সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে জনগণের ওপর বাড়তি চাপ: এবি পার্টি

ছবি : সংগৃহীত

জনগণের পকেট কাটতে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি মন্তব্য করে গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

 

 

 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এই প্রতিবাদ জানান।

 

 

 

 

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে তারা বলেছেন, দুর্নীতি-লুটপাটের খেসারত জনগণ দেবে না। দেশের জনগণ যখন লাগামহীন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, বেকারত্ব, শিল্প খাতের সংকট এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের চাপে দিশেহারা, তখন বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক নির্যাতন চাপিয়ে দেওয়ার শামিল।

 

বিদ্যুৎ আজ কেবল একটি সেবা নয়; এটি কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য উপাদান। ফলে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি মানেই প্রতিটি পণ্য ও সেবার উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দেওয়া।

 

এবি পার্টি এই দুই নেতা বলেন, জনগণের ঘাড়ে বারবার মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপিয়ে দিয়ে বিদ্যুৎ খাতের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি, লুটপাট ও নীতিগত ব্যর্থতার দায় এড়ানো যায় না। বছরের পর বছর ভুল পরিকল্পনা, অস্বচ্ছ চুক্তি, অতিরিক্ত সক্ষমতার নামে জনগণের অর্থ অপচয় এবং জবাবদিহিতার অভাবে বিদ্যুৎ খাতকে সংকটের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এখন সেই ব্যর্থতার মূল্য জনগণকে দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।

 

 

তারা বলেন, একটি কল্যাণমুখী ও জনবান্ধব রাষ্ট্রে অর্থনৈতিক সংকটের সমাধান জনগণের পকেট কেটে নয়, বরং অপচয় ও দুর্নীতি বন্ধের মাধ্যমে করা হয়। কিন্তু সরকার জনগণের জীবনমান রক্ষার পরিবর্তে বারবার তাদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি আরও দুর্বল হবে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

 

 

 

অবিলম্বে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে তারা বলেন, বিদ্যুৎ খাতের সকল চুক্তি, ব্যয় ও ভর্তুকি ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ নিরপেক্ষ নিরীক্ষা করতে হবে এবং জনগণের সামনে প্রকৃত তথ্য প্রকাশ করতে হবে। দুর্নীতি ও অপচয়ের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করে জনগণের ওপর নতুন বোঝা চাপানোর যেকোনো উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয়।

 

 

নাচোলে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের মানববন্ধন: ১ ঘণ্টা কার্যক্রম বন্ধ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর উপ-শাখার সামনে বর্তমান নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) খুরশীদ আলম এর নিয়োগ বাতিল ও পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন সাধারণ গ্রাহকরা।
‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর ব্যানারে আয়োজিত এই মানববন্ধনে পূর্বের এমডি ওমর ফারুক খান-কে পুনর্বহালসহ ৭ দফা দাবি জানানো হয়।
​গ্রাহকদের এই আন্দোলনের মুখে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত টানা ১ ঘণ্টা ব্যাংকের সকল প্রকার দাপ্তরিক ও লেনদেন কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে।
​বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল ১০ টায় নাচোল উপ-শাখার কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এই মানববন্ধনে এলাকার সর্বস্তরের গ্রাহক ও সচেতন নাগরিক অংশ নেন।
​মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, ব্যাংককের গ্রাহক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, ডা. রফিকুল ইসলাম, মাওলানা রইস উদ্দিন, ওবায়দুল্লাহ ও ইসমাইল হোসেনসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
​বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ব্যাংকের বর্তমান নতুন এমডি খুরশীদ আলম এর যোগদানের পর থেকে গ্রাহকদের স্বার্থ চরমভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আমানতের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ব্যাংকটিকে লুটেরা ও ফ্যাসিস্টদের দোসরদের হাত থেকে মুক্ত করতে অবিলম্বে বর্তমান এমডি-কে অপসারণ করতে হবে।
একই সাথে গ্রাহকবান্ধব ও দক্ষ পূর্বের এমডি  ওমর ফারুক খান -কে দ্রুত পুনর্বহাল করার জোর দাবি জানান তারা।
​মানববন্ধনে গ্রাহকরা আমানতের নিরাপত্তা, গ্রাহক স্বার্থ রক্ষা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি বৈষম্য দূরীকরণসহ ৭ দফা দাবি সংবলিত লিফলেট ও ব্যানার প্রদর্শন করেন । একই সাথে গ্রাহকদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি ১ ঘণ্টার কলম বিরতির আহ্বানও জানানো হয়।
​গ্রাহকরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অতি দ্রুত এই ৭ দফা দাবি বাস্তবায়ন করা না হলে আগামীতে আরও কঠোর ও লাগাতার কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে। ১ ঘণ্টা কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর বেলা ১১টার দিকে ব্যাংকের স্বাভাবিক কাজকর্ম পুনরায় শুরু হয়।

ক্ষয়ক্ষতি ও প্রতিকূলতার মধ্যেও ভোলাহাটে ইরি-বোরো ধান সংগ্রহ প্রায় শেষ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলায় নানা প্রতিকূলতা ও ক্ষয়ক্ষতির মধ্য দিয়েও চলতি মৌসুমের ইরি-বোরো ধান কাটা, মাড়াই ও গোলাজাতকরণ কার্যক্রম প্রায় শেষ হয়েছে। ঘন ঘন বৃষ্টিপাত, শ্রমিক সংকট ও অতিরিক্ত মজুরির চাপ সত্ত্বেও কৃষকরা সংগ্রাম করে ধান ঘরে তুলেছেন। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও উৎপাদন ব্যয়ের কারণে অনেক কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ মৌসুমে ভোলাহাটে ইরি-বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ হাজার ১৭৫ হেক্টর জমি। এর মধ্যে উফশী জাতের ধান আবাদ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯৩৫ হেক্টর এবং হাইব্রিড জাতের ধান ২৪০ হেক্টরে। ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪২ হাজার ৬১০ মেট্রিক টন এবং চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৮ হাজার ৪০৬ মেট্রিক টন।

সেচ ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়েছে ২৪৬টি বিদ্যুতায়িত গভীর নলকূপ, ১৮০টি এসটিডব্লিউ (শ্যালো টিউবওয়েল) এবং ২০০টি এলএলপি (লো-লিফট পাম্প)। এছাড়া ২৩৬টি এলএলপির মাধ্যমে নদী ও বিভিন্ন জলাশয় থেকে ভাসান পানির সরবরাহ করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সুলতান আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কৃষকরা জানান, মৌসুমের শুরুতে অনুকূল আবহাওয়ার কারণে ধানের ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। অনেকেই বাম্পার ফলনের আশা করেছিলেন। কিন্তু ধান পাকতে শুরু করার পরপরই ঘন ঘন বৃষ্টি, ঝড়ো হাওয়া ও কিছু এলাকায় মৃদু শিলাবৃষ্টি পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে। জমিতে পানি জমে যাওয়ায় এবং অনেক স্থানে ধানগাছ মাটিতে লুটিয়ে পড়ায় ধান কাটতে বিলম্ব হয়।

দীর্ঘ সময় মাঠে পড়ে থাকায় পানিতে ভিজে অনেক ধান ও খড় নষ্ট হয়েছে। একই সঙ্গে দেখা দেয় তীব্র শ্রমিক সংকট। ফলে ধান কাটার শ্রমিকের মজুরি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে যায়। যেখানে আগে দৈনিক মজুরি ছিল ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, সেখানে মৌসুমের শেষ দিকে তা বেড়ে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছে। এছাড়া ১০০ কেজি ধান কাটার বিনিময়ে শ্রমিকদের পারিশ্রমিক ২০ কেজির পরিবর্তে ৩০ থেকে ৪০ কেজি ধান পর্যন্ত দিতে হয়েছে।

কৃষকদের অভিযোগ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি অতিরিক্ত শ্রমিক মজুরি তাদের ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তারা মনে করেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে শ্রমিক মজুরি নির্ধারণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হলে অনেক কৃষক আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতেন।

এদিকে বৃষ্টিজনিত ক্ষতির কারণে এ বছর ফলনও প্রত্যাশার তুলনায় কম হয়েছে। কৃষকদের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বিঘায় সর্বনিম্ন ফলন হয়েছে ১৩ থেকে ১৪ মণ এবং সর্বোচ্চ ফলন হয়েছে ২০ থেকে ২২ মণ (প্রতি মণ ৪০ কেজি হিসাবে)।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আবহাওয়াজনিত ক্ষতি ও ফলন হ্রাসের কারণে কৃষি বিভাগের নির্ধারিত ধান ও চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না-ও হতে পারে। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও অধিকাংশ কৃষক ইতোমধ্যে ধান ঘরে তুলতে সক্ষম হয়েছেন।

তাড়াশ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে স.ম আফছার আলীর প্রার্থিতা ঘোষণা

 

আসন্ন তাড়াশ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সদ্য সাবেক সফল সভাপতি জননেতা স.ম আফছার আলী।
দীর্ঘদিন ধরে তাড়াশের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা স.ম আফছার আলী বিএনপির দুঃসময়ে দলের হাল ধরেছিলেন। উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দলকে সংগঠিত করার পাশাপাশি তাড়াশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন তিনি। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে তিনি “মানুষের নেতা” হিসেবেই পরিচিত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাড়াশ উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষিখাতের উন্নতির লক্ষ্যে এবং অবহেলিত জনগোষ্ঠীর ভাগ্য পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে তিনি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ তার প্রার্থিতাকে স্বাগত জানিয়েছেন।
স.ম আফছার আলী বলেন, “তাড়াশ আমার জন্মভূমি। এই মাটির মানুষের সেবা করাই আমার রাজনীতি। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইনশাআল্লাহ তাড়াশকে একটি মডেল উপজেলায় রূপান্তর করবো। সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।”
তাড়াশ উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে তার এই ঘোষণায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ভারত থেকে অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি

 

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ কর্তৃক অবৈধভাবে পুশইনের ১০টি পৃথক অপচেষ্টা সফলভাবে রুখে দিয়েছে বিজিবি।

 

 

 

ঝিনাইদহে বিজিবির মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ যাদবপুর সীমান্ত এলাকায় ৪-৫ জন ব্যক্তি বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি টহলদল তাৎক্ষণিকভাবে বাধা প্রদান করে। তারা পুনরায় ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যায়।

 

 

 

মহেশপুরের সামন্তা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের একটি প্রিজন ভ্যানে করে প্রায় ৩০-৩৫ জন ব্যক্তিকে সীমান্ত গেট খুলে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। বিজিবি টহলদল ও স্থানীয় জনসাধারণের তাৎক্ষণিক প্রতিরোধের মুখে বিএসএফ উক্ত ব্যক্তিদের পুনরায় ভ্যানে তুলে অন্যত্র সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

বিজিবির খুলনা ব্যাটালিয়নের (২১ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ যশোরের গোগা ও রুদ্রপুর সীমান্ত এলাকায় কয়েকজন নারী-পুরুষকে পুশইনের উদ্দেশে সীমান্তের কাছে অবস্থান করতে দেখা যায়। বিজিবির প্রতিরোধমূলক তৎপরতার ফলে বিএসএফ তাদেরকে সেখান থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

 

জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের (২০ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ কয়া ও বাসুদেবপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের অভ্যন্তরে প্রায় ১০ ব্যক্তিকে একত্রিত করে পুশইনের প্রস্তুতির তথ্য পাওয়া যায়। পুশইন প্রতিরোধে বিজিবির তাৎক্ষণিক সতর্কতামূলক প্রস্তুতি গ্রহণ এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করার ফলে বিএসএফের পুশইন অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (৫৩ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তের বিপরীতে ১৪৯ ও ৭১ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ ক্যাম্পের নিকটবর্তী ৩টি হোল্ডিং সেন্টারে এসআইআর তালিকা থেকে বাদ পড়া ৪ নাগরিককে বাংলাদেশে পুশইনের উদ্দেশে রাখা হয়েছে বলে গোয়েন্দা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সূত্রে জানা যায়।

 

 

 

পঞ্চগড়ের ব্যাটালিয়নের (১৮ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ রওশনপুর সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক ১ ব্যক্তিকে পুশইন করা হলে স্থানীয় জনগণ তাকে আটক করে বিজিবিকে অবহিত করে। পরবর্তীতে বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে ভারতের অভ্যন্তরে ফেরত পাঠায়।

 

 

 

সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ উৎমাছড়া সীমান্ত এলাকায় সন্দেহভাজন ২ ব্যক্তিকে স্থানীয় জনগণ আটক করে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের ভারতীয় নাগরিক হিসেবে শনাক্ত করার পর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভারতে পুশব্যাক করা হয়।

 

 

বিএনপিতে যোগদান

হাইকমান্ডের নির্দেশনা মানছে না বিএনপির তৃণমূল

 

দলে অনুপ্রবেশকারী ঠেকাতে হাইকমান্ডের নির্দেশনার অনেকটাই তোয়াক্কা করছেন না বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীর অনেকে। দলটির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, একদিকে দলের অনুপ্রবেশকারী ঠেকাতে হাইকমান্ডের কঠোর নিষেধাজ্ঞা, অন্যদিকে তৃণমূল পর্যায়ে দলে যোগদানের প্রতিযোগিতা—এই দুই বিপরীত চিত্রের মুখোমুখি এখন মাঠপর্যায়ে বিএনপি। দলের হাইকমান্ড যখন দুই দফায় স্পষ্ট ঘোষণা দিয়ে বলেছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী বা অরাজনৈতিক ব্যক্তিকে বিএনপিতে যোগদান করানো যাবে না। কিন্তু দেড় বছর যেতে না যেতেই স্থানীয় কোন্দল ও নিজেদের পাল্লা ভারী করতে অনেক জায়গাতেই নির্দেশনা অমান্য করে নতুন নেতাকর্মীকে বিএনপিতে ভেড়াচ্ছেন। এতে করে দলের ভাবমূর্তি সংকটের পাশাপাশি তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এ অনিয়ন্ত্রিত যোগদান দলের শৃঙ্খলাকে বড় ধরনের ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। ভবিষ্যতে দলের জন্য বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

 

 

 

যদিও বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দাবি, কোনো চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী বা বিতর্কিত ব্যক্তিকে দলে নেওয়া যাবে না—কেন্দ্র থেকে এমন বার্তা দেওয়া আছে। তবে ক্লিন ইমেজধারী নেতাকর্মী বা অতীত কর্মকাণ্ড স্বচ্ছ থাকলে তাদের দলে নেওয়া যাবে। বিতর্কিত কাউকে দলে অনুপ্রবেশ করানো হচ্ছে না বলেও জানান তারা।

 

 

 

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, দলের নতুন সদস্যদের যোগদানের ব্যাপারে আমাদের আগের নির্দেশনা জারি রয়েছে।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট দলের নেতাকর্মীদের যোগদান বন্ধে কঠোর নির্দেশনা জারি করে বিএনপির হাইকমান্ড। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিএনপির ওয়ার্ড থেকে জাতীয় পর্যায়ের কোনো কমিটিতে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের কেউ বা অরাজনৈতিক কেউ যোগ দিতে পারবেন না। এ সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করতে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব স্তরের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি আবারও একই বার্তা দিয়ে নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়। কিন্তু বছর যেতে না যেতেই সেই নির্দেশনা মানছেন না তৃণমূলের অনেক নেতাই। ফলে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা কৌশলে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনে যোগদান করছেন।

 

এরই ধারাবাহিকতায় গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. কে এম বাবরের হাতে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেছেন নিজড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা ছনোয়ার হোসেন মোল্লা ও নুর ইসলাম শেখের নেতৃত্বে ১২০০ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী। গতকাল বুধবার সদর উপজেলার নিজড়া ইউনিয়নের জাঙ্গাল বাজার এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে তারা দল পরিবর্তনের ঘোষণা দেন।

 

 

জানা যায়, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে ছনোয়ার হোসেন মোল্লা ও নুর ইসলামের অনুসারী ১২০০ নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান দেন। নিজড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ছনোয়ার হোসেন মোল্লা। তিনি এলাকায় অত্যন্ত জনপ্রিয়। ছনোয়ার হোসেন মোল্লা স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে দাঁড়ালেও তার ভোটগুলো ছিনিয়ে নেওয়া নৌকা প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া দল থেকে মূল্যায়নের পরিবর্তে অবমূল্যায়ন পাওয়ায় তারা বিএনপিতে যোগদান করেন। এ ছাড়া নৌকার প্রার্থীর বাইরে অন্য ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা বিএনপিতে যোগ দিতে পারে বলেও স্থানীয় পর্যায়ে গুঞ্জন রয়েছে।

 

 

 

যোগদান অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ড. কে এম বাবর বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিএনপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় ব্যক্তিরা বিএনপিতে যোগদান করলে তাদের স্বাগত জানানো হবে।

 

 

 

নবাগত দুই নেতা ছনোয়ার হোসেন মোল্লা ও নুর ইসলাম শেখ বলেন, এলাকার উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তারা বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন। তারা দলের আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

 

 

 

এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের টঙ্গীতে জাতীয় পার্টির (জি এম কাদের) থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি সাইফুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, সহসভাপতি সালাহউদ্দিন, মজিবুর রহমানসহ শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন। তারা সবাই শ্রমিক দলের কার্যকরী সভাপতি মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন সরকারের হাতে ফুল দিয়ে যোগদান করেন। তারও আগে গত ২৮ জানুয়ারি কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমল সরকারের নেতৃত্বে শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম ভূঁইয়ার হাতে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন।

 

 

 

বিএনপির একটি সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের মে ও জুন মাসে দলে নতুন সদস্য সংগ্রহে ফরম বিতরণ করে বিএনপি। সেই সময়ে একটি শর্ত ছিল, আওয়ামী লীগের যারা ক্লিন ইমেজ, অতীত কর্মকাণ্ড স্বচ্ছ এবং দুর্নীতি-লুটপাট বা মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত নয় তাদের দলে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। তবে দলের এ নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গোপনে ও প্রকাশ্যে তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের হাত ধরে দলবদল করে বিভিন্ন ঘরানার নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগ দিচ্ছেন। এভাবে চলতে থাকলে স্থানীয় পর্যায়ে দলে অভ্যন্তরীণ কোন্দল দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ।

 

 

 

 

বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী বিভাগ) আমিরুল ইসলাম খান আলিম কালবেলাকে, দলে নতুন নেতাকর্মী যোগদানের ব্যাপারে এখনো নিষেধাজ্ঞার নির্দেশনা রয়েছে। আমি মনে করি, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা সবার মেনে চলা উচিত।

 

 

 

বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক (ফরিদপুর) সেলিমুজ্জামান সেলিম কালবেলাকে বলেন, যাদের নামে ফৌজদারি মামলা নেই, যারা কোনো অপকর্মে জড়িত নেই অথবা বিগত সময়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের জুলুম-নির্যাতন করেননি, তাদের দলে যোগদানের ব্যাপারে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। কিন্তু যারা চিহ্নিত অপরাধী ও মামলা রয়েছে তাদের যোগদানের ব্যাপারে নিষেধ রয়েছে। এ ছাড়া গোপালগঞ্জের ব্যাপারটা একটু ভিন্ন। অন্য দলের নেতাকর্মীদের যোগদানের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তাহলে কীভাবে যোগ দিল জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর দলে যোগদানের ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা আছে কি না, তা জানা নেই।

সুত্র: দৈনিক কালবেলা

 

 

রুদ্রকর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান নিরব মুন্সী

শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে পরিচিত মুখ মিজানুর রহমান নিরব মুন্সী। সম্প্রতি তিনি ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে এক শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় বার্তায় এ ঘোষণা দেন।

 

 

 

তিনি বলেন, রুদ্রকর ইউনিয়নের উন্নয়নে যারা অতীতে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের অবদান ইউনিয়নবাসী আজীবন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। একই সঙ্গে যারা বিভিন্ন সময়ে পরামর্শ, সহযোগিতা ও নেতৃত্ব দিয়ে আজ পৃথিবীতে নেই, তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন তিনি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

 

 

 

মিজানুর রহমান নিরব মুন্সী বর্তমান ও সাবেক জনপ্রতিনিধিদের প্রতিও শুভেচ্ছা ও সম্মান প্রকাশ করেন। তিনি ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, “আমি একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আসন্ন রুদ্রকর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চাই। এজন্য সকলের দোয়া, সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করছি।”

 

 

 

তিনি আরও বলেন, তার এই আত্মপ্রকাশকে ইউনিয়নবাসী কীভাবে দেখছেন—ইতিবাচক কিংবা নেতিবাচক, যেকোনো মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানানোর আহ্বান জানান তিনি। জনগণের মতামত ও পরামর্শকে তিনি নিজের চলার পথের শক্তি হিসেবে দেখছেন বলেও উল্লেখ করেন।

 

 

 

সবশেষে নিরব মুন্সী রুদ্রকর ইউনিয়নের সকল মানুষের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং নিজের জন্য দোয়া প্রার্থণা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সকলের সহযোগিতায় একটি সুন্দর, আধুনিক ও উন্নত রুদ্রকর ইউনিয়ন গড়ে তোলা সম্ভব হবে, ইনশাআল্লাহ।

 

বোরকা পরে ‘নাগীন ড্যান্স’: সমালোচনার মুখে ক্ষমা চাইলেন তিন তরুণী

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় বোরকা পরে ‘নাগীন’ গানের তালে নৃত্য পরিবেশন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিন তরুণী। পরে তারা নিজেদের ভুল স্বীকার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

জানা যায়, উলিপুরের অরণ্য রুপটন রেস্টুরেন্টের ১০ তলায় ধারণ করা ১২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, তিন তরুণী বোরকা পরে ‘নাগীন’ গানের মিউজিকের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নৃত্য পরিবেশন করছেন।

ভিডিওটি প্রকাশের পর অল্প সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। একাংশের কাছে এটি ছিল নিছক বিনোদনের বিষয় হলেও, অন্যদিকে অনেকেই এর সমালোচনা করেন। বিশেষ করে ধর্মীয় মূল্যবোধ, পর্দা প্রথা ও বোরকার মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন সমালোচকরা।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নেটদুনিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাশাপাশি স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পরবর্তীতে ওই তিন তরুণী একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন। সেখানে তারা জানান, কাউকে আঘাত করা বা বিতর্ক সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে ভিডিওটি তৈরি করা হয়নি; শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য এটি ধারণ করা হয়েছিল।

ভিডিও বার্তায় তারা বলেন, “আমরা বিনোদন দেওয়ার জন্য নাচের ভিডিওটি করেছি। বিষয়টি নিয়ে এত বড় প্রতিক্রিয়া হবে, তা আমরা ভাবিনি। যদি আমাদের কর্মকাণ্ডে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাহলে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। সবাই আমাদের ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।”

তরুণীদের এই ক্ষমা প্রার্থনার পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নানা মতামত ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে অনেকেই ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

দেশে ফিরেই কারাবন্দি অবশেষে মুক্তির পথে সাবেক প্রধানমন্ত্রী

থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার কারাদণ্ড রাজকীয় ক্ষমার মাধ্যমে মওকুফ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে তিনি পুরোপুরি মুক্তি পাবেন।

 

 

থাইল্যান্ডের বিচারমন্ত্রী রুত্থাফন নাওয়ারাত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু।

 

 

বিচারমন্ত্রী জানান, রাজকীয় ক্ষমাপ্রাপ্ত বন্দিদের তালিকায় থাকসিনের নাম রয়েছে। তবে মুক্তির আগে কিছু আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে।

মঙ্গলবার রাতে থাইল্যান্ডের সরকারি রাজকীয় গেজেটে প্রকাশিত এক ঘোষণায় বলা হয়, থাইল্যান্ডের রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন রানি সুথিদা বজ্রসুধাবিমালালাক্ষণার ৩ জুনের জন্মদিন উপলক্ষে নির্বাচিত বন্দিদের রাজকীয় ক্ষমা প্রদান করেছেন।

তবে থাকসিনের আইনজীবী উইনইয়াত চার্টমনত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্তটি নিশ্চিত করতে পারেননি। তিনি রয়টার্সকে বলেন, আইনি মানদণ্ড অনুযায়ী থাকসিন রাজকীয় ক্ষমা ও মুক্তির সুবিধা পাওয়ার যোগ্য।

 

৭৬ বছর বয়সী ধনকুবের রাজনীতিক থাকসিন ২০২৩ সালের আগস্টে ১৫ বছরের স্বেচ্ছানির্বাসন শেষে থাইল্যান্ডে ফেরেন।

 

 

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় স্বার্থের সংঘাত ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দেওয়া আট বছরের কারাদণ্ড কার্যকর করতেই তিনি দেশে ফিরেছিলেন।

 

 

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তিনি দেশে ফেরার দিনই তার রাজনৈতিক মিত্রদের নেতৃত্বে পার্লামেন্টে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত হয়।

 

 

দেশে ফেরার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে কারাগার থেকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সে সময় হৃদ্‌যন্ত্র ও বুকে জটিলতার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।

 

 

পরবর্তীতে রাজকীয় অনুকম্পায় তার আট বছরের সাজা কমিয়ে এক বছরে নামিয়ে আনা হয়।

 

 

হাসপাতালে ছয় মাস কাটানোর পর তিনি প্যারোলে মুক্তি পান। যদিও তার এক বছরের সাজা আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকার কথা ছিল। সেই হিসাবে তার আরও তিন মাসের বেশি সময়ের সাজা বাকি ছিল।

 

 

তবে গত বছর থাইল্যান্ডের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়, থাকসিনের দীর্ঘ হাসপাতাল অবস্থান পুরোপুরি ন্যায্য ছিল না। আদালত নির্দেশ দেয়, অবশিষ্ট সাজা তাকে কারা হেফাজতেই ভোগ করতে হবে। এতে তার আইনি পরিস্থিতি আবারও জটিল হয়ে ওঠে।

 

 

সর্বশেষ রাজকীয় ক্ষমার ফলে সেই অবশিষ্ট সাজাও কার্যত বাতিল হয়ে যাচ্ছে।

 

বাড়ছে মেট্রোরেল চলাচলের সময়

যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা ও সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাতের বেলায় মেট্রোরেলের চলাচল আরও ২০ মিনিট বাড়ানো হচ্ছে। আগামী ৭ জুন থেকে নতুন সময়সূচি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

 

 

বুধবার (৩ জুন) মেট্রোরেলের দায়িত্বশীল সূত্র গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উত্তরা উত্তর ও মতিঝিল—উভয় প্রান্ত থেকে শেষ ট্রেন ছাড়ার সময় ২০ মিনিট বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও শেষ হয়েছে।

 

 

বর্তমানে সপ্তাহের সাত দিন উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে সর্বশেষ ট্রেন ছেড়ে যায় রাত ৯টা ৩০ মিনিটে এবং মতিঝিল থেকে রাত ১০টা ১০ মিনিটে। নতুন সময়সূচি কার্যকর হলে উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ৯টা ৫০ মিনিটে এবং মতিঝিল থেকে উত্তরা অভিমুখী শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ১০টা ৩০ মিনিটে।

তবে সময়সীমা বাড়ানো হলেও নতুন কোনো ট্রেন সংযোজন করা হচ্ছে না। বিদ্যমান সময়সূচির ধারাবাহিকতায় ২০ মিনিট হেডওয়ে বজায় রেখেই অতিরিক্ত ট্রিপ পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, সময় বাড়ানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষামূলক কার্যক্রম ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা। এ বিষয়ে শিগগিরই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে।

 

ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রীদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে একটি অতিরিক্ত ট্রিপ যুক্ত করা হচ্ছে। এর ফলে কর্মজীবী মানুষসহ রাতের যাত্রীদের জন্য যাতায়াত আরও সহজ হবে।

 

 

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে দেশের প্রথম মেট্রোরেল। শুরুতে এমআরটি লাইন-৬-এর উত্তরা উত্তর থেকে আগারগাঁও অংশে সীমিত পরিসরে চলাচল শুরু হলেও পরে ধাপে ধাপে সব স্টেশন চালু করা হয়।

 

 

সবশেষে ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর মতিঝিল পর্যন্ত সব স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা শুরু হলে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ সেবা চালু হয়। বর্তমানে রাজধানীর অন্যতম জনপ্রিয় গণপরিবহন হিসেবে মেট্রোরেল প্রতিদিন লাখো যাত্রীর যাতায়াতের ভরসা হয়ে উঠেছে। ভবিষ্যতে কমলাপুর স্টেশন চালু হলে এমআরটি লাইন-৬-এর পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শেষ হবে।

 

নিউজিল্যান্ডে ১২ ম্যাচের ম্যারাথন সিরিজ খেলবে ভারত

দুই দেশের ক্রীড়া সম্পর্কের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বড় পরিসরের একটি সিরিজ আয়োজন করা হচ্ছে। এ সিরিজ খেলতে আগামী ২২ অক্টোবর থেকে ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিউজিল্যান্ড সফরে থাকবে ভারত। সফরে দুই দল দুটি টেস্ট, পাঁচটি ওয়ানডে এবং পাঁচটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুখোমুখি হবে। দুই দেশের দীর্ঘদিনের ক্রীড়া সম্পর্ক উদযাপন করতেই এই বিশেষ সিরিজের আয়োজন করা হয়েছে।

 

 

ভারতের নিউজিল্যান্ড সফর শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে। এরপর অনুষ্ঠিত হবে ওয়ানডে সিরিজ। সফরের শেষ পর্বে দুই দল দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে। টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে অকল্যান্ডে। আর টেস্ট দুটি অনুষ্ঠিত হবে ওয়েলিংটন ও ক্রাইস্টচার্চে।

 

 

