দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের বোঝা আরও ভারী হয়ে উঠেছে। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে (গত বছরের ডিসেম্বরের তুলনায়) ব্যাংকিং খাতে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
এর ফলে গত মার্চ শেষে মোট শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা, যা বিতরণকৃত মোট ঋণের ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর দেশের ৬১টি তফসিলি ব্যাংকের মোট শ্রেণিকৃত ঋণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা। যা ছিল ওই সময় পর্যন্ত বিতরণ করা ঋণের ৩০ দশমিক ৬০ শতাংশ।
মার্চ ২০২৬ শেষে তা ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশে ঠেকেছে।
অন্যদিকে, প্রকৃত খেলাপি ঋণ-এর হিসাব ধরলে, তিন মাসে তা ১৯ হাজার ২৭৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার ১০৫ কোটি টাকায়, যা মোট ঋণের ৩০ দশমিক ৯২ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতেই খেলাপি ঋণের হার সবচেয়ে বেশি।
রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংক: মার্চ ২০২৬ শেষে এই ব্যাংকগুলোর শ্রেণিকৃত ঋণের গ্রস হার দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ, যা গত ডিসেম্বরে ছিল ৪৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের হার ২৮ দশমিক ২৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩০ দশমিক ১১ শতাংশ হয়েছে।
বিশেষায়িত ব্যাংক: এই খাতে শ্রেণিকৃত ঋণের হার ৩৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশ।
বিদেশী ব্যাংক: বিদেশী ব্যাংকগুলো তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকলেও তাদের খেলাপি ঋণের হার ৪ দশমিক ৫১ শতাংশ থেকে সামান্য বেড়ে ৪ দশমিক ৮২ শতাংশ হয়েছে।
খেলাপি ঋণের বার্ষিক বা এক বছরের ব্যবধানের চিত্রটি আরও ভয়াবহ। গত মার্চ ২০২৫ ত্রৈমাসিকে ব্যাংকিং খাতে মোট শ্রেণিকৃত ঋণের গ্রস হার ছিল মাত্র ২৪.১৩ শতাংশ। অর্থাৎ, মাত্র এক বছরের ব্যবধানে দেশের ব্যাংক খাতে শ্রেণিকৃত ঋণের গ্রস হার ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।
খেলাপি ঋণ বাড়ার পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন ঘাটতিও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে । মার্চ ২০২৬ শেষে ব্যাংক খাতের মোট রক্ষিতব্য প্রভিশন ছিল ৪ লাখ ৬১ হাজার ৭১৪ কোটি টাকা, যার বিপরীতে ব্যাংকগুলো সংরক্ষণ করতে পেরেছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৯ কোটি টাকা। ফলে সামগ্রিক ব্যাংক খাতে প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ৬৬৫ কোটি টাকা।
গত ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে এই ঘাটতি ছিল ১ লাখ ৯১ হাজার ৪৪১ কোটি টাকা। অর্থাৎ, তিন মাসে প্রভিশন ঘাটতি বেড়েছে ১৪ হাজার ২২৩ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ ২০২৫ শেষে ব্যাংকিং খাতে বিতরণকৃত ঋণের স্থিতি ছিল ১৭ লাখ ৪১ হাজার ৯৯২ কোটি টাকা, যা মার্চ ২০২৬ এ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ, বিগত এক বছরে ঋণ বিতরণের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮২ হাজার ৬৭৬ কোটি টাকা বা ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
এই সময়ে সবচেয়ে বেশি ঋণ বেড়েছে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে (৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ) এবং সবচেয়ে কম বেড়েছে বিদেশী ব্যাংকগুলোতে (০.৯২ শতাংশ)।
২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।
আলজেরিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক ওসামা বেনবট, মেলভিন মাস্টিল, লুকা জিদান
ডিফেন্ডার আশরাফ আবাদা, রায়ান আইত-নুরি, জিনেদ্দিন বেলাইদ, রাফিক বেলঘালি, রামি বেনসেবাইনি, সামির শেরগুই, জাওয়েন হাদজাম, আইসা মান্দি, মোহামেদ তুগাই
মিডফিল্ডার হৌসেম আওয়ার, নাবিল বেনতালেব, হিচাম বুদাউই, ফারেস শাইবি, ইব্রাহিম মাজা, ইয়াসিন তিত্রাউই, রামিজ জেরুকি
ফরোয়ার্ড মোহামেদ আমুরা, নাধির বেনবুয়ালি, আদিল বুলবিনা, ফারেস ঘেদজেমিস, আমিন গুইরি, রিয়াদ মাহরেজ, আনিস হাজ মুসা।
আর্জেন্টিনা চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, জেরোনিমো রুলি, হুয়ান মুসো
ডিফেন্ডার নাহুয়েল মোলিনা, গনসালো মন্টিয়েল, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিওনার্দো বালের্দি, নিকোলাস ওতামেন্দি, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, ফাকুন্দো মেদিনা
মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, রদ্রিগো দে পল, জিওভানি লো সেলসো, এক্সেকিয়েল পালাসিওস, এনজো ফার্নান্দেস, ভ্যালেন্তিন বার্কো
ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ, লাউতারো মার্তিনেজ, থিয়াগো আলমাদা, নিকোলাস পাজ, নিকোলাস গনসালেস, জুলিয়ানো সিমিওনে, হোসে ম্যানুয়েল লোপেস।
অস্ট্রেলিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ, পল ইজ্জো, ম্যাথিউ রায়ান
ডিফেন্ডার আজিজ বেহিচ, জর্ডান বস, ক্যামেরন বার্গেস, আলেসান্দ্রো সিরকাতি, মিলোস ডেগেনেক, জেসন গেরিয়া, লুকাস হেরিংটন, জ্যাকব ইতালিয়ানো, হ্যারি সাউতার, কাই ট্রেউইন
মিডফিল্ডার ক্যামেরন ডেভলিন, আজদিন হ্রুস্টিচ, জ্যাকসন আরভিন, কনর মেটকাফ, পল ওকন-এংস্টলার, এইডেন ও’নিল
ফরোয়ার্ড নেস্টরি ইরানকুন্ডা, ম্যাথিউ লেকি, আওয়ার মাবিল, মোহামেদ তুরে, নিশান ভেলুপিল্লাই, ক্রিস্টিয়ান ভলপাটো, টেটে ইয়েঙ্গি।
অস্ট্রিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক প্যাট্রিক পেনৎস, আলেকজান্ডার শ্লাগার, ফ্লোরিয়ান উইগেলে
ডিফেন্ডার ডেভিড আফেনগ্রুবার, ডেভিড আলাবা, কেভিন ডানসো, মার্কো ফ্রিডল, ফিলিপ লিনহার্ট, ফিলিপ মভেনে, স্টেফান পসখ, আলেকজান্ডার প্রাস, মাইকেল সভোবোদা
মিডফিল্ডার ক্রিস্টফ বাউমগার্টনার, কার্নি চুকুয়েমেকা, ফ্লোরিয়ান গ্রিলিচ, কনরাড লাইমার, মার্সেল সাবিৎসার, জাভের শ্লাগার, রোমানো শ্মিড, আলেসান্দ্রো শপফ, নিকোলাস সাইভাল্ড, পল ভানার, প্যাট্রিক ভিমার
ফরোয়ার্ড মার্কো আরনাউটোভিচ, মাইকেল গ্রেগোরিচ, সাশা কালাইডজিচ।
বেলজিয়াম চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক থিবো কুর্তোয়া, সেনে ল্যামেন্স, মাইক পেন্ডার্স
ডিফেন্ডার টিমোথি কাস্তানিয়ে, জেনো ডেবাস্ট, ম্যাক্সিম ডে কুইপার, কোনি ডে উইন্টার, ব্র্যান্ডন মেখেলে, থমাস মুনিয়ে, নাথান এনগয়, জোয়াকিন সেইস, আর্থার থিয়াতে
মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনে, আমাদু ওনানা, নিকোলাস রাসকিন, ইউরি টিলেমান্স, হান্স ভানাকেন, অ্যাক্সেল উইটসেল
ফরোয়ার্ড চার্লস ডে কেতেলায়েরে, জেরেমি ডোকু, মাতিয়াস ফার্নান্দেজ-পার্দো, রোমেলু লুকাকু, দোদি লুকেবাকিও, দিয়েগো মোরেইরা, আলেক্সিস সালেমেকার্স, লিয়ান্দ্রো ত্রোসার্ড।
বসনিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক ওসমান হাজদিকিচ, নিকোলা ভাসিলজ, মার্টিন জ্লোমিসলিচ
ডিফেন্ডার নিদাল চেলিক, আমার দেদিচ, ডেনিস হাজদিকাদুনিচ, নিকোলা কাটিচ, সেয়াদ কোলাশিনাচ, তারিক মুহারেমোভিচ, নিহাদ মুজাকিচ, স্তিয়েপান রাদেলিয়িচ
মিডফিল্ডার কেরিম আলাইবেগোভিচ, এসমির বাইরাকতারেভিচ, ইভান বাসিচ, জেনিস বুরনিচ, আরমিনা গিগোভিচ, আমির হাজদিয়াহমেতোভিচ, এরমিন মাহমিচ, আমার মেমিচ, ইভান শুনজিচ, বেঞ্জামিন তাহিরোভিচ
ফরোয়ার্ড সামেদ বাজদার, এরমেদিন দেমিরোভিচ, এদিন জেকো, জোভো লুকিচ, হারিস তাবাকোভিচ।
ব্রাজিল চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক আলিসন, এদেরসন, ওয়েভারতন
ডিফেন্ডার আলেক্স সান্দ্রো, ব্রেমার, দানিলো, ডগলাস সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, ইবানিয়েজ, লেও পেরেইরা, মার্কিনিয়োস, ওয়েসলি
মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারায়েস, কাসেমিরো, দানিলো সান্তোস, ফাবিনিও, লুকাস পাকেতা
ফরোয়ার্ড এন্দ্রিক, গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি, ইগর থিয়াগো, লুইজ হেনরিকে, মাতেউস কুনিয়া, নেইমার জুনিয়র, রাফিনিয়া, রায়ান, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
কাবো ভার্দে চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক ভোজিনহা, মার্সিও রোজা, সি. জে. দোস সান্তোস
ডিফেন্ডার ডিনে বোর্হেস, সিডনি কাব্রাল, লোগান কস্তা, স্টিভেন মোরেরা, ওয়াগনার পিনা, জোয়াও পাওলো ফার্নান্দেস, রবার্তো ‘পিকো’ লোপেস, কেভিন পিরেস, ইআনিকে ‘স্টোপিরা’ তাভারেস
মিডফিল্ডার টেলমো আরকানজো, লারোস দুয়ার্তে, ডেরয় দুয়ার্তে, জামিরো মন্টেইরো, কেভিন পিনা, ইয়ানিক সেমেদো
