সিরাজগঞ্জ , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

তৃতীয় টি-টোয়েন্টির আগে সামাজিক মাধ্যমে উত্তাপ ছড়ালেন হোপ-গিল

গোহাটিতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ভারতের রেকর্ড গড়ে ম্যাচ জেতার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে শুভমান গিল লিখেছিলেন- ‘৪০৬? কুল!’ (৪০৬? ব্যাপার না!)। ঠিক ৯ দিন পর রাঁচিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ২৫০ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করে জয় ছিনিয়ে নেওয়ার পর শাই হোপের পাল্টা জবাব- ‘২৫০? কুল!’।

 

 

 

 

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই বাগ্‌যুদ্ধ ও রসিকতার আড়ালে মূলত ফুটে উঠেছে চলতি সিরিজের ব্যাটিং-বান্ধব কন্ডিশনের আসল চিত্র। ফ্ল্যাট উইকেটে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের রানের জোয়ার থামাতে ঘাম ঝরাতে হচ্ছে বোলারদের। ইন্দোরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পরের ম্যাচেও যে আরেকটি হাই-স্কোরিং থ্রিলার অপেক্ষা করছে, তা বলাই বাহুল্য।

 

 

 

 

লক্ষ্ণৌতে শ্রেয়াস আইয়ারের অপরাজিত ১০২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ৮ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছিল ভারত। এরপরই রাঁচিতে শাই হোপের অপরাজিত দুর্দান্ত শতকে ভর করে বিশাল লক্ষ্য তাড়া করে সমতায় ফেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম ৬ ওভারের মধ্যে ৩ উইকেট হারানোর পরও ২৫০ রান তাড়া করে জেতা নিশ্চয়ই ক্যারিবীয়দের মনোবল বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। অন্যদিকে, বড় লক্ষ্য দেওয়ার পরও তা ডিফেন্ড করতে না পারার দুর্বলতা ভাবাচ্ছে স্বাগতিক ভারতকে।

 

 

ভারতের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর ব্যাট ও বলের সঠিক ভারসাম্যের ওপর জোর দিয়েছেন। প্রতিকূল কন্ডিশনেও প্রতিপক্ষের ব্যাটিং স্তম্ভে কীভাবে লাগাম টানা যায়, বোলারদের সেই পথ খোঁজার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

দুটি দলের জন্যই বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্যাচিং ও ফিল্ডিংয়ের চরম অসাবধানতা। ২০২৫ সালের শুরু থেকে হিসাব করলে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পূর্ণসংখ্যার দলগুলোর মধ্যে ক্যাচ ধরে রাখার হারে সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা দলগুলোর তালিকায় রয়েছে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

 

 

রাঁচিতে শেরফেন রাদারফোর্ডের ক্যাচ মিস করার মাশুল ভালোভাবেই গুনতে হয়েছে ভারতকে। বাঁহাতি এই ব্যাটার ৩৭ বলে ৮৪ রানের এক প্রলয়ংকারী ইনিংস খেলে ম্যাচ ছিনিয়ে নেন।

 

 

 

 

 

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সাল থেকে পূর্ণ সদস্যের দলগুলোর মধ্যে ফিল্ডিংয়ের অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডে সবার ওপরে রয়েছে ভারত। এই সময়ে সর্বোচ্চ ৭৯টি ক্যাচ মিস, সবচেয়ে বেশি ১৬৮টি মিসফিল্ড, যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১০টি ওভারথ্রো, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪টি স্টাম্পিং মিস এবং ৯৫টি রান-আউটের সুযোগ হাতছাড়া করেছে তারা- যা ফিল্ডিংয়ে তাদের চরম শৃঙ্খলার অভাবকেই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তৃতীয় টি-টোয়েন্টির আগে সামাজিক মাধ্যমে উত্তাপ ছড়ালেন হোপ-গিল

আপডেট টাইম : ১০:৫৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

গোহাটিতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ভারতের রেকর্ড গড়ে ম্যাচ জেতার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে শুভমান গিল লিখেছিলেন- ‘৪০৬? কুল!’ (৪০৬? ব্যাপার না!)। ঠিক ৯ দিন পর রাঁচিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ২৫০ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করে জয় ছিনিয়ে নেওয়ার পর শাই হোপের পাল্টা জবাব- ‘২৫০? কুল!’।

 

 

 

 

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই বাগ্‌যুদ্ধ ও রসিকতার আড়ালে মূলত ফুটে উঠেছে চলতি সিরিজের ব্যাটিং-বান্ধব কন্ডিশনের আসল চিত্র। ফ্ল্যাট উইকেটে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের রানের জোয়ার থামাতে ঘাম ঝরাতে হচ্ছে বোলারদের। ইন্দোরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পরের ম্যাচেও যে আরেকটি হাই-স্কোরিং থ্রিলার অপেক্ষা করছে, তা বলাই বাহুল্য।

 

 

 

 

লক্ষ্ণৌতে শ্রেয়াস আইয়ারের অপরাজিত ১০২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ৮ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছিল ভারত। এরপরই রাঁচিতে শাই হোপের অপরাজিত দুর্দান্ত শতকে ভর করে বিশাল লক্ষ্য তাড়া করে সমতায় ফেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম ৬ ওভারের মধ্যে ৩ উইকেট হারানোর পরও ২৫০ রান তাড়া করে জেতা নিশ্চয়ই ক্যারিবীয়দের মনোবল বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। অন্যদিকে, বড় লক্ষ্য দেওয়ার পরও তা ডিফেন্ড করতে না পারার দুর্বলতা ভাবাচ্ছে স্বাগতিক ভারতকে।

 

 

ভারতের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর ব্যাট ও বলের সঠিক ভারসাম্যের ওপর জোর দিয়েছেন। প্রতিকূল কন্ডিশনেও প্রতিপক্ষের ব্যাটিং স্তম্ভে কীভাবে লাগাম টানা যায়, বোলারদের সেই পথ খোঁজার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

দুটি দলের জন্যই বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্যাচিং ও ফিল্ডিংয়ের চরম অসাবধানতা। ২০২৫ সালের শুরু থেকে হিসাব করলে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পূর্ণসংখ্যার দলগুলোর মধ্যে ক্যাচ ধরে রাখার হারে সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা দলগুলোর তালিকায় রয়েছে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

 

 

রাঁচিতে শেরফেন রাদারফোর্ডের ক্যাচ মিস করার মাশুল ভালোভাবেই গুনতে হয়েছে ভারতকে। বাঁহাতি এই ব্যাটার ৩৭ বলে ৮৪ রানের এক প্রলয়ংকারী ইনিংস খেলে ম্যাচ ছিনিয়ে নেন।

 

 

 

 

 

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সাল থেকে পূর্ণ সদস্যের দলগুলোর মধ্যে ফিল্ডিংয়ের অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডে সবার ওপরে রয়েছে ভারত। এই সময়ে সর্বোচ্চ ৭৯টি ক্যাচ মিস, সবচেয়ে বেশি ১৬৮টি মিসফিল্ড, যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১০টি ওভারথ্রো, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪টি স্টাম্পিং মিস এবং ৯৫টি রান-আউটের সুযোগ হাতছাড়া করেছে তারা- যা ফিল্ডিংয়ে তাদের চরম শৃঙ্খলার অভাবকেই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।