সিরাজগঞ্জ , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শীর্ষ ৭ পুলিশ কর্মকর্তার বদলি-পদায়ন, নতুন দায়িত্বে যারা Logo বড়দিনের জন্য ২ কোটি টাকা চেয়েছিল অনুদান, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি Logo শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের Logo শ্রমিক আন্দোলনের লক্ষ্য সরকারকে বেকায়দায় ফেলা: হাতেম Logo বিপ্লব ও সংহতি দিবসের পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগে যুবক আটক Logo ঢাকা-দাম্মাম ফ্লাইট চালুর সময় ঘোষণা, স্থগিতই থাকছে রিয়াদ রুট Logo ৫০ কোটি মানুষকে দারিদ্র্যমুক্ত করল ভারত, পেছনে কী কৌশল? Logo ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ, ৪০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি পাকিস্তানের Logo গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন কমিশনার আশিক সাঈদ Logo এআইইউবিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ জয় ড্যাফোডিলের

মাগুরায় যুবদল নেতার মৃত্যু, মাথার পেছনে রহস্যজনক ক্ষত

নিহত সাকের হোসেন।

মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তার মাথার পেছনে একটি ছিদ্র পাওয়া গেছে। স্বজনদের অভিযোগ, তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তবে ছিদ্রটি গুলির কি না তা নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে শহরের পারনান্দুয়ালী বাসটার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

 

 

 

নিহত সাকের হোসেন মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালী বেপারীপাড়া এলাকার মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে। তিনি পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। পাশাপাশি মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে কাউন্টার মাস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

 

 

 

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো বুধবার ভোরে রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে গিয়েছিলেন সাকের হোসেন। একপর্যায়ে কাউন্টারে তাকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তাকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় তার মাথার পেছনে একটি ছিদ্রের চিহ্ন দেখতে পান চিকিৎসক। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

 

মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসক মাইনুল হাসান জানান, বুধবার ভোরে কয়েকজন ব্যক্তি সাকের হোসেনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায়, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তার মাথার পেছনে ছিদ্রের চিহ্ন পাওয়ায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। বর্তমানে তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

এদিকে, সাকের হোসেনকে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার স্বজন ও স্থানীয়রা। তবে তাদের এ দাবির বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। নিহত সাকের হোসেনের বিরুদ্ধে বিগত ১৭ বছরে বিভিন্ন সময়ে ১০টি রাজনৈতিক মামলা ছিল বলে জানা গেছে।

 

 

 

এ বিষয়ে মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বলেন, বুধবার সকালে যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মাথার পেছনে একটি ছিদ্রের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। আলামত সংগ্রহ করছি। সব বিষয়ে আমরা তদন্ত করছি। অচিরেই এই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন হবে।

এদিকে সাকের হোসেনের খুনিদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা। শহরের পারনান্দুয়ালী ঢাকারোড এলাকায় কয়েক ঘণ্টা যানচলাচল বন্ধ থাকলেও তা সড়কে আবার যানচলাচল শুরু হয়।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শীর্ষ ৭ পুলিশ কর্মকর্তার বদলি-পদায়ন, নতুন দায়িত্বে যারা

মাগুরায় যুবদল নেতার মৃত্যু, মাথার পেছনে রহস্যজনক ক্ষত

আপডেট টাইম : ১২:৫৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তার মাথার পেছনে একটি ছিদ্র পাওয়া গেছে। স্বজনদের অভিযোগ, তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তবে ছিদ্রটি গুলির কি না তা নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে শহরের পারনান্দুয়ালী বাসটার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

 

 

 

নিহত সাকের হোসেন মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালী বেপারীপাড়া এলাকার মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে। তিনি পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। পাশাপাশি মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে কাউন্টার মাস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

 

 

 

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো বুধবার ভোরে রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে গিয়েছিলেন সাকের হোসেন। একপর্যায়ে কাউন্টারে তাকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তাকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় তার মাথার পেছনে একটি ছিদ্রের চিহ্ন দেখতে পান চিকিৎসক। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

 

মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসক মাইনুল হাসান জানান, বুধবার ভোরে কয়েকজন ব্যক্তি সাকের হোসেনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায়, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তার মাথার পেছনে ছিদ্রের চিহ্ন পাওয়ায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। বর্তমানে তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

এদিকে, সাকের হোসেনকে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার স্বজন ও স্থানীয়রা। তবে তাদের এ দাবির বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। নিহত সাকের হোসেনের বিরুদ্ধে বিগত ১৭ বছরে বিভিন্ন সময়ে ১০টি রাজনৈতিক মামলা ছিল বলে জানা গেছে।

 

 

 

এ বিষয়ে মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বলেন, বুধবার সকালে যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মাথার পেছনে একটি ছিদ্রের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। আলামত সংগ্রহ করছি। সব বিষয়ে আমরা তদন্ত করছি। অচিরেই এই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন হবে।

এদিকে সাকের হোসেনের খুনিদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা। শহরের পারনান্দুয়ালী ঢাকারোড এলাকায় কয়েক ঘণ্টা যানচলাচল বন্ধ থাকলেও তা সড়কে আবার যানচলাচল শুরু হয়।