নিউজিল্যান্ড বোর্ডের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা গ্লেন ক্রিচলি বলেছেন, ‘ক্রিকেট নিয়ে কথা বলতে গেলে ভারত সিরিজের থেকে বড় কিছু হয় না। নিউজিল্যান্ডবাসী আগে যা দেখেননি, তাই এ বার দিতে বদ্ধপরিকর আমরা। শুধু মাঠের ক্রিকেটই না, ভারতের সঙ্গে যে সংস্কৃতি এবং ইতিহাস ভাগাভাগি করে নেয় নিউজিল্যান্ড, তাও উদযাপন করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই দলের প্রতি মানুষের যে আবেগ রয়েছে তা অনবদ্য। বিরাট কোহলি, জাসপ্রীত বুমরাহর মতো ক্রিকেটারকে আমরা দেখতে পাব। সমর্থকদের নিয়ে দুর্দান্ত একটা সিরিজ দেখার অপেক্ষায় রয়েছি।’

 

আন্তর্জাতিক টিকিট জালিয়াতি চক্রের সন্ধান

বাঁশি বাজতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মনে বইছে গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের উন্মাদনা। তবে গ্যালারির টিকিট পাওয়ার এই তুমুল হাহাকার পুঁজি করে গ্যালারির বাইরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি আন্তর্জাতিক সাইবার অপরাধী চক্র।

 

 

বিশ্বকাপের টিকেট বিক্রির নামে হুবহু ফিফার লোগো, ব্র্যান্ডিং ও রং নকল করে বাজারে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ঝাঁকে ঝাঁকে ভুয়ো ওয়েবসাইট। সাধারণ সমর্থকদের এই ডিজিটাল ফাঁদ থেকে বাঁচাতে এবং বড় আর্থিক জালিয়াতি রুখতে এবার কোমর বেঁধে মাঠে নামছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

 

 

বিশ্বখ্যাত সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা ‘ইসেট’ সম্প্রতি ইন্টারনেটের দুনিয়ায় এমন বেশ কিছু নিখুঁত ক্লোন ওয়েবসাইট শনাক্ত করেছে। প্রথম দেখায় এই সাইটগুলোকে আসল ফিফার প্ল্যাটফর্ম থেকে আলাদা করা প্রায় অসম্ভব। প্রযুক্তির পরিভাষায় প্রতারকদের এই চতুর কৌশলকে বলা হচ্ছে ‘টাইপোস্কোয়াটিং’।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, জালিয়াতি চক্রটি মূল ডোমেইনের সঙ্গে ২০২৬ বিশ্বকাপ সম্পর্কিত নানা আকর্ষণীয় শব্দ জুড়ে দিয়ে পেছনের অংশে .shop, .store বা .site-এর মতো এক্সটেনশন ব্যবহার করছে। ফলে খালি চোখে এগুলোকে একদম অফিসিয়াল সাইট বলেই বিভ্রম তৈরি হচ্ছে।

প্রতারণার মূল খেলাটি শুরু হয় যখন কোনো সমর্থক টিকেট বা বিশ্বকাপের স্যুভেনির কেনার উদ্দেশ্যে এসব সাইটে নাম নিবন্ধন করেন। রেজিস্ট্রেশনের অজুহাতে শুরুতে ব্যবহারকারীদের সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেয় হ্যাকাররা। এরপর টিকেট কেনার চূড়ান্ত ধাপে গিয়ে যখন ভক্তরা সরল বিশ্বাসে ক্রেডিট কার্ডের গোপন তথ্য ও পিন নম্বর ইনপুট দেন, তখনই খালি হয়ে যায় পকেট।

 

বহুমাত্রিক এই জালিয়াতি টিকিয়ে রাখতে অপরাধীরা আগে থেকেই একাধিক ব্যাক-আপ সাইট তৈরি করে রাখছে, যেন একটি ব্লক বা বন্ধ হলে অন্যটি দিয়ে প্রতারণা চালানো যায়। অথচ ফুটবল অনুরাগীদের জানা থাকা দরকার, বিশ্বকাপের বৈধ টিকেট পাওয়ার একমাত্র অফিসিয়াল ঠিকানা হলো fifa.com/tickets; এর বাইরে সব পথই অবৈধ।

 

 

এদিকে খোদ টিকেটের আকাশচুম্বী দাম নিয়ে এমনিতেই বিশ্বজুড়ে ফ্যান সংগঠনগুলোর মাঝে ক্ষোভ চলছে। ‘ফুটবল সাপোর্টার্স ইউরোপ’-এর তথ্য অনুযায়ী, গ্রুপপর্ব থেকে ফাইনাল পর্যন্ত প্রিয় দলের প্রতিটি ম্যাচ মাঠে বসে দেখতে একজন সমর্থকের পকেট থেকে গড়ে খসে যাবে প্রায় ৬ হাজার ৯০০ মার্কিন ডলার।

 

 

টিকেটের এই চড়া মূল্যের বাজারে সাধারণ ফুটবলপ্রেমীরা যাতে সাইবার অপরাধীদের শিকারে পরিণত না হন, সে জন্য ইসেট কিছু সুরক্ষামূলক পরামর্শ দিয়েছে। সংস্থাটির মতে, যেকোনো লেনদেনের আগে ওয়েবসাইটের ইউআরএল খুঁটিয়ে যাচাই করা এবং ‘অবিশ্বাস্য রকমের সস্তা’ বা লোভনীয় কোনো লিংকে ক্লিক না করাই এই মুহূর্তে নিরাপদ থাকার প্রধান উপায়।

 

 

মাঠের বল গড়ানোর আগেই এই সাইবার জালিয়াতদের রুখে দিতে ফিফা এখন তাদের আইনি ও প্রযুক্তিগত নজরদারি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

 

বজ্রাঘাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কিশোরসহ দুইজনের মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক স্থানে বজ্রপাতের ঘটনায় এক কিশোরসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) বিকেলে সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

 

 

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. একরামুল হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

 

নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের মো. বাবুর ছেলে মো. মিরাজ (১৬) এবং সদর পৌর এলাকার শিয়ালা কলোনি গ্রামের মো. মঙ্গল হোসেনের ছেলে মো. মুনিরুল ইসলাম (৪০)।

পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, বিকেল পৌনে ৩টার দিকে কিশোর মিরাজ ইসলামপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের একটি আমবাগানে আম প্যাকেজিংয়ের কাজ করছিল। এ সময় হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এর ঠিক কিছুক্ষণের মধ্যে, বিকেল ৩টার দিকে সদর পৌর এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শিয়ালা কলোনিতে দ্বিতীয় বজ্রপাতের ঘটনাটি ঘটে। মুনিরুল ইসলাম নিজ বাড়ির উঠানে টিউবওয়েলের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় আকস্মিক বজ্রপাতে তিনি গুরুতর ঝলসে যান। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।

 

সদর মডেল থানার ওসি মো. একরামুল হোসাইন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ সদস্যরা দুই ঘটনাস্থলই পরিদর্শন করেছেন। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

 

 

একই দিনে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় দুই পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে হাসপাতাল ও গ্রামের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।

 

চোরাচালান বিরোধী অভিযানে বিজিবির সঙ্গে সংঘর্ষ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারি চক্রের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (০৩ জুন) বিকেলে উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের নয়নপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এসময় একে অপরের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।

 

 

বিজিবির দাবি, চোরাকারবারিরা নিজেদের গাড়ি নিজেরা ভেংগে বিজিবির উপর দোষ চাপাচ্ছে।

 

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুপুরের দিকে সীমান্ত এলাকা থেকে একটি হলুদ পিকআপে করে ভারতীয় চোরাইপণ্য নিয়ে আসে একটি চক্র। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা গাড়িটি আটক করে। এসময় বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারিরা উগ্র আচরণের মাধ্যমে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। একপর্যায়ে চোরাকারবারিরা দাবি করে তাদের আনা মালামাল চোরাইপন্য নয়, এগুলো সব তাদের বৈধ পণ্য । বিজিবির দাবি এগুলো সব চোরাই পণ্য। এসব বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষের বাকবিতণ্ডা ও সংঘর্ষে জড়িয়ে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

বিজিবির দাবি চোরাকারবারিরা নিজেরাই তাদের গাড়ির গ্লাস ভাঙচুরসহ বিজিবির বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। শেষ পর্যায়ে আটককৃত ভারতীয় পণ্য ছেড়ে দেয় বিজিবি।

সুলতানপুর ৬০ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল এসএম এম শরীফুল ইসলাম জানান, স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পের জোয়ানরা ভারতীয় চোরাইপণ্যবাহী একটি হলুদ পিকআপ আটক করে কসবা উপজেলার নয়ন পুর বাজারে। এসময় চোরাকারবারিরা সংঘবদ্ধ হয়ে বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়।

ঘটনাস্থলের পরিবেশ জটিল হয়ে পড়লে বিজিবি চোরাই পণ্যবাহী পিকআপটি ছেড়ে দেয়। ওখানে গুলি করার মতো পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। গুলি ও রক্তপাত এড়াতে মালামালগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

বিষয়টি অধিকতর তদন্তসাপেক্ষে চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বিজিবি।

 

সৌরভ গাঙ্গুলীর নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তে বিজেপি সরকার

ভারতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম সফল সাবেক অধিনায়ক এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনল রাজ্য সরকার।

 

 

সরকারি সূত্রের বরাতে পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার স্তর ‘জেড’ থেকে কমিয়ে ‘ওয়াই’ ক্যাটেগরিতে আনা হয়েছে। সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পর্যালোচনা বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।

 

 

এই সিদ্ধান্তের ফলে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নিরাপত্তাবলয়ে থাকা পুলিশকর্মীর সংখ্যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি ভারতের সাবেক অধিনায়ক।

২০২৩ সালের মে মাসে তৎকালীন রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে সৌরভের নিরাপত্তা ‘জেড ক্যাটেগরি’তে উন্নীত করা হয়েছিল। সেই সময় তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকতেন প্রায় ৮ থেকে ১০ জন পুলিশকর্মী। শুধু ব্যক্তিগত নিরাপত্তাই নয়, তার বাসভবনের নিরাপত্তার জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। সেই সময় রাজ্যের শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে অন্যতম ছিল ‘জেড প্লাস’ ক্যাটেগরি।

মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই স্তরের নিরাপত্তা পেতেন। অন্যদিকে কলকাতার মেয়র ও প্রাক্তন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের জন্য ছিল ‘জেড ক্যাটেগরি’ নিরাপত্তা। তবে পুলিশ সূত্রের দাবি, সম্প্রতি কাগজে-কলমে ‘জেড ক্যাটেগরি’ বজায় থাকলেও সৌরভের নিরাপত্তাবলয়ে কর্মীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমানো হয়েছিল। সর্বশেষ পর্যালোচনার পর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে তার নিরাপত্তার স্তর এক ধাপ নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

 

সংসদ সদস্যদের জন্য কার্যপ্রণালি বিধি ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

সংসদ-সদস্যগণের জন্য ‘সংবিধান, কার্যপ্রণালি-বিধি ও সংসদীয় কার্যক্রম’ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে সংসদ-সদস্যগণের জন্য ‘সংবিধান, কার্যপ্রণালি-বিধি ও সংসদীয় কার্যক্রম’ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি, বিরোধী দলের নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমান, ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার এবং সুইস রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি।

 

 

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ গণতান্ত্রিক নবযাত্রায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণের নিমিত্ত কাজ করে যাচ্ছে। জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে জনগণের আস্থা পূরণে সংসদ-সদস্যগণ জনপ্রতিনিধিত্ব করেন।

তিনি বলেন, কার্যপ্রণালি বিধি কেবল প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি দায়িত্ব বাস্তবায়নের হাতিয়ার। তিনি বলেন, প্রস্তাব উত্থাপন ও বিল পর্যালোচনার ক্ষেত্রে সঠিক ধারণা থাকার জন্য কার্যপ্রণালি বিধির জ্ঞান থাকা আবশ্যক।

স্পিকার বলেন, সংসদের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি দায়িত্ব আইন প্রণয়ন, বাজেট অনুমোদন ও নির্বাহী বিভাগকে জবাবদিহিতামূলক অন্তর্ভুক্তির আওতায় এনে সংসদ-সদস্যদের মাধ্যমে এগুলো বাস্তবায়ন করা। তিনি বলেন, সংসদ কেবল রাজনৈতিক ঐক্যমতের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয় না; গঠনমূলক বিরোধী দল ও সরকারি দলের সমান দক্ষতায় কার্যপ্রণালি বিধিতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে জনসম্পৃক্ততা ও আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া নিয়ে পরিচালিত হয়।

 

তিনি বলেন, সংসদীয় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণে ইউএনডিপি এবং সুইজারল্যান্ড এর ‘স্ট্রেংথেনিং ইনস্টিটিউশনস, পলিসিস অ্যান্ড সার্ভিসেস’ প্রোগ্রাম সংসদ-সদস্যদের কার্যকর অংশগ্রহণ ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনপ্রত্যাশা পূরণ করে যাচ্ছে।

 

 

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, জনগণের প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব নিয়েই সংসদ সদস্যগণ কর্মভার গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি তাদের অধিকার ও দায়িত্ব নির্ধারণ করেছে এবং এ দায়িত্ব পালনে তারা জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ।

 

 

চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, উন্নয়নের জন্য একজন সংসদ সদস্যকে নিজ নির্বাচনী এলাকার জনগণের সমস্যা শুনতে হয় এবং সেগুলোর সমাধানে কাজ করতে হয়। একইসঙ্গে সংসদীয় কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনতেও সংসদ সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হয়। এসব দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হলে সংসদকে কার্যকর করতে হবে এবং কার্যকর সংসদ পরিচালনার জন্য সংসদীয় রীতি-নীতি ও কার্যপ্রণালি বিধি সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা আবশ্যক।

 

 

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের করের টাকায় সংসদ পরিচালিত হয়। সুশাসন, অর্থনৈতিক সংস্কার ও সর্বোপরি টেকসই গণতন্ত্র কীভাবে নিশ্চিত করা যায়- এ লক্ষ্যে সংসদ পরিচালিত হবে।

 

 

উল্লেখ্য, দুই দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন কোর্সের ১ম গ্রুপে আজ সংসদীয় আসন পঞ্চগড়-১ থেকে ধারাবাহিকভাবে ১০৯ বরগুনা-১, ১১১ পটুয়াখালী-১ থেকে ১১৬ ভোলা-২, ১১৮ ভোলা-৪ থেকে ১৫০ ময়মনসিংহ-৫ আসনের নির্বাচিত সংসদ-সদস্যরা এবং সংরক্ষিত নারী আসন ৩০১ মহিলা আসন-১ থেকে ৩২৪ মহিলা আসন-২৪ থেকে নির্বাচিত সংসদ-সদস্যগণ অংশগ্রহণ করেন।

 

৩০০ কেজি মাছ নিয়ে বিশ্বকাপ সফর, কারণ জানতে আগ্রহ সবার

সর্বশেষ ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপে খেলেছিল নরওয়ে। এরপর কেটে গেছে ২৮ বছর। মাঝের ছয়টি বিশ্বকাপের একটাতেও যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি তারা। সেই খরা কাটিয়ে এবারের বিশ্বকাপে নামতে যাচ্ছে হালান্ডের দল। ইতোমধ্যেই আমেরিকায় পৌঁছে গেছে নরওয়ে ফুটবল দল। কিন্তু মাঠে নামার আগেই আলোচনার তুঙ্গে এসেছে নরওয়ে ফুটবল টিম। বিশ্বকাপ খেলার জন্য সঙ্গে করে ৩০০ কেজি মাছ নিয়ে গেছে হালান্ডরা। যেখানে রয়েছে ১১৬ কেজি ব্রাউন চিজও। কেন এই আজব পথে হাঁটল নরওয়ে?

 

 

বিশ্বকাপে যাতে ফুটবলাররা নিজেদের সেরা পারফর্ম্যান্স মেলে ধরতে পারেন তার জন্য খাবারকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে নরওয়ে শিবির। তাই দলের সঙ্গে গেছেন দুই খ্যাতনামা শেফ অ্যারন এসপেল্যান্ড ও এইরিক তুফতে। ২০২০ সালে অলিম্পিকে সফল নরওয়ে দলের সঙ্গেও গিয়েছিলেন অ্যারন। দীর্ঘদিনের টিম শেফের সঙ্গে মিলে তারা হালান্ড-ওডেগার্ডদের জন্য বিশেষ খাদ্যতালিকা তৈরি করবেন।

 

 

কেন ৩০০ কেজি মাছ নিয়ে গেছেন হালান্ডরা? তাদের বিশ্বাস, সেরা খাবারের জন্য প্রয়োজন সেরা নরউইজিয়ান উপকরণ। তাই আমেরিকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে নরওয়ের নিজস্ব মাছ ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী। তাই অন্তত ৩০০ কেজি লাল মাছ নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শুধু মাছই নয়, ১১৬ কেজি বিখ্যাত নরউইজিয়ান ব্রাউন চিজও নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন অ্যারন এসপেল্যান্ড। তিনি বলেন, ‘আমেরিকায় দাঁড়িয়ে যদি বলতে পারা যায় ব্যবহৃত টম্যাটোটা কে চাষ করেছেন বা এই হ্যালিবাট মাছ কে ধরেছেন, সেটা দারুণ ব্যাপার। আমরা সব সময় সেরা নরউইজিয়ান উপকরণই ব্যবহার করতে চাই। বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সেই খাবার পরিবেশন করতে পারাটা আমাদের কাছে গর্বের।’ তিনি আরও জানান, নরওয়ে থেকে আমেরিকায় আধা টন মাছ পাঠানো মোটেই সহজ নয়। তাই একেবারে এই ব্যবস্থা করেছেন তারা।

বিশ্বকাপে নরওয়ের সূচি ১৬ জুন ইরাকের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে নরওয়ে। তার আগে ৭ জুন মরক্কোর বিপক্ষে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে তারা। I গ্রুপে ইরাক ছাড়াও নরওয়ের সঙ্গে আছে ফ্রান্স ও সেনেগাল।

 

গোলাম কিবরিয়াকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত

গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ২৬ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেল খেটেছেন। দিনের পর দিন পালিয়ে বেরিয়েছেন। ছয় বছর ছিলেন চাকরিচ্যুত। শুধু তিনি নন, তার বাবা-ভাইসহ আত্মীয়-স্বজন অনেকের নামেই ডজন-ডজন মামলা হয়েছে।

 

 

সরকারি চাকরি করেও যিনি আওয়ামী লীগ সরকার আমলে বিরোধী দলের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সামনের সারিতে ছিলেন। জুলাই বিপ্লবে যিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, সেই গোলাম কিবরিয়াকে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই সাময়িক বরখাস্ত করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। তিনি সংস্থাটির নির্বাহী প্রকৌশলী ও অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি।

 

 

ডিএসসিসি একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আধিপত্য বিস্তারের জন্য বিগত আওয়ামী লীগ আমলের কিছু কর্মকর্তা মিলে ওপর মহলের কান ভারি করে গোলাম কিবরিয়াকে তাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে মোট ২৬টি মামলা দায়ের হয়।

এসব মামলায় ২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিল গ্রেপ্তার হয়ে তিনি চার মাস ছয় দিন জেল খাটেন। ২০১৩ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে তার বিরুদ্ধে শ্যামপুর থানায় ২টি, ওয়ারী থানায় ২টি, যাত্রাবাড়ি থানায় ২টি, পল্টন থানায় ৮টি, শাহবাগ থানায় ৪টি এবং রমনা থানায় ৮টি মামলা দায়ের হয়।

তার সেজ ভাইয়ের বিরুদ্ধে ছিলো ২৯টি মামলা, বাবার বিরুদ্ধে ছিলো ২টি মামলা। এসব মামলায় তার বাবা-ভাইয়েরাও মাসের পর মাস জেল খেটেছেন। এরপরেও সব সময় তিনি আন্দোলনের সামনের সারিতেই ছিলেন। জুলাই বিপ্লবের সময়ও তিনি ছাত্র-জনতার কাতারেই ছিলেন। এবার তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সাময়িক বরখাস্তের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বস্ত সূত্র থেকে তার বিরুদ্ধে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সকল ধরণের টেন্ডার কাজ নিয়ন্ত্রণ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন মার্কেটের দোকান বরাদ্দ ও পরিচালনায় নানা অনিয়মসহ দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সুস্পষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে এ বিভাগের একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সদর দপ্তরে সংযুক্ত করে সাময়িক বরখাস্ত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

 

 

যেখানে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ উল্লেখ করা হয়নি বা অভিযোগকারীও উল্লেখ করা হয়নি।

 

 

ডিএসসিসির একটি সূত্র বলেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে এখন আধিপত্য বিস্তারের লড়াই চলছে। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে যারা দুর্নীতি করে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছেন তারা সব জোট হয়েছে। তাদের এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যারা ছিলেন, সেসব কর্মকর্তা কর্মচারী এখন অনেকটাই কোণঠাসা। এই অবস্থায় সংস্থার অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিকে তাড়াতে পারলে তাদের পোয়াবারো।

 

 

এ ব্যাপারে গোলাম কিবরিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘যেহেতু আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে, অভিযোগের তদন্ত হচ্ছে; এই মুহূর্তে আমি কিছু বলবো না।’

 

তৃতীয় বিশ্ব সহায়ক প্রযুক্তি দিবস: প্রতিবন্ধীদের সহায়ক প্রযুক্তি নিশ্চিতের দাবি

তৃতীয় বিশ্ব সহায়ক প্রযুক্তি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সাশ্রয়ী, উপযোগী ও মানসম্মত সহায়ক প্রযুক্তির সহজপ্রাপ্যতা নিশ্চিত করার দাবিতে বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকায় এ র‌্যালির আয়োজন করা হয়।

 

 

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে র‌্যালি শুরু হয়ে কদম ফোয়ারা, হাইকোর্ট ও সচিবালয় এলাকা প্রদক্ষিণ করে আবার প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে সহায়ক প্রযুক্তি ব্যবহারকারী ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠনের প্রতিনিধি, অধিকারকর্মী, উন্নয়নকর্মী, শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যমকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

 

 

র‌্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, প্রবীণ নাগরিক এবং সহায়ক প্রযুক্তিনির্ভর মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা ও উপকরণের অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান। এসময় তাঁদের হাতে ছিল সচেতনতামূলক বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন।

আয়োজকেরা বলেন, বিশ্বব্যাপী সহায়ক প্রযুক্তির প্রয়োজন থাকা বিপুলসংখ্যক মানুষ এখনও এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এর ফলে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক অংশগ্রহণে তারা নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হন। একই সঙ্গে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে না পারায় অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তারা আরও বলেন, বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, সহায়ক প্রযুক্তিতে এক টাকা বিনিয়োগ করলে তার বহুগুণ সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুফল পাওয়া যায়। তবু এ খাতে সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।

এদিন র‌্যালির আয়োজক ছিল বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ট্রাস্ট (বিডিডিটি), ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ, ময়মনসিংহ ডিজএবল্ড পিপলস অর্গানাইজেশন টু ডেভেলপমেন্ট এবং সোসাইটি অব দ্য ডেফ অ্যান্ড সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ইউজারস।

 

 

র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং ট্রাস্টি মো. মনিরুজ্জামান খান, ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সরদার আবদুর রাজ্জাক, ময়মনসিংহ ডিজএবল্ড পিপলস অর্গানাইজেশন টু ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক মো. মোকাম্মেল হোসেন এবং সোসাইটি অব দ্য ডেফ অ্যান্ড সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ইউজারসের নির্বাহী পরিচালক হাসিবা হাসান জয়া।

 

 

সব দলের রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: মির্জা ফখরুল

দেশে সব রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের কর্মকাণ্ড করতে দিতে চান বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশে সুন্দর, সুষ্ঠু, সহনশীল ও উদারপন্থী রাজনীতি চাই৷ সব রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের কর্মকাণ্ড করতে দিতে চাই। বক্তব্য রাখতে দিতে চাই, জনগণের সামনে দিতে চাই৷ তাদের মধ্য থেকে জনগণ বেছে নেবে।

 

 

বুধবার (৩ জুন) বিকেলে কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নাগরিক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন তিনি৷

 

 

বিপুল ভোটে নির্বাচিত করায় কুমারপুর এলাকাবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আপনাদের এলাকা ঐতিহ্যবাহী এলাকা। অধিকার রক্ষার জন্য, গণতন্ত্রের জন্য, কৃষক-ছাত্র আন্দোলন হয়েছে৷ আমরা ৭১-এর বীরদের ভুলে যাবো না৷’

ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতনে নেতা-কর্মীরা ঠিকমত ঘুমাতে পারেনি উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমি ভুলিনি এসব, ভুলতে পারি না৷ লুট করে নিয়ে গেছে। দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়েছে। ১৮ সালে আগের রাতে ভোট হয়ে গেছে৷’

এবারের নির্বাচনে কোনো কারচুপি হয়নি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপিরর ওপর আস্থা রেখেছে। তারেক রহমানের ওপর আস্থা রেখেছে। দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পেয়েছে। একটা দল মনে করেছিল বিএনপি নেই৷ বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে৷’

এখন যারা বিএনপি করেন তাদের দায়িত্ব অনেক বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জনগণ আপনাদের ওপর আস্থা রেখেছে৷ মারপিট করে ক্ষমতায় ঠিকে থাকলে হাসিনা থাকত৷ খুব অল্প সময়ের মধ্যে অনেকগুলো কাজ করতে সক্ষম হয়েছি৷ জনগণ বারবার বিএনপিকে ভোট দেয়৷ কারণ বিএনপি কাজ করতে পারে৷’

 

 

অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

 

 

জুলাইয়ের হতাহতের পরিসংখ্যান নিয়ে আ.লীগের প্রশ্ন, জবাব দিল জাতিসংঘ

বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যের ওপর পূর্ণ আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছে জাতিসংঘ। একই সঙ্গে নিহতের সংখ্যা ও প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে আওয়ামী লীগের উত্থাপিত প্রশ্নও নাকচ করেছে সংস্থাটি।

 

 

সোমবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বলেন, মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে সন্দেহ করার কোনো কারণ নেই।

 

 

প্রশ্নোত্তর পর্বে উল্লেখ করা হয়, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে জাতিসংঘের তথ্য-অনুসন্ধান প্রতিবেদনে দেওয়া কিছু তথ্য সঠিক নয়। বিশেষ করে নিহতের সংখ্যা নিয়ে দলটির আপত্তি রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে শেষ হওয়া জুলাই অভ্যুত্থানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছিলেন।

প্রশ্নকারী আরও উল্লেখ করেন, ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে এমন খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, দণ্ডপ্রাপ্ত ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেখানে তিনি প্রতিবেদনে থাকা তথাকথিত ভুল তথ্যের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন।

এর জবাবে দুজারিক বলেন, প্রতিবেদনটি আমাদের মানবাধিকার দপ্তরের সহকর্মীরা প্রকাশ করেছেন এবং এটি নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো কারণ আমরা দেখি না।

 

 

শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটানো গণ-অভ্যুত্থান ঘিরে সংঘটিত সহিংসতার তদন্ত শেষে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

 

 

বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘের মুখপাত্র বলেন, বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্র থেকে অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার হওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

 

তিনি বলেন, এটি উন্নয়নের পথে বড় বাধা সৃষ্টি করে। আমরা আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে উৎসাহিত করি, যাতে জনগণের অর্থ আবার সেই দেশগুলোর জনগণের কাছেই ফিরিয়ে দেওয়া যায়।

 

 

রাজধানীর সড়ক সংস্কার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে ২১০ কোটি টাকা চায় ডিএসসিসি

রাজধানীর নিউমার্কেট, বুয়েট ও বকশিবাজারসহ বিস্তীর্ণ এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধান এবং প্রধান সড়কসমূহের সংস্কার কাজের জন্য ২১০ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ চেয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।

 

 

তিনটি পৃথক প্রকল্পের আওতায় ১১ দশমিক ৮৯ কিলোমিটার মাস্টার ড্রেনেজ লাইন নির্মাণ এবং ২০ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের জন্য এই জরুরি অর্থ চাওয়া হয়েছে।

 

 

গত ৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্যসচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার বরাবর এ বিষয়ে চিঠি দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।

প্রায় দুই মাস পর গত ২১ মে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের সদস্যের (সচিব) কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক (প্রশাসন) শাহরিয়ার জামিল স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে ‘সিটি করপোরেশন উন্নয়ন সহায়তা’ খাতের কোড ২২১০০০৮০০-এর অনুকূলে ২১০ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রদানের বিষয়টি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানোর কথা জানানো হয়।

ডিএসসিসির চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন নিউমার্কেট, বিজিবি এলাকা, ঢাকেশ্বরী মন্দির, বুয়েট, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ও বকশিবাজার এলাকায় কার্যকর ড্রেনেজ আউটলেট এবং ড্রেনেজ লাইন না থাকায় বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তবে সংস্থাটির নিজস্ব অর্থ সঙ্কটের কারণে জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। এ কারণে তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নে ২১০ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ প্রয়োজন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রকল্পগুলোর মধ্যে ঢাকা-নিউমার্কেট ও বিজিবি হয়ে নবাবগঞ্জ স্লুইস গেট পর্যন্ত জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে ৮ দশমিক ৪৩০ কিলোমিটার মাস্টার ড্রেনেজ লাইন নির্মাণে ১২০ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে।

 

 

এছাড়া ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), বকশিবাজার ও চকবাজার হয়ে সোয়ারীঘাট পর্যন্ত ৩ দশমিক ৪৬ কিলোমিটার মাস্টার ড্রেনেজ লাইন নির্মাণে ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে ডিএসসিসি।

 

 

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ১০টি অঞ্চলের প্রধান সড়ক সংস্কারের জন্য চাওয়া হয়েছে ৩০ কোটি টাকা। এ প্রকল্পের আওতায় ২০ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার করার কথা রয়েছে।

 

 

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের আকস্মিক মিছিল, চট্টগ্রামে চাঞ্চল্য

চট্টগ্রাম মহানগরীতে আবারও ঝটিকা মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বুধবার (৩ জুন) সকালে নগরীর অনন্যা আবাসিক এলাকা-সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে এ মিছিলের ঘটনা ঘটে। মিছিলের দুটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

 

