সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণ

ডেমোক্র্যাটদের জয়ে অবসানের পথে ইরান যুদ্ধ, বদলাতে পারে ইসরায়েল নীতি

ইরানের ওপর মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে নিউইয়র্কে বিক্ষোভ-মিছিল। পুরোনো ছবি: এপি

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর ইরান যুদ্ধ বন্ধ এবং ইসরায়েলের প্রতি ওয়াশিংটনের নীতি পরিবর্তনের চাপ বাড়তে যাচ্ছে। এর ফলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক বড় সংকটে পড়তে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, বিশেষ করে ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস ইরান যুদ্ধের ব্যয় বন্ধ করা এবং ইসরায়েলের সামরিক সহায়তা পুনর্বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

 

 

 

 

 

মঙ্গলবারের নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, বছরের শেষ নাগাদ ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা বন্ধ হয়ে যাবে। নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর তিনি স্বীকার করেন, ইরান যুদ্ধের প্রভাব এবং এর কারণে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে মার্কিন জনগণের অসন্তোষ এ ফলাফলের অন্যতম কারণ। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও ইরান যুদ্ধের পাশাপাশি ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পেছনে ভূমিকা রাখা কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

 

 

 

 

 

ইসরায়েলের পশ্চিম তীর ও গাজা নীতি নিয়ে নিষেধাজ্ঞার আইন আনার আগে ইরান যুদ্ধ বন্ধ করাকেই অগ্রাধিকার দিতে চান ডেমোক্র্যাটরা। সম্ভাব্য পরবর্তী সিনেট সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা চাক শুমার বলেছেন, কংগ্রেসের অর্থ বরাদ্দের ক্ষমতা ব্যবহার করে এ লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করবেন তারা।

 

 

ভিয়েতনাম যুদ্ধ বন্ধে কংগ্রেস অতীতে যে কৌশল নিয়েছিল, ডেমোক্র্যাটরা এবারও তা অনুসরণ করতে পারেন। সরকারি কার্যক্রম চালু রাখতে প্রয়োজনীয় পরবর্তী অর্থায়ন বিলে ইরানের উপকূলের কাছে মার্কিন সামরিক অভিযানে অর্থ বরাদ্দ বন্ধের শর্ত যুক্ত করা হতে পারে। ট্রাম্প বিলে স্বাক্ষর না করলে সরকারের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে, যার দায় তার ওপর পড়তে পারে।

 

তাই ৩ জানুয়ারি নতুন কংগ্রেসের কার্যক্রম শুরুর আগেই ট্রাম্পকে যুদ্ধ গুটিয়ে নেওয়ার চাপের মুখে পড়তে হতে পারে। তবে যুদ্ধের কূটনৈতিক সমাধান চাইলেও নির্বাচনী ফল ইরানকে আরও কঠোর অবস্থান নিতে উৎসাহিত করতে পারে। কারণ, মার্কিন জনগণের মধ্যে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব বেড়েছে; এটি বুঝে তেহরান সমঝোতায় ছাড় দিতে অনাগ্রহী হতে পারে।

 

 

 

ইসরায়েলকে বছরে ৩৮০ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১০ বছর মেয়াদি সমঝোতা রয়েছে, যা ২০২৮ সালের শেষ পর্যন্ত কার্যকর থাকার কথা। তবে প্রতিবছর এ অর্থ কংগ্রেসের অনুমোদন নিয়ে বরাদ্দ করতে হয়। ফলে ডেমোক্র্যাটরা চাইলে আগামী বছর থেকেই সহায়তা বন্ধের উদ্যোগ নিতে পারেন।

 

 

 

 

গাজা যুদ্ধ-পরবর্তী ব্যবস্থাপনার জন্য ট্রাম্পের নেতৃত্বে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর অর্থায়ন নিয়েও কংগ্রেসে আপত্তি উঠতে পারে। এ বোর্ডের অন্যতম পরিকল্পনাকারী জ্যারেড কুশনারের ব্যবসায়িক সম্পর্ক নিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছেন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা। তদন্ত ও অর্থায়ন নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে গাজার পুনর্গঠন পরিকল্পনাও বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

 

 

 

 

