দীর্ঘদিন পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন হলিউড তারকা জেনিফার লোপেজ । তার অভিনীত নতুন রোমান্টিক কমেডি সিনেমা ‘অফিস রোমান্স’ মুক্তির পরই নেটফ্লিক্সের বৈশ্বিক দর্শক তালিকায় এক নম্বরে উঠে এসেছে। মুক্তির প্রথম সপ্তাহে সিনেমাটি প্রায় ২ কোটি ৯ লাখ ভিউ অর্জন করেছে, যা এটিকে সপ্তাহের সবচেয়ে বেশি দেখা চলচ্চিত্রে পরিণত করেছে।
সিনেমাটিতে লোপেজ অভিনয় করেছেন জ্যাকি ক্রুজ নামের একটি এয়ারলাইন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর চরিত্রে। কর্মক্ষেত্রে প্রেম বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া এই করপোরেট প্রধানের জীবন বদলে যায় যখন প্রতিষ্ঠানে যোগ দেন নতুন আইন উপদেষ্টা ড্যানিয়েল ব্ল্যাঞ্চফ্লাওয়ার। চরিত্রটিতে অভিনয় করেছেন ব্রেট গোল্ডস্টেইন। দুজনের মধ্যে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা সম্পর্ককে কেন্দ্র করেই এগিয়ে যায় গল্প।
গল্পের পরিণতি অনেকটাই অনুমেয় হলেও দর্শকদের কাছে সিনেমাটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মূলত লোপেজ ও গোল্ডস্টেইনের প্রাণবন্ত রসায়নের কারণে। সমালোচকদের কেউ কেউ সিনেমাটিকে প্রচলিত রোমান্টিক কমেডির গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ বলে মন্তব্য করলেও দর্শকদের বড় একটি অংশ এটিকে উপভোগ্য বিনোদন হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘অফিস রোমান্স’-এর এই সাফল্য জেনিফার লোপেজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তার কয়েকটি সিনেমা প্রত্যাশিত সাড়া পায়নি। ফলে নতুন এই সিনেমার মাধ্যমে তিনি আবারও প্রমাণ করলেন যে রোমান্টিক কমেডি ঘরানায় তার জনপ্রিয়তা এখনো অটুট। নেটফ্লিক্সের বৈশ্বিক চার্টের শীর্ষে উঠে সিনেমাটি লোপেজের ক্যারিয়ারে নতুন গতি এনে দিয়েছে।
তবে জনপ্রিয়তার পাশাপাশি সমালোচনাও রয়েছে। কিছু সমালোচক মনে করছেন, কর্মক্ষেত্রের প্রেম নিয়ে সিনেমাটি নতুন কোনো বার্তা দেয়নি। তবু দর্শকদের আগ্রহ এবং নেটফ্লিক্সে শীর্ষস্থান দখল করে নেওয়া প্রমাণ করছে, ‘অফিস রোমান্স’ বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত স্ট্রিমিং কনটেন্টগুলোর একটি।

ড্র দিয়ে শুরু, ট্রফি দিয়ে শেষ—বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গল্প
- ক্রীড়া ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৭:০১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট ব্রাজিলের মিশন শুরু হয়ে গেছে। তবে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই মরক্কোর সঙ্গে ড্র করেছে সেলেসাওরা। ফলে হেক্সা মিশন নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হলেও ইতিহাস বলছে, এমন শুরু কোনোভাবেই শেষ কথা নয়। বরং অতীতের পরিসংখ্যানই দিচ্ছে সেলেসাওদের বড় স্বস্তি।
বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে উদ্বোধনী ম্যাচের চাপ সব সময়ই বেশি থাকে। প্রথম ম্যাচে পূর্ণ তিন পয়েন্ট না পেলে অনেকেই সেটিকে অশনি সংকেত হিসেবে দেখেন। তবে ফুটবল ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে, শুরুটা ধাক্কায় হলেও শেষটা হতে পারে গৌরবের।
শুরুর ধাক্কা সামলে যারা বিশ্বজয় করেছে, এক নজরে দেখে নেওয়া যাক সেই সোনালী ইতিহাস:
১. ইংল্যান্ড (১৯৬৬) নিজেদের মাটিতে আয়োজিত ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড তাদের উদ্বোধনী ম্যাচে উরুগুয়ের মুখোমুখি হয়েছিল। ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়। ঘরের মাঠের দর্শকদের প্রথম ম্যাচে হতাশ করলেও স্যার আলফ রামসের শিষ্যরা পরে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। গ্রুপ পর্ব পার করে নকআউটে বাজিমাত করে তারা। শেষ পর্যন্ত ফাইনালে পশ্চিম জার্মানিকে ৪-২ গোলে হারিয়ে ফুটবল ইতিহাসের একমাত্র বিশ্বকাপটি ঘরে তোলে থ্রি-লায়ন্সরা।