ভাইরাল হওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মিছিলটি অক্সিজেন-হাটহাজারী সড়কের কুয়াইশ এলাকা থেকে অনন্যা আবাসিক এলাকার দিকে অগ্রসর হয়। পরে আন্দোলনকারীরা স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

 

 

জানা গেছে, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের এক সহসভাপতির নেতৃত্বে এ ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনন্যা আবাসিক এলাকাটি মূলত মহানগরের বায়েজিদ বোস্তামী ও চান্দগাঁও থানা এবং জেলার হাটহাজারী মডেল থানার সীমানায় অবস্থিত। তবে মিছিলের মূল স্থানটি হাটহাজারী থানার আওতাধীন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান বলেন, মিছিলের বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এর আগে গত সোমবার সকালে চট্টগ্রামের ব্যস্ততম জিইসি মোড় এলাকায় একইভাবে আকস্মিক মিছিল করেছিল সংগঠনটি। ওই ঘটনার পর নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ৭০ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

 

 

মায়ের পচন ধরা লাশ উদ্ধারের পর প্রশাসনিক পদক্ষেপ, পদ হারালেন যুগ্ম সচিব আনিসুর

রাজধানীর মিরপুরে ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মৃত্যুকে ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার মধ্যেই তার ছেলে যুগ্ম সচিব ড. এ কে এম আনিসুর রহমানকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

 

 

বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

 

প্রত্যাহার হওয়া আনিসুর রহমান মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, তাকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে নির্ধারিত কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর না করলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকার একটি বাসা থেকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, মরদেহটি দীর্ঘ সময় পড়ে থাকায় পচন ধরে এবং তাতে পোকার উপস্থিতি দেখা যায়। নূর জাহান বেগম তার মেয়ের সঙ্গে ওই বাসায় বসবাস করতেন। বাসাটির পরিবেশ ছিল অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নজরে আসে এবং পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

 

 

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, নূর জাহান বেগমের কক্ষসহ পুরো ফ্ল্যাটের পরিবেশ ছিল অস্বাস্থ্যকর ও অবহেলিত।

 

 

মরদেহ উদ্ধারের সময়কার দৃশ্যও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। প্রতিবেশীরা বলছেন, একজন বৃদ্ধ নারী এমন অবস্থায় জীবন কাটিয়ে মৃত্যুবরণ করবেন, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

 

 

জানা যায়, নূর জাহান বেগমের এক ছেলে যুগ্ম সচিব, আরেক ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক এবং মেয়ে স্থানীয় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন।

 

 

সন্তানরা প্রতিষ্ঠিত অবস্থানে থাকলেও মায়ের এমন পরিণতি সমাজে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ঘটনাটি সামনে আসার পর আবারও আলোচনায় এসেছে ২০১৩ সালের পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন।

 

 

আইনে প্রত্যেক সন্তানের ওপর পিতা-মাতার ভরণপোষণ, স্বাস্থ্যসেবা, নিয়মিত খোঁজখবর ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যার দায়িত্ব আরোপ করা হয়েছে। কোনো পিতা-মাতার একাধিক সন্তান থাকলে তারা পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে এসব দায়িত্ব পালন করবেন বলে আইনে উল্লেখ রয়েছে।

 

 

বাসের ধাক্কায় ভেঙে গেল চেকপোস্ট, আহত ৪ পুলিশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় মহাসড়কে চেকপোস্ট ডিউটির সময় পুলিশ সদস্যদের বহনকারী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে এনা পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

 

 

আহতরা হলেন- উপ-পরিদর্শক (এসআই) নিজাম উদ্দিন, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সিরাজুল মনির, কনস্টেবল এমদাদুল হক।

 

 

বুধবার (৩ জুন) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে কুটি চৌমুহনী এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কসবা থানার কুটি চৌমুহনী এলাকার ড্রাইভার ভিউ পেট্রোল পাম্পের সামনে সিলেট-কুমিল্লা মহাসড়কে রাত্রিকালীন চেকপোস্ট-৭ এ দায়িত্ব পালন করছিলেন পুলিশ সদস্যরা। এসময় এনা পরিবহনের একটি বাস সিএনজিচালিত অটোরিকশার বাম পাশের পেছনের অংশে ধাক্কা দেয়। এতে চার পুলিশসদস্য আহত হন।

স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পর এনা পরিবহনের বাসটি জব্দ করে কসবা থানায় নেওয়া হয়েছে। তবে বাসের চালক, সুপারভাইজার ও হেলপার ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন।

 

 

কসবা থানার ওসি নাজনিন সুলতানা জানান, আহত পুলিশ সদস্যদের অবস্থা এখন কিছুটা ভালো। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

 

 

দিল্লির রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আহত ৫ বাংলাদেশি

ভারতের রাজধানী দিল্লির মালভিয়া নগরের একটি রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচ জন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন। তবে আহত বাংলাদেশিদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।

 

 

দিল্লির বাংলাদেশ হাই কমিশনের ভেরিফায়েড অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়েছে, আহতদের মাঝে তিন জন সাকেতের ম্যাক্স হাসপাতালে ও বাকি দুইজন সফদারজাং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

 

 

এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করে হাইকমিশন আরও জানায়, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং তাদের অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, স্থানীয় সময় বুধবার (৩ জুন) সকালে দিল্লির মালভিয়া নগরের লেমন গ্রিন রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ আগুন লাগে। এ ঘটনায় ২১ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। প্রশাসন চারজনের মৃতদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক সতীশ উপাধ্যায় বলেছেন, নিহতের সংখ্যা ২১ জন এবং আহত ৪৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

 

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সবার সমান সুযোগ চান মির্জা ফখরুল

দেশে সব রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের কর্মকাণ্ড করতে দিতে চান বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশে সুন্দর, সুষ্ঠু, সহনশীল ও উদারপন্থী রাজনীতি চাই৷ সব রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের কর্মকাণ্ড করতে দিতে চাই। বক্তব্য রাখতে দিতে চাই, জনগণের সামনে দিতে চাই৷ তাদের মধ্য থেকে জনগণ বেছে নেবে।

 

 

বুধবার (৩ জুন) বিকেলে কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নাগরিক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন তিনি৷

 

 

বিপুল ভোটে নির্বাচিত করায় কুমারপুর এলাকাবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আপনাদের এলাকা ঐতিহ্যবাহী এলাকা। অধিকার রক্ষার জন্য, গণতন্ত্রের জন্য, কৃষক-ছাত্র আন্দোলন হয়েছে৷ আমরা ৭১-এর বীরদের ভুলে যাবো না৷’

ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতনে নেতা-কর্মীরা ঠিকমত ঘুমাতে পারেনি উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমি ভুলিনি এসব, ভুলতে পারি না৷ লুট করে নিয়ে গেছে। দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়েছে। ১৮ সালে আগের রাতে ভোট হয়ে গেছে৷’

এবারের নির্বাচনে কোনো কারচুপি হয়নি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপিরর ওপর আস্থা রেখেছে। তারেক রহমানের ওপর আস্থা রেখেছে। দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পেয়েছে। একটা দল মনে করেছিল বিএনপি নেই৷ বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে৷’

এখন যারা বিএনপি করেন তাদের দায়িত্ব অনেক বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জনগণ আপনাদের ওপর আস্থা রেখেছে৷ মারপিট করে ক্ষমতায় ঠিকে থাকলে হাসিনা থাকত৷ খুব অল্প সময়ের মধ্যে অনেকগুলো কাজ করতে সক্ষম হয়েছি৷ জনগণ বারবার বিএনপিকে ভোট দেয়৷ কারণ বিএনপি কাজ করতে পারে৷’

 

 

অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

 

অডিও ফাঁসের ঘটনায় জেল সুপারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

এক নারী কারারক্ষীর সঙ্গে আপত্তিকর ও অনভিপ্রেত কথোপকথনের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক (জেল সুপার) মো. দিদারুল আলমকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে।

 

 

বুধবার (৩ জুন) কারা অধিদপ্তরের কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

 

 

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মো. দিদারুল আলমকে রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কারা প্রশিক্ষক হিসেবে বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম কারাগারের হসপিটালাইজড প্রিজনার্স সিকিউরিটি ইউনিটের কারা তত্ত্বাবধায়ক মো. আনোয়ারুল করিমকে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার-১-এর অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

এর আগে জেলা কারাগারের এক নারী কারারক্ষীর সঙ্গে জেল সুপার দিদারুল আলমের কথোপকথনের একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অডিওতে নারী সহকর্মীর প্রতি তার কিছু বক্তব্যকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও শালীনতাবিরোধী বলে অভিযোগ ওঠে।

অডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কারা অধিদপ্তর প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে তাকে স্ট্যান্ড রিলিজের আদেশ দেয়।

 

ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিতে মাঠে নামছে ডিএনসিসির তদন্ত কমিটি

রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ির ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টর সংলগ্ন বউবাজার এলাকা এবং মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে অস্থায়ী গবাদিপশুর হাট পরিচালনার কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

 

 

বুধবার (৩ জুন) ডিএনসিসির সচিব মোহাম্মদ মামুন-উল-হাসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

 

অফিস আদেশে বলা হয়, দিয়াবাড়ির ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টর সংলগ্ন বউবাজার এলাকার খালি জায়গা এবং মেট্রোরেলের পাশে ১৮ নম্বর সেক্টরের সি-ব্লকের খালি মাঠ পর্যন্ত অস্থায়ী পশুর হাট পরিচালনা করা হয়। এতে উত্তরা সেন্টার মেট্রো স্টেশনের নিচে রাস্তার আশপাশে ময়লা-আবর্জনা জমে। গাছপালা ভাঙাসহ পশুবাহী যানবাহন চলাচলের কারণে সড়ক ও আশপাশের অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি হয়।

কমিটিতে ডিএনসিসির অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, অঞ্চল-৬ এর নির্বাহী প্রকৌশলী, অঞ্চল-৬ এর সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে সদস্য করা হয়েছে। গঠিত কমিটি প্রয়োজনে যে কোনো সদস্যকে কো-অপ্ট (অন্তর্ভুক্ত) করতে পারবে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ আদেশ জারি করেন ডিএনসিসির সচিব মোহাম্মদ মামুন-উল-হাসান।

 

৬৫ হাজার ভলান্টিয়ারের মধ্যে জায়গা করে নেওয়া একমাত্র বাংলাদেশি ফারজিন

‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর ৮ দিন। ৪৮ দেশের অংশগ্রহণে রেকর্ড ১০৪টি ম্যাচ এবং সর্বোচ্চ ব্যয়ের এই বিশ্বকাপ ঘিরে ইতোমধ্যেই বাড়তি উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত এই ফুটবল টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ সবসময়ই তুঙ্গে থাকে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে যৌথভাবে আয়োজিত এই ঐতিহাসিক আসর নিয়ে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মাঝেও তৈরি হয়েছে বিশেষ উচ্ছ্বাস।

 

 

ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন ফারজিন গনি। জানা গেছে, তিনি এই আসরে বাংলাদেশের একমাত্র ভলান্টিয়ার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। বিশ্বকাপে অংশ নিতে তিনি ২ জুন টরন্টোর উদ্দেশে যাত্রা করেন।

 

 

২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ফিফা বিশ্বব্যাপী প্রায় ৬৫ হাজার ভলান্টিয়ার নিয়োগ করছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ফারজিন গনিই একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে এই সুযোগ পেয়েছেন। এসব ভলান্টিয়ার স্টেডিয়াম অপারেশন, দর্শক সেবা, টিকিট ব্যবস্থাপনা, মিডিয়া সাপোর্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।

ফিফা ভলান্টিয়ারদের জন্য প্রশিক্ষণ, থাকা-খাওয়া এবং টুর্নামেন্ট চলাকালীন বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে। ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলমান এই আসরে ভলান্টিয়াররা বিশ্বের শীর্ষ ফুটবলারদের কাছ থেকে সরাসরি অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন এবং আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারবেন।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ভলান্টিয়ারদের বিষয়ে বলেছেন, স্বেচ্ছাসেবীরা ফিফা টুর্নামেন্টের হৃদয়, প্রাণ ও হাসি। তারা নিজেদের পরিচয় গর্বের সঙ্গে তুলে ধরতে পারে, টুর্নামেন্টের অন্তরালের দৃশ্য কাছ থেকে দেখার সুযোগ পায় এবং এমন স্মৃতি ও বন্ধুত্ব গড়ে তোলে, যা আজীবন থেকে যায়। একই সঙ্গে তারা ঐতিহাসিক আয়োজনকে সফল করতে সহায়তা করে।

 

মমতার নির্দেশে তৃণমূলের সব স্তরের কমিটি ভেঙে দেওয়া হলো

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে চরম অস্থিরতার মধ্যে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান ও সদ্য সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় সংকট এবং বিধায়কদের বিদ্রোহ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গজুড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সব কমিটি ও শাখা সংগঠন ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

 

 

বুধবার (৩ জুন) দলটির পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানানো হয়, গভীর পর্যালোচনার পর পশ্চিমবঙ্গে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সব কমিটি ও শাখা সংগঠন অবিলম্বে বিলুপ্ত করা হয়েছে।

 

 

এই সিদ্ধান্তের ফলে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনো সাংগঠনিক পদাধিকারী থাকছে না। কার্যত মাঠপর্যায়ে দলটির আনুষ্ঠানিক সাংগঠনিক কাঠামো পুরোপুরি ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল, তাহলে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে গড়া তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে যাচ্ছে?

৩১ মে কলকাতার কালীঘাটে নিজের বাসভবনে দলের বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক ডাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র ১৭ জন উপস্থিত হন। উপস্থিতির অভাবে শেষ পর্যন্ত বৈঠকটি কার্যত ভেস্তে যায়।

 

এরপর ১ জুন তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চল, ব্লক ও ওয়ার্ডে মিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করা হলেও মাঠে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল খুবই কম।

 

 

২ জুন কলকাতার ওয়াই চ্যানেলে অবস্থান কর্মসূচিতে বসেন মমতা। সেখানে তার সঙ্গে ছিলেন মাত্র আটজন বিধায়ক ও ছয়জন সাংসদ। তবে তারাও পুরো সময় সেখানে অবস্থান করেননি।

 

 

সংকট আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে বুধবার বিধানসভায়। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধীদলীয় নেতা করার দাবিতে বিধানসভায় হাজির হন ৫৮ জন বিধায়ক। তারা বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুর কাছে চিঠি জমা দেন। ওই চিঠিতে দাবি করা হয়, তৃণমূলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৫৮ জনই তাদের সঙ্গে রয়েছেন। ফলে তারাই আসল তৃণমূল।

 

 

চিঠিতে স্বাক্ষরকারী বিধায়কদের মধ্যে ছিলেন সাবিনা ইয়াসমিন, কানাইয়ালাল আগরওয়াল, রথীন ঘোষ, শিউলি সাহা, আখরুজ্জামানসহ আরও অনেকে। পরে তারা সংবাদমাধ্যমকে জানান, বর্তমান নেতৃত্বের নানা সিদ্ধান্তের সঙ্গে তারা একমত নন এবং প্রকাশ্যেই তার সমালোচনা করেন।

 

 

বুধবারই ৫৮ জন বিধায়ক নিজেদের নতুন তৃণমূল কংগ্রেস হিসেবে ঘোষণা দেন। তাদের দাবি, ভবিষ্যতে বিধানসভায় তারাই বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পাবে, ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস নয়।

 

 

নতুন এই অংশের বিধায়কদের পছন্দের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে সামনে এসেছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। একসময় সিপিআই(এম)-এর রাজনীতি করা ঋতব্রত পরে তৃণমূলে যোগ দেন এবং সর্বশেষ বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হন।

 

 

তবে নাটকীয় বিষয় হলো, স্পিকারের কাছে দেওয়া চিঠিতে নতুন তৃণমূলও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলীয় নেত্রী হিসেবে উল্লেখ করেছে বলে জানা গেছে। ফলে বাস্তবে ৫৮ জন বিধায়ক এই নতুন শিবিরে রয়েছেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনও মন্তব্য করেননি বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু।

 

 

নতুন তৃণমূলকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে কি না, কিংবা দিলে কোন বিধায়ককে কোন শিবিরের সদস্য হিসেবে গণ্য করা হবে; এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি।

 

 

পুরো বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য স্পিকার সময় নিয়েছেন বলে জানা গেছে। নতুন শিবির ইতোমধ্যে চারজনকে বিরোধীদলীয় নেতার উপনেতা হিসেবে মনোনয়নের প্রস্তাবও দিয়েছে। তবে বিধানসভা সেই প্রস্তাব অনুমোদন করবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত।

 

 

এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ডাকা এক বৈঠকে অংশ নিতে তার দপ্তরে গেছেন। এই বৈঠককেও পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহল গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।

 

নিজ বাসায় সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু

জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিষাক্ত সাপের কামড়ে হুমায়রা নামে চার বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

 

বুধবার (০৩ জুন) দুপুরে উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের বীর নাদাগাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

 

নিহত হুমায়রা ওই এলাকার স্বপন শেখের মেয়ে।

 

 

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে হুমায়রা ঘরে বসে মোবাইল দেখছিল। এসময় তার বাবা-মা ও দাদা-দাদি বাড়ির পাশের জমিতে ধানের কাজ করছিলেন। একপর্যায়ে খাট থেকে নামার সময় একটি বিষাক্ত সাপ শিশুটির পায়ে কামড় দেয়। পরে সে কান্নাকাটি শুরু করলে তার দাদা কামাল শেখ বাড়িতে এসে বিষয়টি জানতে পারেন। হুমায়রা দাদাকে জানায়, একটি বড় সাপ তার পায়ে কামড় দিয়েছে।

স্বজনরা প্রথমে তার পায়ে বাঁধন দিয়ে স্থানীয় এক কবিরাজের কাছে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. আবু রায়হান বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বালিজুড়ী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সুজন মাহমুদ বলেন, হুমাইরা আমার চাচাতো ভাইয়ের মেয়ে। মেয়েটি অত্যন্ত শান্ত শিষ্ট ও মিশুক ছিল। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

ফোর্বসের মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় নাম উঠল হানিয়া আমিরের

বিশ্বখ্যাত মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস অনূর্ধ্ব ৩০ বছর বয়সি এশিয়ার সেরা প্রভাবশালী তরুণ তরুণীদের নিয়ে প্রতিবছর ‘ফোর্বস ৩০ আন্ডার ৩০ এশিয়া’ তালিকা প্রকাশ করে। চলতি বছর এ তালিকায় বিনোদন ও ক্রীড়া বিভাগে ২৮ বছর বয়সী পাকিস্তানি অভিনেত্রী হানিয়া আমিরের নাম দ্যুতি ছড়াচ্ছে।

 

 

২০১৬ সালে ‘জানান’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জগতে যাত্রা শুরু করেন হানিয়া। এরপর একের পর এক নাটক ও সিনেমায় অভিনয়প্রতিভার মাধ্যমে দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। ‘ফির ওহি মোহাব্বতে’ নাটকে অভিনয়ের জন্য অর্জন করেন সেরা টেলিভিশন সেনসেশন নারী বিভাগে হাম অ্যাওয়ার্ডস।

 

 

ফোর্বসের তথ্য বলছে, বর্তমানে ইনস্টাগ্রামে সবচেয়ে বেশি অনুসারী থাকা পাকিস্তানি নারী তারকাদের একজন হানিয়া আমির। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার অনুসারীর সংখ্যা ২ কোটিরও বেশি। অভিনয়, বিনোদন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তার প্রভাব এবং জনপ্রিয়তার স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায়।

এই অর্জন উদ্‌যাপন করতে নিজের স্বাভাবিক ও স্টাইলিশ উপস্থিতিতেই দেখা দেন হানিয়া। লাল রঙের ক্যামিসোল টপ ও জিন্সে ধরা দেন তিনি, যা নজর কাড়ে ভক্তদের।

গত বছরের শেষে জাতিসংঘের ‘ইউএন উইমেন’ এর জাতীয় শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিযুক্ত হন হানিয়া আমির। এবার ফোর্বসের ‘৩০ আন্ডার ৩০’ তালিকায় জায়গা করে নেওয়ায় এটি অভিনেত্রীর ক্যারিয়ারে শুধুমাত্র একটি অর্জন বা সম্মান নয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান আরও শক্ত ও বড় সাফল্যের পথে এটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে বলে ধারণা করছেন অনেকে।

 

বর্তমানে একটি বড় আন্তর্জাতিক প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন হানিয়া আমির। জানা গেছে, একটি ঐতিহাসিক পাকিস্তানি অরিজিনাল সিরিজে অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। সিরিজটি বিশ্বের অন্যতম বড় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

 

 

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মারামারিতে আহত অর্ধশতাধিক

হবিগঞ্জে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে ফুটবল খেলা ও হার-জিতকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের নারী-পুরুষসহ অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।

 

 

বুধবার (৩ জুন) সকালে সদর উপজেলার লোকড়া ইউনিয়নের কাশীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত বেশ কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে কাশীপুর গ্রামে স্থানীয় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। খেলায় আর্জেন্টিনা দল ২-০ গোলে ব্রাজিল দলকে হারিয়ে দেয়। খেলা শেষে হার-জিত ও ট্রল করা নিয়ে মাঠেই দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে তর্কাতর্কি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

সে সময় স্থানীয় মুরুব্বিরা বিষয়টি সাময়িকভাবে মীমাংসা করে দিলে সবাই বাড়ি ফিরে যান। তবে সেই বিরোধের জেরে বুধবার সকালে দুই পক্ষ আবারও নতুন করে তর্কে জড়ায়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের শত শত মানুষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা এই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন। খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খেলা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। এলাকা এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এ ঘটনায় দুপুর পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

 

পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

 

কুয়েত বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় নিন্দা জানাল ভারত

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় এক ভারতীয় নাগরিক নিহত হওয়ায় গভীর শোক ও নিন্দা জানিয়েছে ভারত। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

 

 

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংঘাতের শুরু থেকেই বেসামরিক মানুষ ও অবকাঠামোতে হামলার বিরোধিতা করে আসছে ভারত। তারা অবিলম্বে এ ধরনের হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।

 

 

এ ঘটনায় আহত ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তায় কুয়েতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস কাজ করছে বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে থাকা ভারতীয় মিশনগুলোকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

এর আগে কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ভোরে ইরানের হামলায় কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়েকটি কূটনৈতিক স্থাপনাও ক্ষতির মুখে পড়েছে।

হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে কুয়েত বলেছে, নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে।

এদিকে ইরানের ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর আংশিকভাবে আবারও চালু হয়েছে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

 

 

কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনাল বন্ধ থাকলেও বিকল্প টার্মিনাল থেকে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়েছে। তবে আপাতত অন্যান্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চালু হয়নি।

 

বিপিসির ৫০ কোটি টাকার ভবনে ফাটল, উদ্বোধনের আগেই শুরু বিতর্ক

দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ভাড়া ভবনে কার্যক্রম পরিচালনার পর অবশেষে নিজস্ব সদর দপ্তরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। দেশের জ্বালানি তেল আমদানি, সংরক্ষণ ও সরবরাহ কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু চট্টগ্রামে রাষ্ট্রায়ত্ত এই প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ভবন নির্মাণকে ঘিরে কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট মহলের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা।

 

 

কিন্তু ৫০ কোটিরও বেশি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নতুন সদর দপ্তর ভবনটি উদ্বোধনের আগেই এর বিভিন্ন অংশে দৃশ্যমান ফাঁক ও ফাটল সদৃশ চিহ্ন দেখা যাওয়ায় নির্মাণমান, তদারকি এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

 

 

নগরীর জামালখান এলাকার জয় পাহাড়ে নির্মিত পাঁচতলা স্টিল স্ট্রাকচার ভবনটির অধিকাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। রং, পাইপ ফিটিং, বৈদ্যুতিক সংযোগসহ সমাপ্তি পর্যায়ের কাজও প্রায় শেষ। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ভবনটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালুর প্রস্তুতি চলছিল। এমন সময় ভবনের বিভিন্ন দেয়াল ও সংযোগস্থলে দৃশ্যমান ফাঁক এবং ফাটল সদৃশ চিহ্ন চোখে পড়ে।

প্রতিবেদকের মঙ্গলবার ও বুধবারের সরেজমিন পরিদর্শনের চেষ্টা করা হলেও ভবনটিতে প্রবেশের অনুমতি মেলেনি। গেটে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মীরা জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া ভেতরে প্রবেশ করা যাবে না। পরে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা একে অপরের কাছে বিষয়টি জানতে বললেও কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে গেটের বাইরে থেকে ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ ও ছবিতে ভবনের কয়েকটি স্থানে শ্রমিকদের প্লাস্টার ও রংয়ের কাজ করতে দেখা যায়।

নির্মাণকাজে নিয়োজিত কয়েকজন শ্রমিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ভবনের কয়েকটি দেয়াল ও প্লাস্টারকৃত অংশে চিড় ও ফাঁক দেখা যাওয়ায় সেখানে পুনরায় প্লাস্টার ও রংয়ের কাজ করা হচ্ছে। তবে এসব চিহ্ন ভবনের কাঠামোগত নিরাপত্তার জন্য কোনো ঝুঁকি তৈরি করছে কি না, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন।

ভবনের কয়েকটি অংশে দ্রুত রং ও প্লাস্টারের কাজ করা হচ্ছে, ফলে আপাতদৃষ্টিতে দেয়ালগুলো চকচকে ও নতুন রূপ ধারণ করেছে। তবে এটি স্থায়ী সমাধান কি না, তা নিয়ে স্থানীয়ভাবে প্রশ্ন রয়েছে

 

 

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিপিসির কয়েকজন কর্মকর্তা কালবেলাকে বলেন, ভবন নির্মাণে কনসালটেন্ট নিয়োগ, প্রকৌশল তদারকি এবং টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঠিকাদার নির্বাচন করা হয়েছিল। তারপরও উদ্বোধনের আগেই ভবনের বিভিন্ন অংশে দৃশ্যমান ফাঁক দেখা যাওয়ার বিষয়টি তাদের কাছেও অস্বস্তির। তাদের মতে, নির্মাণকাজের বিভিন্ন ধাপে প্রয়োজনীয় তদারকি ও গুণগত মান নিশ্চিতকরণ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবে এ বিষয়ে তারা প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

 

 

জানা যায়, দেশের জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনের একমাত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিপিসির সদর দপ্তর স্বাধীনতার পর ঢাকায় থাকলেও প্রশাসনিক ও কার্যক্রমগত কারণে ১৯৯০ সালে তা চট্টগ্রামে স্থানান্তর করা হয়। কারণ দেশের প্রায় সব জ্বালানি তেল আমদানি, সংরক্ষণ এবং বিতরণ কার্যক্রম চট্টগ্রামকে ঘিরেই পরিচালিত হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে আগ্রাবাদ এবং পরে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের ভবনে ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।

 

 

বিপিসির নিজস্ব জমি থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন সময়ে সদর দপ্তর নির্মাণের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। একপর্যায়ে বাকলিয়া এলাকায় বৃহৎ প্রকল্পের পরিকল্পনা নেওয়া হলেও সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। পরে জয় পাহাড় এলাকায় নিজস্ব অর্থায়নে নতুন সদর দপ্তর নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নির্মাণকাজের দায়িত্ব পায় ইউনাইটেড কর্পোরেশন।

 

 

তবে নির্মাণকাজের শুরু থেকেই প্রকল্পটি বিতর্কমুক্ত ছিল না। ভবন নির্মাণের সময় পাহাড় কাটার অভিযোগ ওঠে বিপিসির বিরুদ্ধে। পরে পরিবেশ অধিদপ্তরের তদন্তে পাহাড় কাটার সত্যতা পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটিকে ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯ হাজার ৬০০ ঘনফুট পাহাড় কাটার প্রমাণ পাওয়া যায়। শুনানি শেষে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের আওতায় ওই জরিমানা আরোপ করা হয়।

 

 

 

ফাটল সদৃশ চিহ্নের বিষয়ে জানতে চাইলে বিপিসির উপ-মহাব্যবস্থাপক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রকৌশলী মো. আপেল মামুন কালবেলাকে বলেন, স্টিল স্ট্রাকচারের পুরো বিল্ডিংয়ে কাঠামোগত ফাটল ধরার সুযোগ নেই। স্টিল ও কংক্রিটের সংযোগস্থলে কিছু জায়গায় প্লাস্টারের গ্যাপ তৈরি হয়েছিল, যা পুটিংয়ের মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে। এটিকে কাঠামোগত ফাটল বলা যাবে না, এটি মূলত প্লাস্টারের গ্যাপ।

 

 

 

তিনি আরও বলেন, বিপিসিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় স্থানান্তরের পক্ষে একটি মহল কাজ করছে। তারা এসব বিষয় নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করছে। আমাদের অফিসের সামনে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের বাড়ি রয়েছে, সেখানে এই প্রকল্প হোক সেটা তারা চাচ্ছে না। নেগেটিভভাবে বিষয়গুলো তুলে ধরলে সেটি প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়।

 

 

 

চট্টগ্রামের কয়েকজন ব্যবসায়ী ও জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বলেন, দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু চট্টগ্রাম হওয়ায় বিপিসির নিজস্ব সদর দপ্তর নির্মাণ ছিল দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। তাদের মতে, রাষ্ট্রীয় অর্থে নির্মিত এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠলে তা কারিগরি পরীক্ষার মাধ্যমে স্বচ্ছভাবে জনসমক্ষে তুলে ধরা উচিত। এতে একদিকে জনমনে থাকা সংশয় দূর হবে, অন্যদিকে প্রকল্পের মান নিয়েও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।

 

 

 

দেশের জ্বালানি খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিপিসির নতুন সদর দপ্তরকে ঘিরে দীর্ঘদিনের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, উদ্বোধনের আগেই দৃশ্যমান ফাঁক ও ফাটল সদৃশ চিহ্নের বিষয়টি সেই প্রকল্পকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

 

টানা তৃতীয়বার ফাইনালে উঠল বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল

আবারও ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী নেপালকে আজ ২–১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে টানা তৃতীয়বার ফাইনালের টিকিট কাটল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোল করেছেন ঋতুপর্ণা ও সাগরিকা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ঋতুপর্ণা কর্নার থেকে সরাসরি গোল করেন। আর সাগরিকা গোল করেছেন দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে, শামসুন্নাহার জুনিয়রের সহায়তায়। এর আগে বাংলাদেশ গোল হজম করেছিল ২৩ মিনিটে, গোল করেন নেপালের গীতা রানা।

 

 

 

গোয়ার মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই চরম উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে একসময় পিছিয়ে পড়েও অলিম্পিক গোল আর শেষ মুহূর্তের চমৎকার ফিনিশিংয়ে জয় ছিনিয়ে নিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই জয়ের ফলে দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলে বাংলাদেশের চার বছরের গৌরবময় রাজত্ব টিকে রইল, আর এক ধাপ দূরে রইল শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার মিশন।

 

 

 

ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে নেপাল। শুরুতেই নেপালের আক্রমণের চাপে কোণঠাসা হয়ে পড়ে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। ম্যাচের ২৩ মিনিটে কর্নার থেকে গোল করে নেপালকে এগিয়ে নেন গীতা রানা। দীপা শাহির দারুণ ক্রসে কেবল পায়ের টোকা দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। পিছিয়ে পড়ে গোল শোধের জন্য মরিয়া আক্রমণ তো দূরে থাক, উল্টো আফঈদাদের ব্যস্ত থাকতে হয়েছে প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামাল দিতে। ব্যবধান ২-০ হতে পারত ম্যাচের ৩৬ মিনিটে, তবে প্রীতি রাজের দূরপাল্লার শটটি গোলরক্ষক মিলির হাতে লেগে পোস্টে প্রতিহত হলে কোনোমতে রক্ষা পায় বাংলাদেশ।

যখন মনে হচ্ছিল প্রথমার্ধে বাংলাদেশ আর ম্যাচে ফিরতে পারছে না, ঠিক তখনই মাঠে দেখা গেল জাদুকরী এক মুহূর্ত। পুরো ম্যাচ জুড়ে প্রায় নিষ্ক্রিয় থাকা ঋতুপর্ণা চাকমা প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সরাসরি কর্নার থেকে এক অবিশ্বাস্য গোল করে বসেন। ফুটবল পরিভাষায় যাকে বলা হয় ‘অলিম্পিক গোল’। সরাসরি কর্নার থেকে বল জালে জড়িয়ে তিনি বাংলাদেশকে ১-১ সমতায় ফেরান এবং এই গোলের পর মাঠে নতুন করে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে সাবিনারা।

 

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই অবশ্য বাংলাদেশ আবারও গোল হজমের হাত থেকে অল্পের জন্য বেঁচে যায়। নেপালের রেখা বাংলাদেশের গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বল ফাঁকা জালের দিকে ঠেলে দিলেও তা পোস্টে লেগে দিক পরিবর্তন করে। এরপর দুই দলই পালাক্রমে সুযোগ তৈরি করতে থাকে। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে নেপালের সারু লিম্বুর একটি বিপজ্জনক বাঁকানো শট গোলপোস্টের সামান্য ওপর দিয়ে চলে যায়। এর ঠিক মিনিটখানেক আগে নেপালের আরেকটি আক্রমণ দক্ষতার সাথে রুখে দেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি।

 

 

ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ১২ মিনিট আগে অর্থাৎ ৭৮ মিনিটে লিড নেওয়ার সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগটি পেয়েছিলেন সাগরিকা। কিন্তু তার নেওয়া জোরালো শটটি নেপাল অধিনায়ক তথা গোলরক্ষক সুব্বা লাফিয়ে উঠে দারুণভাবে ঘুষি মেরে ফিরিয়ে দেন। তবে সেই সুযোগ মিসের হতাশা কাটাতে বেশি সময় নেননি সাগরিকা। ম্যাচের ৮১ মিনিটে শামসুন্নাহার জুনিয়রের নিখুঁত পাস থেকে বল পান তিনি। পেছনে নেপালের দুজন ডিফেন্ডার লেগে থাকলেও তাঁদের ফাঁকি দিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় বল জালে জড়িয়ে দেন সাগরিকা।

 

 

 

সাগরিকার এই জয়সূচক গোলেই উল্লাসে মেতে ওঠে বাংলাদেশ শিবির। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধান ধরে রেখে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ এবং টানা তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার লক্ষ্যে ফাইনালের মঞ্চে পা রাখল লাল-সবুজ বাহিনী।

 

দেশের সব মানুষের কথা বিবেচনায় রেখেই বাজেট: অর্থমন্ত্রী

দেশের প্রতিটি মানুষের কথা চিন্তা করে বাজেট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বাজেটে সকল অংশগ্রহণ নিশ্চিতের চেষ্টা করছে সরকার। অর্থনীতির সুফল যেন প্রতিটি মানুষ পায় সেটি মাথায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে।

 

 

 

 

বুধবার (৩ জুন) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

 

 

 

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিগত সময়ের অনিয়ম ও লুটপাটের কারণে অর্থনীতি দুর্বল অবস্থার মধ্যে রয়েছে। তবে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

 

অতীতের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার কারণে দেশ ঋণনির্ভর অবস্থায় চলে গেছে এবং সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে সরকার বিনিয়োগভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি বিনিয়োগভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করতে হবে। ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি পরিচালন ব্যয়ও ধীরে ধীরে কমিয়ে আনতে হবে।

 

 

তিনি আরও বলেন, জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

 

 

 

ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও নতুন বাজেটের মাধ্যমে ইতিবাচক সূচনা হবে বলে আশার কথা জানান মন্ত্রী। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং উৎপাদনশীল খাতের সম্প্রসারণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

 

হিলিতে মাদক ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ গ্রেফতার ৩

দিনাজপুরের হাকিমপুর থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী এবং ওয়ারেন্টভুক্ত এক পলাতক আসামিসহ মোট ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে।
​আজ বুধবার (৩ জুন) দুপুরে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকির হোসেন।
​পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাকিমপুর থানা পুলিশ পৃথক তিনটি অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ​মোঃ হাসান (২৩) দক্ষিণ বাসুদেবপুর (মহিলা কলেজ) এলাকার মোঃ ফিরোজ আলীর ছেলে। তার কাছ থেকে ১৫ পিস টাপেন্ডাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
মোঃ গোলাম রব্বানী ওরফে রাব্বী (৩৫) মধ্য বাসুদেবপুর (মাঠপাড়া) এলাকার মোঃ আজাদ বেলালের ছেলে। তাকে ২০ পিস টাপেন্ডাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করা হয়।
মোঃ রুবেল হোসেন (৩৮) দক্ষিণ বাসুদেবপুর (হিলি চুড়িপট্টি ক্যাম্পের সামনে) এলাকার মোঃ আফতাব উদ্দিনের ছেলে। তিনি একটি জিআর (নং-২৮/২০) মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।
​হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকির হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃত দুই মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে৷ তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে থানা পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। মাদকমুক্ত হাকিমপুর গড়তে আমাদের এই মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
​পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আজ দুপুরের দিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগের ১২০০ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় প্রায় ১২০০ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে সদর উপজেলার নিজড়া ইউনিয়নের জাঙ্গাল বাজার এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে তারা দল পরিবর্তনের ঘোষণা দেন।

 

 

 

অনুষ্ঠানে নিজড়া মধ্যপাড়ার আওয়ামী লীগ নেতা ছনোয়ার হোসেন মোল্লা ও নুর ইসলাম শেখ প্রায় ১২০০ নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপিতে যোগ দেন। তারা গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. কে এম বাবরের হাতে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন।

 

 

 

এ সময় সংসদ সদস্য ড. কে এম বাবর বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিএনপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় ব্যক্তিরা বিএনপিতে যোগদান করলে তাদের স্বাগত জানানো হবে।

 

নবাগত দুই নেতা ছনোয়ার হোসেন মোল্লা ও নুর ইসলাম শেখ বলেন, এলাকার উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তারা বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন। তারা দলের আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

 

অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শিকদার শহিদুল ইসলাম লেনিন, ফজলুল কবির দারা, পৌর বিএনপির সভাপতি শেখ হাচিবুর রহমান, বিএনপি নেতা এস এম জিয়াউল কবির বিপ্লব, সাজ্জাদ হোসেন হীরা, যুবদল নেতা রাজিব বিশ্বাস, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম, ইমরুল মিয়া সহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

 

উল্লাপাড়ায় ব্র্যাক সিড এন্ড এগ্রো এন্টারপ্রাইজের দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ব্র্যাক সিড অ্যান্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে হাইব্রিড ধান চাষের আধুনিক কলাকৌশল ও অধিক ফলন নিশ্চিতকরণ শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

 

 

মঙ্গলবার (২ জুন) দিনব্যাপী উপজেলার কৃষকগঞ্জ বাজারে আয়োজিত এ কর্মশালায় স্থানীয় কৃষকদের হাইব্রিড ধান চাষের আধুনিক প্রযুক্তি ও রোগবালাই দমনে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

 

 

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উল্লাপাড়া উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ মো: তাসিন বিন নূর ,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক সিডের বগুড়া রিজিওনাল সেলস্ ম্যানেজার মানিক রাহা। সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া টেরিটোরি সেলস অফিসার আল আমিন – এর সঞ্চালনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। উল্লাপাড়া টেরিটোরির সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার কৃষকগঞ্জ বাজারের এর রিটেইলার মো: জহুরুল ইসলাম । আরোও উপস্থিত ছিলেন ধনুট টেরিটোরির সেলস অফিসার প্রতাপ চন্দ্র দাদা ।

 

 

 

কর্মশালায় বক্তারা গুণগত মানসম্পন্ন হাইব্রিড ধানের উৎপাদন ও ফলন বৃদ্ধিতে ব্র্যাকের বীজর গুরুত্ব তুলে ধরেন। চাষাবাদের আধুনিক পদ্ধতি হিসেবে মাটি নির্বাচন, মাটির পিএইচ পরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ, জমি শোধন এবং সঠিক দূরত্বে বীজ রোপণের ওপর বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া মাটির গুণাগুণ অনুযায়ী সারের সঠিক ব্যবহার এবং সেচ প্রয়োগের সময়সূচী মেনে চলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

 

 

 

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অধিবেশনে হাইব্রিড ধানের মড়ক বা ‘ধানের শিষ ব্লাষ্ট রোগসহ কাণ্ডপচা রোগের আধুনিক প্রতিকার নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বিশেষ করে ভাইরাসজনিত রোগ নিয়ন্ত্রণে জাব পোকা (এফিড) দমনের রাসায়নিক ও ম্যানুয়াল পদ্ধতিগুলো কৃষকদের হাতে-কলমে শিখিয়ে দেওয়া হয়।

 

 

 

 

উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ মো: তাসিন বিন নূর বলেন ফসল সংগ্রহের আগের ও পরের ব্যবস্থাপনাও অত্যন্ত জরুরি।

 

 

 

 

আয়োজক প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক সিড জানায়, দেশব্যাপী কৃষক পর্যায়ে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকরা আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনায় আরও দক্ষ হয়ে উঠবে। এর ফলে হাইব্রিড ধান চাষে ঝুঁকি কমবে এবং হাইব্রিড জাতের কাঙ্ক্ষিত ফলন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

 

 

 

আয়োজিত প্রোগ্রাম শেষে ব্র্যাক সিডের হাইব্রিড ধান রাজা কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

 

 

এনায়েতপুরে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ নেতা

যুগ্ম-সচিব সেই ছেলের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

রাজধানীর মিরপুরে নিজ ফ্ল্যাট থেকে বৃদ্ধা নুরজাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার ছেলে যুগ্ম-সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

 

 

 

 

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ সংক্রান্ত প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তার নৈতিক দায়বদ্ধতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

 

 

অভিযুক্ত এ কে এম আনিসুর রহমান বর্তমানে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

উল্লেখ্য, রোববার (৩১ মে) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে মিরপুর-১১ এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে নুরজাহান বেগমের পচা-গলা ও পোকা ধরা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

প্রতিবেশীদের অভিযোগ, ওই বৃদ্ধা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় দিন পার করছিলেন। তার আরেক ছেলে এ কে এম আশিকুর রহমান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক এবং মেয়ে একজন স্কুল শিক্ষিকা।

 

 

 

মায়ের সঙ্গে একই বাসায় মেয়ে অবস্থান করলেও তিনি মৃত্যুর বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাননি। অন্যদিকে, দুই ছেলে আলাদা থাকতেন এবং তাদের সঙ্গেও মায়ের কোনো যোগাযোগ ছিল না ।

 

 

হোসেনপুরে অটোরিকশার চাপায় বৃদ্ধের মৃত্যু

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে অটোরিকশার চাপায় মো. হাফিজ উদ্দিন (৭৪) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।
বুধবার (৩ জুন) সকালে পৌর এলাকার পূর্ব দীপেশ্বর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত হাফিজ উদ্দিন ওই গ্রামের মৃত আফতাব উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বাড়ির পাশের রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি দ্রুতগামী অটোরিকশা তাকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. তানভীর হাসান জিকো। এদিকে দুর্ঘটনার পর অটোরিকশা চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

একটি মামলায় ডা. দীপু মনির জামিন দিয়েছেন আদালত

রাজধানীর বিভিন্ন থানায় করা সাত মামলার মধ্যে এক মামলায় জামিন পেয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি। বাকি ছয় মামলায় তাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

 

 

 

বুধবার (৩ জুন) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

 

 

 

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী ছিলেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বারিধারা থেকে দীপু মনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে হত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি ও সহিংসতার নির্দেশনাসহ প্রায় ৩৮টিরও বেশি মামলা করা হয়েছে।

 

মারা গেলেন সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম রহমাতুল্লাহ

ঢাকা-১১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কার্যক্রম আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম রহমতুল্লাহ মারা গেছেন। বুধবার (৩ জুন) ভোর পৌনে ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়। 

 

 

তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

 

 

 

এ কে এম রহমতুল্লাহর ভাগ্নে ফারুক হোসাইন বলেন, রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা যান। 

 

 

খবর পাওয়ার পর হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ বাড্ডার বেরাইদের নিজের বাসভবনে আনা হয়েছে। বুধবার বিকেল ৪টায় বেরাইদ মাঠে জানাজার পর বেরাইদ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
 

এ কে এম রহমতুল্লাহ পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়া তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

 

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন করে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, এসব দেশ জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে, যা মার্কিন বাণিজ্য ও শ্রমিকদের জন্য ক্ষতিকর। খবর রয়টার্সের।

 

 

 

 

মঙ্গলবার মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর জানায়, তাদের পরিচালিত সেকশন ৩০১ তদন্তে এ ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

 

 

 

প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ, কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, মেক্সিকো, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান, কম্বোডিয়া, গুয়াতেমালা, এল সালভাদর, আর্জেন্টিনা, ইন্দোনেশিয়াসহ ১৫টি দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। বাকি ৪৫টি দেশের ক্ষেত্রে শুল্কের হার হবে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ।

এক বিবৃতিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদারদের জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানি বন্ধে ব্যর্থতা গ্রহণযোগ্য নয়। এর ফলে মার্কিন শ্রমিকদের বৈশ্বিক বাজারে অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হচ্ছে।

 

নতুন এ প্রস্তাব এসেছে এমন সময়ে, যখন গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনের জরুরি ক্ষমতা আইনের আওতায় আরোপিত শুল্ক বাতিল করে দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন নতুন আইনি কাঠামোর অধীনে শুল্ক ব্যবস্থা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে।

 

 

তবে প্রস্তাবিত শুল্ক থেকে জ্বালানি, বিরল খনিজ, কিছু ধাতু, গরুর মাংস, কফি, নির্দিষ্ট ফল ও সবজি, ওষুধ, জৈব রাসায়নিক এবং বিমানযন্ত্রাংশকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

 

 

 

এছাড়া পোশাক ও বস্ত্রখাতের জন্য একটি বিশেষ ব্যবস্থা প্রস্তাব করা হয়েছে, যার আওতায় নির্দিষ্ট পরিমাণ আমদানি কম শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ পেতে পারে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

 

 

 

মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর জানিয়েছে, প্রস্তাবিত শুল্ক নিয়ে আগামী ৬ জুলাই পর্যন্ত জনমত গ্রহণ করা হবে এবং ৭ জুলাই একটি প্রকাশ্য শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

 

 

 

যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপ বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব ফেলতে পারে, যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং সম্ভাব্য অব্যাহতির বিষয়গুলো এখনও স্পষ্ট নয়।

 

কাজিপুরে যুবশক্তি নেতার উপর হামলা: এনসিপির নিন্দা

সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে ​মসজিদ প্রাঙ্গণে জাতীয় যুবশক্তি জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাতুল রায়হানের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা।
মঙ্গলবার (২ জুন) এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তর) হযরত আলী উসমান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়।  এর আগে রোববার (৩১ মে জুন) রাতে এশার নামাজ শেষে যুবনেতা রাতুলের ওপর এ ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে , ​কাজিপুর উপজেলার দক্ষিণ বুরুঙ্গী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে ‘জাতীয় যুবশক্তি’ সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাতুল রায়হানের ওপর সংঘটিত ন্যাক্কারজনক, কাপুরুষোচিত ও বর্বর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
​মসজিদের উন্নয়ন তহবিল রক্ষা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে সামাজিক ও নৈতিক অবস্থান নেওয়ার কারণেই রাতুল রায়হানকে পরিকল্পিতভাবে এই হামলার শিকার হতে হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ​যারা মসজিদের সম্পদ রক্ষা ও জনস্বার্থের পক্ষে কথা বলায় বাধা সৃষ্টি করতে হামলা, মামলা ও ভয়ভীতির পথ বেছে নিয়েছে, তারা সমাজে চরম সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়। কিন্তু আমরা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই এই বাংলার যুবসমাজ ও সচেতন নাগরিকরা অন্যায়, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অতীতেও সোচ্চার ছিল, বর্তমানেও আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হামলা-হুমকি দিয়ে সত্যের কণ্ঠরোধ করতে পারবে না।
​অনতিবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে বলা হয়েছে, এই বর্বরোচিত ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

আ.লীগ নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ

আওয়ামী লীগের এক নেতাকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ বলে অভিযোগ তুলেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন।

 

 

 

বুধবার (৩ জুন) ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এ অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন।

 

 

 

রাশেদ খাঁন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে হান্নান মাসউদ! গণঅভ্যুত্থানের পরে হান্নান মাসউদের মিটিং শুরু হয় আওয়ামী লীগ নেতাদের দিয়ে। আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার অসংখ্য মিটিং হয়েছে। পল্টনের হোটেল ফার্সের কয়েকটা টেবিল যেন একপ্রকার হান্নান মাসউদের জন্য বরাদ্দ থাকত।

তিনি বলেন, একবার আওয়ামী লীগের এক এমপিকে ৪ কোটিতে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার আলাপ ওঠে। আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষ করে হান্নান মাসউদ জিসানকে বলে, ‘ভাই, ওরা ১ কোটি দিতে চায়, আপনি ৩ কোটিতে ডিল করেন। ওদের সব কাঁচা টাকা, টাকা-পয়সার দরকার আছে!’ এ কথা শুনে এক ধরনের স্তব্ধ হয়ে যায় জিসান! হান্নান মাসউদের অনেক ঘটনার রাজসাক্ষী হাতিয়ার এই সন্তান আবদুল গাফফার জিসান।

 

স্ট্যাটাসে রাশেদ বলেন, ২৭ জুলাই থেকে রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আবদুল গফফার জিসান আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তাদের সঙ্গে এই ছেলেটি ছিল। ৩ জন সমন্বয়কদের ভিডিও বা ছবি তুলতে ক্যামেরার পেছনের মানুষটিই ছিলেন এই আবদুল গফফার জিসান। জিসান সম্পর্কে রিফাত রশিদ ও মাহিন সরকারকে জিজ্ঞেস করলেও উত্তর পাবেন। জিসানের ছোট ভাই হান্নান মাসউদের বন্ধু। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এবং শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

 

 

‘আর জিসান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। হান্নান মাসউদের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের পরেও বেশকিছুদিন জিসান ছিল। মূলত গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান-হান্নান মাসউদকে নিরাপত্তা দেওয়ার কাজেই সঙ্গে থাকত। কিন্তু হান্নান মাসউদের টাকার প্রতি মোহ ও আকস্মিক পরিবর্তন জিসান মেনে নিতে পারেনি। যে কারণে সে আর হান্নান মাসউদের সঙ্গে থাকেনি।’

 

স্ট্যাটাসের শেষে রাশেদ বলেন, নোয়াখালীর হাতিয়ার আওয়ামী লীগের এমপি মোহাম্মদ আলী যেন ছিল হান্নান মাসউদের এমপি হওয়ার পথের কাঁটা! হান্নান মাসউদ এটা বুঝতে পেরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রভাব খাটিয়ে শুরুতেই তাকে গ্রেপ্তার করাতে ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন জায়গায় মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে বক্তব্যও দিয়েছে হান্নান মাসউদ। ঘরোয়া আলাপে সে বলেছে, নোয়াখালীর যত আওয়ামী লীগ আছে, কারও সঙ্গে আমার কোনো দ্বন্দ্ব নেই। আমার একমাত্র দ্বন্দ্ব মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে। এমনকি বিভিন্ন আলাপে সে লোকজনকে বোঝাতে চেয়েছে, নোয়াখালীর এমপি হতে কোয়ালিটি ও কোয়ানটিটিতে তাকে মোহাম্মদ আলীর মতো অর্থবিত্তের মালিক হতে হবে।

 

কাস্টম হাউসে হয়রানির অভিযোগ, রুলিং মানা হচ্ছে না

কাস্টম হাউস নাকি হয়রানির কেন্দ্র?

শিল্পের কাজে ব্যবহারের জন্য রক সল্ট আমদানি করে ওয়ারদা অ্যান্ড জুবায়ের এগ্রো ইন্ডাস্ট্রি। হুট করে গত ৪ মে বিল অব এন্ট্রি সাবমিট করার পর প্রতিষ্ঠানটির পণ্যের চালান আটকে দেন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কর্মকর্তারা। চালানটি আটকে রেখে শিল্প মন্ত্রণালয় ও লবণ নীতিসহ নানা প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্যতা চাওয়া হয়। যদিও কাস্টমসে এ ধরনের কোনো আইন রয়েছে বলে আমদানিকারককে দেখাতে পারেননি শুল্ক কর্মকর্তারা। তবু পণ্য চালানটি আটকে রেখে শুরু হয় নানা টালবাহানা। পরে উপায় না দেখে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয় প্রতিষ্ঠানটি এবং আদালতে রায় প্রতিষ্ঠানটির পক্ষেই আসে। তবে ঈদুল আজহার আগে পক্ষে রায় পেলেও পণ্যের চালানটি খালাস করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। কৌশলে আদালতের রায়ের কপি গ্রহণ না করে কমিশনার ঈদের ছুটিতে ঢাকায় চলে আসেন। এরই মধ্যে পণ্যের চালানের দামের তুলনায় প্রায় দিগুণ হয়ে গেছে পোর্ট চার্জ। কাঁচামাল আটকে যাওয়ায় বাধাগ্রস্ত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন। এ কারণে ঈদে কর্মচারীদের ঠিকমতো বেতন-বোনাস পর্যন্ত দিতে পারেননি প্রতিষ্ঠানটির মালিক। এভাবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে প্রতিদিনই হয়রানির শিকার হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এটা যেন কাস্টম হাউস নয়, এ যেন এক হয়রানির আঁতুড়ঘর।

 

 

 

সরেজমিন ঘুরে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে আমদানিকারকদের হয়রানির এমন ঘটনা আরও পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস দিয়ে স্টিল স্ট্রাকচার আমদানি করেন এক আমদানিকারক। প্রথমবারের মতো আমদানি করা পণ্যে চালানটি আটকে দেয় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ উইং (এআইআর) শাখা। স্টিল স্ট্রাকচার নিয়ে এর আগে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অ্যাসেসমেন্ট কমিটির সিদ্ধান্ত রয়েছে। এ ছাড়া কাস্টম হাউসের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) একটি নির্দেশনাও রয়েছে। এর বাইরেও ওয়ার্ল্ড কাস্টম অর্গানাইজেশনের একটি ব্যাখ্যা রয়েছে। এতকিছুর পরও এআইআর শাখার কর্মকর্তাদের মনে হয়েছে স্টিলের স্ট্রাকচারটি ফার্নিচার পার্টসের এইচএস কোড অনুযায়ী শুল্কায়ন হবে। এরপর সব আইনের ঊর্ধ্বে উঠে কর্মকর্তারা সেই অনুযায়ী শুল্কায়নের জন্য রিপোর্ট দেন এবং প্রতিষ্ঠানটি রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে বলেও সুপারিশ করেন। প্রতিষ্ঠানটি এনবিআরের রুলিং দেখানোর পর পণ্য চালানটি আটকে রাখতে নতুন যুক্তি উপস্থাপন করেন কর্মকর্তারা—এটা রুলিংয়ের সঙ্গে যায় না। কর্মকর্তাদের নতুন যুক্তি, রুলিংয়ে একই পণ্য আলাদা তিনটি কনটেইনারে আনা হয়েছিল। এ চালানে একটি কনটেইনার, তাই এইচএস কোড পরিবর্তন হয়েছে। আর এতে মিথ্যা ঘোষণা হয়েছে। এ ছাড়া এনবিআরের এ রুলিং সঠিক নয় বলেও দাবি করেন কর্মকর্তারা। যদিও রুলিং সঠিক নয়—এ কথা আনুষ্ঠানিকভাবে বলতে রাজি নন এআইআরের উপকমিশনার। সর্বশেষ নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল থেকেই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন শুল্ক কর্মকর্তারা। এতে আমদানিকারকের মাত্র আঠারো হাজার ডলারের পণ্য এখন দেড় কোটির ঘরে গিয়ে ঠেকেছে। মজার বিষয় হলো, স্টিল স্ট্রাকচার শুল্ক কর্মকর্তাদের বদৌলতে হয়ে গেল ফার্নিচার পার্টস, আর আমদানিকারক রাতারাতি হয়ে গেল শুল্ক ফাঁকিবাজ।

 

 

 

অভিযোগ রয়েছে, এভাবেই প্রতিনিয়ত ছোট ব্যবসায়ীদের হয়রানি করেন এআইআর শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা আসাদ ও আরেফিন। তাদের টিম লিডার হিসেবে আছেন এআইআর শাখার উপকমিশনার তারেক মাহমুদ। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে এআইআরের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং সদ্য সাময়িক বরখাস্তের আদেশ থেকে মুক্তি পাওয়া চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার আমীমুল ইহসানের সঙ্গে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে গিয়ে সাক্ষাৎ করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে ফোনে একাধিকবার কল দিয়েও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমনকি মোবাইল ফোনে খুদে বার্তা পাঠিয়েও তার সাড়া মেলেনি। পরবর্তী সময়ে এআইআর শাখার উপকমিশনার তারেক মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কালবেলাকে বলেন, ওয়ার্ল্ড কাস্টম অর্গানাইজেশনের ব্যাখ্যা মানার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে বাংলাদেশে মানা হয়। আর এনবিআরের রুলিং মানার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে স্টিল স্ট্রাকচারের চালানটি এ রুলিংয়ে যথাযথ নয়। কারণ হিসেবে ওই কর্মকর্তা বলেন, রুলিংয়ে যে পণ্য চালানের বিষয়টি ছিল ওখানে তিনটি আলাদা আলাদা পণ্য চালান ছিল। আর এটি একটি পণ্য চালান। যেহেতু তিনটি নয়; তাই এ সুবিধা এ আমদানিকারক পাবেন না।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে আটকে রাখার জন্য এ ধরনের আরও উদ্ভট কিছু যুক্তিও মিলেছে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান ওয়ারদা অ্যান্ড জুবায়ের ইন্ডাস্ট্রিজের শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে রক সল্ট আমদানির ক্ষেত্রে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত কালবেলাকে বলেন, প্রায় এক মাসের কাছাকাছি হয়ে গেছে পণ্য চালানটি আটকে রেখেছে কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ। আমরা বিডা নিবন্ধিত একটি প্রতিষ্ঠান। বিডার অনুমতি সাপেক্ষে আমরা আমদানি করে থাকি। আমদানি নীতি আদেশেও কোনো বাধা নেই। অযথাই হয়রানি করে আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। কমিশনারের মেইলে আদেশের মূল কপি পাঠানো হলেও তিনি রিসিভ করেননি ঈদের আগে। এরই মধ্যে পণ্য চালানটির দামের প্রায় দ্বিগুণ পোর্ট চার্জ এখন পরিশোধ করতে হবে। আর উৎপাদন এবং কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হওয়ায় ঈদের আগে আমি ঠিকমতো কর্মচারীদের বেতন-বোনাস দিতে পারিনি।

 