ফরোয়ার্ড গিলসন বেনচিমল, জোভানে কাব্রাল, নুনো দা কস্তা, দাইলন লিভ্রামেন্তো, রায়ান মেন্দেস, গ্যারি রদ্রিগেস, উইলি সেমেদো, হেলিও ভেরেলা
কানাডা চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক ম্যাক্সিম ক্রেপো, ওয়েন গুডম্যান, ডেন স্ট. ক্লেয়ার
ডিফেন্ডার মোইসে বোম্বিতো, ডেরেক কর্নেলিয়াস, আলফনসো ডেভিস, লুক দ্য ফুয়েরোলেস, অ্যালিস্টার জনস্টন, আলফি জোন্স, রিচি লারিয়া, নিকো সিগুর, জোয়েল ওয়াটারম্যান
মিডফিল্ডার আলি আহমেদ, তাজন বুকানান, ম্যাথিউ চোইনিয়েরে, স্টিফেন ইউস্তাকিও, ইসমাইল কোনে, লিয়াম মিলার, জনাথন ওসোরিও, নাথান-ডিলান সালিবা, জ্যাকব শ্যাফেলবার্গ
ফরোয়ার্ড জনাথন ডেভিড, প্রমিস ডেভিড, সাইলে লারিন, তানি ওলুওসেয়ি
কলম্বিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক আলভারো মন্টেরো, কামিলো ভারগাস, ডেভিড ওসপিনা
ডিফেন্ডার ড্যানিয়েল মুনোজ, সান্তিয়াগো আরিয়াস, ডেভিনসন সানচেজ, জন লুকুমি, ইয়েরি মিনা, উইলার ডিটা, ডাইভার মাচাদো, জোহান মোকিকা
মিডফিল্ডার গুস্তাভো পুয়ের্তা, জেমস রদ্রিগেজ, জেফারসন লেরমা, জন আরিয়াস, হোর্হে কারাসকাল, হুয়ান ফার্নান্দো কিন্তেরো, রিচার্ড রিওস, কেভিন কাস্তানো, জামিনটন ক্যাম্পাজ, হুয়ান পোর্তিয়া
ফরোয়ার্ড লুইস দিয়াজ, লুইস সুয়ারেজ, জন কর্ডোবা, কার্লোস গোমেজ, হুয়ান কামিলো হের্নান্দেজ
কঙ্গো প্রজাতন্ত্র চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক লিওনেল ম্পাসি, থিমোথি ফায়ুলু, ম্যাথিয়ু এপোলো
ডিফেন্ডার শঁসেল এমবেম্বা, অ্যারন ওয়ান-বিসাকা, অ্যালেক্স তুয়ানজেবে, আর্থার মাসুয়াকু, জোরিস কায়েম্বে, স্টিভ কাপুয়াদি, অ্যারন তশিবালা, ডিলান বাতুবিনসিকা, গেদিওঁ কালুলু
মিডফিল্ডার নোয়া সাদিকি, স্যামুয়েল মুতুসামি, এদো কায়েম্বে, ন্যাঙ্গাল’আয়েল মুকাউ, চার্লস পিকেল, নাথানায়েল এমবুকু, ব্রায়ান সিপেঙ্গা, মেশাক এলিয়া, গায়েল কাকুতা
ফরোয়ার্ড থিও বংগোন্ডা, ফিস্টন মায়েলে, সেড্রিক বাকাম্বু, সিমন বানজা, ইয়োয়ানে উইসা
আইভরি কোস্ট চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক ইয়াহিয়া ফোফানা, মোহামেদ কোনে, আলবান লাফোঁ
ডিফেন্ডার এমমানুয়েল আগবাদু, ক্রিস্টোফার ওপেরি, ওসমান দিওমান্দে, গ্যুয়েলা দোয়ে, ঘিসলাঁ কোনান, ওডিলন কসুনু, উইলফ্রিড সিঙ্গো, ইভান এনডিক্কা
মিডফিল্ডার সেকো ফোফানা, পারফে গুইয়াগন, ক্রিস্ট ইনাওয়া ওলাই, ফ্রাঙ্ক কেসিয়ে, ইব্রাহিম সাঙ্গারে, জ্যাঁ-মিশেল সেরি
ফরোয়ার্ড সাইমন আদিংরা, আঞ্জ-ইয়োয়ান বনি, আমাদ দিওলো, ওমর দিয়াকিতে, ইয়ান দিওমান্দে, ইভান গুয়েসঁদ, নিকোলাস পেপে, বাজারমানা তুরে, এলিয়ে ওয়াহি
ক্রোয়েশিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক ডমিনিক লিভাকোভিচ, ডমিনিক কোটারস্কি, ইভর পান্দুর
ডিফেন্ডার ইয়োশকো গভার্দিওল, দুয়ে চালেতা-সার, ইয়োসিপ শুতালো, ইয়োসিপ স্তানিসিচ, মারিন পংরাচিচ, মার্টিন এরলিচ, লুকা ভুসকোভিচ
মিডফিল্ডার লুকা মদ্রিচ, মাতেও কোভাচিচ, মারিও পাসালিচ, নিকোলা ভ্লাসিচ, লুকা সুচিচ, মার্টিন বাতুরিনা, ক্রিস্তিয়ান ইয়াকিচ, পেতার সুচিচ, নিকোলা মোরো, টনি ফ্রুক
ফরোয়ার্ড ইভান পেরিসিচ, আন্দ্রেই ক্রামারিচ, আনে বুডিমির, মার্কো পাসালিচ, পেতার মুসা, ইগর মাতানোভিচ
কুরাসাও চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক টাইরিক বডাক, ট্রেভর ডুর্নবুশ, এলয় রুম
ডিফেন্ডার রিশেদলি বাজোয়ার, জোশুয়া ব্রেনেট, রোশন ভ্যান আইজমা, শেরেল ফ্লোরানুস, ডেভেরন ফোনভিল, জুরিয়েন গারি, আরমান্দো ওবিস্পো, শুরান্দি সাম্বো
মিডফিল্ডার জুনিনহো বাকুনা, লিয়ান্দ্রো বাকুনা, লিভানো কোমেনেনসিয়া, কেভিন ফেলিদা, আরজানি মার্থা, টাইরিস নসলিন, গডফ্রিড রোমেরাতোয়ে
ফরোয়ার্ড জেরেমি আন্তোনিসে, তাহিথ চং, কেনজি গোরে, সঁতিয়ে হ্যানসেন, জারভেন কাস্তানিয়ার, ব্র্যান্ডলি কুয়াস, জুর্গেন লোকাদিয়া, জার্ল মার্গারিথা
চেকিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক লুকাস হর্নিচেক, মাতেই কোভার, ইন্দ্রিখ স্তানার্ক
ডিফেন্ডার ভ্লাদিমির কৌফাল, ডেভিড দৌদেরা, তোমাশ হোলেশ, রবিন হ্রানাচ, স্তেপান চালৌপেক, ডেভিড জুরাসেক, লাদিস্লাভ ক্রেইচি, ইয়ারোস্লাভ জেলেনি, ডেভিড জিমা
মিডফিল্ডার পাভেল বুচা, লুকাস চের্ভ, ভ্লাদিমির দারিদা, তোমাশ লাদ্রা, লুকাস প্রোভোদ, মিখাল সাদিলেক, হুগো সোচুরেক, আলেক্সান্দ্র সোজকা, তোমাশ সউচেক, পাভেল শুলচ, ডেনিস ভিসিনস্কি
ফরোয়ার্ড আদাম হ্লোজেক, তোমাশ চোরি, ময়মির খিতিল, ক্রিস্তোফ কাবোঙ্গো, ইয়ান কুখতা, প্যাট্রিক শিক
ইকুয়েডর চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক হেরনান গালিন্দেস, গনসালো ভাল্লে, মোইসেস রামিরেস
ডিফেন্ডার পিয়েরো হিনকাপিয়ে, উইলিয়ান পাচো, পেরভিস এস্তুপিনিয়ান, অ্যাঞ্জেলো প্রেসিয়াদো, জোয়েল অর্দোনিয়েজ, ফেলিক্স তোরেস, জ্যাকসন পোরোজো, ইয়াইমার মেদিনা
মিডফিল্ডার মোইসেস কাইসেদো, অ্যালান ফ্রাঙ্কো, গনসালো প্লাতা, কেন্দ্রি পায়েস, পেদ্রো ভিতে, জর্ডি আলসিভার, ডেনিল কাস্তিলো, জন ইয়েবোয়া, নিলসন আঙ্গুলো, অ্যালান মিন্ডা
ফরোয়ার্ড এন্নার ভালেন্সিয়া, কেভিন রদ্রিগেজ, জর্ডি কাইসেদো, অ্যান্থনি ভালেন্সিয়া, জেরেমি আরেভালো
মিশর চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক মোহামেদ আলা, মোহামেদ এল শেনাওয়ি, মোস্তফা শোবেয়র, এল মাহদি সোলিমান
ডিফেন্ডার হোসাম আবদেলমাগিদ, মোহামেদ আবদেলমোনেম, তারেক আলা, আহমেদ ফাতহি, কারিম হাফেজ, মোহামেদ হানি, ইয়াসের ইব্রাহিম, রামি রাবিয়া
মিডফিল্ডার ইমাম আশুর, মারওয়ান আত্তিয়া, নাবিল এমাদ, হামদি ফাথি, হাইথাম হাসান, মোহান্নাদ লাশিন, মাহমুদ সাবের, মাহমুদ হাসান ট্রেজেগুয়েত, মোস্তফা জিকো, আহমেদ সাঈদ জিজো
ফরোয়ার্ড হামজা আবদুলকরিম, ইব্রাহিম আদেল, ওমর মারমুশ, মোহামেদ সালাহ
ইংল্যান্ড চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক ডিন হেন্ডারসন, জর্ডান পিকফোর্ড, জেমস ট্র্যাফোর্ড
ডিফেন্ডার ড্যান বার্ন, মার্ক গেহি, রিস জেমস, এজরি কনসা, টিনো লিভরামেন্টো, নিকো ও’রাইলি, জারেল কুয়ানসা, জেড স্পেন্স, জন স্টোনস
মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসন, জুড বেলিংহাম, এবেরেচি এজে, জর্ডান হেন্ডারসন, কোবি মাইনু, ডেক্লান রাইস, মরগান রজার্স
ফরোয়ার্ড অ্যান্থনি গর্ডন, হ্যারি কেইন, ননি মাদুয়েকে, মার্কাস র্যাশফোর্ড, বুকায়ো সাকা, ইভান টনি, ওলি ওয়াটকিন্স
ফ্রান্স চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক মাইক মেনিয়ান, রবিন রিসার, ব্রিস সাম্বা
ডিফেন্ডার লুকাস দিন্য, মালো গুস্তো, লুকাস হার্নান্দেজ, থিও হার্নান্দেজ, ইব্রাহিমা কোনাতে, জুল কুন্দে, ম্যাক্সেন্স লাক্রোয়া, উইলিয়াম সালিবা, দায়ো উপামেকানো
মিডফিল্ডার এন’গোলো কান্তে, মানু কোনে, আদ্রিয়েন রাবিও, অরেলিয়াঁ শুয়ামেনি, ওয়ারেন জায়ের-এমেরি
ফরোয়ার্ড মাগনেস আকলিউশ, ব্র্যাডলি বারকোলা, রায়ান শেরকি, উসমান দেম্বেলে, দেজিরে দুয়ে, জ্যঁ-ফিলিপ মাতেতা, কিলিয়ান এমবাপ্পে, মাইকেল ওলিসে, মার্কাস তুরাম
জার্মানি চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক অলিভার বাউমান, ম্যানুয়েল নয়্যার, আলেকজান্ডার নুবেল
ডিফেন্ডার ওয়াল্ডেমার আন্তন, নাথানিয়েল ব্রাউন, জশুয়া কিমিখ, ডেভিড রাউম, আন্তোনিও রুডিগার, নিকো শ্লটারবেক, জোনাথন তাহ, মালিক থিয়াও
মিডফিল্ডার নাদিয়েম আমিরি, লেওন গোরেটজকা, পাসকাল গ্রস, লেনার্ট কার্ল, জেমি লেভেলিং, জামাল মুসিয়ালা, ফেলিক্স এনমেচা, আলেকসান্দার পাভলোভিচ, লেরয় সানে, অ্যাঞ্জেলো স্টিলার, ফ্লোরিয়ান ভির্ট্জ
ফরোয়ার্ড ম্যাক্সিমিলিয়ান বায়ার, কাই হাভার্টজ, ডেনিজ উন্দাভ, নিক ভোল্টেমেড
ঘানা চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক লরেন্স আতি-জিগি, বেঞ্জামিন আসারে, সলোমন আগবাসি, জোসেফ আনাং, পল রেভারসন
ডিফেন্ডার জোনাস আদজেতে, আবদুল রহমান বাবা, আলেকজান্ডার দিকু, গিদেওন মেনসা, আবদুল মুমিন, জেরোম ওপোকু, কোজো পেপ্রা ওপং, আলিদু সেদু, মার্ভিন সেনায়া
মিডফিল্ডার অগাস্টিন বোয়াকি, আবদুল ফাতাউ, এলিশা ওয়ুসু, থমাস পার্টে, কওয়াসি সিবো, কামালদিন সুলেমানা, ক্যালেব ইয়িরেনকাই
ফরোয়ার্ড জর্ডান আয়েউ, ক্রিস্টোফার বোনসু বাহ, প্রিন্স কওয়াবেনা আদু, আর্নেস্ট নুয়ামা, আনতোয়ান সেমেনিও, ব্র্যান্ডন থমাস-আসান্তে, ইনাকি উইলিয়ামস
হাইতি চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক জোস্যু দুভেরজে, আলেক্সান্দ্রে পিয়ের, জনি প্লাসিদ
ডিফেন্ডার রিকার্দো আডে, কার্লেন্স আর্কুস, হানেস ডেলক্রোয়া, জঁ-কেভিন দুভের্নে, মার্টিন এক্সপেরিয়েন্স, ডিউক ল্যাক্রোয়া, উইলগুয়েন্স পোগাঁ, কেতো থেরমন্সি
মিডফিল্ডার কার্ল ফ্রেড সাঁত, জঁ-রিকনার বেলগার্দ, লেভারটন পিয়ের, ড্যানলি জাঁ জ্যাক, উডেনস্কি পিয়ের, ডমিনিক সাইমন