ইসরায়েলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে নতুন সরকারের প্রতিনিধিদের দেশটির বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। তার মতে, ইসরায়েলের সমালোচকদের সবাই দেশটির বিরোধী নন; তাদের অনেকেই বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা ও নেতানিয়াহু সরকারের নীতির বিরোধিতা করছেন।

 

 

 

তবে নবনির্বাচিত ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য ব্র্যাড ল্যান্ডার লাপিদের প্রস্তাবের সমালোচনা করে বলেছেন, মার্কিন ভোটাররা শুধু আলোচনাসফর চান না, তারা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের প্রতি সম্মান দেখতে চান। মিশিগানের ডেমোক্র্যাট নেতা জর্ডান অ্যাকারও বলেছেন, ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরায়েলের আচরণ নিয়ে সাধারণ মার্কিন ভোটারদের ক্ষোভ ইসরায়েলিরা ঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পারছেন না।

 

 

 

 

সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান শাপিরোর মতে, নেতানিয়াহুকে ক্ষমতায় রেখে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করলে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কের মৌলিক পরিবর্তন আসবে না। তার মতে, নেতানিয়াহু শুধু ডেমোক্র্যাটদের নয়, অনেক রিপাবলিকানের কাছেও গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছেন। সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত ইসরায়েলের নেতৃত্বে নতুন মুখ আনা।

 

 

 

 

বিশ্লেষক জোয়েল ব্রাউনল্ডের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের মধ্যেই ইসরায়েলের বর্তমান নীতি নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে। ডেমোক্র্যাটরা জানতে চায়, ইসরায়েল কোন মূল্যবোধের পক্ষে দাঁড়াচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের প্রতি কতটা শ্রদ্ধাশীল।

 

 

 

 

অন্যদিকে ভ্যান্সের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইরান, লেবানন, সিরিয়া, গাজা কিংবা পশ্চিম তীর কোনো ক্ষেত্রেই ইসরায়েল যেন মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির জন্য বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। ফলে শুধু প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন নয়, ইসরায়েলের সামগ্রিক নীতিতেও বড় পরিবর্তনের চাপ তৈরি হতে পারে।

 

 

 

 

 

জনতার কন্ঠ/এস এ

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৩২ কেজির বস্তু ঘিরে পাপুয়া নিউগিনিতে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের বিরোধ

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণ

ডেমোক্র্যাটদের জয়ে অবসানের পথে ইরান যুদ্ধ, বদলাতে পারে ইসরায়েল নীতি

আপডেট টাইম : ০৫:৩১:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর ইরান যুদ্ধ বন্ধ এবং ইসরায়েলের প্রতি ওয়াশিংটনের নীতি পরিবর্তনের চাপ বাড়তে যাচ্ছে। এর ফলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক বড় সংকটে পড়তে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, বিশেষ করে ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস ইরান যুদ্ধের ব্যয় বন্ধ করা এবং ইসরায়েলের সামরিক সহায়তা পুনর্বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

 

 

 

 

 

মঙ্গলবারের নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, বছরের শেষ নাগাদ ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা বন্ধ হয়ে যাবে। নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর তিনি স্বীকার করেন, ইরান যুদ্ধের প্রভাব এবং এর কারণে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে মার্কিন জনগণের অসন্তোষ এ ফলাফলের অন্যতম কারণ। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও ইরান যুদ্ধের পাশাপাশি ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পেছনে ভূমিকা রাখা কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

 

 

 

 

 

ইসরায়েলের পশ্চিম তীর ও গাজা নীতি নিয়ে নিষেধাজ্ঞার আইন আনার আগে ইরান যুদ্ধ বন্ধ করাকেই অগ্রাধিকার দিতে চান ডেমোক্র্যাটরা। সম্ভাব্য পরবর্তী সিনেট সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা চাক শুমার বলেছেন, কংগ্রেসের অর্থ বরাদ্দের ক্ষমতা ব্যবহার করে এ লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করবেন তারা।

 

 

ভিয়েতনাম যুদ্ধ বন্ধে কংগ্রেস অতীতে যে কৌশল নিয়েছিল, ডেমোক্র্যাটরা এবারও তা অনুসরণ করতে পারেন। সরকারি কার্যক্রম চালু রাখতে প্রয়োজনীয় পরবর্তী অর্থায়ন বিলে ইরানের উপকূলের কাছে মার্কিন সামরিক অভিযানে অর্থ বরাদ্দ বন্ধের শর্ত যুক্ত করা হতে পারে। ট্রাম্প বিলে স্বাক্ষর না করলে সরকারের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে, যার দায় তার ওপর পড়তে পারে।