শুধু এ দুটি প্রতিষ্ঠান নয়, শিল্প প্রতিষ্ঠানের পণ্য চালানও আটকে রাখার অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে, সব নিয়ম মেনে আমদানি করা ঢাকার একটি বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের তিন কনটেইনার পণ্য আটকে দেন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার মুহা. মাহবুবুর রহমান। বৃষ্টির মধ্যে ট্রাকে লোড হওয়া পণ্য নষ্ট হলেও সর্বশেষ আট দিন পর ছেড়ে দেন। পরবর্তী সময়ে আরেকটি বন্ডেড পণ্যের চালান আটক করলেও পরে অদৃশ্য কারণে ছেড়েও দেন। এ ছাড়া এ কমিশনার নির্ধারিত সময়ের আগেই অফিস ত্যাগ করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে কথা বলতে সরাসরি এবং ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া হয়রানির নানা অভিযোগের কথা উল্লেখ করে এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানের বক্তব্য জানতে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানোর পর তিনি বার্তা দেখলেও কোনো বক্তব্য দেননি।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এআইআর টিমের বিরুদ্ধে পান থেকে চুন খসলেই ছোট ব্যবসায়ীদের আইনি ঝামেলায় ফেলার অভিযোগ বেশ পুরোনো। বিগত দিনে কেমিক্যাল থেকে শুরু করে অবৈধ সিগারেট আমদানি বন্ধে তৎপর হলেও বর্তমান টিম রহস্যজনক কারণে ঠুঁটো জগন্নাথের ভূমিকা পালন করছে। বিভিন্ন কাস্টম হাউসে শিট নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠলে এসব ক্ষেত্রেও এআইআর টিম যেন নীরব দর্শক। এ ছাড়া আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এ টিমের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, রাজস্ব কর্মকর্তা আসাদ ও আরেফিনের নেতৃত্বে ল্যাপটপের ব্যাটারির গ্রুপ দিয়ে অন্য পণ্যের চালান গেলেও আসাদ নিজে গিয়ে দেখেও তা ছেড়ে দেন। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের ফাইন্ডিং নেই। মূলত বড় বড় আমদানিকারকের পরিবর্তে এ টিমের নজর ছোট ব্যবসায়ীদের দিকে। এতে বাইরে আলোচনা হবে—খুব কড়া কাস্টম হাউসের এ এআইআর টিম। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে এআইআর টিমের রাজস্ব কর্মকর্তা আসাদকে গতকাল সোমবার দফায় দফায় ফোন দিয়েও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

 

 

কাস্টমসে হয়রানির শিকার হওয়া ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছেন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমও। এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিকেএমইএ সভাপতি রিনিউয়েবল এনার্জির প্লান্ট করতে পণ্য আমদানি করেন। প্রথম দিকে সোলার নিয়ে এলে সহজেই শুল্ক কর্মকর্তারা ছেড়ে দেন। তবে স্ট্রাকচার আনার পর আটকে দেয় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ। এ পণ্য চালানটি খালাস করতে ব্যবসায়ী নেতা হওয়ার পরও বেশ বেগ পেতে হয়েছে মোহাম্মদ হাতেমের। আর সময় লেগেছে প্রায় পনেরো দিন এবং এনবিআরের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দ্বারস্থ হতে হয়েছে। একই সঙ্গে গুনতে হয়েছে পোর্টের বড় অঙ্কের ডেমারেজ।

 

 

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম কালবেলাকে বলেন, প্রথম দিকে সোলার সহজে খালাস হলেও পরবর্তী সময়ে স্ট্রাকচার আটকে দেয় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। এ চালানটির জন্য আমাকে এনবিআরের দ্বারস্থ হতে হয়েছে প্রজ্ঞাপন থাকার পরও। আর এ কারণে আমাকে পোর্ট ডেমারেজ দিতে হয়েছে ৩৫ লাখ টাকা।

 

সুত্র: দৈনিক কালবেলা

 

 

লোকনাথ ব্রহ্মচারীর তীরোধান দিবসে বারদী আশ্রমে দর্শনার্থীর ভীড়

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ভক্তি আর আধ্যাত্মিক আবহে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ঐতিহাসিক বারদী আশ্রমে শুরু হয়েছে উপমহাদেশের প্রখ্যাত সাধক শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬তম তীরোধান উৎসব।

 

বুধবার (৩ জুন) দেশ-বিদেশ থেকে আসা লাখো ভক্তের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো বারদী এলাকা। তিন দিনব্যাপী এ ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে আশ্রম প্রাঙ্গণে বিরাজ করছে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ। ভোর থেকেই ভক্তরা আশ্রমে সমবেত হয়ে পূজা-অর্চনা, প্রার্থনা ও নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন। আশ্রমের বিভিন্ন স্থাপনা বর্ণিল আলোকসজ্জা ও নান্দনিক সাজে সজ্জিত করা হয়েছে, যা ভক্ত ও দর্শনার্থীদের বাড়তি আকর্ষণ যোগ করেছে।

 

উৎসবে অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও প্রতিবেশী ভারতসহ বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে হাজার হাজার লোকনাথ ভক্ত বারদীতে ছুটে এসেছেন। তাদের জন্য আশ্রম কর্তৃপক্ষ তীর্থ নিবাসসহ বিভিন্ন স্থানে আবাসন ও খাবারের বিশেষ ব্যবস্থা করেছে।

 

তিরোধান উৎসব উপলক্ষে বারদী এলাকায় বসেছে সাত দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী মেলা। মেলায় বিভিন্ন ধরনের লোকজ পণ্য, ধর্মীয় সামগ্রী ও গ্রামীণ সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ স্থান পেয়েছে। ফলে ধর্মীয় আয়োজনের পাশাপাশি উৎসবটি পরিণত হয়েছে এক মিলনমেলায়।

 

উৎসবের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে পূজা-অর্চনা, ঊষাকীর্তন, গীতা পাঠ, বাল্যভোগ ও রাজভোগ বিতরণ, প্রসাদ বিতরণ, ধর্মীয় আলোচনা, ভক্তিমূলক সংগীত এবং সন্ধ্যাকালীন কীর্তন। এসব আয়োজনে অংশ নিয়ে ভক্তরা মহাসাধকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন এবং নিজেদের ও পরিবারের কল্যাণ কামনা করছেন। উৎসবকে কেন্দ্র করে গ্রহণ করা হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

 

 

মঙ্গলবার আশ্রম এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ ব্রিফিং ও প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী।

 

তিনি বলেন, উৎসবস্থলে পুলিশ, র‍্যাব, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছয় শতাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সিসিটিভির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি, মেঘনা নদীতে নৌ-পুলিশের টহল এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

 

সোনারগাঁ থানার ওসি গোলাম সারোয়ার বলেন, ভক্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। উৎসব চলাকালে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে।

 

বারদী লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শংকর কুমার দে বলেন, উৎসবের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আসা ভক্তরা যাতে নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে আশ্রম কর্তৃপক্ষ সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

 

সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত বলেন, উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভক্তদের নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

 

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, উৎসবস্থলে পুলিশ, র‍্যাব, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছয় শতাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সিসিটিভির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি, মেঘনা নদীতে নৌ-পুলিশের টহল এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

 

হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ১৭৩০ খ্রিস্টাব্দে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কচুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মহাসাধক লোকনাথ ব্রহ্মচারী। দীর্ঘ সাধনা, ত্যাগ ও মানবসেবার মাধ্যমে তিনি আধ্যাত্মিক জগতে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেন। জীবনের শেষ ২৬ বছর তিনি সোনারগাঁয়ের বারদীতে অবস্থান করেন। বাংলা ১২৯৭ সালের ১৯ জ্যৈষ্ঠ বারদী আশ্রমেই তার মহাপ্রয়াণ ঘটে। সেই স্মৃতিকে ধারণ করেই প্রতিবছর ১৯ জ্যৈষ্ঠ পালিত হয় তার তীরোধান উৎসব।

 

ভক্তদের বিশ্বাস, মানবতা, প্রেম ও সেবার যে বাণী লোকনাথ ব্রহ্মচারী রেখে গেছেন, তা আজও মানুষকে আলোকিত পথের সন্ধান দেয়। আর সেই বিশ্বাসের টানেই প্রতি বছর লাখো ভক্ত সমবেত হন বারদীর এই পবিত্র তীর্থভূমিতে।

বিদ্যুতের মুল্য বাড়তে পারে ১৫-২০ শতাংশ

পরপরই বাড়তি খরচের নতুন চাপের মুখে পড়তে পারেন বিদ্যুৎ গ্রাহকেরা। আজ বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার ঘোষণা করতে যাচ্ছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে স্বল্প আয়ের গ্রাহকদের জন্য চালু থাকা ‘লাইফ লাইন’ সুবিধায় আপাতত কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না।

 

বিইআরসির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বুধবার সকাল ১১টায় কমিশনের কারিগরি কমিটির বৈঠকে ইউনিটপ্রতি মূল্যবৃদ্ধির হার চূড়ান্ত করা হবে। এরপর বিকেলে নতুন ট্যারিফ ঘোষণা করা হতে পারে।

 

সূত্র জানায়, নতুন মূল্যহার জুন থেকে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, কারিগরি কমিটি বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে এবং আজই এ বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে।

 

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পূরণ এবং জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কমানোর অংশ হিসেবেই এ মূল্য সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

এর আগে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি ইউনিটপ্রতি ১ থেকে ১ দশমিক ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর সুপারিশ করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুতের দাম বাড়লে এর প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ বিলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; শিল্প-কারখানা, সেচ, পরিবহন, কোল্ড স্টোরেজসহ প্রায় সব খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে। ফলে নিত্যপণ্যের বাজারেও চাপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

এরই মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও পরিবহন ব্যয় বাড়ায় বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্যও ঊর্ধ্বমুখী। এখন বিদ্যুতের নতুন মূল্য কার্যকর হলে মূল্যস্ফীতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা অর্থনীতিবিদদের।

 

বিদ্যুৎ খাতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম, ডলারের বিনিময় হার এবং এলএনজি, কয়লা ও তেল আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। একইসঙ্গে ভর্তুকির চাপও বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

বিইআরসির গণশুনানিতে বিভিন্ন বিতরণ কোম্পানি খুচরা পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। পরে কারিগরি দল গড়ে ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ২৫ পয়সা বৃদ্ধির সুপারিশ করে, যা কমিশন গ্রহণ করতে পারে বলে জানা গেছে।

 

সূত্র আরও জানায়, ২০০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের জন্য তুলনামূলক কম হারে মূল্যবৃদ্ধি এবং এর বেশি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে হার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, লোকসান কমানো এবং ভর্তুকি হ্রাসের লক্ষ্যেই এ সমন্বয় করা হচ্ছে।

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সিস্টেম লস, ক্যাপাসিটি চার্জ ও অদক্ষতা নিয়ন্ত্রণ ছাড়া মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ গ্রাহকের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে।

 

ভোক্তা সংগঠনগুলোও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বিরোধিতা করে বলছে, এতে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে এবং সীমিত আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সূত্র: বাংলানিউজ

 

 

যুদ্ধবিরতি আলোচনা স্থবির: যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা

মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে চলমান আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে নতুন করে ‘আত্মরক্ষামূলক’ হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন জাহাজ ও উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ছোড়া ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে তারা।

 

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের হামলার চেষ্টার জবাবে হরমুজ প্রণালীর কেশম দ্বীপে (ইরানের বৃহত্তম দ্বীপ) এ হামলা চালানো হয়েছে।

 

এদিকে ইরান বলেছে, প্রতিশোধ হিসেবে একটি ‘আঞ্চলিক দেশে’ অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও হেলিকপ্টারে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে তারা।

 

তবে সেন্টকম দাবি করেছে, তেহরান কুয়েতের দিকে দুটি এবং বাহরাইনের দিকে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল, যার সব কটিই মাঝপথে বিধ্বস্ত হয়েছে অথবা প্রতিহত করা হয়েছে।

 

কয়েক মাস ধরে চলা যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে গত সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত আলোচনা কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়।

 

এ যুদ্ধবিরতি আলোচনা থমকে থাকার মধ্যেই নতুন করে এ হামলার ঘটনা ঘটল। সেন্টকম বলেছে, কেশম দ্বীপের হামলায় ইরানের একটি সামরিক স্থল নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র নিশানা করা হয়েছিল।

 

এ ছাড়া আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে বৈধভাবে চলাচলকারী বেসামরিক নাবিকদের লক্ষ্য করে ইরান তিনটি ড্রোন ছুড়েছিল, যা মার্কিন বাহিনী গুলি করে নামিয়েছে।

 

ড. খলিলুর রহমানের সাফল্যে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

 

মঙ্গলবার (০২ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া দেওয়া এক পোস্টে এ অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।

 

 

পোস্টে তিনি বলেন, এই অর্জন বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অবদান ও বিশ্বাসযোগ্যতারই প্রতিফলন।

পোস্টে তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, তিনি (খলিলুর রহমান) গর্বের সঙ্গে প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং বহুপাক্ষিক ও অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংযোগ, সংলাপ ও সহযোগিতা গড়ে তুলবেন। এই নতুন দায়িত্বে আমরা তার সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ৯৯ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার হওয়া ভোটাভুটিতে তিনি জয়ী হন।

বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের ৪১তম অধিবেশনে সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হলেন।

 

গ্রুপ ‘এইচ’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

স্পেন চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক উনাই সিমোন, ডেভিড রায়া, জোয়ান গার্সিয়া

ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরো, মার্কোস লরেন্তে, আয়মেরিক লাপোর্তে, পাউ কুবারসি, মার্ক পুবিল, এরিক গার্সিয়া, মার্ক কুকুরেয়া, আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো

মিডফিল্ডার রদ্রি (রদ্রিগো হার্নান্দেজ), মার্টিন জুবিমেন্ডি, পেদ্রি গনসালেস, ফাবিয়ান রুইজ, মিকেল মেরিনো, পাবলো পায়েজ ‘গাভি’, আলেক্স বায়েনা

ফরোয়ার্ড মিকেল ওয়ারিয়াবাল, লামিনে ইয়ামাল, ফেরান তোরেস, বোরহা ইগলেসিয়াস, দানি ওলমো, ভিক্টর মুনিয়োস, নিকো উইলিয়ামস, এরেমি পিনো

 

 

সৌদি আরব চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক আহমেদ আল কাসার, মোহাম্মেদ আল ওয়াইস, নাওয়াফ আল আকিদি, আবদুলকুদুস আতিয়া

 

 

ডিফেন্ডার সাউদ আবদুলহামিদ, মোহাম্মেদ আবু আল শামাত, খালিদ আল ঘান্নাম, মোতেব আল হারবি, আবদুল্লাহ আল আমরি, নাওয়াফ বউশাল, জাকারিয়া হাওয়াসাভি, হাসান কাদেশ, আলি লাজামি, আলি মাজারাশি, হাসান তাম্বাকতি, জেহাদ থিকরি

 

 

মিডফিল্ডার নাসের আল দাওসারি, আলা আল হাজ্জি, জিয়াদ আল জোহানি, মুসআব আল জুয়াইর, আবদুল্লাহ আল খাবাইরি, সালেহ আবু আল শামাত, মোহাম্মেদ কান্নো, সুলতান মানদাশ, আয়মান ইয়াহিয়া

 

 

ফরোয়ার্ড ফেরাস আল ব্রিকান, সালেম আল দাওসারি, আবদুল্লাহ আল হামদান, আবদুল্লাহ আল সালেম, সালেহ আল শেহরি

 

 

উরুগুয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক সান্তিয়াগো মেলে, ফার্নান্দো মুস্লেরা, সার্জিও রোচেত

 

 

ডিফেন্ডার রোনাল্ড আরাউহো, সান্তিয়াগো বুয়েনো, সেবাস্তিয়ান কাসেরেস, হোসে মারিয়া গিমেনেজ, মাতিয়াস অলিভেরা, জোয়াকিন পিকেরেজ, গুইয়ের্মো ভ্যারেলা, মাতিয়াস ভিনা

 

 

মিডফিল্ডার ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো, জর্জিয়ান দে আরাসকায়েতা, রদ্রিগো বেন্টানকুর, আগুস্তিন ক্যানোবিও, নিকোলাস দে লা ক্রুজ, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, ফাকুন্দো পেলিস্ত্রি, ব্রায়ান রদ্রিগেজ, হুয়ান ম্যানুয়েল সানাব্রিয়া, ম্যানুয়েল উগার্তে, ফেদেরিকো ভালভার্দে, রদ্রিগো জালাজার

 

 

ফরোয়ার্ড রদ্রিগো আগুইরে, ফেদেরিকো ভিনাস, ডারউইন নুনিয়েজ

 

 

কাবো ভার্দে চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ভোজিনহা, মার্সিও রোজা, সি. জে. দোস সান্তোস

 

 

ডিফেন্ডার ডিনে বোর্হেস, সিডনি কাব্রাল, লোগান কস্তা, স্টিভেন মোরেরা, ওয়াগনার পিনা, জোয়াও পাওলো ফার্নান্দেস, রবার্তো ‘পিকো’ লোপেস, কেভিন পিরেস, ইআনিকে ‘স্টোপিরা’ তাভারেস

 

 

মিডফিল্ডার টেলমো আরকানজো, লারোস দুয়ার্তে, ডেরয় দুয়ার্তে, জামিরো মন্টেইরো, কেভিন পিনা, ইয়ানিক সেমেদো

 

 

ফরোয়ার্ড গিলসন বেনচিমল, জোভানে কাব্রাল, নুনো দা কস্তা, দাইলন লিভ্রামেন্তো, রায়ান মেন্দেস, গ্যারি রদ্রিগেস, উইলি সেমেদো, হেলিও ভেরেলা

 

গ্রুপ ‘জি’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

বেলজিয়াম চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক থিবো কুর্তোয়া, সেনে ল্যামেন্স, মাইক পেন্ডার্স

ডিফেন্ডার টিমোথি কাস্তানিয়ে, জেনো ডেবাস্ট, ম্যাক্সিম ডে কুইপার, কোনি ডে উইন্টার, ব্র্যান্ডন মেখেলে, থমাস মুনিয়ে, নাথান এনগয়, জোয়াকিন সেইস, আর্থার থিয়াতে

মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনে, আমাদু ওনানা, নিকোলাস রাসকিন, ইউরি টিলেমান্স, হান্স ভানাকেন, অ্যাক্সেল উইটসেল

ফরোয়ার্ড চার্লস ডে কেতেলায়েরে, জেরেমি ডোকু, মাতিয়াস ফার্নান্দেজ-পার্দো, রোমেলু লুকাকু, দোদি লুকেবাকিও, দিয়েগো মোরেইরা, আলেক্সিস সালেমেকার্স, লিয়ান্দ্রো ত্রোসার্ড।

 

 

মিশর চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক মোহামেদ আলা, মোহামেদ এল শেনাওয়ি, মোস্তফা শোবেয়র, এল মাহদি সোলিমান

 

 

ডিফেন্ডার হোসাম আবদেলমাগিদ, মোহামেদ আবদেলমোনেম, তারেক আলা, আহমেদ ফাতহি, কারিম হাফেজ, মোহামেদ হানি, ইয়াসের ইব্রাহিম, রামি রাবিয়া

 

 

মিডফিল্ডার ইমাম আশুর, মারওয়ান আত্তিয়া, নাবিল এমাদ, হামদি ফাথি, হাইথাম হাসান, মোহান্নাদ লাশিন, মাহমুদ সাবের, মাহমুদ হাসান ট্রেজেগুয়েত, মোস্তফা জিকো, আহমেদ সাঈদ জিজো

 

 

ফরোয়ার্ড হামজা আবদুলকরিম, ইব্রাহিম আদেল, ওমর মারমুশ, মোহামেদ সালাহ

 

 

ইরান চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ, হোসেইন হোসেইনি, পায়াম নিয়াজমান্দ

 

 

ডিফেন্ডার দানিয়াল ইরি, এহসান হাজসাফি, সালেহ হার্দানি, হোসেইন কানানি, শুজা খলিলজাদে, মিলাদ মোহাম্মাদি, আলি নেমাতি, রামিন রেজায়িয়ান

 

 

মিডফিল্ডার রৌজবেহ চেশমি, সাঈদ এজাতোলাহি, মেহদি ঘাইদি, সামান ঘোদ্দোস, মোহাম্মদ ঘোরবানী, আলিরেজা জাহানবাখশ, মোহাম্মদ মোহেবি, আমির মোহাম্মদ রাজাঘিনিয়া, মেহদি তারেমি, আরিয়া ইউসেফি

 

 

ফরোয়ার্ড আলি আলিপুর, ডেনিস দারঘাহি, আমিরহোসেইন হোসেইনজাদে, শাহরিয়ার মোগানলু, মেহদি তারেমি

 

 

নিউজিল্যান্ড চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ম্যাক্স ক্রোকম্ব, অ্যালেক্স পলসেন, মাইকেল উড

 

 

ডিফেন্ডার টাইলার বিন্ডন, মাইকেল বক্সঅল, লিবারাতো কাকাচে, ফ্রান্সিস দে ভ্রিস, ক্যালান এলিয়ট, টিম পেইন, ন্যান্ডো পাইনাকার, টমি স্মিথ, ফিন সারম্যান

 

 

মিডফিল্ডার ল্যাচলান বেইলিস, জো বেল, ম্যাট গারবেট, এলি জাস্ট, ক্যালাম ম্যাককাওয়াট, বেন ওল্ড, অ্যালেক্স রুফার, মার্কো স্ট্যামেনিচ, স্যারপ্রিত সিং, রায়ান থমাস

 

 

ফরোয়ার্ড কোস্টা বারবারোসেস, জেসি র‍্যান্ডাল, বেন ওয়েইন, ক্রিস উড

 

সব ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তুত সেনাবাহিনী: আইআরজিসি

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আগের তুলনায় বেশি প্রস্তুত এবং ভবিষ্যতের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ সক্ষম।

 

 

মঙ্গলবার (২ জুন) ফার্স নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি বলেন, বিদ্যমান সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি শত্রুর সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতাও ইরানের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।

 

 

তিনি বলেন, শত্রুপক্ষ যদি আবার সামরিক সংঘাতে ফিরে আসে, তাহলে অভিযানের ধরন, যুদ্ধক্ষেত্রের ভৌগোলিক পরিসর এবং ব্যবহৃত অস্ত্র; সবকিছুই ভিন্ন হবে। সম্ভাব্য সব পরিস্থিতির জন্য আইআরজিসি সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

মোহেব্বির দাবি, যুদ্ধবিরতির সময়কে কাজে লাগিয়ে ইরান তার সামরিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করেছে এবং ক্ষয়ক্ষতিও মেরামত করেছে।

তিনি বলেন, বাস্তবতা হলো, যুদ্ধবিরতির সময় আমাদের সামরিক ও অপারেশনাল সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

মোহেব্বি বলেন, সাম্প্রতিক সংঘর্ষের অন্যতম বড় অর্জন হলো শত্রুপক্ষ সম্পর্কে আরও গভীর ও বাস্তবভিত্তিক ধারণা পাওয়া।

 

 

তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগে যেসব তথ্য গোয়েন্দা প্রতিবেদন ও গণমাধ্যমের তথ্যের ওপর নির্ভরশীল ছিল, এখন তার সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রের অভিজ্ঞতাও যুক্ত হয়েছে।

 

 

তিনি দাবি করেন, ইরানের বাহিনী এখন শত্রুপক্ষের সামরিক সম্পদ, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ঘাঁটি এবং যুদ্ধকৌশল সম্পর্কে অনেক বেশি নির্ভুল ধারণা রাখে।

 

 

মোহেব্বি বলেন, আজ শত্রুর আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম, প্রতারণামূলক কৌশল এবং সামরিক অভিযানের প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের ধারণা আগের তুলনায় অনেক বেশি স্পষ্ট।

 

 

ইরানের সামরিক শক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে, এমন দাবিও প্রত্যাখ্যান করেন তিনি। তার মতে, যেসব দাবি করা হচ্ছে, তার বিপরীতে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নৌবাহিনী ধ্বংস হয়নি এবং দেশের সামরিক সক্ষমতাও কমে যায়নি।

 

 

মোহেব্বি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক সামরিক শক্তি ব্যবহার করলেও হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। কৌশলগত এই জলপথের ওপর ইরানের সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ এখনো পুরোপুরি অক্ষুণ্ন রয়েছে।

 

গ্রুপ ‘এফ’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

নেদারল্যান্ডস চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক মার্ক ফ্লেকেন, রবিন রোয়েফস, বার্থ ফারব্রুগেন

ডিফেন্ডার নাথান আক, ডেনজেল ডামফ্রিস, জোরেল হাটো, জুরিয়েন টিম্বার, ইয়ান পল ভ্যান হেক, ভার্জিল ভ্যান ডাইক, মিকি ভ্যান ডে ভেন

মিডফিল্ডার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং, মার্টেন ডে রুন, রায়ান গ্রাভেনবার্খ, টেইন কুপমেইনার্স, তিজানি রেইনডার্স, গুস টিল, কুইন্টেন টিম্বার, ম্যাটস উইফার

ফরোয়ার্ড ব্রায়ান ব্রোবি, মেমফিস ডিপাই, কোডি গাকপো, জাস্টিন ক্লুইভার্ট, নোয়া ল্যাং, ডনিয়েল মালেন, ক্রেসেনসিও সামারভিল, ওউট ভেগহর্স্ট

 

 

জাপান চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক তোমোকি হায়াকাওয়া, কেইসুকে ওসাকো, জায়ন সুজুকি

 

 

ডিফেন্ডার কো ইটাকুরা, হিরোকি ইতো, ইউতো নাগাতোমো, আয়ুমু সেকো, ইউকিনারি সুগাওয়ারা, জুনোসুকে সুজুকি, শোগো তানিগুচি, টেকহিরো তমিয়াসু, তসুইয়োশি ওয়াতানাবে

 

 

মিডফিল্ডার রিতসু দোয়ান, ওয়াতারু এন্ডো, জুনিয়া ইতো, দাইচি কামাদা, তাকেফুসা কুবো, কেইতো নাকামুরা, কাইশু সানো, আও তানাকা

 

 

ফরোয়ার্ড কেইসুকে গোটো, দাইজেন মায়েদা, কোকি ওগাওয়া, কেন্তো শিওগাই, ইউইতো সুজুকি, আয়াসে উএদা

 

 

তিউনিশিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক সাবরি বেন হাসান, আবদেলমউহিব চামাখ, আয়মান দাহমেনে

 

 

ডিফেন্ডার আলি আবদি, মোহামেদ আমিন বেন হামিদা, আদেম আরৌস, ডিলান ব্রোন, রায়েদ চিকাহুই, মউতাজ নেফাতি, ওমর রেকিক, মন্তাসার তালবি, ইয়ান ভ্যালেরি

 

 

মিডফিল্ডার মরতাদা বেন ওয়ানেস, আনিস বেন স্লিমান, ইসমাইল ঘারবি, রানি খেদিরা, হাদজ মাহমুদ, হানিবাল মেজব্রি, এলিয়েস স্কিরি

 

 

ফরোয়ার্ড এলিয়াস আচৌরি, খলিল আয়ারি, ফিরাস শাওয়াত, রায়ান এল্লুমি, হাযেম মাস্তুরি, এলিয়াস সাদ, সেবাস্তিয়ান তৌনেকতি

 

 

সুইডেন চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ভিক্টর ইয়োহানসন, গুস্তাফ লাগারবিয়েলকে, ক্রিস্টোফার নর্ডফেল্ট, জ্যাকব জেটারস্ট্রম

 

 

ডিফেন্ডার হ্যালমার একডাল, গ্যাব্রিয়েল গুডমুন্ডসন, ইসাক হিয়েন, ভিক্টর লিন্ডেলফ, এরিক স্মিথ, কার্ল স্টারফেল্ট, ড্যানিয়েল সুয়েনসন

 

 

মিডফিল্ডার ইয়াসিন আয়ারি, লুকাস বের্গভাল, ইয়েসপার কার্লস্ট্রম, বেঞ্জামিন নাইগ্রেন, কেন সেমা, এলিয়ট স্ট্রাউড, ম্যাটিয়াস স্ভানবার্গ, বেসফর্ট জেনেলি

 

 

ফরোয়ার্ড তাহা আলি, আলেকজান্ডার বার্নহার্ডসন, অ্যান্থনি এলাঙ্গা, ভিক্টর গিয়োকেরেস, আলেকজান্ডার ইসাক, গুস্তাফ নিলসন

 

গ্রুপ ‘ই’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

জার্মানি চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক অলিভার বাউমান, ম্যানুয়েল নয়্যার, আলেকজান্ডার নুবেল

ডিফেন্ডার ওয়াল্ডেমার আন্তন, নাথানিয়েল ব্রাউন, জশুয়া কিমিখ, ডেভিড রাউম, আন্তোনিও রুডিগার, নিকো শ্লটারবেক, জোনাথন তাহ, মালিক থিয়াও

মিডফিল্ডার নাদিয়েম আমিরি, লেওন গোরেটজকা, পাসকাল গ্রস, লেনার্ট কার্ল, জেমি লেভেলিং, জামাল মুসিয়ালা, ফেলিক্স এনমেচা, আলেকসান্দার পাভলোভিচ, লেরয় সানে, অ্যাঞ্জেলো স্টিলার, ফ্লোরিয়ান ভির্ট্‌জ

ফরোয়ার্ড ম্যাক্সিমিলিয়ান বায়ার, কাই হাভার্টজ, ডেনিজ উন্দাভ, নিক ভোল্টেমেড

 

 

আইভরি কোস্ট চূড়ান্ত স্কোয়াড

 

গোলরক্ষক ইয়াহিয়া ফোফানা, মোহামেদ কোনে, আলবান লাফোঁ

 

 

ডিফেন্ডার এমমানুয়েল আগবাদু, ক্রিস্টোফার ওপেরি, ওসমান দিওমান্দে, গ্যুয়েলা দোয়ে, ঘিসলাঁ কোনান, ওডিলন কসুনু, উইলফ্রিড সিঙ্গো, ইভান এনডিক্কা

 

 

মিডফিল্ডার সেকো ফোফানা, পারফে গুইয়াগন, ক্রিস্ট ইনাওয়া ওলাই, ফ্রাঙ্ক কেসিয়ে, ইব্রাহিম সাঙ্গারে, জ্যাঁ-মিশেল সেরি

 

 

ফরোয়ার্ড সাইমন আদিংরা, আঞ্জ-ইয়োয়ান বনি, আমাদ দিওলো, ওমর দিয়াকিতে, ইয়ান দিওমান্দে, ইভান গুয়েসঁদ, নিকোলাস পেপে, বাজারমানা তুরে, এলিয়ে ওয়াহি

 

 

 

ইকুয়েডর চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক হেরনান গালিন্দেস, গনসালো ভাল্লে, মোইসেস রামিরেস

 

 

