বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, মাটির নিচে চলে গেছে আওয়ামী লীগ। এখন নানান কথা কয় হাসিনার আমলে এটা ছিল ওটা ছিল। এই যে শত শত কোটি টাকা ঋণ করে গেছে। আপনাদের এক একজনের ঘাড়ে ৩৫ হাজার কোটি টাকা করে ঋণ রেখে গেছে।
মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা দেশের কোন কাজই করে নাই। শুধু ব্রীজ আর ফ্লাইওভার করেছে। বাংলাদেশের ব্যাংকের টাকা খালি করে দিছে । বলছে নিজস্ব টাকা দিয়ে করছে। ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ বিদ্যুৎ লাইন এটাও করে নাই। আমরা এসে ১০ মাসে করলাম এখন ময়মনসিংহে লোডশেডিং কমে গেছে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে সংক্ষিপ্ত সফরে উপজেলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, আপনাদের ভোটেই তো আমরা নির্বাচিত হয়েছি, মন্ত্রী হয়েছি। এখন এই যে সরকার আপনারা বসাইছেন এ সরকার তো আপনাদের সরকার। কড্ডা থেকে জামতৈল পর্যন্ত রাস্তাটি প্রশস্ত করা হবে এটা টেন্ডার হয়ে গেছে টেন্ডার ড্রপ হলেই দ্রুত কাজ শুরু হয়ে যাবে।
জ্বালানি তেলের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আপনাদেরকে বুঝতে হবে আজকে দেশের কি পরিস্থিতি। যে জায়গা থেকে জ্বালানি নিয়ে আসে তেল-গ্যাস পেট্রোল যেখান থেকে আসে সেখানে যুদ্ধ লিপ্ত হয়েছে। ফলে সারা বিশ্বে আজকে জ্বালানির সংকট শুরু হয়েছে এই জ্বালানি ক্রাইসিস এর মধ্যেও আমরা দেশের যাতে বিদ্যুৎ সম্প্রসারণ ঠিক থাকে আমরা বিদেশ থেকে বেশি দাম দিয়ে গ্যাস কিনতেছি।
আর আমরা এভাবে যদি দিতে থাকি তাহলে আমরা যে সামাজিক প্রকল্পগুলো আছে যেমন রাস্তাঘাট করা ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া স্কুল উন্নত করা টাকা যদি আমরা সব এখানে খরচ করি তাহলে এই যে কাজগুলো কিভাবে হবে আপনার যদি সহযোগিতা না করেন তাহলে আমরা এই কঠিন পরিস্থিতি কিভাবে পার করব।
বিদ্যুতের বিষয়ে টুকু আরো বলেন, আমরা একটা সহজ পদ্ধতি পাইছি আল্লাহর দেয়া সূর্য । সে সূর্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করব । আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই ঘরে ঘরে বিদ্যুতের সোলার বসান। বিদ্যুতের বিলও কম থাকবে প্রিপেইড মিটার নিয়ে জ্ঞান জ্ঞান করা লাগবে না । কিছুই করা লাগবেনা। আপনার বিদ্যুৎ আপনি উৎপাদন করবেন আপনি ব্যবহার করবেন তার জন্য আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব।
এসময় উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান ফেরদৌস, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজাতে রাব্বি উথান , জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল কায়েস-সহ জেলা এবং উপজেলা বিএনপির সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জনতার কন্ঠ/এস এ

কামারখন্দ প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম 




