২. ইতালি (১৯৮২) বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে নাটকীয় ও অবিশ্বাস্য ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পটি ইতালির। ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে তারা একটি ম্যাচেও জিততে পারেনি! পোল্যান্ড (0-0), পেরু (১-১) এবং ক্যামেরুন (১-১ )—তিনটি ম্যাচই ড্র করে কেবল গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে কোনোমতে পরের রাউন্ডে উঠেছিল তারা। প্রথম ম্যাচের সেই ড্রয়ের ধাক্কা ভুলে নকআউট পর্বে পা রাখতেই খোলস বদলে ফেলে আজ্জুরিরা। একে একে আর্জেন্টিনা, দুর্দান্ত ব্রাজিল ও ফাইনালে পশ্চিম জার্মানিকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় তারা।
প্রথম ম্যাচে ধাক্কা খেয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আরও কিছু উদাহরণ: প্রথম ম্যাচে পয়েন্ট হারিয়েও যে বিশ্বকাপ জেতা যায়, তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ স্পেন (২০১০) এবং আর্জেন্টিনা (২০২২)। এই দুটি দল ড্র নয়, বরং নিজেদের প্রথম ম্যাচে যথাক্রমে সুইজারল্যান্ড (০-১) এবং সৌদি আরবের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারাই ট্রফি উঁচিয়ে ধরে।
এই বাস্তবতা মাথায় রাখলে ব্রাজিলের বর্তমান পরিস্থিতি খুব একটা হতাশার নয়। মরক্কোর বিপক্ষে ড্র দিয়ে শুরু করলেও সামনে পুরো টুর্নামেন্ট পড়ে আছে। ভুলগুলো শুধরে নিয়ে ছন্দে ফিরতে পারলেই হেক্সা মিশন এখনও অনেকটাই সম্ভব।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, প্রথম ম্যাচের ফলাফল নয়, আসল বিষয় হলো দল কত দ্রুত নিজেদের গুছিয়ে নিতে পারে। ব্রাজিল সেই পরীক্ষা এখনই দিচ্ছে।

আগ্নেয়গিরিতে দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল ইয়েমেনের ‘স্পাইডার-ম্যান’-এর
- আন্তর্জাতিক ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৬:৪২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ইয়েমেনের স্পাইডার-ম্যান’ নামে পরিচিত আল কা’কা বিন আনতার আগ্নেয়গিরির গহ্বরে পড়ে নিহত হয়েছেন। দড়ি বা নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়া পাহাড়ে আরোহণের সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
রোববার (১৪ জুন) গালফ নিউজের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ৩০ বছর বয়সী আল কা’কা বিন আনতার গত শুক্রবার ইয়েমেনের আল-ধালে প্রদেশের হারাধাত দামত আগ্নেয়গিরির খাড়া দেয়াল বেয়ে উঠছিলেন। এ সময় হঠাৎ তার হাত ফসকে গেলে তিনি প্রায় ১২০ মিটার গভীর পড়ে যান।
স্থানীয় প্রশাসন ও গণমাধ্যমের তথ্যমতে, দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজ শুরু হলেও দুর্গম পরিবেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে অভিযান জটিল হয়ে পড়ে।
প্রায় ২৪ ঘণ্টাব্যাপী উদ্ধার অভিযানের পর শনিবার সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা তার মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হন। উদ্ধারকর্মীদের খাড়া ভূখণ্ড, দুর্গম অবস্থান এবং গহ্বরের ভেতরের ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশের মধ্যে কাজ করতে হয়েছে।
আল কা’কা বিন আনতার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাহসী অভিযানের ভিডিও প্রকাশ করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। ইয়েমেনের বিভিন্ন পাহাড়, খাড়া পাথুরে দেয়াল ও আগ্নেয়গিরি এলাকায় তার ঝুঁকিপূর্ণ আরোহণের ভিডিও হাজারো দর্শককে আকৃষ্ট করেছিল।
বিশেষ করে দড়ি, হারনেস বা অন্য কোনো নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়াই খাড়া পাহাড়ে ওঠা এবং আগ্নেয়গিরির গহ্বরে নামার ভিডিও তাঁকে ‘ইয়েমেনের স্পাইডার-ম্যান’ হিসেবে পরিচিতি এনে দেয়।
স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, মরদেহ উদ্ধারে বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছিল। তাদের সঙ্গে আলো ও পানি-উদ্ধার সরঞ্জামও ব্যবহার করা হয়, যাতে দুর্গম স্থানে পৌঁছানো সম্ভব হয়।