 

তাই ৩ জানুয়ারি নতুন কংগ্রেসের কার্যক্রম শুরুর আগেই ট্রাম্পকে যুদ্ধ গুটিয়ে নেওয়ার চাপের মুখে পড়তে হতে পারে। তবে যুদ্ধের কূটনৈতিক সমাধান চাইলেও নির্বাচনী ফল ইরানকে আরও কঠোর অবস্থান নিতে উৎসাহিত করতে পারে। কারণ, মার্কিন জনগণের মধ্যে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব বেড়েছে; এটি বুঝে তেহরান সমঝোতায় ছাড় দিতে অনাগ্রহী হতে পারে।

 

 

 

ইসরায়েলকে বছরে ৩৮০ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১০ বছর মেয়াদি সমঝোতা রয়েছে, যা ২০২৮ সালের শেষ পর্যন্ত কার্যকর থাকার কথা। তবে প্রতিবছর এ অর্থ কংগ্রেসের অনুমোদন নিয়ে বরাদ্দ করতে হয়। ফলে ডেমোক্র্যাটরা চাইলে আগামী বছর থেকেই সহায়তা বন্ধের উদ্যোগ নিতে পারেন।

 

 

 

 

গাজা যুদ্ধ-পরবর্তী ব্যবস্থাপনার জন্য ট্রাম্পের নেতৃত্বে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর অর্থায়ন নিয়েও কংগ্রেসে আপত্তি উঠতে পারে। এ বোর্ডের অন্যতম পরিকল্পনাকারী জ্যারেড কুশনারের ব্যবসায়িক সম্পর্ক নিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছেন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা। তদন্ত ও অর্থায়ন নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে গাজার পুনর্গঠন পরিকল্পনাও বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

 

 

 

 

ইসরায়েলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে নতুন সরকারের প্রতিনিধিদের দেশটির বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। তার মতে, ইসরায়েলের সমালোচকদের সবাই দেশটির বিরোধী নন; তাদের অনেকেই বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা ও নেতানিয়াহু সরকারের নীতির বিরোধিতা করছেন।

 

 

 

তবে নবনির্বাচিত ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য ব্র্যাড ল্যান্ডার লাপিদের প্রস্তাবের সমালোচনা করে বলেছেন, মার্কিন ভোটাররা শুধু আলোচনাসফর চান না, তারা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের প্রতি সম্মান দেখতে চান। মিশিগানের ডেমোক্র্যাট নেতা জর্ডান অ্যাকারও বলেছেন, ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরায়েলের আচরণ নিয়ে সাধারণ মার্কিন ভোটারদের ক্ষোভ ইসরায়েলিরা ঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পারছেন না।

 

 

 

 

সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান শাপিরোর মতে, নেতানিয়াহুকে ক্ষমতায় রেখে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করলে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কের মৌলিক পরিবর্তন আসবে না। তার মতে, নেতানিয়াহু শুধু ডেমোক্র্যাটদের নয়, অনেক রিপাবলিকানের কাছেও গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছেন। সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত ইসরায়েলের নেতৃত্বে নতুন মুখ আনা।

 

 

 

 

বিশ্লেষক জোয়েল ব্রাউনল্ডের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের মধ্যেই ইসরায়েলের বর্তমান নীতি নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে। ডেমোক্র্যাটরা জানতে চায়, ইসরায়েল কোন মূল্যবোধের পক্ষে দাঁড়াচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের প্রতি কতটা শ্রদ্ধাশীল।

 

 

 

 

অন্যদিকে ভ্যান্সের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইরান, লেবানন, সিরিয়া, গাজা কিংবা পশ্চিম তীর কোনো ক্ষেত্রেই ইসরায়েল যেন মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির জন্য বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। ফলে শুধু প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন নয়, ইসরায়েলের সামগ্রিক নীতিতেও বড় পরিবর্তনের চাপ তৈরি হতে পারে।

 

 

 

 

 

জনতার কন্ঠ/এস এ