ডিফেন্ডার পিয়েরো হিনকাপিয়ে, উইলিয়ান পাচো, পেরভিস এস্তুপিনিয়ান, অ্যাঞ্জেলো প্রেসিয়াদো, জোয়েল অর্দোনিয়েজ, ফেলিক্স তোরেস, জ্যাকসন পোরোজো, ইয়াইমার মেদিনা

 

 

 

মিডফিল্ডার মোইসেস কাইসেদো, অ্যালান ফ্রাঙ্কো, গনসালো প্লাতা, কেন্দ্রি পায়েস, পেদ্রো ভিতে, জর্ডি আলসিভার, ডেনিল কাস্তিলো, জন ইয়েবোয়া, নিলসন আঙ্গুলো, অ্যালান মিন্ডা

 

 

 

 

ফরোয়ার্ড এন্নার ভালেন্সিয়া, কেভিন রদ্রিগেজ, জর্ডি কাইসেদো, অ্যান্থনি ভালেন্সিয়া, জেরেমি আরেভালো

 

 

 

কুরাসাও চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক টাইরিক বডাক, ট্রেভর ডুর্নবুশ, এলয় রুম

 

 

 

ডিফেন্ডার রিশেদলি বাজোয়ার, জোশুয়া ব্রেনেট, রোশন ভ্যান আইজমা, শেরেল ফ্লোরানুস, ডেভেরন ফোনভিল, জুরিয়েন গারি, আরমান্দো ওবিস্পো, শুরান্দি সাম্বো

 

 

মিডফিল্ডার জুনিনহো বাকুনা, লিয়ান্দ্রো বাকুনা, লিভানো কোমেনেনসিয়া, কেভিন ফেলিদা, আরজানি মার্থা, টাইরিস নসলিন, গডফ্রিড রোমেরাতোয়ে

 

 

ফরোয়ার্ড জেরেমি আন্তোনিসে, তাহিথ চং, কেনজি গোরে, সঁতিয়ে হ্যানসেন, জারভেন কাস্তানিয়ার, ব্র্যান্ডলি কুয়াস, জুর্গেন লোকাদিয়া, জার্ল মার্গারিথা

 

 

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে ড. খলিলুর রহমান

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি আগামী এক বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবকের স্থলাভিষিক্ত হবেন।

 

 

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ জুন) জাতিসংঘের সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হন তিনি।

 

 

জানা যায়, জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ দূত আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস।

 

গ্রুপ ‘ডি’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

অস্ট্রেলিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ, পল ইজ্জো, ম্যাথিউ রায়ান

ডিফেন্ডার আজিজ বেহিচ, জর্ডান বস, ক্যামেরন বার্গেস, আলেসান্দ্রো সিরকাতি, মিলোস ডেগেনেক, জেসন গেরিয়া, লুকাস হেরিংটন, জ্যাকব ইতালিয়ানো, হ্যারি সাউতার, কাই ট্রেউইন

মিডফিল্ডার ক্যামেরন ডেভলিন, আজদিন হ্রুস্টিচ, জ্যাকসন আরভিন, কনর মেটকাফ, পল ওকন-এংস্টলার, এইডেন ও’নিল

ফরোয়ার্ড নেস্টরি ইরানকুন্ডা, ম্যাথিউ লেকি, আওয়ার মাবিল, মোহামেদ তুরে, নিশান ভেলুপিল্লাই, ক্রিস্টিয়ান ভলপাটো, টেটে ইয়েঙ্গি।

 

 

প্যারাগুয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল, রবার্তো ফার্নান্দেস, গাস্তন ওলভেইরা

 

 

ডিফেন্ডার হুয়ান কাসেরেস, গুস্তাভো ভেলাসকেস, গুস্তাভো গোমেস, জুনিয়র আলোনসো, হোসে কানালে, ওমার আলদেরেতে, আলেক্সান্দ্রো মাইদানা, ফাবিয়ান বালবুয়েনা

 

 

মিডফিল্ডার দিয়েগো গোমেস, মৌরিসিও মাগালায়েস, দামিয়ান বোবাডিয়া, ব্রায়ান ওহেদা, আন্দ্রেস কুবাস, মাতিয়াস গালারজা, আলেহান্দ্রো গামাররা

 

 

ফরোয়ার্ড গুস্তাভো কাবালেরো, রামন সোসা, আলেক্স আরসে, ইসিদ্রো পিত্তা, গ্যাব্রিয়েল আভালোস, মিগেল আলমিরন, হুলিও এনসিসো, আন্তোনিও সানাব্রিয়া

 

 

তুর্কি চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক আলতায় বাইয়িন্দির, এরসিন দেস্তানোউলু, মের্ত গুনক, মুহাম্মেদ শেংজের, উগুরচান চাকির

 

 

ডিফেন্ডার আবদুলকেরিম বারদাকচি, আহমেতজান কাপলান, চাগলার সোয়ুনচু, এরেন এলমালি, ফেরদি কাদিওগ্লু, মেরিহ দেমিরাল, মের্ত মুলদুর, মুস্তাফা এস্কিহেল্লাচ, ওজান কাবাক, সামেত আকায়দিন, ইউসুফ আকচিচেক, জেকি চেলিক

 

 

মিডফিল্ডার আতাকান কারাজোর, দেমির এজে তিকনাজ, হাকান চালহানওগ্লু, ইসমাইল ইউকশেক, কান আয়হান, ওরকুন কোকচু, সালিহ ওজকান

 

 

ফরোয়ার্ড আরাল সিমসির, আর্দা গুলের, বারিশ আলপার ইলমাজ, ক্যান উজুন, ডেনিজ গুল, ইরফান কান কাহভেচি, কেনান ইয়িলদিজ, কেরেম আক্তুরকোগলু, ওগুজ আয়দিন, ইউনুস আকগুন, ইউসুফ সারি

 

 

যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ক্রিস ব্র্যাডি, ম্যাট ফ্রিস, ম্যাট টার্নার

 

 

ডিফেন্ডার ম্যাক্স আর্ফস্টেন, সার্জিনো ডেস্ট, অ্যালেক্স ফ্রিম্যান, মার্ক ম্যাকেঞ্জি, টিম রিম, ক্রিস রিচার্ডস, অ্যান্টোনি রবিনসন, মাইলস রবিনসন, জো স্ক্যালি, অস্টন ট্রাস্টি

 

 

মিডফিল্ডার টাইলার অ্যাডামস, সেবাস্তিয়ান বেরহাল্টার, ওয়েস্টন ম্যাককেনি, ক্রিশ্চিয়ান রোলদান, ব্রেন্ডেন অ্যারনসন, ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক, জিও রেয়না, মালিক টিলম্যান, টিমোথি ওয়াহ, আলেহান্দ্রো জেনদেজাস

 

 

ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুন, রিকার্ডো পেপি, হাজি রাইট।

 

 

গ্রুপ ‘সি’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

 

ব্রাজিল চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক আলিসন, এদেরসন, ওয়েভারতন

ডিফেন্ডার আলেক্স সান্দ্রো, ব্রেমার, দানিলো, ডগলাস সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, ইবানিয়েজ, লেও পেরেইরা, মার্কিনিয়োস, ওয়েসলি

মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারায়েস, কাসেমিরো, দানিলো সান্তোস, ফাবিনিও, লুকাস পাকেতা

ফরোয়ার্ড এন্দ্রিক, গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি, ইগর থিয়াগো, লুইজ হেনরিকে, মাতেউস কুনিয়া, নেইমার জুনিয়র, রাফিনিয়া, রায়ান, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

 

 

হাইতি চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক জোস্যু দুভেরজে, আলেক্সান্দ্রে পিয়ের, জনি প্লাসিদ

 

 

 

ডিফেন্ডার রিকার্দো আডে, কার্লেন্স আর্কুস, হানেস ডেলক্রোয়া, জঁ-কেভিন দুভের্নে, মার্টিন এক্সপেরিয়েন্স, ডিউক ল্যাক্রোয়া, উইলগুয়েন্স পোগাঁ, কেতো থেরমন্সি

 

 

 

মিডফিল্ডার কার্ল ফ্রেড সাঁত, জঁ-রিকনার বেলগার্দ, লেভারটন পিয়ের, ড্যানলি জাঁ জ্যাক, উডেনস্কি পিয়ের, ডমিনিক সাইমন

 

 

 

ফরোয়ার্ড জোস্যু কাসিমির, লুইসিয়াস ডিডসন, ডেরিক এত্যিয়েন জুনিয়র, ইয়াসিন ফর্চুন, উইলসন ইসিডর, লেনি জোসেফ, ডুকেন্স নাজঁ, ফ্রাঁৎসদি পিয়েরে, রুবেন প্রভিদঁস

 

 

 

মরক্কো চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনু, মুনির এল কাজুই, রেদা তাগনাউতি

 

 

 

ডিফেন্ডার নুসাইর মাজরাউই, আনাস সালাহ-এদ্দিন, ইউসুফ বেলামারি, আচরাফ হাকিমি, জাকারিয়া এল ওয়াহদি, নায়েফ আগুয়ের্ড, চাদি রিয়াদ, রেদোয়ান হালহাল, ইসা দিয়োপ

 

 

 

মিডফিল্ডার সামির এল মরাবেত, আয়্যুব বোউআদি, নীল এল আয়নাউই, সোফিয়ান আম্রাবাত, আজজেদিন উনাহি, বিলাল এল খান্নুস, ইসমাইল সাইবারি

 

 

 

ফরোয়ার্ড আবদে এজালজুলি, শেমসদিন তালবি, সুফিয়ান রহিমি, আয়্যুব এল কাবি, ব্রাহিম দিয়াজ, গেসিম ইয়াসিন, আয়ুব আমাইমুনি

 

 

স্কটল্যান্ড চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ক্রেগ গর্ডন, অ্যাঙ্গাস গান, লিয়াম কেলি

 

 

 

ডিফেন্ডার গ্রান্ট হ্যানলি, জ্যাক হেনড্রি, অ্যারন হিকি, ডম হাইয়াম, স্কট ম্যাককেনা, নাথান প্যাটারসন, অ্যান্থনি রালস্টন, অ্যান্ডি রবার্টসন, জন সাউটার, কিয়েরান টিয়ার্নি

 

 

মিডফিল্ডার রায়ান ক্রিস্টি, ফিন্ডলে কার্টিস, লুইস ফার্গুসন, টাইলার ফ্লেচার, বেন গ্যানন-ডোয়াক, জন ম্যাকগিন, কেনি ম্যাকলিন, স্কট ম্যাকটমিনে

 

 

ফরোয়ার্ড চে অ্যাডামস, লিন্ডন ডাইমন, জর্জ হার্স্ট, লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ড, রস স্টুয়ার্ট

 

 

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় খালেদা জিয়ার নামে প্রতিষ্ঠানের নামকরণ

কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নাম পরিবর্তন করে ‘বেগম খালেদা জিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কেরানীগঞ্জ’ হিসেবে পুনঃনামকরণের একটি সার-সংক্ষেপ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। তবে, প্রধানমন্ত্রী এ প্রস্তাবটি অনুমোদন না করে একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রদান করেন।

 

 

তিনি সুস্পষ্টভাবে অনুশাসন দেন যে, ‘প্রয়োজনে নতুন প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করুন, পুরাতন নয়।’ অর্থাৎ, পুরাতন প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন না করে, প্রয়োজনে নতুন কোনো উদ্যোগ বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই নামকরণ বিবেচনা করা যেতে পারে।

 

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

 

3 thoughts on “বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে জনগণের ওপর বাড়তি চাপ: এবি পার্টি

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে জনগণের ওপর বাড়তি চাপ: এবি পার্টি

আপডেট টাইম : ০১:৪৪:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

জনগণের পকেট কাটতে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি মন্তব্য করে গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

 

 

 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এই প্রতিবাদ জানান।

 

 

 

 

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে তারা বলেছেন, দুর্নীতি-লুটপাটের খেসারত জনগণ দেবে না। দেশের জনগণ যখন লাগামহীন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, বেকারত্ব, শিল্প খাতের সংকট এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের চাপে দিশেহারা, তখন বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক নির্যাতন চাপিয়ে দেওয়ার শামিল।

 

বিদ্যুৎ আজ কেবল একটি সেবা নয়; এটি কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য উপাদান। ফলে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি মানেই প্রতিটি পণ্য ও সেবার উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দেওয়া।

 

এবি পার্টি এই দুই নেতা বলেন, জনগণের ঘাড়ে বারবার মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপিয়ে দিয়ে বিদ্যুৎ খাতের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি, লুটপাট ও নীতিগত ব্যর্থতার দায় এড়ানো যায় না। বছরের পর বছর ভুল পরিকল্পনা, অস্বচ্ছ চুক্তি, অতিরিক্ত সক্ষমতার নামে জনগণের অর্থ অপচয় এবং জবাবদিহিতার অভাবে বিদ্যুৎ খাতকে সংকটের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এখন সেই ব্যর্থতার মূল্য জনগণকে দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।

 

 

তারা বলেন, একটি কল্যাণমুখী ও জনবান্ধব রাষ্ট্রে অর্থনৈতিক সংকটের সমাধান জনগণের পকেট কেটে নয়, বরং অপচয় ও দুর্নীতি বন্ধের মাধ্যমে করা হয়। কিন্তু সরকার জনগণের জীবনমান রক্ষার পরিবর্তে বারবার তাদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি আরও দুর্বল হবে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

 

 

 

অবিলম্বে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে তারা বলেন, বিদ্যুৎ খাতের সকল চুক্তি, ব্যয় ও ভর্তুকি ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ নিরপেক্ষ নিরীক্ষা করতে হবে এবং জনগণের সামনে প্রকৃত তথ্য প্রকাশ করতে হবে। দুর্নীতি ও অপচয়ের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করে জনগণের ওপর নতুন বোঝা চাপানোর যেকোনো উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয়।

 

 

নাচোলে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের মানববন্ধন: ১ ঘণ্টা কার্যক্রম বন্ধ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর উপ-শাখার সামনে বর্তমান নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) খুরশীদ আলম এর নিয়োগ বাতিল ও পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন সাধারণ গ্রাহকরা।
‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর ব্যানারে আয়োজিত এই মানববন্ধনে পূর্বের এমডি ওমর ফারুক খান-কে পুনর্বহালসহ ৭ দফা দাবি জানানো হয়।
​গ্রাহকদের এই আন্দোলনের মুখে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত টানা ১ ঘণ্টা ব্যাংকের সকল প্রকার দাপ্তরিক ও লেনদেন কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে।
​বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল ১০ টায় নাচোল উপ-শাখার কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এই মানববন্ধনে এলাকার সর্বস্তরের গ্রাহক ও সচেতন নাগরিক অংশ নেন।
​মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, ব্যাংককের গ্রাহক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, ডা. রফিকুল ইসলাম, মাওলানা রইস উদ্দিন, ওবায়দুল্লাহ ও ইসমাইল হোসেনসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
​বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ব্যাংকের বর্তমান নতুন এমডি খুরশীদ আলম এর যোগদানের পর থেকে গ্রাহকদের স্বার্থ চরমভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আমানতের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ব্যাংকটিকে লুটেরা ও ফ্যাসিস্টদের দোসরদের হাত থেকে মুক্ত করতে অবিলম্বে বর্তমান এমডি-কে অপসারণ করতে হবে।
একই সাথে গ্রাহকবান্ধব ও দক্ষ পূর্বের এমডি  ওমর ফারুক খান -কে দ্রুত পুনর্বহাল করার জোর দাবি জানান তারা।
​মানববন্ধনে গ্রাহকরা আমানতের নিরাপত্তা, গ্রাহক স্বার্থ রক্ষা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি বৈষম্য দূরীকরণসহ ৭ দফা দাবি সংবলিত লিফলেট ও ব্যানার প্রদর্শন করেন । একই সাথে গ্রাহকদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি ১ ঘণ্টার কলম বিরতির আহ্বানও জানানো হয়।
​গ্রাহকরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অতি দ্রুত এই ৭ দফা দাবি বাস্তবায়ন করা না হলে আগামীতে আরও কঠোর ও লাগাতার কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে। ১ ঘণ্টা কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর বেলা ১১টার দিকে ব্যাংকের স্বাভাবিক কাজকর্ম পুনরায় শুরু হয়।

ক্ষয়ক্ষতি ও প্রতিকূলতার মধ্যেও ভোলাহাটে ইরি-বোরো ধান সংগ্রহ প্রায় শেষ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলায় নানা প্রতিকূলতা ও ক্ষয়ক্ষতির মধ্য দিয়েও চলতি মৌসুমের ইরি-বোরো ধান কাটা, মাড়াই ও গোলাজাতকরণ কার্যক্রম প্রায় শেষ হয়েছে। ঘন ঘন বৃষ্টিপাত, শ্রমিক সংকট ও অতিরিক্ত মজুরির চাপ সত্ত্বেও কৃষকরা সংগ্রাম করে ধান ঘরে তুলেছেন। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও উৎপাদন ব্যয়ের কারণে অনেক কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ মৌসুমে ভোলাহাটে ইরি-বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ হাজার ১৭৫ হেক্টর জমি। এর মধ্যে উফশী জাতের ধান আবাদ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯৩৫ হেক্টর এবং হাইব্রিড জাতের ধান ২৪০ হেক্টরে। ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪২ হাজার ৬১০ মেট্রিক টন এবং চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৮ হাজার ৪০৬ মেট্রিক টন।

সেচ ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়েছে ২৪৬টি বিদ্যুতায়িত গভীর নলকূপ, ১৮০টি এসটিডব্লিউ (শ্যালো টিউবওয়েল) এবং ২০০টি এলএলপি (লো-লিফট পাম্প)। এছাড়া ২৩৬টি এলএলপির মাধ্যমে নদী ও বিভিন্ন জলাশয় থেকে ভাসান পানির সরবরাহ করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সুলতান আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কৃষকরা জানান, মৌসুমের শুরুতে অনুকূল আবহাওয়ার কারণে ধানের ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। অনেকেই বাম্পার ফলনের আশা করেছিলেন। কিন্তু ধান পাকতে শুরু করার পরপরই ঘন ঘন বৃষ্টি, ঝড়ো হাওয়া ও কিছু এলাকায় মৃদু শিলাবৃষ্টি পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে। জমিতে পানি জমে যাওয়ায় এবং অনেক স্থানে ধানগাছ মাটিতে লুটিয়ে পড়ায় ধান কাটতে বিলম্ব হয়।

দীর্ঘ সময় মাঠে পড়ে থাকায় পানিতে ভিজে অনেক ধান ও খড় নষ্ট হয়েছে। একই সঙ্গে দেখা দেয় তীব্র শ্রমিক সংকট। ফলে ধান কাটার শ্রমিকের মজুরি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে যায়। যেখানে আগে দৈনিক মজুরি ছিল ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, সেখানে মৌসুমের শেষ দিকে তা বেড়ে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছে। এছাড়া ১০০ কেজি ধান কাটার বিনিময়ে শ্রমিকদের পারিশ্রমিক ২০ কেজির পরিবর্তে ৩০ থেকে ৪০ কেজি ধান পর্যন্ত দিতে হয়েছে।

কৃষকদের অভিযোগ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি অতিরিক্ত শ্রমিক মজুরি তাদের ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তারা মনে করেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে শ্রমিক মজুরি নির্ধারণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হলে অনেক কৃষক আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতেন।

এদিকে বৃষ্টিজনিত ক্ষতির কারণে এ বছর ফলনও প্রত্যাশার তুলনায় কম হয়েছে। কৃষকদের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বিঘায় সর্বনিম্ন ফলন হয়েছে ১৩ থেকে ১৪ মণ এবং সর্বোচ্চ ফলন হয়েছে ২০ থেকে ২২ মণ (প্রতি মণ ৪০ কেজি হিসাবে)।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আবহাওয়াজনিত ক্ষতি ও ফলন হ্রাসের কারণে কৃষি বিভাগের নির্ধারিত ধান ও চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না-ও হতে পারে। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও অধিকাংশ কৃষক ইতোমধ্যে ধান ঘরে তুলতে সক্ষম হয়েছেন।

তাড়াশ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে স.ম আফছার আলীর প্রার্থিতা ঘোষণা

 

আসন্ন তাড়াশ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সদ্য সাবেক সফল সভাপতি জননেতা স.ম আফছার আলী।
দীর্ঘদিন ধরে তাড়াশের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা স.ম আফছার আলী বিএনপির দুঃসময়ে দলের হাল ধরেছিলেন। উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দলকে সংগঠিত করার পাশাপাশি তাড়াশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন তিনি। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে তিনি “মানুষের নেতা” হিসেবেই পরিচিত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাড়াশ উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষিখাতের উন্নতির লক্ষ্যে এবং অবহেলিত জনগোষ্ঠীর ভাগ্য পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে তিনি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ তার প্রার্থিতাকে স্বাগত জানিয়েছেন।
স.ম আফছার আলী বলেন, “তাড়াশ আমার জন্মভূমি। এই মাটির মানুষের সেবা করাই আমার রাজনীতি। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইনশাআল্লাহ তাড়াশকে একটি মডেল উপজেলায় রূপান্তর করবো। সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।”
তাড়াশ উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে তার এই ঘোষণায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ভারত থেকে অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি

 

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ কর্তৃক অবৈধভাবে পুশইনের ১০টি পৃথক অপচেষ্টা সফলভাবে রুখে দিয়েছে বিজিবি।

 

 

 

ঝিনাইদহে বিজিবির মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ যাদবপুর সীমান্ত এলাকায় ৪-৫ জন ব্যক্তি বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি টহলদল তাৎক্ষণিকভাবে বাধা প্রদান করে। তারা পুনরায় ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যায়।

 

 

 

মহেশপুরের সামন্তা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের একটি প্রিজন ভ্যানে করে প্রায় ৩০-৩৫ জন ব্যক্তিকে সীমান্ত গেট খুলে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। বিজিবি টহলদল ও স্থানীয় জনসাধারণের তাৎক্ষণিক প্রতিরোধের মুখে বিএসএফ উক্ত ব্যক্তিদের পুনরায় ভ্যানে তুলে অন্যত্র সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

বিজিবির খুলনা ব্যাটালিয়নের (২১ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ যশোরের গোগা ও রুদ্রপুর সীমান্ত এলাকায় কয়েকজন নারী-পুরুষকে পুশইনের উদ্দেশে সীমান্তের কাছে অবস্থান করতে দেখা যায়। বিজিবির প্রতিরোধমূলক তৎপরতার ফলে বিএসএফ তাদেরকে সেখান থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

 

জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের (২০ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ কয়া ও বাসুদেবপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের অভ্যন্তরে প্রায় ১০ ব্যক্তিকে একত্রিত করে পুশইনের প্রস্তুতির তথ্য পাওয়া যায়। পুশইন প্রতিরোধে বিজিবির তাৎক্ষণিক সতর্কতামূলক প্রস্তুতি গ্রহণ এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করার ফলে বিএসএফের পুশইন অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (৫৩ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তের বিপরীতে ১৪৯ ও ৭১ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ ক্যাম্পের নিকটবর্তী ৩টি হোল্ডিং সেন্টারে এসআইআর তালিকা থেকে বাদ পড়া ৪ নাগরিককে বাংলাদেশে পুশইনের উদ্দেশে রাখা হয়েছে বলে গোয়েন্দা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সূত্রে জানা যায়।

 

 

 

পঞ্চগড়ের ব্যাটালিয়নের (১৮ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ রওশনপুর সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক ১ ব্যক্তিকে পুশইন করা হলে স্থানীয় জনগণ তাকে আটক করে বিজিবিকে অবহিত করে। পরবর্তীতে বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে ভারতের অভ্যন্তরে ফেরত পাঠায়।

 

 

 

সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ উৎমাছড়া সীমান্ত এলাকায় সন্দেহভাজন ২ ব্যক্তিকে স্থানীয় জনগণ আটক করে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের ভারতীয় নাগরিক হিসেবে শনাক্ত করার পর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভারতে পুশব্যাক করা হয়।

 

 

বিএনপিতে যোগদান

হাইকমান্ডের নির্দেশনা মানছে না বিএনপির তৃণমূল

 

দলে অনুপ্রবেশকারী ঠেকাতে হাইকমান্ডের নির্দেশনার অনেকটাই তোয়াক্কা করছেন না বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীর অনেকে। দলটির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, একদিকে দলের অনুপ্রবেশকারী ঠেকাতে হাইকমান্ডের কঠোর নিষেধাজ্ঞা, অন্যদিকে তৃণমূল পর্যায়ে দলে যোগদানের প্রতিযোগিতা—এই দুই বিপরীত চিত্রের মুখোমুখি এখন মাঠপর্যায়ে বিএনপি। দলের হাইকমান্ড যখন দুই দফায় স্পষ্ট ঘোষণা দিয়ে বলেছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী বা অরাজনৈতিক ব্যক্তিকে বিএনপিতে যোগদান করানো যাবে না। কিন্তু দেড় বছর যেতে না যেতেই স্থানীয় কোন্দল ও নিজেদের পাল্লা ভারী করতে অনেক জায়গাতেই নির্দেশনা অমান্য করে নতুন নেতাকর্মীকে বিএনপিতে ভেড়াচ্ছেন। এতে করে দলের ভাবমূর্তি সংকটের পাশাপাশি তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এ অনিয়ন্ত্রিত যোগদান দলের শৃঙ্খলাকে বড় ধরনের ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। ভবিষ্যতে দলের জন্য বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

 

 

 

যদিও বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দাবি, কোনো চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী বা বিতর্কিত ব্যক্তিকে দলে নেওয়া যাবে না—কেন্দ্র থেকে এমন বার্তা দেওয়া আছে। তবে ক্লিন ইমেজধারী নেতাকর্মী বা অতীত কর্মকাণ্ড স্বচ্ছ থাকলে তাদের দলে নেওয়া যাবে। বিতর্কিত কাউকে দলে অনুপ্রবেশ করানো হচ্ছে না বলেও জানান তারা।

 

 

 

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, দলের নতুন সদস্যদের যোগদানের ব্যাপারে আমাদের আগের নির্দেশনা জারি রয়েছে।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট দলের নেতাকর্মীদের যোগদান বন্ধে কঠোর নির্দেশনা জারি করে বিএনপির হাইকমান্ড। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিএনপির ওয়ার্ড থেকে জাতীয় পর্যায়ের কোনো কমিটিতে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের কেউ বা অরাজনৈতিক কেউ যোগ দিতে পারবেন না। এ সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করতে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব স্তরের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি আবারও একই বার্তা দিয়ে নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়। কিন্তু বছর যেতে না যেতেই সেই নির্দেশনা মানছেন না তৃণমূলের অনেক নেতাই। ফলে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা কৌশলে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনে যোগদান করছেন।

 

এরই ধারাবাহিকতায় গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. কে এম বাবরের হাতে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেছেন নিজড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা ছনোয়ার হোসেন মোল্লা ও নুর ইসলাম শেখের নেতৃত্বে ১২০০ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী। গতকাল বুধবার সদর উপজেলার নিজড়া ইউনিয়নের জাঙ্গাল বাজার এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে তারা দল পরিবর্তনের ঘোষণা দেন।

 

 

জানা যায়, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে ছনোয়ার হোসেন মোল্লা ও নুর ইসলামের অনুসারী ১২০০ নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান দেন। নিজড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ছনোয়ার হোসেন মোল্লা। তিনি এলাকায় অত্যন্ত জনপ্রিয়। ছনোয়ার হোসেন মোল্লা স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে দাঁড়ালেও তার ভোটগুলো ছিনিয়ে নেওয়া নৌকা প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া দল থেকে মূল্যায়নের পরিবর্তে অবমূল্যায়ন পাওয়ায় তারা বিএনপিতে যোগদান করেন। এ ছাড়া নৌকার প্রার্থীর বাইরে অন্য ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা বিএনপিতে যোগ দিতে পারে বলেও স্থানীয় পর্যায়ে গুঞ্জন রয়েছে।

 

 

 

যোগদান অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ড. কে এম বাবর বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিএনপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় ব্যক্তিরা বিএনপিতে যোগদান করলে তাদের স্বাগত জানানো হবে।

 

 

 

নবাগত দুই নেতা ছনোয়ার হোসেন মোল্লা ও নুর ইসলাম শেখ বলেন, এলাকার উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তারা বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন। তারা দলের আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

 

 

 

এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের টঙ্গীতে জাতীয় পার্টির (জি এম কাদের) থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি সাইফুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, সহসভাপতি সালাহউদ্দিন, মজিবুর রহমানসহ শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন। তারা সবাই শ্রমিক দলের কার্যকরী সভাপতি মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন সরকারের হাতে ফুল দিয়ে যোগদান করেন। তারও আগে গত ২৮ জানুয়ারি কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমল সরকারের নেতৃত্বে শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম ভূঁইয়ার হাতে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন।

 

 

 

বিএনপির একটি সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের মে ও জুন মাসে দলে নতুন সদস্য সংগ্রহে ফরম বিতরণ করে বিএনপি। সেই সময়ে একটি শর্ত ছিল, আওয়ামী লীগের যারা ক্লিন ইমেজ, অতীত কর্মকাণ্ড স্বচ্ছ এবং দুর্নীতি-লুটপাট বা মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত নয় তাদের দলে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। তবে দলের এ নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গোপনে ও প্রকাশ্যে তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের হাত ধরে দলবদল করে বিভিন্ন ঘরানার নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগ দিচ্ছেন। এভাবে চলতে থাকলে স্থানীয় পর্যায়ে দলে অভ্যন্তরীণ কোন্দল দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ।

 

 

 

 

বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী বিভাগ) আমিরুল ইসলাম খান আলিম কালবেলাকে, দলে নতুন নেতাকর্মী যোগদানের ব্যাপারে এখনো নিষেধাজ্ঞার নির্দেশনা রয়েছে। আমি মনে করি, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা সবার মেনে চলা উচিত।

 

 

 

বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক (ফরিদপুর) সেলিমুজ্জামান সেলিম কালবেলাকে বলেন, যাদের নামে ফৌজদারি মামলা নেই, যারা কোনো অপকর্মে জড়িত নেই অথবা বিগত সময়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের জুলুম-নির্যাতন করেননি, তাদের দলে যোগদানের ব্যাপারে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। কিন্তু যারা চিহ্নিত অপরাধী ও মামলা রয়েছে তাদের যোগদানের ব্যাপারে নিষেধ রয়েছে। এ ছাড়া গোপালগঞ্জের ব্যাপারটা একটু ভিন্ন। অন্য দলের নেতাকর্মীদের যোগদানের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তাহলে কীভাবে যোগ দিল জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর দলে যোগদানের ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা আছে কি না, তা জানা নেই।

সুত্র: দৈনিক কালবেলা

 

 

রুদ্রকর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান নিরব মুন্সী

শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে পরিচিত মুখ মিজানুর রহমান নিরব মুন্সী। সম্প্রতি তিনি ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে এক শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় বার্তায় এ ঘোষণা দেন।

 

 

 

তিনি বলেন, রুদ্রকর ইউনিয়নের উন্নয়নে যারা অতীতে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের অবদান ইউনিয়নবাসী আজীবন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। একই সঙ্গে যারা বিভিন্ন সময়ে পরামর্শ, সহযোগিতা ও নেতৃত্ব দিয়ে আজ পৃথিবীতে নেই, তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন তিনি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

 

 

 

মিজানুর রহমান নিরব মুন্সী বর্তমান ও সাবেক জনপ্রতিনিধিদের প্রতিও শুভেচ্ছা ও সম্মান প্রকাশ করেন। তিনি ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, “আমি একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আসন্ন রুদ্রকর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চাই। এজন্য সকলের দোয়া, সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করছি।”

 

 

 

তিনি আরও বলেন, তার এই আত্মপ্রকাশকে ইউনিয়নবাসী কীভাবে দেখছেন—ইতিবাচক কিংবা নেতিবাচক, যেকোনো মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানানোর আহ্বান জানান তিনি। জনগণের মতামত ও পরামর্শকে তিনি নিজের চলার পথের শক্তি হিসেবে দেখছেন বলেও উল্লেখ করেন।

 

 

 

সবশেষে নিরব মুন্সী রুদ্রকর ইউনিয়নের সকল মানুষের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং নিজের জন্য দোয়া প্রার্থণা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সকলের সহযোগিতায় একটি সুন্দর, আধুনিক ও উন্নত রুদ্রকর ইউনিয়ন গড়ে তোলা সম্ভব হবে, ইনশাআল্লাহ।

 

বোরকা পরে ‘নাগীন ড্যান্স’: সমালোচনার মুখে ক্ষমা চাইলেন তিন তরুণী

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় বোরকা পরে ‘নাগীন’ গানের তালে নৃত্য পরিবেশন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিন তরুণী। পরে তারা নিজেদের ভুল স্বীকার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

জানা যায়, উলিপুরের অরণ্য রুপটন রেস্টুরেন্টের ১০ তলায় ধারণ করা ১২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, তিন তরুণী বোরকা পরে ‘নাগীন’ গানের মিউজিকের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নৃত্য পরিবেশন করছেন।

ভিডিওটি প্রকাশের পর অল্প সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। একাংশের কাছে এটি ছিল নিছক বিনোদনের বিষয় হলেও, অন্যদিকে অনেকেই এর সমালোচনা করেন। বিশেষ করে ধর্মীয় মূল্যবোধ, পর্দা প্রথা ও বোরকার মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন সমালোচকরা।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নেটদুনিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাশাপাশি স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পরবর্তীতে ওই তিন তরুণী একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন। সেখানে তারা জানান, কাউকে আঘাত করা বা বিতর্ক সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে ভিডিওটি তৈরি করা হয়নি; শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য এটি ধারণ করা হয়েছিল।

ভিডিও বার্তায় তারা বলেন, “আমরা বিনোদন দেওয়ার জন্য নাচের ভিডিওটি করেছি। বিষয়টি নিয়ে এত বড় প্রতিক্রিয়া হবে, তা আমরা ভাবিনি। যদি আমাদের কর্মকাণ্ডে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাহলে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। সবাই আমাদের ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।”

তরুণীদের এই ক্ষমা প্রার্থনার পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নানা মতামত ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে অনেকেই ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

দেশে ফিরেই কারাবন্দি অবশেষে মুক্তির পথে সাবেক প্রধানমন্ত্রী

থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার কারাদণ্ড রাজকীয় ক্ষমার মাধ্যমে মওকুফ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে তিনি পুরোপুরি মুক্তি পাবেন।

 

 

থাইল্যান্ডের বিচারমন্ত্রী রুত্থাফন নাওয়ারাত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু।

 

 

বিচারমন্ত্রী জানান, রাজকীয় ক্ষমাপ্রাপ্ত বন্দিদের তালিকায় থাকসিনের নাম রয়েছে। তবে মুক্তির আগে কিছু আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে।

মঙ্গলবার রাতে থাইল্যান্ডের সরকারি রাজকীয় গেজেটে প্রকাশিত এক ঘোষণায় বলা হয়, থাইল্যান্ডের রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন রানি সুথিদা বজ্রসুধাবিমালালাক্ষণার ৩ জুনের জন্মদিন উপলক্ষে নির্বাচিত বন্দিদের রাজকীয় ক্ষমা প্রদান করেছেন।

তবে থাকসিনের আইনজীবী উইনইয়াত চার্টমনত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্তটি নিশ্চিত করতে পারেননি। তিনি রয়টার্সকে বলেন, আইনি মানদণ্ড অনুযায়ী থাকসিন রাজকীয় ক্ষমা ও মুক্তির সুবিধা পাওয়ার যোগ্য।

 

৭৬ বছর বয়সী ধনকুবের রাজনীতিক থাকসিন ২০২৩ সালের আগস্টে ১৫ বছরের স্বেচ্ছানির্বাসন শেষে থাইল্যান্ডে ফেরেন।

 

 

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় স্বার্থের সংঘাত ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দেওয়া আট বছরের কারাদণ্ড কার্যকর করতেই তিনি দেশে ফিরেছিলেন।

 

 

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তিনি দেশে ফেরার দিনই তার রাজনৈতিক মিত্রদের নেতৃত্বে পার্লামেন্টে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত হয়।

 

 

দেশে ফেরার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে কারাগার থেকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সে সময় হৃদ্‌যন্ত্র ও বুকে জটিলতার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।

 

 

পরবর্তীতে রাজকীয় অনুকম্পায় তার আট বছরের সাজা কমিয়ে এক বছরে নামিয়ে আনা হয়।

 

 

হাসপাতালে ছয় মাস কাটানোর পর তিনি প্যারোলে মুক্তি পান। যদিও তার এক বছরের সাজা আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকার কথা ছিল। সেই হিসাবে তার আরও তিন মাসের বেশি সময়ের সাজা বাকি ছিল।

 

 

তবে গত বছর থাইল্যান্ডের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়, থাকসিনের দীর্ঘ হাসপাতাল অবস্থান পুরোপুরি ন্যায্য ছিল না। আদালত নির্দেশ দেয়, অবশিষ্ট সাজা তাকে কারা হেফাজতেই ভোগ করতে হবে। এতে তার আইনি পরিস্থিতি আবারও জটিল হয়ে ওঠে।

 

 

সর্বশেষ রাজকীয় ক্ষমার ফলে সেই অবশিষ্ট সাজাও কার্যত বাতিল হয়ে যাচ্ছে।

 

বাড়ছে মেট্রোরেল চলাচলের সময়

যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা ও সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাতের বেলায় মেট্রোরেলের চলাচল আরও ২০ মিনিট বাড়ানো হচ্ছে। আগামী ৭ জুন থেকে নতুন সময়সূচি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

 

 

বুধবার (৩ জুন) মেট্রোরেলের দায়িত্বশীল সূত্র গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উত্তরা উত্তর ও মতিঝিল—উভয় প্রান্ত থেকে শেষ ট্রেন ছাড়ার সময় ২০ মিনিট বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও শেষ হয়েছে।

 

 

বর্তমানে সপ্তাহের সাত দিন উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে সর্বশেষ ট্রেন ছেড়ে যায় রাত ৯টা ৩০ মিনিটে এবং মতিঝিল থেকে রাত ১০টা ১০ মিনিটে। নতুন সময়সূচি কার্যকর হলে উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ৯টা ৫০ মিনিটে এবং মতিঝিল থেকে উত্তরা অভিমুখী শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ১০টা ৩০ মিনিটে।

তবে সময়সীমা বাড়ানো হলেও নতুন কোনো ট্রেন সংযোজন করা হচ্ছে না। বিদ্যমান সময়সূচির ধারাবাহিকতায় ২০ মিনিট হেডওয়ে বজায় রেখেই অতিরিক্ত ট্রিপ পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, সময় বাড়ানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষামূলক কার্যক্রম ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা। এ বিষয়ে শিগগিরই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে।

 

ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রীদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে একটি অতিরিক্ত ট্রিপ যুক্ত করা হচ্ছে। এর ফলে কর্মজীবী মানুষসহ রাতের যাত্রীদের জন্য যাতায়াত আরও সহজ হবে।

 

 

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে দেশের প্রথম মেট্রোরেল। শুরুতে এমআরটি লাইন-৬-এর উত্তরা উত্তর থেকে আগারগাঁও অংশে সীমিত পরিসরে চলাচল শুরু হলেও পরে ধাপে ধাপে সব স্টেশন চালু করা হয়।

 

 

সবশেষে ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর মতিঝিল পর্যন্ত সব স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা শুরু হলে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ সেবা চালু হয়। বর্তমানে রাজধানীর অন্যতম জনপ্রিয় গণপরিবহন হিসেবে মেট্রোরেল প্রতিদিন লাখো যাত্রীর যাতায়াতের ভরসা হয়ে উঠেছে। ভবিষ্যতে কমলাপুর স্টেশন চালু হলে এমআরটি লাইন-৬-এর পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শেষ হবে।

 

নিউজিল্যান্ডে ১২ ম্যাচের ম্যারাথন সিরিজ খেলবে ভারত

দুই দেশের ক্রীড়া সম্পর্কের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বড় পরিসরের একটি সিরিজ আয়োজন করা হচ্ছে। এ সিরিজ খেলতে আগামী ২২ অক্টোবর থেকে ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিউজিল্যান্ড সফরে থাকবে ভারত। সফরে দুই দল দুটি টেস্ট, পাঁচটি ওয়ানডে এবং পাঁচটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুখোমুখি হবে। দুই দেশের দীর্ঘদিনের ক্রীড়া সম্পর্ক উদযাপন করতেই এই বিশেষ সিরিজের আয়োজন করা হয়েছে।

 

 

ভারতের নিউজিল্যান্ড সফর শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে। এরপর অনুষ্ঠিত হবে ওয়ানডে সিরিজ। সফরের শেষ পর্বে দুই দল দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে। টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে অকল্যান্ডে। আর টেস্ট দুটি অনুষ্ঠিত হবে ওয়েলিংটন ও ক্রাইস্টচার্চে।

 

 

নিউজিল্যান্ড বোর্ডের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা গ্লেন ক্রিচলি বলেছেন, ‘ক্রিকেট নিয়ে কথা বলতে গেলে ভারত সিরিজের থেকে বড় কিছু হয় না। নিউজিল্যান্ডবাসী আগে যা দেখেননি, তাই এ বার দিতে বদ্ধপরিকর আমরা। শুধু মাঠের ক্রিকেটই না, ভারতের সঙ্গে যে সংস্কৃতি এবং ইতিহাস ভাগাভাগি করে নেয় নিউজিল্যান্ড, তাও উদযাপন করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই দলের প্রতি মানুষের যে আবেগ রয়েছে তা অনবদ্য। বিরাট কোহলি, জাসপ্রীত বুমরাহর মতো ক্রিকেটারকে আমরা দেখতে পাব। সমর্থকদের নিয়ে দুর্দান্ত একটা সিরিজ দেখার অপেক্ষায় রয়েছি।’

 

আন্তর্জাতিক টিকিট জালিয়াতি চক্রের সন্ধান

বাঁশি বাজতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মনে বইছে গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের উন্মাদনা। তবে গ্যালারির টিকিট পাওয়ার এই তুমুল হাহাকার পুঁজি করে গ্যালারির বাইরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি আন্তর্জাতিক সাইবার অপরাধী চক্র।

 

 

বিশ্বকাপের টিকেট বিক্রির নামে হুবহু ফিফার লোগো, ব্র্যান্ডিং ও রং নকল করে বাজারে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ঝাঁকে ঝাঁকে ভুয়ো ওয়েবসাইট। সাধারণ সমর্থকদের এই ডিজিটাল ফাঁদ থেকে বাঁচাতে এবং বড় আর্থিক জালিয়াতি রুখতে এবার কোমর বেঁধে মাঠে নামছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

 

 

বিশ্বখ্যাত সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা ‘ইসেট’ সম্প্রতি ইন্টারনেটের দুনিয়ায় এমন বেশ কিছু নিখুঁত ক্লোন ওয়েবসাইট শনাক্ত করেছে। প্রথম দেখায় এই সাইটগুলোকে আসল ফিফার প্ল্যাটফর্ম থেকে আলাদা করা প্রায় অসম্ভব। প্রযুক্তির পরিভাষায় প্রতারকদের এই চতুর কৌশলকে বলা হচ্ছে ‘টাইপোস্কোয়াটিং’।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, জালিয়াতি চক্রটি মূল ডোমেইনের সঙ্গে ২০২৬ বিশ্বকাপ সম্পর্কিত নানা আকর্ষণীয় শব্দ জুড়ে দিয়ে পেছনের অংশে .shop, .store বা .site-এর মতো এক্সটেনশন ব্যবহার করছে। ফলে খালি চোখে এগুলোকে একদম অফিসিয়াল সাইট বলেই বিভ্রম তৈরি হচ্ছে।

প্রতারণার মূল খেলাটি শুরু হয় যখন কোনো সমর্থক টিকেট বা বিশ্বকাপের স্যুভেনির কেনার উদ্দেশ্যে এসব সাইটে নাম নিবন্ধন করেন। রেজিস্ট্রেশনের অজুহাতে শুরুতে ব্যবহারকারীদের সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেয় হ্যাকাররা। এরপর টিকেট কেনার চূড়ান্ত ধাপে গিয়ে যখন ভক্তরা সরল বিশ্বাসে ক্রেডিট কার্ডের গোপন তথ্য ও পিন নম্বর ইনপুট দেন, তখনই খালি হয়ে যায় পকেট।

 

বহুমাত্রিক এই জালিয়াতি টিকিয়ে রাখতে অপরাধীরা আগে থেকেই একাধিক ব্যাক-আপ সাইট তৈরি করে রাখছে, যেন একটি ব্লক বা বন্ধ হলে অন্যটি দিয়ে প্রতারণা চালানো যায়। অথচ ফুটবল অনুরাগীদের জানা থাকা দরকার, বিশ্বকাপের বৈধ টিকেট পাওয়ার একমাত্র অফিসিয়াল ঠিকানা হলো fifa.com/tickets; এর বাইরে সব পথই অবৈধ।

 

 

এদিকে খোদ টিকেটের আকাশচুম্বী দাম নিয়ে এমনিতেই বিশ্বজুড়ে ফ্যান সংগঠনগুলোর মাঝে ক্ষোভ চলছে। ‘ফুটবল সাপোর্টার্স ইউরোপ’-এর তথ্য অনুযায়ী, গ্রুপপর্ব থেকে ফাইনাল পর্যন্ত প্রিয় দলের প্রতিটি ম্যাচ মাঠে বসে দেখতে একজন সমর্থকের পকেট থেকে গড়ে খসে যাবে প্রায় ৬ হাজার ৯০০ মার্কিন ডলার।

 

 

টিকেটের এই চড়া মূল্যের বাজারে সাধারণ ফুটবলপ্রেমীরা যাতে সাইবার অপরাধীদের শিকারে পরিণত না হন, সে জন্য ইসেট কিছু সুরক্ষামূলক পরামর্শ দিয়েছে। সংস্থাটির মতে, যেকোনো লেনদেনের আগে ওয়েবসাইটের ইউআরএল খুঁটিয়ে যাচাই করা এবং ‘অবিশ্বাস্য রকমের সস্তা’ বা লোভনীয় কোনো লিংকে ক্লিক না করাই এই মুহূর্তে নিরাপদ থাকার প্রধান উপায়।

 

 

মাঠের বল গড়ানোর আগেই এই সাইবার জালিয়াতদের রুখে দিতে ফিফা এখন তাদের আইনি ও প্রযুক্তিগত নজরদারি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

 

বজ্রাঘাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কিশোরসহ দুইজনের মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক স্থানে বজ্রপাতের ঘটনায় এক কিশোরসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) বিকেলে সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

 

 

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. একরামুল হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

 

নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের মো. বাবুর ছেলে মো. মিরাজ (১৬) এবং সদর পৌর এলাকার শিয়ালা কলোনি গ্রামের মো. মঙ্গল হোসেনের ছেলে মো. মুনিরুল ইসলাম (৪০)।

পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, বিকেল পৌনে ৩টার দিকে কিশোর মিরাজ ইসলামপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের একটি আমবাগানে আম প্যাকেজিংয়ের কাজ করছিল। এ সময় হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এর ঠিক কিছুক্ষণের মধ্যে, বিকেল ৩টার দিকে সদর পৌর এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শিয়ালা কলোনিতে দ্বিতীয় বজ্রপাতের ঘটনাটি ঘটে। মুনিরুল ইসলাম নিজ বাড়ির উঠানে টিউবওয়েলের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় আকস্মিক বজ্রপাতে তিনি গুরুতর ঝলসে যান। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।

 

সদর মডেল থানার ওসি মো. একরামুল হোসাইন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ সদস্যরা দুই ঘটনাস্থলই পরিদর্শন করেছেন। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

 

 

একই দিনে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় দুই পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে হাসপাতাল ও গ্রামের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।

 

চোরাচালান বিরোধী অভিযানে বিজিবির সঙ্গে সংঘর্ষ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারি চক্রের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (০৩ জুন) বিকেলে উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের নয়নপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এসময় একে অপরের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।

 

 

বিজিবির দাবি, চোরাকারবারিরা নিজেদের গাড়ি নিজেরা ভেংগে বিজিবির উপর দোষ চাপাচ্ছে।

 

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুপুরের দিকে সীমান্ত এলাকা থেকে একটি হলুদ পিকআপে করে ভারতীয় চোরাইপণ্য নিয়ে আসে একটি চক্র। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা গাড়িটি আটক করে। এসময় বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারিরা উগ্র আচরণের মাধ্যমে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। একপর্যায়ে চোরাকারবারিরা দাবি করে তাদের আনা মালামাল চোরাইপন্য নয়, এগুলো সব তাদের বৈধ পণ্য । বিজিবির দাবি এগুলো সব চোরাই পণ্য। এসব বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষের বাকবিতণ্ডা ও সংঘর্ষে জড়িয়ে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

বিজিবির দাবি চোরাকারবারিরা নিজেরাই তাদের গাড়ির গ্লাস ভাঙচুরসহ বিজিবির বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। শেষ পর্যায়ে আটককৃত ভারতীয় পণ্য ছেড়ে দেয় বিজিবি।

সুলতানপুর ৬০ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল এসএম এম শরীফুল ইসলাম জানান, স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পের জোয়ানরা ভারতীয় চোরাইপণ্যবাহী একটি হলুদ পিকআপ আটক করে কসবা উপজেলার নয়ন পুর বাজারে। এসময় চোরাকারবারিরা সংঘবদ্ধ হয়ে বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়।

ঘটনাস্থলের পরিবেশ জটিল হয়ে পড়লে বিজিবি চোরাই পণ্যবাহী পিকআপটি ছেড়ে দেয়। ওখানে গুলি করার মতো পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। গুলি ও রক্তপাত এড়াতে মালামালগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

বিষয়টি অধিকতর তদন্তসাপেক্ষে চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বিজিবি।

 

সৌরভ গাঙ্গুলীর নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তে বিজেপি সরকার

ভারতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম সফল সাবেক অধিনায়ক এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনল রাজ্য সরকার।

 

 

সরকারি সূত্রের বরাতে পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার স্তর ‘জেড’ থেকে কমিয়ে ‘ওয়াই’ ক্যাটেগরিতে আনা হয়েছে। সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পর্যালোচনা বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।

 

 

এই সিদ্ধান্তের ফলে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নিরাপত্তাবলয়ে থাকা পুলিশকর্মীর সংখ্যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি ভারতের সাবেক অধিনায়ক।

২০২৩ সালের মে মাসে তৎকালীন রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে সৌরভের নিরাপত্তা ‘জেড ক্যাটেগরি’তে উন্নীত করা হয়েছিল। সেই সময় তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকতেন প্রায় ৮ থেকে ১০ জন পুলিশকর্মী। শুধু ব্যক্তিগত নিরাপত্তাই নয়, তার বাসভবনের নিরাপত্তার জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। সেই সময় রাজ্যের শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে অন্যতম ছিল ‘জেড প্লাস’ ক্যাটেগরি।

মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই স্তরের নিরাপত্তা পেতেন। অন্যদিকে কলকাতার মেয়র ও প্রাক্তন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের জন্য ছিল ‘জেড ক্যাটেগরি’ নিরাপত্তা। তবে পুলিশ সূত্রের দাবি, সম্প্রতি কাগজে-কলমে ‘জেড ক্যাটেগরি’ বজায় থাকলেও সৌরভের নিরাপত্তাবলয়ে কর্মীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমানো হয়েছিল। সর্বশেষ পর্যালোচনার পর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে তার নিরাপত্তার স্তর এক ধাপ নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

 

সংসদ সদস্যদের জন্য কার্যপ্রণালি বিধি ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

সংসদ-সদস্যগণের জন্য ‘সংবিধান, কার্যপ্রণালি-বিধি ও সংসদীয় কার্যক্রম’ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে সংসদ-সদস্যগণের জন্য ‘সংবিধান, কার্যপ্রণালি-বিধি ও সংসদীয় কার্যক্রম’ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি, বিরোধী দলের নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমান, ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার এবং সুইস রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি।

 

 

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ গণতান্ত্রিক নবযাত্রায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণের নিমিত্ত কাজ করে যাচ্ছে। জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে জনগণের আস্থা পূরণে সংসদ-সদস্যগণ জনপ্রতিনিধিত্ব করেন।

তিনি বলেন, কার্যপ্রণালি বিধি কেবল প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি দায়িত্ব বাস্তবায়নের হাতিয়ার। তিনি বলেন, প্রস্তাব উত্থাপন ও বিল পর্যালোচনার ক্ষেত্রে সঠিক ধারণা থাকার জন্য কার্যপ্রণালি বিধির জ্ঞান থাকা আবশ্যক।

স্পিকার বলেন, সংসদের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি দায়িত্ব আইন প্রণয়ন, বাজেট অনুমোদন ও নির্বাহী বিভাগকে জবাবদিহিতামূলক অন্তর্ভুক্তির আওতায় এনে সংসদ-সদস্যদের মাধ্যমে এগুলো বাস্তবায়ন করা। তিনি বলেন, সংসদ কেবল রাজনৈতিক ঐক্যমতের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয় না; গঠনমূলক বিরোধী দল ও সরকারি দলের সমান দক্ষতায় কার্যপ্রণালি বিধিতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে জনসম্পৃক্ততা ও আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া নিয়ে পরিচালিত হয়।

 

তিনি বলেন, সংসদীয় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণে ইউএনডিপি এবং সুইজারল্যান্ড এর ‘স্ট্রেংথেনিং ইনস্টিটিউশনস, পলিসিস অ্যান্ড সার্ভিসেস’ প্রোগ্রাম সংসদ-সদস্যদের কার্যকর অংশগ্রহণ ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনপ্রত্যাশা পূরণ করে যাচ্ছে।

 

 

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, জনগণের প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব নিয়েই সংসদ সদস্যগণ কর্মভার গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি তাদের অধিকার ও দায়িত্ব নির্ধারণ করেছে এবং এ দায়িত্ব পালনে তারা জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ।

 

 

চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, উন্নয়নের জন্য একজন সংসদ সদস্যকে নিজ নির্বাচনী এলাকার জনগণের সমস্যা শুনতে হয় এবং সেগুলোর সমাধানে কাজ করতে হয়। একইসঙ্গে সংসদীয় কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনতেও সংসদ সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হয়। এসব দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হলে সংসদকে কার্যকর করতে হবে এবং কার্যকর সংসদ পরিচালনার জন্য সংসদীয় রীতি-নীতি ও কার্যপ্রণালি বিধি সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা আবশ্যক।

 

 

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের করের টাকায় সংসদ পরিচালিত হয়। সুশাসন, অর্থনৈতিক সংস্কার ও সর্বোপরি টেকসই গণতন্ত্র কীভাবে নিশ্চিত করা যায়- এ লক্ষ্যে সংসদ পরিচালিত হবে।

 

 

উল্লেখ্য, দুই দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন কোর্সের ১ম গ্রুপে আজ সংসদীয় আসন পঞ্চগড়-১ থেকে ধারাবাহিকভাবে ১০৯ বরগুনা-১, ১১১ পটুয়াখালী-১ থেকে ১১৬ ভোলা-২, ১১৮ ভোলা-৪ থেকে ১৫০ ময়মনসিংহ-৫ আসনের নির্বাচিত সংসদ-সদস্যরা এবং সংরক্ষিত নারী আসন ৩০১ মহিলা আসন-১ থেকে ৩২৪ মহিলা আসন-২৪ থেকে নির্বাচিত সংসদ-সদস্যগণ অংশগ্রহণ করেন।

 

৩০০ কেজি মাছ নিয়ে বিশ্বকাপ সফর, কারণ জানতে আগ্রহ সবার

সর্বশেষ ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপে খেলেছিল নরওয়ে। এরপর কেটে গেছে ২৮ বছর। মাঝের ছয়টি বিশ্বকাপের একটাতেও যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি তারা। সেই খরা কাটিয়ে এবারের বিশ্বকাপে নামতে যাচ্ছে হালান্ডের দল। ইতোমধ্যেই আমেরিকায় পৌঁছে গেছে নরওয়ে ফুটবল দল। কিন্তু মাঠে নামার আগেই আলোচনার তুঙ্গে এসেছে নরওয়ে ফুটবল টিম। বিশ্বকাপ খেলার জন্য সঙ্গে করে ৩০০ কেজি মাছ নিয়ে গেছে হালান্ডরা। যেখানে রয়েছে ১১৬ কেজি ব্রাউন চিজও। কেন এই আজব পথে হাঁটল নরওয়ে?