তার মৃত্যুর খবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকের ছায়া নেমে আসে। অনুসারীরা তার সাহস, দুঃসাহসিক মানসিকতা ও অভিযানের প্রতি ভালোবাসার প্রশংসা করেছেন।

‘নেইমারদের অপহরণ করবে ভিনগ্রহবাসী’,নারী গণকের ভবিষ্যদ্বাণী
- ক্রীড়া ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৬:৪০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলে ব্রাজিলের শুরুটা মোটেই আশানুরূপ হয়নি। গ্রুপ ‘সি’- এর প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে পয়েন্ট হারিয়েছে সেলেসাওরা।
মাঠের এই নড়বড়ে পারফরম্যান্সের মধ্যেই এবার মাঠের বাইরে থেকে এলো এক অদ্ভুত ও আতঙ্কের খবর। ব্রাজিলেরই এক নারী ভবিষ্যদ্বক্তা (গণক) দাবি করেছেন, আগামী ২৪ জুন স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালীন ভিনগ্রহবাসীরা (এলিয়েন) আক্রমণ করতে পারে, যা ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযানকে পুরোপুরি বিপর্যস্ত করে দেবে!
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অনুসারীদের উদ্দেশে কান্নাভেজা কণ্ঠে ভো বাহিয়ানা নামের ওই নারী গণক বলেন, বন্ধুরা, আমার এটা বলতেই হচ্ছে যে, আমি স্বপ্নে দেখেছি ভিনগ্রহবাসীরা মিয়ামির স্টেডিয়ামে হানা দিয়েছে। আমি পরিষ্কার দেখেছি, প্রথম যে মহাকাশযানটি এসেছিল, সেটি মাঠ থেকে খেলোয়াড়দের অপহরণ করে নিয়ে যাচ্ছে। এমনকি যানটি যখন আকাশের দিকে উঠছিল, তখন আমিও সেটির ভেতরে বন্দি ছিলাম। এর কিছুক্ষণ পর আরও বিশাল একটি বড় আকৃতির মহাকাশযান আসে এবং স্টেডিয়ামে থাকা হাজার হাজার দর্শককে তুলে নিয়ে যায়। নিজের এই দুঃস্বপ্ন নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কিত বাহিয়ানা।
তিনি আরও বলেন, ‘চারিদিকে শুধু মানুষের চিৎকার, কান্না আর হাহাকার দেখেছি আমি। সত্যি বলতে, আমি ভীষণ ভয় পেয়েছি কারণ এই একই স্বপ্ন আমি দ্বিতীয়বারের মতো দেখলাম। আমার মন বলছে, আগামী ২৪ জুন মিয়ামির ওই স্টেডিয়ামে খুব ভয়ানক কিছুই ঘটতে যাচ্ছে।’
উল্লেখ্য, আগামী ২৪ জুন দিনগত রাত ৪টায় যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে গ্রুপ পর্বের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার কথা রয়েছে ব্রাজিল ও স্কটল্যান্ডের।
আগের ম্যাচগুলোতে গ্যালারিতে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় থাকায়, এই ম্যাচটিতেও স্টেডিয়ামে কানায় কানায় দর্শক পূর্ণ থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে মাঠের ফুটবলের চেয়ে এখন এই রহস্যময় ও অদ্ভুত ভবিষ্যদ্বাণী নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা বেশি চলছে।

‘ফার্মগেট’ ইস্যুতে চাপের মুখে আদালতে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট
- আন্তর্জাতিক ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৬:৩১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা ‘ফার্মগেট’ কেলেঙ্কারি নিয়ে তার বিরুদ্ধে শুরু হতে যাওয়া পার্লামেন্টের অভিশংসন তদন্ত প্রক্রিয়া ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। শনিবার (১৩ জুন) এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
শুক্রবার দাখিল করা আদালতের নথি অনুযায়ী, রামাফোসা চান তার বিরুদ্ধে গঠিত স্বাধীন তদন্ত প্যানেলের অসদাচরণের অভিযোগ-সংক্রান্ত প্রতিবেদনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা পৃথক মামলার নিষ্পত্তি আগে হওয়ার পরই কেবল অভিশংসন প্রক্রিয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক।
‘ফার্মগেট’ কেলেঙ্কারির সূত্রপাত ২০২০ সালে। ওই সময় রামাফোসার খামারের একটি সোফার ভেতরে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ চুরি হয়ে যায়। প্রেসিডেন্টের দাবি, চুরি হওয়া প্রায় ৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার মহিষ বিক্রির অর্থ ছিল। তবে এত বড় অঙ্কের টাকা কেন আসবাবপত্রের ভেতরে রাখা হয়েছিল এবং তা যথাযথভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল কি না এ নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন ওঠে।
রামাফোসা শুরু থেকেই কোনো ধরনের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
গত মাসে আফ্রিকার সাংবিধানিক আদালত রায় দিয়ে প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবিত করে। আদালত জানায়, ২০২২ সালে পার্লামেন্টে অনুষ্ঠিত ভোটের মাধ্যমে তদন্ত প্রক্রিয়া বন্ধ করার সিদ্ধান্তটি বৈধ ছিল না।
রামাফোসার বিরুদ্ধে স্বাধীন প্যানেলের প্রতিবেদনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা মামলার শুনানি আগামী ২ থেকে ৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বর্তমানে ৭৩ বছর বয়সী রামাফোসা ২০১৮ সাল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার দ্বিতীয় মেয়াদ ২০২৯ সালে শেষ হওয়ার কথা।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই এবং ক্ষমতাসীন আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (এএনসি)-এর ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসা রামাফোসার জন্য ‘ফার্মগেট’ কেলেঙ্কারি বড় ধরনের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, অভিশংসন প্রক্রিয়া শেষ পর্যন্ত পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে গড়ালেও রামাফোসা তা থেকে রক্ষা পেতে পারেন। তার দল এএনসি এবং জোটসঙ্গীদের সমর্থন থাকায় তাকে অপসারণ করা কঠিন হবে বলে মনে করছেন তারা।
অতি দ্রুতই বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৬:২২:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

আমাদের এইচএসসি সিঙ্গাপুরের ষষ্ঠ শ্রেণির সমান
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৬:১০:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
বাংলাদেশের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) শিক্ষাকে সিঙ্গাপুরে ষষ্ঠ শ্রেণির সঙ্গে তুলনা করা হয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। বিগত ২০ বছরের অবহেলায় দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এমন শোচনীয় দশা হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
রোববার (১৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
বক্তব্যের শুরুতেই নতুন বাজেটকে জনগণবান্ধব এবং আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারেই পরিষ্কার ছিল যে শিক্ষা খাতকে জাতির সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হবে। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান এবং অর্থমন্ত্রী প্রথম থেকেই পরিষ্কার করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় দেশ ও জাতির সামনে এবারই প্রথম দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় বিনিয়োগের অংশ হিসেবে সামগ্রিক শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বড় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বিশেষ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাতকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে একে পুরোপুরি ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিগত ২০ বছরের শিক্ষা ব্যবস্থার সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষায় অরাজকতার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষায় অনেক শিক্ষার্থী পাস পর্যন্ত করতে পারে না। সিঙ্গাপুরে আমাদের দেশের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) লেভেলকে তাদের ষষ্ঠ শ্রেণির সমমান হিসেবে তুলনা করা হয়।
এ অবস্থা থেকে উত্তরণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রাথমিক শিক্ষার কারিকুলাম, শিক্ষকদের মানোন্নয়ন, অবকাঠামো এবং প্রশাসনসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে বড় ধরনের সংস্কারের হাত দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার যখন সঠিক শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রাথমিকে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণি থেকেই খেলাধুলা, স্পোর্টস এবং কালচার বা সাংস্কৃতিক কারিকুলাম অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা শুরু করেছে, তখন বিরোধীদের কেউ কেউ এ নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চালাচ্ছেন। অথচ এই বিরোধী শিবিরেরই অনেকে অতীতে নারী সংসদ সদস্যদের নিয়ে এমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন যা ভদ্র সমাজে উচ্চারণ করা যায় না। একই নোংরা মনোভাব থেকে তারা এখন অপপ্রচার চালাচ্ছেন যে সাংস্কৃতিক শিক্ষা নাকি সন্তানদের ভুল পথে নিয়ে যাবে।
অতীতে শিক্ষা খাতে জিডিপির ১ দশমিক ৩ বা ১ দশমিক ৪ শতাংশ বরাদ্দ থাকলেও এবার তা বৃদ্ধি করে ২ শতাংশ করা হয়েছে এবং আগামী দিনগুলোতে এটি পর্যায়ক্রমে ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি নীতিতে পরিবর্তনের আভাস
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৬:০১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলির দায়িত্ব এখন থেকে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর শেরাটন হোটেলে ইউনিসেফ আয়োজিত এক কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে গঠিত কমিটির কাছে শিক্ষকরা বদলির আবেদন জমা দেবেন। সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো প্রতি মাসে একবার সভা করে আবেদনগুলো পর্যালোচনা করবে এবং বদলি অনুমোদন দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি বলেন, শিক্ষকদের বদলি ঘিরে বিগত দিনে বড় একটা সিন্ডিকেট বা করাপশনের (দুর্নীতি) জায়গা তৈরি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে এটাতে নজর দিয়েছেন। আমাদের শিক্ষামন্ত্রী এখানে আছেন, আমরা সবাই মিলে নতুন পলিসি গ্রহণ করেছি যে প্রাথমিকে…মাধ্যমিকেও; কিন্তু শুধু প্রাথমিক নিয়ে কথা বলবো। প্রাথমিকে টিচার্স ট্রান্সফার (শিক্ষক বদলি) এটা লোকালাইজ (স্থানীয়) করে দেওয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, লোকাল টিম গঠন করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে ইউএনওর নেতৃত্বে সেখানে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষার অফিসার থাকবেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার থাকবেন। এরকম চারজন সদস্য ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। তারা মাসে একবার বসবেন। ওই মাসে যতগুলো রিকোয়েস্ট (আবেদন) আসবে, সেগুলো রিভিউ করে তারা সিদ্ধান্ত নেবেন যে ট্রান্সফার অ্যালাউ (বদলি অনুমোদন) করবেন, কি করবেন না।
তিনি আরও বলেন, ‘সেইম (একই) জিনিসটা ডিসির অধীনে জেলা পর্যায়েও করা হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনারের আন্ডারে ডিভিশন লেভেলে করা হয়েছে। এটা করে করাপশনের (দুর্নীতি) সব জায়গাগুলোকে আমরা বন্ধ করে দিতে চাই’।
‘ভ্যালিডেশন ওয়ার্কশপ অন দ্য বাংলাদেশ এডুকেশন সেক্টর অ্যানালাইসিস (ইএসএ)’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এতে শিক্ষাবিদ ও ইউনিসেফের কান্ট্রি ডিরেক্টরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
আগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষকদের বদলির জন্য নির্দিষ্ট সময় ঠিক করা ছিল। সে সময়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে আবেদন চাওয়া হতো। প্রথমে উপজেলা থেকে উপজেলা; তারপর জেলা থেকে জেলা এবং বিভাগ থেকে বিভাগ পর্যায়ে পর্যায়ক্রমে আবেদন নেওয়া হতো।
অনলাইনে এসব আবেদন করার পর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তা যাচাই করে ফরোয়ার্ড করতেন। পরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হয়ে তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আসতো। অধিদপ্তর চূড়ান্ত অনুমোদন দিলে বদলি অনুমোদিত হতো।


বিনোদন ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম 














































































2 thoughts on “‘অফিস রোমান্স’ দিয়ে ক্যারিয়ারে নতুন উত্থান জেনিফারের”