সিরাজগঞ্জ , মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ঝালকাঠির আলোচিত পিপি হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির আত্মসমর্পণ Logo পোশাকশিল্পে অস্থিরতা, দিশেহারা উদ্যোক্তারা Logo রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে কম জনসমর্থন পাচ্ছেন ট্রাম্প Logo মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে হত্যা, পুলিশের হাতে স্বামী Logo ট্রান্সফরমার চুরি ঠেকাতে পুরস্কার ঘোষণা, চলছে মাইকিং Logo প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে অবৈধ ইটভাটা নির্মাণের অভিযোগ Logo কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান Logo শূন্য পাস করা ২৯৩ প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিলের উদ্যোগ সরকারের Logo অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ালেন মির্জা মোস্তফা জামান Logo জয়পুরহাটে বিজিবির যৌথ অভিযানে ইয়াবা-সিরাপসহ ৩ জন গ্রেপ্তার

বিদ্যুতের ঘাটতি ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেল পাকিস্তানে

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৫:১৭:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • 19

পাকিস্তানে বিদ্যুৎ সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দেশটিতে বিদ্যুতের ঘাটতি ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। এতে বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং বেড়েছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। একই সঙ্গে ব্যাহত হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন কার্যক্রম। খবর এএনআইয়ের।

 

 

 

 

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান তৈরি হয়েছে। কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদন কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। পাশাপাশি জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের সরবরাহও কমেছে।

 

 

 

 

দেশটির বড় শহরগুলোর মধ্যে লাহোরে বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব বেশি দেখা যাচ্ছে। লাহোর ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানির (এলইএসসিও) এলাকায় বিদ্যুতের ঘাটতি ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে বলে জানা গেছে। সেখানে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ রয়েছে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট।

 

 

 

 

এলইএসসিও সূত্র বলছে, সরবরাহ ঘাটতির কারণে লাহোরের বিভিন্ন এলাকায় নির্ধারিত সময়ের বাইরে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। কোনো কোনো এলাকায় এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহের পর পরের এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ রাখার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এতে বাসাবাড়ির পাশাপাশি দোকানপাট, কারখানা ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও সমস্যায় পড়ছে।
বিদ্যুৎ সংকটের পেছনে জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতিও বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। ডিজেল ও গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না। একই সঙ্গে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কম থাকায় বিকল্প উৎস থেকেও পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না।

বিদ্যুৎ সরবরাহ দ্রুত বাড়ানো না গেলে আগামী দিনগুলোতে লোডশেডিং আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে গরমের মধ্যে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়ার পাশাপাশি দেশের শিল্প ও ব্যবসা খাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

 

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝালকাঠির আলোচিত পিপি হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির আত্মসমর্পণ

বিদ্যুতের ঘাটতি ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেল পাকিস্তানে

আপডেট টাইম : ০৫:১৭:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

পাকিস্তানে বিদ্যুৎ সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দেশটিতে বিদ্যুতের ঘাটতি ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। এতে বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং বেড়েছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। একই সঙ্গে ব্যাহত হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন কার্যক্রম। খবর এএনআইয়ের।

 

 

 

 

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান তৈরি হয়েছে। কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদন কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। পাশাপাশি জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের সরবরাহও কমেছে।

 

 

 

 

দেশটির বড় শহরগুলোর মধ্যে লাহোরে বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব বেশি দেখা যাচ্ছে। লাহোর ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানির (এলইএসসিও) এলাকায় বিদ্যুতের ঘাটতি ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে বলে জানা গেছে। সেখানে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ রয়েছে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট।

 

 

 

 

এলইএসসিও সূত্র বলছে, সরবরাহ ঘাটতির কারণে লাহোরের বিভিন্ন এলাকায় নির্ধারিত সময়ের বাইরে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। কোনো কোনো এলাকায় এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহের পর পরের এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ রাখার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এতে বাসাবাড়ির পাশাপাশি দোকানপাট, কারখানা ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও সমস্যায় পড়ছে।
বিদ্যুৎ সংকটের পেছনে জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতিও বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। ডিজেল ও গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না। একই সঙ্গে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কম থাকায় বিকল্প উৎস থেকেও পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না।

বিদ্যুৎ সরবরাহ দ্রুত বাড়ানো না গেলে আগামী দিনগুলোতে লোডশেডিং আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে গরমের মধ্যে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়ার পাশাপাশি দেশের শিল্প ও ব্যবসা খাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।