ফরোয়ার্ড জোস্যু কাসিমির, লুইসিয়াস ডিডসন, ডেরিক এত্যিয়েন জুনিয়র, ইয়াসিন ফর্চুন, উইলসন ইসিডর, লেনি জোসেফ, ডুকেন্স নাজঁ, ফ্রাঁৎসদি পিয়েরে, রুবেন প্রভিদঁস
ইরান চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ, হোসেইন হোসেইনি, পায়াম নিয়াজমান্দ
ডিফেন্ডার দানিয়াল ইরি, এহসান হাজসাফি, সালেহ হার্দানি, হোসেইন কানানি, শুজা খলিলজাদে, মিলাদ মোহাম্মাদি, আলি নেমাতি, রামিন রেজায়িয়ান
মিডফিল্ডার রৌজবেহ চেশমি, সাঈদ এজাতোলাহি, মেহদি ঘাইদি, সামান ঘোদ্দোস, মোহাম্মদ ঘোরবানী, আলিরেজা জাহানবাখশ, মোহাম্মদ মোহেবি, আমির মোহাম্মদ রাজাঘিনিয়া, মেহদি তারেমি, আরিয়া ইউসেফি
ফরোয়ার্ড আলি আলিপুর, ডেনিস দারঘাহি, আমিরহোসেইন হোসেইনজাদে, শাহরিয়ার মোগানলু, মেহদি তারেমি
ইরাক চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক আহমেদ বাসিল, জালাল হাসান, ফাহাদ তালিব
ডিফেন্ডার হুসেইন আলি, মেরচাস দোস্কি, আকাম হাসেম, ফ্রান্স পুট্রোস, মুস্তাফা সাদ্দুন, রেবিন সুলাকা, জায়েদ তাহসিন, আহমেদ ইয়াহইয়া, মানাফ ইউনিস
মিডফিল্ডার আমির আল-আম্মারি, ইউসুফ আমিন, ইব্রাহিম বায়েশ, মার্কো ফারজি, জিদান ইকবাল, জায়েদ ইসমাইল, আলি জাসিম, আহমেদ কাসিম, আইমার শের, কেভিন ইয়াকব
ফরোয়ার্ড মোহানাদ আলি, আইমেন হুসেইন, আলি আল-হামাদি, আলি ইউসেফ
জাপান চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক তোমোকি হায়াকাওয়া, কেইসুকে ওসাকো, জায়ন সুজুকি
ডিফেন্ডার কো ইটাকুরা, হিরোকি ইতো, ইউতো নাগাতোমো, আয়ুমু সেকো, ইউকিনারি সুগাওয়ারা, জুনোসুকে সুজুকি, শোগো তানিগুচি, টেকহিরো তমিয়াসু, তসুইয়োশি ওয়াতানাবে
মিডফিল্ডার রিতসু দোয়ান, ওয়াতারু এন্ডো, জুনিয়া ইতো, দাইচি কামাদা, তাকেফুসা কুবো, কেইতো নাকামুরা, কাইশু সানো, আও তানাকা
ফরোয়ার্ড কেইসুকে গোটো, দাইজেন মায়েদা, কোকি ওগাওয়া, কেন্তো শিওগাই, ইউইতো সুজুকি, আয়াসে উএদা
জর্ডান চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক ইয়াজিদ আবুলাইলাহ, আবদুল্লাহ আল ফাখুরি, আহমাদ আল জুয়াইদি, নূর বানী আত্তিয়া
ডিফেন্ডার মোহাম্মাদ আবু আলনাদি, ইউসুফ আবু আল জাজার, হুসাম আবু দাহাব, মোহাম্মাদ আবু হাশিশ, মোহান্নাদ আবু তাহা, ইয়াজান আল আরব, সাঈদ আল রোসান, আহমাদ আসসাফ, আনাস বাদাউই, আবদুল্লাহ নাসিব, ইহসান হাদ্দাদ, সালীম ওবাইদ, মোহাম্মাদ তাহা
মিডফিল্ডার মোহাম্মাদ আল দাউদ, নিযার আল রাশদান, নূর আল রাওয়াবদেহ, রাজাই আয়েদ, আমের জামুস, ইউসুফ কাশী, ইব্রাহিম সাদেহ
ফরোয়ার্ড মোহাম্মাদ আবু জুরাইক, মুসা আল তামারি, আলি আজাইজা, ওদেহ ফাখুরি, আলি ওলওয়ান, ইব্রাহিম সাবরা
দক্ষিণ কোরিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক সঙ বুমগিউন, জো হিউনউ, কিম সেউং-গিউ
ডিফেন্ডার জেন্স কাস্ত্রোপ, লি হানবেম, পার্ক জিনসিওব, লি কিহিউক, কিম মিন-জে, কিম মুনহোয়ান, কিম তায়েহিউন, লি তাইসোক, সল ইয়ংউ, চো উইজে
মিডফিল্ডার লি ডংগিয়ং, হোয়াং হি-চান, ইয়াং হিউনজুন, হোয়াং ইনবিওম, লি জায়েসুং, কিম জিনগিউ, উম জিসুং, বে জুনহো, লি কাং-ইন, প্যাক সেউংহো
ফরোয়ার্ড চো গিউসুং, সন হিউং-মিন, ও হিয়নগিউ
মেক্সিকো চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক কার্লোস আসেভেদো, গিয়েরমো ওচোয়া, রাউল রাঙ্গেল
ডিফেন্ডার এডসন আলভারেজ, মাতেও চাভেজ, হেসুস গালিয়ার্দো, সেসার মন্তেস, ইসরায়েল রেয়েস, হোর্হে সানচেজ, জোহান ভাসকেস
মিডফিল্ডার লুইস চাভেজ, আলভারো ফিদালগো, ব্রায়ান গুতিয়েরেস, এরিক লিরা, গিলবার্তো মোরা, লুইস রোমো, ওর্বেলিন পিনেদা, ওবেদ ভার্গাস
ফরোয়ার্ড রবার্তো আলভারাদো, সান্তিয়াগো হিমেনেস, আরমান্দো গনসালেস, সেসার উয়ার্তা, রাউল হিমেনেস, গিয়েরমো মার্টিনেস, হুলিয়ান কুইনোনেস, আলেক্সিস ভেগা
মরক্কো চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনু, মুনির এল কাজুই, রেদা তাগনাউতি
ডিফেন্ডার নুসাইর মাজরাউই, আনাস সালাহ-এদ্দিন, ইউসুফ বেলামারি, আচরাফ হাকিমি, জাকারিয়া এল ওয়াহদি, নায়েফ আগুয়ের্ড, চাদি রিয়াদ, রেদোয়ান হালহাল, ইসা দিয়োপ
মিডফিল্ডার সামির এল মরাবেত, আয়্যুব বোউআদি, নীল এল আয়নাউই, সোফিয়ান আম্রাবাত, আজজেদিন উনাহি, বিলাল এল খান্নুস, ইসমাইল সাইবারি
ফরোয়ার্ড আবদে এজালজুলি, শেমসদিন তালবি, সুফিয়ান রহিমি, আয়্যুব এল কাবি, ব্রাহিম দিয়াজ, গেসিম ইয়াসিন, আয়ুব আমাইমুনি
নেদারল্যান্ডস চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক মার্ক ফ্লেকেন, রবিন রোয়েফস, বার্থ ফারব্রুগেন
ডিফেন্ডার নাথান আক, ডেনজেল ডামফ্রিস, জোরেল হাটো, জুরিয়েন টিম্বার, ইয়ান পল ভ্যান হেক, ভার্জিল ভ্যান ডাইক, মিকি ভ্যান ডে ভেন
মিডফিল্ডার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং, মার্টেন ডে রুন, রায়ান গ্রাভেনবার্খ, টেইন কুপমেইনার্স, তিজানি রেইনডার্স, গুস টিল, কুইন্টেন টিম্বার, ম্যাটস উইফার
ফরোয়ার্ড ব্রায়ান ব্রোবি, মেমফিস ডিপাই, কোডি গাকপো, জাস্টিন ক্লুইভার্ট, নোয়া ল্যাং, ডনিয়েল মালেন, ক্রেসেনসিও সামারভিল, ওউট ভেগহর্স্ট
নিউজিল্যান্ড চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক ম্যাক্স ক্রোকম্ব, অ্যালেক্স পলসেন, মাইকেল উড
ডিফেন্ডার টাইলার বিন্ডন, মাইকেল বক্সঅল, লিবারাতো কাকাচে, ফ্রান্সিস দে ভ্রিস, ক্যালান এলিয়ট, টিম পেইন, ন্যান্ডো পাইনাকার, টমি স্মিথ, ফিন সারম্যান
মিডফিল্ডার ল্যাচলান বেইলিস, জো বেল, ম্যাট গারবেট, এলি জাস্ট, ক্যালাম ম্যাককাওয়াট, বেন ওল্ড, অ্যালেক্স রুফার, মার্কো স্ট্যামেনিচ, স্যারপ্রিত সিং, রায়ান থমাস
ফরোয়ার্ড কোস্টা বারবারোসেস, জেসি র্যান্ডাল, বেন ওয়েইন, ক্রিস উড
নরওয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক অরিয়ান হাস্কিয়োল্ড নাইল্যান্ড, এগিল সেলভিক, সান্ডার ট্যাংভিক
ডিফেন্ডার ক্রিস্টোফার ভাসবাক আয়ের, ফ্রেডরিক বিয়র্কান, হেনরিক ফালকেনার, সন্ড্রে ল্যাংগাস, তোরবিয়র্ন হেগগেম, মার্কুস হোমগ্রেন পেদারসেন, জুলিয়ান রাইয়েরসন, ডেভিড মোলার উলফ, লেও অস্টিগার্ড
মিডফিল্ডার থেলোনিয়াস আসগার্ড, ফ্রেডরিক অউরেস্নেস, প্যাট্রিক বার্গ, সান্ডার বার্গে, অস্কার বব, জেন্স পেটার হাউগে, আন্তোনিও নুসা, আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ, মর্টেন থর্সবাই, ক্রিস্টিয়ান থর্স্টভেড্ট, মার্টিন ওডেগার্ড
ফরোয়ার্ড এরলিং হালান্ড, জর্গেন স্ট্র্যান্ড লারসেন, আলেকসান্ডার সোরলোথ
পানামা চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক অরল্যান্ডো মস্কেরা, লুইস মেহিয়া, সিজার সামুডিও
ডিফেন্ডার সিজার ব্ল্যাকম্যান, হোর্হে গুতিয়েরেস, আমির মুরিলো, ফিদেল এসকোবার, আন্দ্রেস আন্দ্রাদে, এদগার্দো ফারিনা, হোসে কর্ডোবা, এরিক ডেভিস, জিওভানি রামোস, রডেরিক মিলার
মিডফিল্ডার আনিবাল গোদয়, আদালবের্তো কারাসকিয়া, কার্লোস হার্ভে, ক্রিস্টিয়ান মার্টিনেস, হোসে লুইস রদ্রিগেজ, সিজার ইয়ানিস, ইয়োয়েল বার্সেনাস, আলবের্তো কুইন্টারো, আজারিয়াস লন্ডোনো
ফরোয়ার্ড ইসমাইল দিয়াজ, সেসিলিও ওয়াটারম্যান, হোসে ফাজার্দো, তোমাস রদ্রিগেজ
প্যারাগুয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল, রবার্তো ফার্নান্দেস, গাস্তন ওলভেইরা
ডিফেন্ডার হুয়ান কাসেরেস, গুস্তাভো ভেলাসকেস, গুস্তাভো গোমেস, জুনিয়র আলোনসো, হোসে কানালে, ওমার আলদেরেতে, আলেক্সান্দ্রো মাইদানা, ফাবিয়ান বালবুয়েনা
মিডফিল্ডার দিয়েগো গোমেস, মৌরিসিও মাগালায়েস, দামিয়ান বোবাডিয়া, ব্রায়ান ওহেদা, আন্দ্রেস কুবাস, মাতিয়াস গালারজা, আলেহান্দ্রো গামাররা
ফরোয়ার্ড গুস্তাভো কাবালেরো, রামন সোসা, আলেক্স আরসে, ইসিদ্রো পিত্তা, গ্যাব্রিয়েল আভালোস, মিগেল আলমিরন, হুলিও এনসিসো, আন্তোনিও সানাব্রিয়া
পর্তুগাল চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক দিয়োগো কোস্তা, হোসে সা, রুই সিলভা, রিকার্দো ভেলহো
ডিফেন্ডার তোমাস আরাউজো, জোয়াও ক্যানসেলো, দিয়োগো দালোত, রুবেন দিয়াস, গনসালো ইনাসিও, নুনো মেন্ডেস, মাতেউস নুনেস, নেলসন সেমেদো, রেনাতো ভেইগা
মিডফিল্ডার স্যামুয়েল কোস্তা, ব্রুনো ফার্নান্দেস, জোয়াও নেভেস, রুবেন নেভেস, বার্নার্দো সিলভা, ভিতিনিয়া
ফরোয়ার্ড ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও, জোয়াও ফেলিক্স, গনসালো গেদেস, রাফায়েল লেও, পেদ্রো নেটো, গনসালো রামোস, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও
কাতার চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদা, শেহাব আল লিথি, মেশাল বারশাম, সালাহ জাকারিয়া
ডিফেন্ডার রায়ান আল আলি, আল হাশেমি আল হুসেইন, আয়ুব আল আলাওয়ি, বাসাম আল রাওয়ি, হোমাম আল আমিন, সুলতান আল ব্রাক, বুয়ালেম খুকি, নিয়াল মেসন, লুকাস মেন্ডেস, পেদ্রো মিগুয়েল, তারেক সালমান
মিডফিল্ডার করিম বৌদিয়াফ, আহমেদ ফাতহি, জাসেম গাবের, আবদুলআজিজ হাতেম, ইসা লাই, আসিম মাদিবো, মোহাম্মদ মানাই, তাহসিন মোহাম্মদ, মোহাম্মদ ওয়াদ
ফরোয়ার্ড ইউসুফ আবদেলরিসাক, আকরাম আফিফ, আহমেদ আলাএদ্দিন, হাসান আল হায়দোস, আলমোয়েজ আলি, আহমেদ আল জানহি, এডমিলসন জুনিয়র, মোহাম্মদ মুনতারি, মুবারক শানান, সেবাস্তিয়ান সোরিয়া সৌদি আরব চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক আহমেদ আল কাসার, মোহাম্মেদ আল ওয়াইস, নাওয়াফ আল আকিদি, আবদুলকুদুস আতিয়া
ডিফেন্ডার সাউদ আবদুলহামিদ, মোহাম্মেদ আবু আল শামাত, খালিদ আল ঘান্নাম, মোতেব আল হারবি, আবদুল্লাহ আল আমরি, নাওয়াফ বউশাল, জাকারিয়া হাওয়াসাভি, হাসান কাদেশ, আলি লাজামি, আলি মাজারাশি, হাসান তাম্বাকতি, জেহাদ থিকরি
মিডফিল্ডার নাসের আল দাওসারি, আলা আল হাজ্জি, জিয়াদ আল জোহানি, মুসআব আল জুয়াইর, আবদুল্লাহ আল খাবাইরি, সালেহ আবু আল শামাত, মোহাম্মেদ কান্নো, সুলতান মানদাশ, আয়মান ইয়াহিয়া
ফরোয়ার্ড ফেরাস আল ব্রিকান, সালেম আল দাওসারি, আবদুল্লাহ আল হামদান, আবদুল্লাহ আল সালেম, সালেহ আল শেহরি
স্কটল্যান্ড চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক ক্রেগ গর্ডন, অ্যাঙ্গাস গান, লিয়াম কেলি
ডিফেন্ডার গ্রান্ট হ্যানলি, জ্যাক হেনড্রি, অ্যারন হিকি, ডম হাইয়াম, স্কট ম্যাককেনা, নাথান প্যাটারসন, অ্যান্থনি রালস্টন, অ্যান্ডি রবার্টসন, জন সাউটার, কিয়েরান টিয়ার্নি
মিডফিল্ডার রায়ান ক্রিস্টি, ফিন্ডলে কার্টিস, লুইস ফার্গুসন, টাইলার ফ্লেচার, বেন গ্যানন-ডোয়াক, জন ম্যাকগিন, কেনি ম্যাকলিন, স্কট ম্যাকটমিনে
ফরোয়ার্ড চে অ্যাডামস, লিন্ডন ডাইমন, জর্জ হার্স্ট, লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ড, রস স্টুয়ার্ট
সেনেগাল চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক মোরি দিয়াও, ইয়েভান ডিওফ, এদোয়ার্দ মেন্ডি
ডিফেন্ডার ইলাই কামারা, ক্রেপিন দিয়াত্তা, এল হাদজি মালিক দিয়ুফ, ইসমাইল জাকবস, কালিদু কুলিবালি, মুস্তাফা এমবো, আন্তোয়ান মেন্ডি, মুসা নিয়াখাতে, মামাদু সার, আবদুলাই সেক
মিডফিল্ডার লামিন কামারা, পাথে সিস, হাবিব দিয়ারা, ইদ্রিসা গানা গেই, পাপে গেই, পাপে মাতার সার, বারা সাপোকো নিয়ায়ে
ফরোয়ার্ড আসানে দিয়াও, বাম্বা দিয়েং, নিকোলাস জ্যাকসন, সাদিও মানে, ইব্রাহিম মবায়ে, শেরিফ নিয়ায়ে, ইলিমান নিয়ায়ে, ইসমাইলা সার
সাউথ আফ্রিকা চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস, রিকার্ডো গস, সিফো শেইনে
ডিফেন্ডার খুলিসো মুদাউ, ওলওয়েথু মাখানিয়া, ব্র্যাডলি ক্রস, অব্রি মোদিবা, থাবাং মাতুলুদি, নকোসিনাথি সিবিসি, খুলুমানি এনডামানে, আইমে ওকন, সামুকেলে কাবিনি, মবেকেজেলি এমবোকাজি, কামোগেলো সেবেলেবে
মিডফিল্ডার তেবোহো মোকোয়েনা, জেইডেন অ্যাডামস, থালেন্তে এমবাথা, স্পেপেলো সিথোলি
ফরোয়ার্ড ওসউইন অ্যাপোলিস, চেপাং মোরেমি, এভিডেন্স মাকগোপা, লাইল ফস্টার, ইকরাাম রায়নার্স, রিলেহবিলে মোফোকেং, থেম্বা জ্বানে, থাপেলো মাশেকো
স্পেন চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক উনাই সিমোন, ডেভিড রায়া, জোয়ান গার্সিয়া
ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরো, মার্কোস লরেন্তে, আয়মেরিক লাপোর্তে, পাউ কুবারসি, মার্ক পুবিল, এরিক গার্সিয়া, মার্ক কুকুরেয়া, আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো
মিডফিল্ডার রদ্রি (রদ্রিগো হার্নান্দেজ), মার্টিন জুবিমেন্ডি, পেদ্রি গনসালেস, ফাবিয়ান রুইজ, মিকেল মেরিনো, পাবলো পায়েজ ‘গাভি’, আলেক্স বায়েনা
ফরোয়ার্ড মিকেল ওয়ারিয়াবাল, লামিনে ইয়ামাল, ফেরান তোরেস, বোরহা ইগলেসিয়াস, দানি ওলমো, ভিক্টর মুনিয়োস, নিকো উইলিয়ামস, এরেমি পিনো
সুইডেন চূড়ান্ত স্কোয়াড গোলরক্ষক ভিক্টর ইয়োহানসন, গুস্তাফ লাগারবিয়েলকে, ক্রিস্টোফার নর্ডফেল্ট, জ্যাকব জেটারস্ট্রম
ডিফেন্ডার হ্যালমার একডাল, গ্যাব্রিয়েল গুডমুন্ডসন, ইসাক হিয়েন, ভিক্টর লিন্ডেলফ, এরিক স্মিথ, কার্ল স্টারফেল্ট, ড্যানিয়েল সুয়েনসন
মিডফিল্ডার ইয়াসিন আয়ারি, লুকাস বের্গভাল, ইয়েসপার কার্লস্ট্রম, বেঞ্জামিন নাইগ্রেন, কেন সেমা, এলিয়ট স্ট্রাউড, ম্যাটিয়াস স্ভানবার্গ, বেসফর্ট জেনেলি
ফরোয়ার্ড তাহা আলি, আলেকজান্ডার বার্নহার্ডসন, অ্যান্থনি এলাঙ্গা, ভিক্টর গিয়োকেরেস, আলেকজান্ডার ইসাক, গুস্তাফ নিলসন
সুইজারল্যান্ড চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল, মারভিন কেলার, ইয়ভঁ ম্ভোগো
ডিফেন্ডার ম্যানুয়েল আকাঞ্জি, অরেল আমেন্ডা, এরায় কোর্মেট, নিকো এলভেদি, লুকা ইয়াকেজ, মিরো মুইহেম, রিকার্ডো রদ্রিগেজ, সিলভান উইডমার
মিডফিল্ডার মিশেল আয়েবিশার, ক্রিশ্চিয়ান ফাসনাখট, রেমো ফ্রয়লার, সেড্রিক ইতেন, আরদন জাশারি, ফ্যাবিয়ান রাইডার, দ্যব্রিল সাও, গ্রানিত জাকা, ডেনিস জাকারিয়া
ফরোয়ার্ড জেকি আমদুনি, ব্রিল এমবলো, জোহান মানজাম্বি, ড্যান এনডয়ে, নোয়া ওকাফর, রুবেন ভারগাস
তিউনিশিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড গোলরক্ষক সাবরি বেন হাসান, আবদেলমউহিব চামাখ, আয়মান দাহমেনে
ডিফেন্ডার আলি আবদি, মোহামেদ আমিন বেন হামিদা, আদেম আরৌস, ডিলান ব্রোন, রায়েদ চিকাহুই, মউতাজ নেফাতি, ওমর রেকিক, মন্তাসার তালবি, ইয়ান ভ্যালেরি
মিডফিল্ডার মরতাদা বেন ওয়ানেস, আনিস বেন স্লিমান, ইসমাইল ঘারবি, রানি খেদিরা, হাদজ মাহমুদ, হানিবাল মেজব্রি, এলিয়েস স্কিরি
ফরোয়ার্ড এলিয়াস আচৌরি, খলিল আয়ারি, ফিরাস শাওয়াত, রায়ান এল্লুমি, হাযেম মাস্তুরি, এলিয়াস সাদ, সেবাস্তিয়ান তৌনেকতি
তুর্কি চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক আলতায় বাইয়িন্দির, এরসিন দেস্তানোউলু, মের্ত গুনক, মুহাম্মেদ শেংজের, উগুরচান চাকির
ডিফেন্ডার আবদুলকেরিম বারদাকচি, আহমেতজান কাপলান, চাগলার সোয়ুনচু, এরেন এলমালি, ফেরদি কাদিওগ্লু, মেরিহ দেমিরাল, মের্ত মুলদুর, মুস্তাফা এস্কিহেল্লাচ, ওজান কাবাক, সামেত আকায়দিন, ইউসুফ আকচিচেক, জেকি চেলিক
মিডফিল্ডার আতাকান কারাজোর, দেমির এজে তিকনাজ, হাকান চালহানওগ্লু, ইসমাইল ইউকশেক, কান আয়হান, ওরকুন কোকচু, সালিহ ওজকান
ফরোয়ার্ড আরাল সিমসির, আর্দা গুলের, বারিশ আলপার ইলমাজ, ক্যান উজুন, ডেনিজ গুল, ইরফান কান কাহভেচি, কেনান ইয়িলদিজ, কেরেম আক্তুরকোগলু, ওগুজ আয়দিন, ইউনুস আকগুন, ইউসুফ সারি
উরুগুয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক সান্তিয়াগো মেলে, ফার্নান্দো মুস্লেরা, সার্জিও রোচেত
ডিফেন্ডার রোনাল্ড আরাউহো, সান্তিয়াগো বুয়েনো, সেবাস্তিয়ান কাসেরেস, হোসে মারিয়া গিমেনেজ, মাতিয়াস অলিভেরা, জোয়াকিন পিকেরেজ, গুইয়ের্মো ভ্যারেলা, মাতিয়াস ভিনা
মিডফিল্ডার ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো, জর্জিয়ান দে আরাসকায়েতা, রদ্রিগো বেন্টানকুর, আগুস্তিন ক্যানোবিও, নিকোলাস দে লা ক্রুজ, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, ফাকুন্দো পেলিস্ত্রি, ব্রায়ান রদ্রিগেজ, হুয়ান ম্যানুয়েল সানাব্রিয়া, ম্যানুয়েল উগার্তে, ফেদেরিকো ভালভার্দে, রদ্রিগো জালাজার
ফরোয়ার্ড রদ্রিগো আগুইরে, ফেদেরিকো ভিনাস, ডারউইন নুনিয়েজ
যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক ক্রিস ব্র্যাডি, ম্যাট ফ্রিস, ম্যাট টার্নার
ডিফেন্ডার ম্যাক্স আর্ফস্টেন, সার্জিনো ডেস্ট, অ্যালেক্স ফ্রিম্যান, মার্ক ম্যাকেঞ্জি, টিম রিম, ক্রিস রিচার্ডস, অ্যান্টোনি রবিনসন, মাইলস রবিনসন, জো স্ক্যালি, অস্টন ট্রাস্টি
মিডফিল্ডার টাইলার অ্যাডামস, সেবাস্তিয়ান বেরহাল্টার, ওয়েস্টন ম্যাককেনি, ক্রিশ্চিয়ান রোলদান, ব্রেন্ডেন অ্যারনসন, ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক, জিও রেয়না, মালিক টিলম্যান, টিমোথি ওয়াহ, আলেহান্দ্রো জেনদেজাস
ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুন, রিকার্ডো পেপি, হাজি রাইট
উজবেকিস্তান চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক বোটিরালি এরগাশেভ, আব্দুভোহিদ নেমাতভ, উতকির ইউসুপভ
ডিফেন্ডার আব্দুল্লাহ আব্দুল্লায়েভ, খোজিয়াকবার আলিজোনভ, রুস্তমজন আশুরমাতভ, উমারবেক এশমুরাদভ, বেখরুজ কারিমভ, আব্দুকোদির খুসানোভ, শেরজোদ নাসরুল্লায়েভ, উমারালি রাহমোনালিয়েভ, ফাররুখ সাইফিয়েভ, আভাজবেক উলমাসালিয়েভ, জাখোংগির উরোজভ, রুসলানবেক ইয়িয়ানোভ
মিডফিল্ডার শেরজোদ এসানোভ, আজিজবেক গানিয়েভ, দোস্তনবেক হামদামভ, ওদিলজন হামরোবেকভ, জামশিদ ইসকান্দেরভ, জাশুর জালোলিদ্দিনভ, আকমাল মোজগোভয়, ওতাবেক শুকুরভ
ফরোয়ার্ড আজিজবেক আমোনভ, আব্বাসবেক ফাইজুল্লায়েভ, জালোলিদ্দিন মাশারিপভ, এলদোর শোমুরোদভ, ইগর সের্গিয়েভ, শেরজোদ তেমিরভ, অস্টন উরুনভ

ভোলায় তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজায় মানুষের ঢল

ভোলার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর আড়াইটায় অনুষ্ঠিত এই জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল নামে।
জানাজার পূর্বে বীর এই মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদানের মাধ্যমে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়।
আজ বেলা দেড়টার দিকে ঢাকা থেকে বিশেষ হেলিকপ্টারে করে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হেলিপ্যাডে নিয়ে আসা হয়। প্রিয় নেতাকে শেষবার দেখতে এ সময় দলীয় নেতাকর্মী, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা হেলিপ্যাডে ভিড় জমান। পরে সেখান থেকে একটি ফ্রিজিং ভ্যানে করে মরদেহ জানাজার জন্য ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নেওয়া হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জানাজা শেষে জেলার দক্ষিণ দীঘলদি ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের পাশেই তাঁকে চিরনিদ্রায় সমাহিত করা হবে।
বাংলাদেশের রাজনীতি ও মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য নাম তোফায়েল আহমেদ। ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর বাবা মৌলভী আজহার আলী ছিলেন একজন ব্যবসায়ী এবং মা ফাতেমা খানম ছিলেন গৃহিণী। ১৯৬৪ সালে তিনি সদর উপজেলার ধনিয়ার বাসিন্দা মফিজুল হক তালুকদারের বড় মেয়ে আনোয়ারা বেগমের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তোফায়েল আহমেদ এক কন্যার জনক।
শিক্ষাজীবন ও ছাত্ররাজনীতির সূচনা
ম্যাট্রিক ও আইএসসি: তোফায়েল আহমেদ ১৯৬০ সালে ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। এরপর বরিশাল ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ থেকে ১৯৬Snapshot২ সালে আইএসসি ও ১৯৬৪ সালে বিএসসি পাস করেন।
উচ্চশিক্ষা: পরবর্তীতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকাবিজ্ঞানে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।
নেতৃত্বের হাতেখড়ি: কলেজ জীবনেই তাঁর ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ শুরু হয়। তিনি বিএম কলেজ ছাত্রসংসদের ক্রীড়া সম্পাদক এবং অশ্বিনী কুমার হলের সহসভাপতি নির্বাচিত হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ইকবাল হল (বর্তমানে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ছাত্রসংসদের ক্রীড়া সম্পাদক, মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের সহসভাপতি এবং ১৯৬৬-৬৭ সালে ইকবাল হল ছাত্রসংসদের সহসভাপতি নির্বাচিত হন।
‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি ও ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান
১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ডাকসুর ভিপির দায়িত্ব পালনকালে চারটি ছাত্রসংগঠনের সমন্বয়ে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেন তোফায়েল আহমেদ। এরপর শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফাকে ১১ দফায় অন্তর্ভুক্ত করে ‘৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেন তিনি।
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাসহ সব রাজবন্দির নিঃশর্ত মুক্তির জন্য তাঁর নেতৃত্বে সারা বাংলায় তৃণমূল পর্যন্ত গণ-আন্দোলন গড়ে ওঠে। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবসহ সব রাজবন্দি মুক্তি পাওয়ার পর, ২৩ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান) লাখো জনতার উপস্থিতিতে তিনি বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
মুক্তিসংগ্রাম ও জাতীয় রাজনীতি
তোফায়েল আহমেদ ১৯৬৯ সালে ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ১৯৭০ সালের ৭ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগের যোগ দেন। ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে ভোলার দৌলতখাঁ-তজুমদ্দিন-মনপুরা আসন থেকে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও মুজিব বাহিনীর অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার অধিনায়কের একজন ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া ও পাবনা এলাকার সমন্বয়ে গঠিত মুজিব বাহিনীর পশ্চিমাঞ্চলের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার সংগ্রামেও তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।
সংসদীয় রাজনীতি ও মন্ত্রিত্ব
বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিব: ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় তোফায়েল আহমেদকে তাঁর রাজনৈতিক সচিব নিয়োগ দেন।
সংসদ সদস্য: ১৯৭৩ সালে নিজ জেলা ভোলা থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে দেশে রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ঘোষণার পর তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতির বিশেষ সহকারী নিযুক্ত হন।
কারাজীবন ও ঘুরে দাঁড়ানো: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ৬ সেপ্টেম্বর তোফায়েল আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। দীর্ঘ ৩৩ মাস কারান্তরালে থাকার সময় ১৯৭৮ সালে কুষ্টিয়া কারাগারে অন্তরীণ থাকা অবস্থায় তিনি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।
নির্বাচনী রেকর্ড: ১৯৮৬, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনে পরপর তিনবার তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে তিনি শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০০১ সালের নির্বাচনে ভোলার ৩টি আসনে দাঁড়িয়ে পরাজিত হলেও, ২০০৮ সালে ভোলা-২ আসন থেকে আবারও বিজয়ী হন। এরপর ২০১৪ সালে ভোলা-১ আসন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তিনি একই আসন থেকে বিজয়ী হন।
২০২১ সালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাঁর রাজনৈতিক গতি কিছুটা স্তিমিত হয়ে আসে। এর পরেও চরম শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে ২০২৪ সালের নির্বাচনে তিনি এমপি নির্বাচিত হন। জীবদ্দশায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ১২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্যে তিনি ৯টিতেই বিজয়ী হয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
তাঁর এই চিরবিদায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি দীর্ঘ, সংগ্রামী ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের অবসান ঘটলো।
সূত্র: সংবাদ ডিজিটাল

ধুনটে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

বগুড়ার ধুনট উপজেলার সদর ইউনিয়নের হুকুম আলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ট্রাকচাপায় শাকিল আহম্মেদ( ৩০) নামের এক মোটর সাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অপর এক যুবক আহত হয়েছেন। তিনি ধুনট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে উপজেলার হুকুম আলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। নিহত শাকিল আহম্মেদ কুড়িগ্রামে বাসিন্দা হিসেবে জানা গেছে । সঠিক ঠিকানা এখনও পাওয়া যায়নী । ট্রাকটি আটক করা হইলেও পরে কৌশলে ট্রাকটি চালক ট্রাকটি নিয়ে পালিয়ে যায়।
জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে ট্রাক মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী শাকিল আহম্মেদ নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন । মোটরসাইকেল থাকা আশিক নামের এক যুবক গুরুতর আহত অবস্থায় ধুনট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা অবস্থায় আছেন। তিনি এখন আশংকা জনক অবস্থায় আছেন।
ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ আতিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

চুড়ান্ত হওয়ার পথে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির প্রথম ধাপ

ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির প্রথম ধাপ খুব শিগগিরই চূড়ান্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল। সোমবার রাতে দিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, চুক্তির প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে।
গয়াল বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ভারতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর বলেছেন, চুক্তির ৯৯ শতাংশ প্রস্তুত। এখন শুধু ছোটখাটো বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক কিছু আইনি পরিবর্তন চুক্তির চূড়ান্ত খসড়ায় কীভাবে প্রতিফলিত হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে তিনি আশাবাদী যে খুব দ্রুতই প্রথম ধাপের বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হবে।
আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাণিজ্য আলোচনা এগিয়ে নিতে একটি মার্কিন প্রতিনিধি দল ভারতে পৌঁছেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল গত সপ্তাহে বলেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ইতিবাচক ও গঠনমূলকভাবে এগোচ্ছে।
গত ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশ একটি অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য কাঠামোতে সম্মত হওয়ার ঘোষণা দেয়, যার লক্ষ্য ছিল দীর্ঘদিনের বাণিজ্য বিরোধের সমাধান।
গত বছর রুশ তেল আমদানিকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রশাসন ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ে।
এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন, আগামী পাঁচ বছরে জ্বালানি, প্রযুক্তি ও কৃষিখাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভারত ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৪৯.৪ বিলিয়ন ডলার।

সড়কে খড় শুকাতে দিলেই জরিমানা !

সড়কের ওপর ধান-খড় শুকাতে দেওয়ার চরম অবহেলায় প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা, ঝরছে তাজা প্রাণ। এই জনদুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে জয়পুরহাটের কালাই ও ক্ষেতলাল উপজেলায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। সড়কে ধান মাড়াই এবং খড় শুকানোর অপরাধে গত দুই দিনে দুই উপজেলায় পৃথক অভিযানে ৫ জনকে জরিমানা ও সতর্ক করা হয়েছে।
সর্বশেষ আজ মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ক্ষেতলাল উপজেলার সরদারপাড়া মোড় থেকে মনঝার বাজার হয়ে বিলের ঘাট পর্যন্ত আঞ্চলিক সড়কে এক বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
ক্ষেতলাল উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আব্দুর রউফ এই অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় সড়কের ওপর খড় শুকিয়ে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করার অপরাধে দুইজনকে মোট ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান ও তা আদায় করা হয়।
আদালত সূত্র জানায়, গতকাল সোমবার এই ক্ষেতলাল উপজেলারই খড়িকাটা এলাকায় সড়কে বিছিয়ে রাখা খড়ে পিছলে পিকআপ ভ্যানের চাপায় দুলাভাই ও শ্যালক নিহত হওয়ার ঘটনার পর আজ এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়।
দুর্ঘটনার পর বিকেলেই জয়পুরহাটের কালাইয়ে সড়কের ওপর ধান মাড়াই এবং খড় শুকানোর অপরাধে তিনজনকে মোট ২ হাজার টাকা জরিমানা করেন কালাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মাহবুব।
অভিযানকালে উভয় উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ সড়কে খড়, ধান বা অন্যান্য কৃষিপণ্য শুকানোর কারণে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা ও জনদুর্ভোগ সম্পর্কে স্থানীয় কৃষকদের সচেতন করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কেউ যেন সড়ক ব্যবহার করে কৃষিপণ্য না শুকান, সে বিষয়ে কঠোরভাবে সতর্ক করে দেওয়া হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে হুশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়, সড়ক সকলের নিরাপদে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত। সড়কে খড় বা অন্যান্য কৃষিপণ্য শুকানোর ফলে চাকা পিছলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা শতভাগ বেড়ে যায় এবং মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ে। তাই জনস্বার্থে এবং সড়ক নিরাপদ রাখতে জেলাজুড়ে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

কামারখন্দে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের জেল-জরিমানা
- রিপোর্টার:
- আপডেট টাইম : ০৪:৫২:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় মাদকবিরোধী যৌথ অভিযানে এক মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে উপজেলার চৌয়াড়ি এলাকায় কামারখন্দ থানা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে মাদক সেবনের অভিযোগে শিশির (২২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে মাদক সেবনের দায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত শিশির উপজেলার চৌয়াড়ি গ্রামের মৃত আব্দুল মতিনের ছেলে।
কামারখন্দ থানা থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

সেনবাগে মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে একাধিক মাদক মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন ২০২৬) সেনবাগ থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের সোনাকান্দি এলাকা থেকে মো. মাসুম (২৮) নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে। তিনি সোনাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. আবুল হোসেনের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত মো. মাসুম জিআর মামলা নং-৬৭/২৫-এর গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে মাদক সংক্রান্ত মোট আটটি মামলা রয়েছে।
অভিযান শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সেনবাগ থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক ও অন্যান্য অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

কামারখন্দে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে কামারখন্দ থানার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত সোমবার (১জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে উপজেলার চৌবাড়ি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ৬ পিস ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার বলরামপুর গ্রামের মৃত রফিক সরকারের ছেলে মো. মনিরুল সরকার (২৬) এবং রায় দৌলতপুর গ্রামের মো. ইনসান আলীর ছেলে মো. ইসমাইল হোসেন (২৯)।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কামারখন্দ থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামিদের মঙ্গলবার সকালে পুলিশ পাহারায় বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
কামারখন্দ থানা পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে।

গজারিয়ায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ৭ জন আটক

মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার চর বলাকী গ্রামে স্থানীয় বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট ৭ (সাত) জনকে আটক করা হয়েছে।
এ সংক্রান্তে গজারিয়া থানায় বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে একটি মামলা রুজু করা হয়। এর আগে সোমবার (১ জুন) চর বলাকী গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আটককৃতরা হলেন চর বলাকী গ্রামের মৃত আবুল হাসেমের ছেলে গিয়াস উদ্দিন (৬৫), মৃত ফজলুল করিমের ছেলে আনোয়ার হোসেন প্রধান (৫০), মাহফুজ প্রধানের ছেলে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (৩২), শুকুর আলীর ছেলে মোঃ জান্নাত (৩১), টান বলাকী গ্রামের মাহফুজ মেম্বারের ছেলে মোঃ মাসুম (৪৫) ও মনজুর আলম (৪৪) এবং কেরামত আলী মাস্টারের ছেলে মোঃ মাজহারুল।
পুলিশ জানিয়েছে এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদেরকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নরসিংদীতে অস্ত্র ঠেকিয়ে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপন আদায়

নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার বাঁশগাড়িতে অস্ত্র ঠেকিয়ে এক যুবকের কাছ থেকে মটর সাইকেলসহ পাঁচ লক্ষ টাকা মুক্তিপন আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে অত্র এলকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট রুবেলে বিরুদ্ধে। ঈদের চারদিন আগে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, টঙ্গী হিমারদীগি কেরানীর টেক এলকার বাসিন্দা মোঃ অনিক শেখ ঈদের আগে অত্র বাঁশগাড়ি এলাকায় মটর সাইকেল করে তার বন্ধু বান্ধব নিয়ে বেড়াতে গিয়েছিলো।
কিন্তু হঠাৎ একদল যুবক আচমকা এসে অস্ত্র ঠেকিয়ে তার মটর সাইকেল সহ তাকে চোখ বেধে নিয়ে যায়। পরবর্তী তাকে দুইদিন আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন চালাই বলে অভিযোগ করে তিনি। তারপর মোবাইল যোগে তার পরিবারে কাছে চাওয়া হয় মুক্তিপন, তার পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয় যদি মুক্তিপনের টাকা না দেওয়া হয় তাহলে তাকে হত্যা করা হবে।
এসব হুমকি ও দিনবর অমানবিক নির্যাতনের মাধ্যমে তার কাছ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা মুক্তিপন আদায় করে অত্র এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট রুবেল। এবং তার সাছে থাকা আর ওয়ান ফাইভ মটর সাইকেলটি (যার রেজিষ্টেশন নং- ঢাকা মেট্রো-ল ৭১-৮৬২৬) ছিন্তাই করে রেখে দেয়।
এবিষয়ে আরোও জানা যে, এই ছোট রুবেল তার সন্ত্রাসী বাহানী প্রকাশ্যে অস্ত্র মহরা দিয়ে বিভিন্ন জনের ভূমি দখল সহ মানুষকে আটকে রেখে মুক্তিপন আদায় করেন।
মঙ্গলবার (২ জুন) সংবাদকর্মীরা বাঁশগাড়ি এলাকায় গেলে মো. হাসিম হাসিম নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, এই ছোট রুবেল কাঁধে অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে গ্রামের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়। এতে করে গ্রামে আতঙ্ক ছড়াই। তার বিষয়ে কেউ মুখ খুললে তাকে ধরে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালায় ও মুক্তিপন আদায় করে। তাই তার বিষয়ে কেউ মুখ খোলতে ভয় পায়।
রায়পুরা থানার ওসির নিকট মোবাইল যোগে জানতে চাইলে, তিনি সংবাদ কর্মীদেরকে জানান বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) সুজন চন্দ্র সরকার বলেন, অপরাধ যেই করুক না কোনো কেউ আইনের উর্ধে না, আমরা মাননীয় পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় যেই অপরাধ করুক না কোনো আমরা তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবো।

তরুণ নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান সাকলাইন আহমেদ হৃদয়ের

আসন্ন তাড়াশ পৌরসভা নির্বাচনে ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করেছেন সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সমাজসেবক সাকলাইন আহমেদ হৃদয়।
কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সাকলাইন আহমেদ হৃদয় তাড়াশ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা। ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে বর্তমানে জেলা পর্যায়ের দায়িত্বশীল পদে আছেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার গরিব-অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সমাজসেবামূলক কাজ করে আসছেন।
কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সাকলাইন আহমেদ হৃদয় তার পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, _”আমি কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হয়েছি ৫নং ওয়ার্ডের মানুষের সেবা করার জন্য। আমার ওয়ার্ডের সবচেয়ে বড় সমস্যা ভাঙা রাস্তা, ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাব ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। নির্বাচিত হলে এই তিনটি সমস্যা সমাধানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিবো। এছাড়া ওয়ার্ডের প্রতিটি গলিতে স্ট্রিট লাইট স্থাপন ও যুব সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে খেলার মাঠ করার পরিকল্পনা আছে।”
তিনি আরও বলেন, _”আমি বিএনপির রাজনীতি করি, সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। কিন্তু কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে আমার পরিচয় হবে শুধু ৫নং ওয়ার্ডের সেবক। দল-মত নির্বিশেষে সকল ভোটারের অধিকার রক্ষায় আমি কাজ করবো। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আমার রাজনীতির মূলমন্ত্র।”
কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সাকলাইন আহমেদ হৃদয়ের নাম ঘোষণার পর ৫নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন মহল্লায় আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় যুবক, ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বকে স্বাগত জানিয়েছেন। ভোটারদের প্রত্যাশা, কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সাকলাইন আহমেদ হৃদয়ের মতো জনবান্ধব প্রতিনিধি পেলে ৫নং ওয়ার্ডের চেহারা পাল্টে যাবে।

রায়গঞ্জে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ধর্ষণের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরে মঙ্গলবার সকাল থেকেই জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ। কারও হাতে প্ল্যাকার্ড, কারও হাতে ব্যানার। তাঁদের কণ্ঠে একটাই দাবি—মানসিক প্রতিবন্ধী এক শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত শান্ত (২৫) নামের যুবককে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
সকাল ১১টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলাবাসী ও ধানগড়া ইউনিয়ন ভূমিহীন সংগঠনের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মো. আব্দুল আওয়াল, স্বেচ্ছাসেবী মো. শরিফুল ইসলাম, জলবায়ু ও পরিবেশকর্মী ফয়সাল বিশ্বাস, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. ওমর ফারুক খান জুবায়ের, ধানগড়া ইউনিয়ন ভূমিহীন সমিতির সহসভাপতি রিনা বেগম এবং পাঙ্গাসী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সালাউদ্দিন হাসিনুর।
ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মো. আব্দুল আওয়াল বলেন, “গত ২৬ এপ্রিল আমার মেয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে পূর্ব লক্ষীকোলা গ্রামের বেল্লাল হোসেনের ছেলে শান্ত তাকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যায়। পরে আমার মেয়ের সঙ্গে জঘন্য ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে আমার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা করাতে করাতে আমরা আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি। এক মাসের বেশি সময় পার হয়ে গেলেও অভিযুক্ত এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। বিভিন্নভাবে আপসের প্রস্তাব ও চাপ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু আমি কোনো আপস চাই না। আমি আমার মেয়ের বিচার চাই।”
তিনি আরও বলেন, “একজন অসহায় প্রতিবন্ধী শিশুর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটার পরও যদি অপরাধী ধরা না পড়ে, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় বিচার পাবে? আমি প্রশাসনের কাছে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।”
বক্তারা বলেন, ঘটনার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনা না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাঁরা দ্রুত গ্রেপ্তার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, বিচার চাওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবারকে নানাভাবে চাপের মুখে রাখা হচ্ছে। এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে কোনো আপসের সুযোগ নেই বলে তাঁরা মন্তব্য করেন।
মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযুক্তের ফাঁসি ও দ্রুত বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান বলেন, “মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শেষ বিদায়ে তোফায়েল আহমেদ, অনুষ্ঠিত জানাজা

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (০২ জুন) দুপুর আড়াইটায় ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে, জানাজা ঘিরে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদের ২য় জানাজার জন্য প্রস্তুত করা হয় ভোলা সরকারি স্কুল মাঠ। তবে জানাজাটি ঘিরে জেলা যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে উত্তেজনা। এদিকে সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ টিটুর নেতৃত্বে কিছু নেতাকর্মী জানাজাস্থলে এসে জানাজা করতে না দেওয়ার ঘোষণা দেয়।
এ সময় তারা পুলিশকে জানায়, জানাজাকে কেন্দ্র করে যদি কোনো ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য বা স্লোগান দেওয়া হয় তবে তারা তা প্রতিহত করবে। পরে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম জানাজাস্থলে এসে যুবদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে যান।
সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ টিটু বলেন, ২০২২ সালে গ্যাস-বিদ্যুতের দাবিতে বিএনপির আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে জেলা ছাত্রদলের তৎকালীন সভাপতি নুরে আলম নিহত হন। তার জানাজা সরকারি স্কুল মাঠে আয়োজন করলে করতে দেয়নি আওয়ামী লীগ ও প্রশাসন। পরে সংসদে দাঁড়িয়ে তোফায়েল আহমেদ নুরে আলমের মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা বক্তব্য প্রদান করেছিলেন।

গাজীপুরে প্রতিবেশীদের দ্বন্দ্বে প্রাণ হারালেন যুবক

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী পাইতলবাড়ী এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীর সঙ্গে সংঘর্ষে আজিজুল (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে সোমবার (১ জুন) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আজিজুল উপজেলার বরমী পাইতলবাড়ি এলাকার মো. হানিফ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে উপজেলার বরমী পাইতলবাড়ী এলাকায় পারিবারিক বিষয় নিয়ে আজিজুল তার ছোট ভাইয়ের সঙ্গে ঝগড়া করছিল। এ সময় প্রতিবেশী শামীম ও জালাল উদ্দিন সেখানে গিয়ে আজিজুলের কাছে জানতে চায় কি নিয়ে ঝগড়া হচ্ছে।
এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে আজিজুলের সঙ্গে প্রতিবেশী শামীম ও জালাল উদ্দিনদের সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
এক পর্যায়ে লাঠির আঘাতে আজিজুল গুরুতর আহত হন। এ সময় তাকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতাল ও পরে উন্নত চিকিৎসার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তাজুল ইসলাম জানান, প্রতিবেশীর সঙ্গে সংঘর্ষে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার বড় ধরনের হামলা নিহত অন্তত ১০

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এ হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরে চালানো এই হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় রাজধানী কিয়েভ ও মধ্যাঞ্চলীয় শহর দিনিপ্রো। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, কিয়েভে চারজন এবং দিনিপ্রোতে ছয়জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি মানুষ।
হামলায় কিয়েভের বিভিন্ন আবাসিক ভবন, বাণিজ্যিক স্থাপনা ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহু স্থানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কয়েকটি গাড়ি পুড়ে যায়। বিস্ফোরণের শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে শহরজুড়ে।
কিয়েভের মেয়র জানান, পোদিলস্কি জেলায় একটি বহুতল আবাসিক ভবন রুশ বাহিনীর পরপর দুটি হামলায় আংশিক ধসে পড়েছে। ভবনটির ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে হামলার পর উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় রাজধানীতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় হামলা হিসেবে এটিকে দেখা হচ্ছে। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম মঙ্গলবার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের লাভ কমে আসা এবং হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে আংশিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় স্বর্ণের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তাও বাজারে প্রভাব ফেলছে। খবর রয়টার্সের।
মঙ্গলবার জিএমটি ৭টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ৪,৫৩২.৭৪ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ৪,৫৬২.৯০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ফলন কমে যাওয়ায় সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ বেড়েছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থানে থাকায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজারের দৃষ্টি এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার দিকে। আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরান থেকে ভিন্নধর্মী বার্তা আসায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
এদিকে, চলতি সপ্তাহে প্রকাশিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থানসংক্রান্ত তথ্য এবং ফেডারেল রিজার্ভ কর্মকর্তাদের বক্তব্যও স্বর্ণবাজারের পরবর্তী দিকনির্দেশনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

১৮ সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষ হওয়ার সম্ভাবনা আজ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে মামলার বাদী ও ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার জবানবন্দির মাধ্যমে এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
এরপর ভিকটিমের মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, চতুর্থ তলার বাসিন্দা মনির হোসেন, প্রতিবেশী জাকিরুল ইসলাম রাজু, দ্বিতীয় তলার বাসিন্দা শেখ আবু সামা, ফুপা মনিরুজ্জামান শাহীন ও কনস্টেবল রোমা আক্তার পর্যায়ক্রমে আদালতে জবানবন্দি দেন।
এ সময় রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামি পক্ষের আইনজীবী মুসা কলিমউল্লাহ তাদের জেরা করেন। পরে আদালত দুপুর দেড়টা পর্যন্ত মূলতবি করে পরবর্তীতে আজ (মঙ্গলবার) আবারও সাক্ষ্যগ্রহণ করবেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ বলেন, সব সাক্ষী আদালতে উপস্থিত আছে। সময় সংকুলান হলে আজই সবার সাক্ষ্য শেষ হতে পারে।
এদিকে সকাল পৌনে নয়টায় মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জ থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। এ সময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণের আগে তাদের এজলাসে নেওয়া হয়।
এর আগে গতকাল (সোমবার) আদালত সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই দিন বিকেলে মামলার বাদীসহ ১৭ সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়।
গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নেয়। এর আগে একই দিনে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
মামলার সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা বাথরুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হয় পুলিশ।
এ ঘটনায় ২০ মে ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন।

ইসরায়েলি দখলদারত্বকে অযৌক্তিক বলল ফ্রান্স

লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দীর্ঘ সময় ধরে অবস্থান ও সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এ মন্তব্য করেছেন ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট।
ফ্রান্স টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, লেবাননের অভ্যন্তরে গভীরভাবে ইসরায়েলের দীর্ঘস্থায়ী সামরিক উপস্থিতি এবং চলমান সামরিক কর্মকাণ্ডের কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ থাকতে পারে না।
বর্তমানে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে বিপুল সংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে সংঘাতও থেমে নেই। পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।
এদিকে, ইরান হিজবুল্লাহর প্রধান মিত্র হিসেবে এখনো সমর্থন বজায় রেখেছে। দেশটি জানিয়েছে, লেবাননে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য যে কোনো শান্তি চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।
ফ্রান্স লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষার আহ্বান জানিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে উত্তেজনা কমানোর এবং যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে। এর আগেও দেশটি এমন আহ্বান জানিয়েছিল। কিন্তু ইসরায়েলি বাহিনী কোনো আন্তর্জাতিক আহ্বানই পাত্তা দিচ্ছে না।

ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের ভিত্তি সাংস্কৃতিক বন্ধন: সহকারী হাইকমিশনার

ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ এবং দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিকভাবে গভীর যোগসূত্র রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ভবনে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে মনোজ কুমার বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মানুষের মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী সাংস্কৃতিক বন্ধন, যা ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে।
তিনি আশা করেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে দুই দেশ ভবিষ্যতে আরও অগ্রসর হবে।
তিনি আরও বলেন, যোগব্যায়ামের ইতিহাস, স্বাস্থ্যগত উপকারিতা এবং বিশ্বব্যাপী এর বিস্তৃত প্রসার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে তিনি ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, রাজশাহী–৩ ও রাজশাহী–৫ আসনের সংসদ সদস্যসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
পরে বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগব্যায়াম অনুশীলনে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে নিয়মিত যোগব্যায়ামের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

রামিসার মরদেহ উদ্ধারের সেই বিভীষিকাময় মুহূর্ত, জানালেন বাবা

রাজধানীর পল্লবীতে মেয়ে রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যা মামলায় আদালতে সাক্ষী দিয়েছেন বাবা আব্দুল মান্নান মোল্লা। সাক্ষ্যতে শিশু রামিসাকে কীভাবে দরজা ভেঙে লাশ খুঁজে পান, ওইসময় কী করেছিলেন ও কী কী দেখেছিলেন তা জানান তিনি।
সাক্ষ্যগ্রহণে মান্নান মোল্লা আদালতে জানান, স্ত্রীর ফোন পেয়ে ৩০ মিনিটের ভেতর বাসায় আসেন। এসে দেখেন অনেক মানুষ দরজার সামনে জড়ো। দরজা না খোলায় হাতুড়ি নিয়ে আসেন। এরপর লক তালা ভাঙার পর দেখেন ভেতরে আসামি স্বপ্না। বাথরুমে পড়ে আছে রক্ত।
দরজা ভাঙার পর আসামি স্বপ্নাকে তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ে কোথায়?’ কিন্তু তখন চুপ ছিলেন স্বপ্না। পরে বাথরুমে রামিসার খণ্ডিত মাথা দেখতে পান।
মঙ্গলবার (৩ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ সাক্ষ্য দেন তিনি।
এদিন প্রথমে রামিসার বাবা সাক্ষ্য দেন। দ্বিতীয় সাক্ষী হিসেবে রামিসার মা পারভীন আক্তার সাক্ষ্য দেন। সকাল ১১টা ৩ মিনিটের দিকে পারভীনের সাক্ষ্য শুরু হয়। এসময় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না বেগমকে কাঠগড়ায় হাজির করা হয়।
সাক্ষ্যগ্রহণে রামিসার বাবা আব্দুল মান্নান মোল্লা আদালতে বলেন, ‘আমি সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হই। এরপর বনানীর কাকলীতে অফিসে যাই। অফিসে যাবার পর ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে আমার স্ত্রী পারভীন আক্তার আমাকে ফোন করেন। ফোন পেয়ে বাসায় যাই ৩০ মিনিটের ভেতর।’
‘এসে দেখি আমার বাসার বিল্ডিংয়ের মেইন গেইটের সামনে অনেক লোক জড়ো। এরপর আমি দৌড় দিয়ে তিন তালায় আমার ফ্ল্যাটের সামনে যাই। সেখানেও দেখি অনেক লোক জড়ো হয়ে আছে। তখন আমার স্ত্রী বলেন, সোহেলদের ফ্ল্যাটের মধ্যে আমাদের মেয়ে রামিসাকে আটকে রেখেছে। সেখানে রাজু, আমার স্ত্রীসহ অনেকে ছিল। রাজু তালা ভাঙার চেষ্টা করছিল,’ বলেন তিনি।
আব্দুল মান্নান আরও বলেন, ‘আমার স্ত্রী অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করলেও দরজা খোলেনি। তাই আমি নিচে দৌড়ে তাড়াতাড়ি গিয়ে একটা হাতুড়ি নিয়ে আসি। এরপর আমি দরজার বোল্ড লক ভাঙার চেষ্টা করি। একপর্যায়ে বোল্ড লক ভাঙা হয়। সে লকের ছিদ্র দিয়ে স্বপ্নাকে দেখি। টয়লেটের রুমের ভিতর দেখি অনেক রক্ত। তখন দরজা ভাঙার পর সোহেল-স্বপ্নার কমন রুমের দরজা বন্ধ পাই। স্বপ্নাকে বলি আমার মেয়ে কোথায়? কিন্তু স্বপ্না কিছু বলে না। চুপ ছিল। পরে টয়লেটে বালতির মধ্যে মেয়ের খণ্ডিত মাথা দেখি। তার দেহ খোঁজার জন্য দুই রুমে থাকা দমদরজাও ভেঙে ফেলা হয়। সেখানেও নেই। এরপর সোহেলদের রুমের ভেতর স্টিলের খাটের নিচে মাথাবিহীন আমার মেয়ে রামিসার মরদেহ দেখতে পাই। তারপর পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। আমি থানায় মামলা করি।’
সাক্ষ্য শেষে আব্দুল মান্নানকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মূসা কালিমূল্যাহ। এরপর বেলা ১১টার দিকে তার জেরা শেষ হয়। এরপর ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে রামিসার বড় বোনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। এদিন আদালতে মামলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিবেন বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে রয়েছেন- ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রতিবেশীরা।
এদিকে সকাল পৌনে ৯টায় মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জ থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়েছে। এসময় তাদেরকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে তাদেরকে এজলাসে নেওয়া হয়।
এর আগে গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছরের শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ফ্ল্যাটটিতে বসবাসকারী সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের কাছে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে সোহেল।
তদন্ত শেষে মামলার চার্জশিটে প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, মাদকে আসক্ত থাকতেন সোহেল। ঘটনার দিন শিশু রামিসাকে বাথরুমে টেনে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। রামিসা চিৎকার করে কান্নাকাটি করায় ও পরিবারকে জানানোর কথা বললে ক্ষিপ্ত হয়ে মাথা ও হাত কেটে হত্যা করে সোহেল। এ ছাড়া লাশ গুম করতে ও পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করে তার স্ত্রী স্বপ্না।

রায়গঞ্জে শীর্ষ ডাকাতসহ ৬ আসামি গ্রেপ্তার

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও নিয়মিত মামলার ৬ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার (২ জুন) রায়গঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন কুখ্যাত ডাকাত আক্তার মন্ডল (৫০)। তিনি উপজেলার রামকৃষ্ণপুর কোদলা গ্রামের সোনা মন্ডলের ছেলে। তার বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইন, ৪ ধারার মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
এছাড়া গ্রেপ্তার হওয়া অন্য আসামিরা হলেন— আবু তালেব (২৮), পিতা আলিমুদ্দিন, গ্রাম বন্দিহার; মো. রেজাউল করিম (৪০), পিতা আবুল হোসেন, গ্রাম চান্দাইকোনা; রিপন (২৩), পিতা মজিদ সেখ, গ্রাম চর ব্রাহ্মণবাড়িয়া; মো. শয়ন মিয়া ওরফে জাকারিয়া (৩০), পিতা স্বপন মিয়া, গ্রাম চান্দাইকোনা এবং নিয়মিত মামলার আসামি ও মাদক ব্যবসায়ী ভুট্ট খলিফা (৩৮), পিতা রইচ উদ্দিন, গ্রাম নিঝুরি উত্তরপাড়া।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আবু তালেবের বিরুদ্ধে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারার মামলা, রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে মাদক মামলার ওয়ারেন্ট এবং অপর আসামিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত সকল আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পুলিশ স্কোর্টের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসানুজ্জামান বলেন, “আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং আদালতের পরোয়ানা বাস্তবায়নে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ দমনে রায়গঞ্জ থানা পুলিশ নিয়মিতভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে।”

মায়ের মৃতদেহে পচন, খোঁজ নেয়নি বুয়েট শিক্ষক ও যুগ্নসচিব ছেলে

রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকায় একটি বাসা থেকে নুরজাহান বেগম (৭২) নামে এক বৃদ্ধা নারীর পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে কোনো খোঁজ না নেওয়ার অভিযোগ এবং পারিবারিক দায়িত্বহীনতা নিয়ে ঘটনাটিকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (৩১ মে) গভীর রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পল্লবী থানা পুলিশ মিরপুরের ৬ নম্বর সেকশনের সি ব্লকের ১২ নম্বর রোডের ওই বাসায় যায়। পরে বাসার একটি কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশের ধারণা, নুরজাহান বেগমের মৃত্যু হয়েছে প্রায় সাত থেকে আট দিন আগে। এ সময় মরদেহে পচন ধরেছিল এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে পচনজনিত ক্ষয় দেখা যায়।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাসান বশির জানান, নুরজাহান বেগম ওই বাসায় তার মেয়ের সঙ্গে থাকতেন। তবে মেয়েটি আলাদা কক্ষে অবস্থান করতেন। বৃদ্ধা দীর্ঘ সময় সাড়া না দেওয়ায় একপর্যায়ে পরিবারের পক্ষ থেকে একজন নার্সকে ডাকা হয়। পরে নার্স ওই কক্ষে প্রবেশ করে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হলে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, প্রাথমিকভাবে বাসার কক্ষটি ছিল অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন, অগোছালো ও দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায়। সেখানে পরিচর্যার অভাব স্পষ্টভাবে দেখা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তাদের নজরে আসে এবং পরে ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে জানানো হয়।
ওসি মো. হাসান বশির আরও জানান, নিহত নুরজাহান বেগমের পরিবারে দুই ছেলে রয়েছেন। তাদের একজন সরকারি যুগ্মসচিব এবং অন্যজন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। তারা আলাদা বাসায় থাকেন। পরিবারের অন্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
ঘটনাটি সামনে আসার পর স্বজনদের দায়িত্ব ও বৃদ্ধা নারীর দীর্ঘদিনের একাকিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, এমন একটি ঘটনায় উচ্চশিক্ষিত ও উচ্চপদস্থ সন্তানদের ভূমিকা নিয়েও নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ সরকারে ‘অস্বস্তি’

শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র তিন মাসের মাথায় একজন মন্ত্রীর পদত্যাগে মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা বেশ বিব্রত ও অস্বস্তিতে রয়েছেন বলে জানা গেছে। দীপেন দেওয়ান সত্যিই অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে,তা নিয়ে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে সরকার ও প্রশাসনে। এদিকে দীপেন দেওয়ানের আকস্মিক পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে, শিগগির মন্ত্রিসভায় কয়েকটি নতুন মুখ যুক্ত হতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে। সেইসঙ্গে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা কয়েকজন মন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন হতে পারে বলে জোর আলোচনা চলছে।
গতকাল দেওয়া পদত্যাগপত্রে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান উল্লেখ করেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছেন। অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত দায়িত্ব পালনে নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছিল। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বাড়াতে তিনি পদ থেকে অব্যাহতি নিচ্ছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রতিমন্ত্রী বলেন, হঠাৎ করে তিনি পদত্যাগ করে অন্যদের মনেও ভয় ধরিয়ে দিয়েছেন। সরকার নতুন। আমরাও নতুন। সবকিছু এখনো বুঝে উঠতে পারছি না। ফলে একটু টেনশন তো হয়-ই। কখন আবার ব্যর্থতার দায় ঘাড়ে চলে আসে। তবে দীপেন দেওয়ান অত্যন্ত সজ্জন ব্যক্তি। মন্ত্রিসভায় এমন লোকের দরকার ছিল।
দীপেন দেওয়ান কেন পদত্যাগ করেছেন—এমন প্রশ্ন সচিবালয়ের দপ্তরে দপ্তরে ঘুরপাক খাচ্ছে। কেউই সুনির্দিষ্ট কারণ বলতে পারছেন না। এ নিয়ে মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যও প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে বিষয়টি নিয়ে যে সরকারের ভেতরে অস্বস্তি রয়েছে, তা বোঝা যাচ্ছে।
৬৩ বছর বয়সী দীপেন দেওয়ান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন। নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে সর্বাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন তিনি। প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী হন দীপেন দেওয়ান। এ মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
২০০৫ সালে যুগ্ম জেলা জজের চাকরি ছেড়ে দীপেন দেওয়ান বিএনপিতে যোগ দেন। ২০১০ সালে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি হন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপির ধর্মবিষয়ক সহসম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। দীপেন দেওয়ানের বাবা সুবিমল দেওয়ান প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপজাতিবিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন।
দীপেন দেওয়ানের আকস্মিক পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে একটি ‘বিরল ও অনন্য দৃষ্টান্ত’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) অন্যতম সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। তিনিও পার্বত্য অঞ্চলের বাসিন্দা।
পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলেন রাষ্ট্রপতি: পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। পরে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গৃহীত হয়েছে। এ পদত্যাগ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
পদত্যাগ প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ-অবরোধ: দীপেন দেওয়ানের আকস্মিক পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। গতকাল পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা সড়কে নেমে বিক্ষোভ দেখান। তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের প্রধান পয়েন্টগুলোতে অবস্থান নেন।
রাঙামাটি বিএনপি অফিসের সামনে প্রায় আধাঘণ্টার জন্য যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে সড়কের দুপাশে শত শত যানবাহন আটকে পড়ে এবং সাধারণ যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা তীব্র ভোগান্তির শিকার হন।
রাঙামাটি জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ নুরনবী বলেন, বিএনপি বা অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কারও সঙ্গে দীপেন দেওয়ান পদত্যাগের বিষয়ে কোনো আলোচনা করেননি। তিনি হঠাৎ করে কেন পদত্যাগ করলেন তা বুঝতে পারছি না। তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু তিনি তো সংসদ নির্বাচনে প্রচারণায় দুর্গম পাহাড়ে গিয়েছেন। তাহলে তিনি সত্যিই অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন, নাকি এর পেছনে অন্য কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে অনুরোধ করছি।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, আমরা মিডিয়ার মাধ্যমে শুনছি পদত্যাগের বিষয়টি। তিনি আমাদের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো আলোচনা করেননি। রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর সুমন বলেন, দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ আমরা মেনে নিতে পারছি না। এখানে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ থাকবে বিষয়টি খতিয়ে দেখার এবং দীপেন দেওয়ানকে পুনরায় মন্ত্রী পদে বহাল করার।
শিগগির মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ: সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রগুলো বলছে, প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনা, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে শিগগিরই মন্ত্রিসভায় কয়েকজন নতুন মুখ দেখা যাবে। তাদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের একজন তরুণ এমপির নাম বেশ আলোচনায় আছে। প্রধানমন্ত্রীর খুব কাছের হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে। পাশাপাশি নরসিংদী থেকে আরও একজনকে মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে। এ ছাড়া নেত্রকোনা থেকে একজন এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহের একজন নারী এমপির নাম মন্ত্রী হিসেবে বেশ আলোচনা রয়েছে। আর বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার একজন সিনিয়র বিএনপি নেতাকেও তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় শিগগির দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিষদের কাউকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে।
সূত্র: কালবেলা
One thought on “রুদ্রকর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান নিরব মুন্সী”