: চিফ প্রসিকিউটর

সৌদি আরবে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ৪২ ওমরাহযাত্রীর মৃত্যু

আপডেট টাইম : ১২:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

সৌদি আরবে মদিনা ও বাদরের মধ্যে মুফরাহথ এলাকায় একটি বাস এবং ট্যাংকার লরির সংঘর্ষের ঘটনায় ৪২ জন ওমরাহযাত্রী নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২০ জন নারী ও ১১ জন শিশু রয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন বেঁচে আছেন। নিহত সকলেই হায়দরাবাদের বাসিন্দা বলে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন। দুর্ঘটনার সময় বেশিরভাগ যাত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাসটি সংঘর্ষের পর আগুন ধরে যায়। এতে হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যায়।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্কর দুর্ঘটনার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, রিয়াধের রাষ্ট্রদূতাবাস এবং জেদ্দার কনসুলেট নিহতদের পরিবার এবং আহতদের সহায়তার জন্য কাজ করছে। তিনি নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত সেরে ওঠার প্রার্থনা করেন।

এ ঘটনায় জেদ্দার কনসুলেটে ২৪ ঘণ্টা একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

তেলাঙ্গানা মুখ্যমন্ত্রী রেভান্থ রেড্ডি দুর্ঘটনার বিষয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি প্রধান সচিব ও ডিজিপি-কে দ্রুত বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন। তেলাঙ্গানা সচিব ক. রামাকৃষ্ণ রাও দিল্লির কো-অর্ডিনেশন সচিব গৌরব উপ্পালের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং সচিবালয়ে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করে পরিস্থিতি মনিটরিং করার নির্দেশ দিয়েছেন।

হায়দরাবাদ এমপি আসাদউদ্দিন ওয়াইসি জানিয়েছেন, আহতদের চিকিৎসা ও নিহতদের দ্রুত দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়েও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তদারকি দাবি করা হচ্ছে।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট ওমরাহ অপারেটরদের সঙ্গে সমন্বয় করে ভারতীয় কনসুলেট ও কমিউনিটি স্বেচ্ছাসেবীরা হাসপাতালে ও দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন।