সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

“রেখো সবাই মনে”

 মোঃ শিবলী নোমান  নদীর ধারে সূর্যাস্তের দৃশ্য       দেখেছি সেই কবে। দিন শেষে ক্লান্ত হয়ে      

“মন দেয় দোলা”

 মোঃ শিবলী নোমান  মোহনায় মিলনের আশায়       নদী বয়ে চলে। মোহনার সাথে এই মিলনকেই       নদীর

 “শুধুই তার প্রতি” 

   মোঃ শিবলী নোমান  দূরে থাকলেই মনে পড়ে       কাছে থাকলে নয়। কাছে থাকলে মনে পড়ার    

অভিমান এক আত্মঘাতী অসুখ

বিপুল চন্দ্র রায় অভিমান সে তো এক আত্মঘাতী অসুখ, নীরবে জমায় বুকে কালোমেঘ নিদারুণ দুখ। যাকে ঘিরে এই নীরবতা এই

বেকার ছেলের কান্না

সাইম খান  স্বপ্ন বুনি রাতে বসে, সকালে তা ভাঙে,চাকরির খোঁজে ঘুরি পথে, আশা শুধু ফাঁকে। সার্টিফিকেট বুকে রেখে, ভরসা করি

শরৎ ও শারদীয়া

জান্নাতুল ফেরদৌস শরৎ এলো, এলো কাশফুল, সাথে এলো শারদীয়া। সাঁঝ সাঁঝ রব, ঢাক-বাদ্যি সব। প্রতিমাকে করল বরন, সব সনাতন, হয়ে

“সূর্য ডুবে গেলে”

 মোঃ শিবলী নোমান  শরৎকালের সকাল বেলায়       শিউলি গাছের তলে। যেন দূর্বা ঘাসে ছড়িয়ে আছে      

 “নীরবতার কষ্ট”

   মোঃ শিবলী নোমান  এই হৃদয়ে নেমে এসেছে        এক নির্জন নীরবতা। এই নীরবতার কারণ শুধুই    

“পাশে আছে কেউ”

 মোঃ শিবলী নোমান   ইচ্ছা করে পাশাপাশি      হাঁটবো হাত ধরে। হেঁটে হেঁটে দু’জন যাব      ফুলজোর নদীর ধারে।

“নীল আকাশ”

    মোঃ শিবলী নোমান   হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে       ওই নীলের মাঝে। তখন কিন্তু কেউ আমাকে