 

 

বিশ্বকাপে যাতে ফুটবলাররা নিজেদের সেরা পারফর্ম্যান্স মেলে ধরতে পারেন তার জন্য খাবারকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে নরওয়ে শিবির। তাই দলের সঙ্গে গেছেন দুই খ্যাতনামা শেফ অ্যারন এসপেল্যান্ড ও এইরিক তুফতে। ২০২০ সালে অলিম্পিকে সফল নরওয়ে দলের সঙ্গেও গিয়েছিলেন অ্যারন। দীর্ঘদিনের টিম শেফের সঙ্গে মিলে তারা হালান্ড-ওডেগার্ডদের জন্য বিশেষ খাদ্যতালিকা তৈরি করবেন।

 

 

কেন ৩০০ কেজি মাছ নিয়ে গেছেন হালান্ডরা? তাদের বিশ্বাস, সেরা খাবারের জন্য প্রয়োজন সেরা নরউইজিয়ান উপকরণ। তাই আমেরিকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে নরওয়ের নিজস্ব মাছ ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী। তাই অন্তত ৩০০ কেজি লাল মাছ নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শুধু মাছই নয়, ১১৬ কেজি বিখ্যাত নরউইজিয়ান ব্রাউন চিজও নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন অ্যারন এসপেল্যান্ড। তিনি বলেন, ‘আমেরিকায় দাঁড়িয়ে যদি বলতে পারা যায় ব্যবহৃত টম্যাটোটা কে চাষ করেছেন বা এই হ্যালিবাট মাছ কে ধরেছেন, সেটা দারুণ ব্যাপার। আমরা সব সময় সেরা নরউইজিয়ান উপকরণই ব্যবহার করতে চাই। বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সেই খাবার পরিবেশন করতে পারাটা আমাদের কাছে গর্বের।’ তিনি আরও জানান, নরওয়ে থেকে আমেরিকায় আধা টন মাছ পাঠানো মোটেই সহজ নয়। তাই একেবারে এই ব্যবস্থা করেছেন তারা।

বিশ্বকাপে নরওয়ের সূচি ১৬ জুন ইরাকের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে নরওয়ে। তার আগে ৭ জুন মরক্কোর বিপক্ষে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে তারা। I গ্রুপে ইরাক ছাড়াও নরওয়ের সঙ্গে আছে ফ্রান্স ও সেনেগাল।

 

গোলাম কিবরিয়াকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত

গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ২৬ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেল খেটেছেন। দিনের পর দিন পালিয়ে বেরিয়েছেন। ছয় বছর ছিলেন চাকরিচ্যুত। শুধু তিনি নন, তার বাবা-ভাইসহ আত্মীয়-স্বজন অনেকের নামেই ডজন-ডজন মামলা হয়েছে।

 

 

সরকারি চাকরি করেও যিনি আওয়ামী লীগ সরকার আমলে বিরোধী দলের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সামনের সারিতে ছিলেন। জুলাই বিপ্লবে যিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, সেই গোলাম কিবরিয়াকে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই সাময়িক বরখাস্ত করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। তিনি সংস্থাটির নির্বাহী প্রকৌশলী ও অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি।

 

 

ডিএসসিসি একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আধিপত্য বিস্তারের জন্য বিগত আওয়ামী লীগ আমলের কিছু কর্মকর্তা মিলে ওপর মহলের কান ভারি করে গোলাম কিবরিয়াকে তাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে মোট ২৬টি মামলা দায়ের হয়।

এসব মামলায় ২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিল গ্রেপ্তার হয়ে তিনি চার মাস ছয় দিন জেল খাটেন। ২০১৩ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে তার বিরুদ্ধে শ্যামপুর থানায় ২টি, ওয়ারী থানায় ২টি, যাত্রাবাড়ি থানায় ২টি, পল্টন থানায় ৮টি, শাহবাগ থানায় ৪টি এবং রমনা থানায় ৮টি মামলা দায়ের হয়।

তার সেজ ভাইয়ের বিরুদ্ধে ছিলো ২৯টি মামলা, বাবার বিরুদ্ধে ছিলো ২টি মামলা। এসব মামলায় তার বাবা-ভাইয়েরাও মাসের পর মাস জেল খেটেছেন। এরপরেও সব সময় তিনি আন্দোলনের সামনের সারিতেই ছিলেন। জুলাই বিপ্লবের সময়ও তিনি ছাত্র-জনতার কাতারেই ছিলেন। এবার তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সাময়িক বরখাস্তের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বস্ত সূত্র থেকে তার বিরুদ্ধে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সকল ধরণের টেন্ডার কাজ নিয়ন্ত্রণ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন মার্কেটের দোকান বরাদ্দ ও পরিচালনায় নানা অনিয়মসহ দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সুস্পষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে এ বিভাগের একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সদর দপ্তরে সংযুক্ত করে সাময়িক বরখাস্ত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

 

 

যেখানে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ উল্লেখ করা হয়নি বা অভিযোগকারীও উল্লেখ করা হয়নি।

 

 

ডিএসসিসির একটি সূত্র বলেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে এখন আধিপত্য বিস্তারের লড়াই চলছে। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে যারা দুর্নীতি করে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছেন তারা সব জোট হয়েছে। তাদের এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যারা ছিলেন, সেসব কর্মকর্তা কর্মচারী এখন অনেকটাই কোণঠাসা। এই অবস্থায় সংস্থার অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিকে তাড়াতে পারলে তাদের পোয়াবারো।

 

 

এ ব্যাপারে গোলাম কিবরিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘যেহেতু আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে, অভিযোগের তদন্ত হচ্ছে; এই মুহূর্তে আমি কিছু বলবো না।’

 

তৃতীয় বিশ্ব সহায়ক প্রযুক্তি দিবস: প্রতিবন্ধীদের সহায়ক প্রযুক্তি নিশ্চিতের দাবি

তৃতীয় বিশ্ব সহায়ক প্রযুক্তি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সাশ্রয়ী, উপযোগী ও মানসম্মত সহায়ক প্রযুক্তির সহজপ্রাপ্যতা নিশ্চিত করার দাবিতে বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকায় এ র‌্যালির আয়োজন করা হয়।

 

 

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে র‌্যালি শুরু হয়ে কদম ফোয়ারা, হাইকোর্ট ও সচিবালয় এলাকা প্রদক্ষিণ করে আবার প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে সহায়ক প্রযুক্তি ব্যবহারকারী ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠনের প্রতিনিধি, অধিকারকর্মী, উন্নয়নকর্মী, শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যমকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

 

 

র‌্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, প্রবীণ নাগরিক এবং সহায়ক প্রযুক্তিনির্ভর মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা ও উপকরণের অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান। এসময় তাঁদের হাতে ছিল সচেতনতামূলক বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন।

আয়োজকেরা বলেন, বিশ্বব্যাপী সহায়ক প্রযুক্তির প্রয়োজন থাকা বিপুলসংখ্যক মানুষ এখনও এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এর ফলে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক অংশগ্রহণে তারা নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হন। একই সঙ্গে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে না পারায় অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তারা আরও বলেন, বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, সহায়ক প্রযুক্তিতে এক টাকা বিনিয়োগ করলে তার বহুগুণ সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুফল পাওয়া যায়। তবু এ খাতে সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।

এদিন র‌্যালির আয়োজক ছিল বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ট্রাস্ট (বিডিডিটি), ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ, ময়মনসিংহ ডিজএবল্ড পিপলস অর্গানাইজেশন টু ডেভেলপমেন্ট এবং সোসাইটি অব দ্য ডেফ অ্যান্ড সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ইউজারস।

 

 

র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং ট্রাস্টি মো. মনিরুজ্জামান খান, ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সরদার আবদুর রাজ্জাক, ময়মনসিংহ ডিজএবল্ড পিপলস অর্গানাইজেশন টু ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক মো. মোকাম্মেল হোসেন এবং সোসাইটি অব দ্য ডেফ অ্যান্ড সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ইউজারসের নির্বাহী পরিচালক হাসিবা হাসান জয়া।

 

 

সব দলের রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: মির্জা ফখরুল

দেশে সব রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের কর্মকাণ্ড করতে দিতে চান বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশে সুন্দর, সুষ্ঠু, সহনশীল ও উদারপন্থী রাজনীতি চাই৷ সব রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের কর্মকাণ্ড করতে দিতে চাই। বক্তব্য রাখতে দিতে চাই, জনগণের সামনে দিতে চাই৷ তাদের মধ্য থেকে জনগণ বেছে নেবে।

 

 

বুধবার (৩ জুন) বিকেলে কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নাগরিক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন তিনি৷

 

 

বিপুল ভোটে নির্বাচিত করায় কুমারপুর এলাকাবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আপনাদের এলাকা ঐতিহ্যবাহী এলাকা। অধিকার রক্ষার জন্য, গণতন্ত্রের জন্য, কৃষক-ছাত্র আন্দোলন হয়েছে৷ আমরা ৭১-এর বীরদের ভুলে যাবো না৷’

ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতনে নেতা-কর্মীরা ঠিকমত ঘুমাতে পারেনি উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমি ভুলিনি এসব, ভুলতে পারি না৷ লুট করে নিয়ে গেছে। দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়েছে। ১৮ সালে আগের রাতে ভোট হয়ে গেছে৷’

এবারের নির্বাচনে কোনো কারচুপি হয়নি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপিরর ওপর আস্থা রেখেছে। তারেক রহমানের ওপর আস্থা রেখেছে। দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পেয়েছে। একটা দল মনে করেছিল বিএনপি নেই৷ বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে৷’

এখন যারা বিএনপি করেন তাদের দায়িত্ব অনেক বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জনগণ আপনাদের ওপর আস্থা রেখেছে৷ মারপিট করে ক্ষমতায় ঠিকে থাকলে হাসিনা থাকত৷ খুব অল্প সময়ের মধ্যে অনেকগুলো কাজ করতে সক্ষম হয়েছি৷ জনগণ বারবার বিএনপিকে ভোট দেয়৷ কারণ বিএনপি কাজ করতে পারে৷’

 

 

অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

 

 

জুলাইয়ের হতাহতের পরিসংখ্যান নিয়ে আ.লীগের প্রশ্ন, জবাব দিল জাতিসংঘ

বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যের ওপর পূর্ণ আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছে জাতিসংঘ। একই সঙ্গে নিহতের সংখ্যা ও প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে আওয়ামী লীগের উত্থাপিত প্রশ্নও নাকচ করেছে সংস্থাটি।

 

 

সোমবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বলেন, মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে সন্দেহ করার কোনো কারণ নেই।

 

 

প্রশ্নোত্তর পর্বে উল্লেখ করা হয়, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে জাতিসংঘের তথ্য-অনুসন্ধান প্রতিবেদনে দেওয়া কিছু তথ্য সঠিক নয়। বিশেষ করে নিহতের সংখ্যা নিয়ে দলটির আপত্তি রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে শেষ হওয়া জুলাই অভ্যুত্থানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছিলেন।

প্রশ্নকারী আরও উল্লেখ করেন, ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে এমন খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, দণ্ডপ্রাপ্ত ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেখানে তিনি প্রতিবেদনে থাকা তথাকথিত ভুল তথ্যের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন।

এর জবাবে দুজারিক বলেন, প্রতিবেদনটি আমাদের মানবাধিকার দপ্তরের সহকর্মীরা প্রকাশ করেছেন এবং এটি নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো কারণ আমরা দেখি না।

 

 

শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটানো গণ-অভ্যুত্থান ঘিরে সংঘটিত সহিংসতার তদন্ত শেষে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

 

 

বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘের মুখপাত্র বলেন, বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্র থেকে অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার হওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

 

তিনি বলেন, এটি উন্নয়নের পথে বড় বাধা সৃষ্টি করে। আমরা আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে উৎসাহিত করি, যাতে জনগণের অর্থ আবার সেই দেশগুলোর জনগণের কাছেই ফিরিয়ে দেওয়া যায়।

 

 

রাজধানীর সড়ক সংস্কার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে ২১০ কোটি টাকা চায় ডিএসসিসি

রাজধানীর নিউমার্কেট, বুয়েট ও বকশিবাজারসহ বিস্তীর্ণ এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধান এবং প্রধান সড়কসমূহের সংস্কার কাজের জন্য ২১০ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ চেয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।

 

 

তিনটি পৃথক প্রকল্পের আওতায় ১১ দশমিক ৮৯ কিলোমিটার মাস্টার ড্রেনেজ লাইন নির্মাণ এবং ২০ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের জন্য এই জরুরি অর্থ চাওয়া হয়েছে।

 

 

গত ৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্যসচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার বরাবর এ বিষয়ে চিঠি দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।

প্রায় দুই মাস পর গত ২১ মে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের সদস্যের (সচিব) কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক (প্রশাসন) শাহরিয়ার জামিল স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে ‘সিটি করপোরেশন উন্নয়ন সহায়তা’ খাতের কোড ২২১০০০৮০০-এর অনুকূলে ২১০ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রদানের বিষয়টি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানোর কথা জানানো হয়।

ডিএসসিসির চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন নিউমার্কেট, বিজিবি এলাকা, ঢাকেশ্বরী মন্দির, বুয়েট, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ও বকশিবাজার এলাকায় কার্যকর ড্রেনেজ আউটলেট এবং ড্রেনেজ লাইন না থাকায় বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তবে সংস্থাটির নিজস্ব অর্থ সঙ্কটের কারণে জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। এ কারণে তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নে ২১০ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ প্রয়োজন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রকল্পগুলোর মধ্যে ঢাকা-নিউমার্কেট ও বিজিবি হয়ে নবাবগঞ্জ স্লুইস গেট পর্যন্ত জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে ৮ দশমিক ৪৩০ কিলোমিটার মাস্টার ড্রেনেজ লাইন নির্মাণে ১২০ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে।

 

 

এছাড়া ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), বকশিবাজার ও চকবাজার হয়ে সোয়ারীঘাট পর্যন্ত ৩ দশমিক ৪৬ কিলোমিটার মাস্টার ড্রেনেজ লাইন নির্মাণে ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে ডিএসসিসি।

 

 

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ১০টি অঞ্চলের প্রধান সড়ক সংস্কারের জন্য চাওয়া হয়েছে ৩০ কোটি টাকা। এ প্রকল্পের আওতায় ২০ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার করার কথা রয়েছে।

 

 

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের আকস্মিক মিছিল, চট্টগ্রামে চাঞ্চল্য

চট্টগ্রাম মহানগরীতে আবারও ঝটিকা মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বুধবার (৩ জুন) সকালে নগরীর অনন্যা আবাসিক এলাকা-সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে এ মিছিলের ঘটনা ঘটে। মিছিলের দুটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

 

ভাইরাল হওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মিছিলটি অক্সিজেন-হাটহাজারী সড়কের কুয়াইশ এলাকা থেকে অনন্যা আবাসিক এলাকার দিকে অগ্রসর হয়। পরে আন্দোলনকারীরা স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

 

 

জানা গেছে, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের এক সহসভাপতির নেতৃত্বে এ ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনন্যা আবাসিক এলাকাটি মূলত মহানগরের বায়েজিদ বোস্তামী ও চান্দগাঁও থানা এবং জেলার হাটহাজারী মডেল থানার সীমানায় অবস্থিত। তবে মিছিলের মূল স্থানটি হাটহাজারী থানার আওতাধীন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান বলেন, মিছিলের বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এর আগে গত সোমবার সকালে চট্টগ্রামের ব্যস্ততম জিইসি মোড় এলাকায় একইভাবে আকস্মিক মিছিল করেছিল সংগঠনটি। ওই ঘটনার পর নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ৭০ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

 

 

মায়ের পচন ধরা লাশ উদ্ধারের পর প্রশাসনিক পদক্ষেপ, পদ হারালেন যুগ্ম সচিব আনিসুর

রাজধানীর মিরপুরে ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মৃত্যুকে ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার মধ্যেই তার ছেলে যুগ্ম সচিব ড. এ কে এম আনিসুর রহমানকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

 

 

বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

 

প্রত্যাহার হওয়া আনিসুর রহমান মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, তাকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে নির্ধারিত কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর না করলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকার একটি বাসা থেকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, মরদেহটি দীর্ঘ সময় পড়ে থাকায় পচন ধরে এবং তাতে পোকার উপস্থিতি দেখা যায়। নূর জাহান বেগম তার মেয়ের সঙ্গে ওই বাসায় বসবাস করতেন। বাসাটির পরিবেশ ছিল অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নজরে আসে এবং পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

 

 

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, নূর জাহান বেগমের কক্ষসহ পুরো ফ্ল্যাটের পরিবেশ ছিল অস্বাস্থ্যকর ও অবহেলিত।

 

 

মরদেহ উদ্ধারের সময়কার দৃশ্যও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। প্রতিবেশীরা বলছেন, একজন বৃদ্ধ নারী এমন অবস্থায় জীবন কাটিয়ে মৃত্যুবরণ করবেন, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

 

 

জানা যায়, নূর জাহান বেগমের এক ছেলে যুগ্ম সচিব, আরেক ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক এবং মেয়ে স্থানীয় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন।

 

 

সন্তানরা প্রতিষ্ঠিত অবস্থানে থাকলেও মায়ের এমন পরিণতি সমাজে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ঘটনাটি সামনে আসার পর আবারও আলোচনায় এসেছে ২০১৩ সালের পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন।

 

 

আইনে প্রত্যেক সন্তানের ওপর পিতা-মাতার ভরণপোষণ, স্বাস্থ্যসেবা, নিয়মিত খোঁজখবর ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যার দায়িত্ব আরোপ করা হয়েছে। কোনো পিতা-মাতার একাধিক সন্তান থাকলে তারা পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে এসব দায়িত্ব পালন করবেন বলে আইনে উল্লেখ রয়েছে।

 

 

বাসের ধাক্কায় ভেঙে গেল চেকপোস্ট, আহত ৪ পুলিশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় মহাসড়কে চেকপোস্ট ডিউটির সময় পুলিশ সদস্যদের বহনকারী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে এনা পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

 

 

আহতরা হলেন- উপ-পরিদর্শক (এসআই) নিজাম উদ্দিন, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সিরাজুল মনির, কনস্টেবল এমদাদুল হক।

 

 

বুধবার (৩ জুন) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে কুটি চৌমুহনী এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কসবা থানার কুটি চৌমুহনী এলাকার ড্রাইভার ভিউ পেট্রোল পাম্পের সামনে সিলেট-কুমিল্লা মহাসড়কে রাত্রিকালীন চেকপোস্ট-৭ এ দায়িত্ব পালন করছিলেন পুলিশ সদস্যরা। এসময় এনা পরিবহনের একটি বাস সিএনজিচালিত অটোরিকশার বাম পাশের পেছনের অংশে ধাক্কা দেয়। এতে চার পুলিশসদস্য আহত হন।

স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পর এনা পরিবহনের বাসটি জব্দ করে কসবা থানায় নেওয়া হয়েছে। তবে বাসের চালক, সুপারভাইজার ও হেলপার ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন।

 

 

কসবা থানার ওসি নাজনিন সুলতানা জানান, আহত পুলিশ সদস্যদের অবস্থা এখন কিছুটা ভালো। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

 

 

দিল্লির রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আহত ৫ বাংলাদেশি

ভারতের রাজধানী দিল্লির মালভিয়া নগরের একটি রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচ জন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন। তবে আহত বাংলাদেশিদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।

 

 

দিল্লির বাংলাদেশ হাই কমিশনের ভেরিফায়েড অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়েছে, আহতদের মাঝে তিন জন সাকেতের ম্যাক্স হাসপাতালে ও বাকি দুইজন সফদারজাং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

 

 

এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করে হাইকমিশন আরও জানায়, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং তাদের অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, স্থানীয় সময় বুধবার (৩ জুন) সকালে দিল্লির মালভিয়া নগরের লেমন গ্রিন রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ আগুন লাগে। এ ঘটনায় ২১ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। প্রশাসন চারজনের মৃতদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক সতীশ উপাধ্যায় বলেছেন, নিহতের সংখ্যা ২১ জন এবং আহত ৪৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

 

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সবার সমান সুযোগ চান মির্জা ফখরুল

দেশে সব রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের কর্মকাণ্ড করতে দিতে চান বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশে সুন্দর, সুষ্ঠু, সহনশীল ও উদারপন্থী রাজনীতি চাই৷ সব রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের কর্মকাণ্ড করতে দিতে চাই। বক্তব্য রাখতে দিতে চাই, জনগণের সামনে দিতে চাই৷ তাদের মধ্য থেকে জনগণ বেছে নেবে।

 

 

বুধবার (৩ জুন) বিকেলে কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নাগরিক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন তিনি৷

 

 

বিপুল ভোটে নির্বাচিত করায় কুমারপুর এলাকাবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আপনাদের এলাকা ঐতিহ্যবাহী এলাকা। অধিকার রক্ষার জন্য, গণতন্ত্রের জন্য, কৃষক-ছাত্র আন্দোলন হয়েছে৷ আমরা ৭১-এর বীরদের ভুলে যাবো না৷’

ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতনে নেতা-কর্মীরা ঠিকমত ঘুমাতে পারেনি উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমি ভুলিনি এসব, ভুলতে পারি না৷ লুট করে নিয়ে গেছে। দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়েছে। ১৮ সালে আগের রাতে ভোট হয়ে গেছে৷’

এবারের নির্বাচনে কোনো কারচুপি হয়নি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপিরর ওপর আস্থা রেখেছে। তারেক রহমানের ওপর আস্থা রেখেছে। দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পেয়েছে। একটা দল মনে করেছিল বিএনপি নেই৷ বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে৷’

এখন যারা বিএনপি করেন তাদের দায়িত্ব অনেক বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জনগণ আপনাদের ওপর আস্থা রেখেছে৷ মারপিট করে ক্ষমতায় ঠিকে থাকলে হাসিনা থাকত৷ খুব অল্প সময়ের মধ্যে অনেকগুলো কাজ করতে সক্ষম হয়েছি৷ জনগণ বারবার বিএনপিকে ভোট দেয়৷ কারণ বিএনপি কাজ করতে পারে৷’

 

 

অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

 

অডিও ফাঁসের ঘটনায় জেল সুপারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

এক নারী কারারক্ষীর সঙ্গে আপত্তিকর ও অনভিপ্রেত কথোপকথনের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক (জেল সুপার) মো. দিদারুল আলমকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে।

 

 

বুধবার (৩ জুন) কারা অধিদপ্তরের কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

 

 

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মো. দিদারুল আলমকে রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কারা প্রশিক্ষক হিসেবে বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম কারাগারের হসপিটালাইজড প্রিজনার্স সিকিউরিটি ইউনিটের কারা তত্ত্বাবধায়ক মো. আনোয়ারুল করিমকে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার-১-এর অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

এর আগে জেলা কারাগারের এক নারী কারারক্ষীর সঙ্গে জেল সুপার দিদারুল আলমের কথোপকথনের একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অডিওতে নারী সহকর্মীর প্রতি তার কিছু বক্তব্যকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও শালীনতাবিরোধী বলে অভিযোগ ওঠে।

অডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কারা অধিদপ্তর প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে তাকে স্ট্যান্ড রিলিজের আদেশ দেয়।

 

ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিতে মাঠে নামছে ডিএনসিসির তদন্ত কমিটি

রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ির ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টর সংলগ্ন বউবাজার এলাকা এবং মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে অস্থায়ী গবাদিপশুর হাট পরিচালনার কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

 

 

বুধবার (৩ জুন) ডিএনসিসির সচিব মোহাম্মদ মামুন-উল-হাসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

 

অফিস আদেশে বলা হয়, দিয়াবাড়ির ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টর সংলগ্ন বউবাজার এলাকার খালি জায়গা এবং মেট্রোরেলের পাশে ১৮ নম্বর সেক্টরের সি-ব্লকের খালি মাঠ পর্যন্ত অস্থায়ী পশুর হাট পরিচালনা করা হয়। এতে উত্তরা সেন্টার মেট্রো স্টেশনের নিচে রাস্তার আশপাশে ময়লা-আবর্জনা জমে। গাছপালা ভাঙাসহ পশুবাহী যানবাহন চলাচলের কারণে সড়ক ও আশপাশের অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি হয়।

কমিটিতে ডিএনসিসির অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, অঞ্চল-৬ এর নির্বাহী প্রকৌশলী, অঞ্চল-৬ এর সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে সদস্য করা হয়েছে। গঠিত কমিটি প্রয়োজনে যে কোনো সদস্যকে কো-অপ্ট (অন্তর্ভুক্ত) করতে পারবে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ আদেশ জারি করেন ডিএনসিসির সচিব মোহাম্মদ মামুন-উল-হাসান।

 

৬৫ হাজার ভলান্টিয়ারের মধ্যে জায়গা করে নেওয়া একমাত্র বাংলাদেশি ফারজিন

‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর ৮ দিন। ৪৮ দেশের অংশগ্রহণে রেকর্ড ১০৪টি ম্যাচ এবং সর্বোচ্চ ব্যয়ের এই বিশ্বকাপ ঘিরে ইতোমধ্যেই বাড়তি উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত এই ফুটবল টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ সবসময়ই তুঙ্গে থাকে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে যৌথভাবে আয়োজিত এই ঐতিহাসিক আসর নিয়ে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মাঝেও তৈরি হয়েছে বিশেষ উচ্ছ্বাস।

 

 

ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন ফারজিন গনি। জানা গেছে, তিনি এই আসরে বাংলাদেশের একমাত্র ভলান্টিয়ার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। বিশ্বকাপে অংশ নিতে তিনি ২ জুন টরন্টোর উদ্দেশে যাত্রা করেন।

 

 

২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ফিফা বিশ্বব্যাপী প্রায় ৬৫ হাজার ভলান্টিয়ার নিয়োগ করছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ফারজিন গনিই একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে এই সুযোগ পেয়েছেন। এসব ভলান্টিয়ার স্টেডিয়াম অপারেশন, দর্শক সেবা, টিকিট ব্যবস্থাপনা, মিডিয়া সাপোর্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।

ফিফা ভলান্টিয়ারদের জন্য প্রশিক্ষণ, থাকা-খাওয়া এবং টুর্নামেন্ট চলাকালীন বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে। ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলমান এই আসরে ভলান্টিয়াররা বিশ্বের শীর্ষ ফুটবলারদের কাছ থেকে সরাসরি অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন এবং আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারবেন।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ভলান্টিয়ারদের বিষয়ে বলেছেন, স্বেচ্ছাসেবীরা ফিফা টুর্নামেন্টের হৃদয়, প্রাণ ও হাসি। তারা নিজেদের পরিচয় গর্বের সঙ্গে তুলে ধরতে পারে, টুর্নামেন্টের অন্তরালের দৃশ্য কাছ থেকে দেখার সুযোগ পায় এবং এমন স্মৃতি ও বন্ধুত্ব গড়ে তোলে, যা আজীবন থেকে যায়। একই সঙ্গে তারা ঐতিহাসিক আয়োজনকে সফল করতে সহায়তা করে।

 

মমতার নির্দেশে তৃণমূলের সব স্তরের কমিটি ভেঙে দেওয়া হলো

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে চরম অস্থিরতার মধ্যে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান ও সদ্য সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় সংকট এবং বিধায়কদের বিদ্রোহ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গজুড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সব কমিটি ও শাখা সংগঠন ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

 

 

বুধবার (৩ জুন) দলটির পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানানো হয়, গভীর পর্যালোচনার পর পশ্চিমবঙ্গে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সব কমিটি ও শাখা সংগঠন অবিলম্বে বিলুপ্ত করা হয়েছে।

 

 

এই সিদ্ধান্তের ফলে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনো সাংগঠনিক পদাধিকারী থাকছে না। কার্যত মাঠপর্যায়ে দলটির আনুষ্ঠানিক সাংগঠনিক কাঠামো পুরোপুরি ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল, তাহলে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে গড়া তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে যাচ্ছে?

৩১ মে কলকাতার কালীঘাটে নিজের বাসভবনে দলের বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক ডাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র ১৭ জন উপস্থিত হন। উপস্থিতির অভাবে শেষ পর্যন্ত বৈঠকটি কার্যত ভেস্তে যায়।

 

এরপর ১ জুন তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চল, ব্লক ও ওয়ার্ডে মিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করা হলেও মাঠে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল খুবই কম।

 

 

২ জুন কলকাতার ওয়াই চ্যানেলে অবস্থান কর্মসূচিতে বসেন মমতা। সেখানে তার সঙ্গে ছিলেন মাত্র আটজন বিধায়ক ও ছয়জন সাংসদ। তবে তারাও পুরো সময় সেখানে অবস্থান করেননি।

 

 

সংকট আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে বুধবার বিধানসভায়। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধীদলীয় নেতা করার দাবিতে বিধানসভায় হাজির হন ৫৮ জন বিধায়ক। তারা বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুর কাছে চিঠি জমা দেন। ওই চিঠিতে দাবি করা হয়, তৃণমূলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৫৮ জনই তাদের সঙ্গে রয়েছেন। ফলে তারাই আসল তৃণমূল।

 

 

চিঠিতে স্বাক্ষরকারী বিধায়কদের মধ্যে ছিলেন সাবিনা ইয়াসমিন, কানাইয়ালাল আগরওয়াল, রথীন ঘোষ, শিউলি সাহা, আখরুজ্জামানসহ আরও অনেকে। পরে তারা সংবাদমাধ্যমকে জানান, বর্তমান নেতৃত্বের নানা সিদ্ধান্তের সঙ্গে তারা একমত নন এবং প্রকাশ্যেই তার সমালোচনা করেন।

 

 

বুধবারই ৫৮ জন বিধায়ক নিজেদের নতুন তৃণমূল কংগ্রেস হিসেবে ঘোষণা দেন। তাদের দাবি, ভবিষ্যতে বিধানসভায় তারাই বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পাবে, ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস নয়।

 

 

নতুন এই অংশের বিধায়কদের পছন্দের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে সামনে এসেছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। একসময় সিপিআই(এম)-এর রাজনীতি করা ঋতব্রত পরে তৃণমূলে যোগ দেন এবং সর্বশেষ বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হন।

 

 

তবে নাটকীয় বিষয় হলো, স্পিকারের কাছে দেওয়া চিঠিতে নতুন তৃণমূলও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলীয় নেত্রী হিসেবে উল্লেখ করেছে বলে জানা গেছে। ফলে বাস্তবে ৫৮ জন বিধায়ক এই নতুন শিবিরে রয়েছেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনও মন্তব্য করেননি বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু।

 

 

নতুন তৃণমূলকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে কি না, কিংবা দিলে কোন বিধায়ককে কোন শিবিরের সদস্য হিসেবে গণ্য করা হবে; এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি।

 

 

পুরো বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য স্পিকার সময় নিয়েছেন বলে জানা গেছে। নতুন শিবির ইতোমধ্যে চারজনকে বিরোধীদলীয় নেতার উপনেতা হিসেবে মনোনয়নের প্রস্তাবও দিয়েছে। তবে বিধানসভা সেই প্রস্তাব অনুমোদন করবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত।

 

 

এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ডাকা এক বৈঠকে অংশ নিতে তার দপ্তরে গেছেন। এই বৈঠককেও পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহল গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।

 

নিজ বাসায় সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু

জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিষাক্ত সাপের কামড়ে হুমায়রা নামে চার বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

 

বুধবার (০৩ জুন) দুপুরে উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের বীর নাদাগাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

 

নিহত হুমায়রা ওই এলাকার স্বপন শেখের মেয়ে।

 

 

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে হুমায়রা ঘরে বসে মোবাইল দেখছিল। এসময় তার বাবা-মা ও দাদা-দাদি বাড়ির পাশের জমিতে ধানের কাজ করছিলেন। একপর্যায়ে খাট থেকে নামার সময় একটি বিষাক্ত সাপ শিশুটির পায়ে কামড় দেয়। পরে সে কান্নাকাটি শুরু করলে তার দাদা কামাল শেখ বাড়িতে এসে বিষয়টি জানতে পারেন। হুমায়রা দাদাকে জানায়, একটি বড় সাপ তার পায়ে কামড় দিয়েছে।

স্বজনরা প্রথমে তার পায়ে বাঁধন দিয়ে স্থানীয় এক কবিরাজের কাছে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. আবু রায়হান বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বালিজুড়ী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সুজন মাহমুদ বলেন, হুমাইরা আমার চাচাতো ভাইয়ের মেয়ে। মেয়েটি অত্যন্ত শান্ত শিষ্ট ও মিশুক ছিল। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

ফোর্বসের মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় নাম উঠল হানিয়া আমিরের

বিশ্বখ্যাত মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস অনূর্ধ্ব ৩০ বছর বয়সি এশিয়ার সেরা প্রভাবশালী তরুণ তরুণীদের নিয়ে প্রতিবছর ‘ফোর্বস ৩০ আন্ডার ৩০ এশিয়া’ তালিকা প্রকাশ করে। চলতি বছর এ তালিকায় বিনোদন ও ক্রীড়া বিভাগে ২৮ বছর বয়সী পাকিস্তানি অভিনেত্রী হানিয়া আমিরের নাম দ্যুতি ছড়াচ্ছে।

 

 

২০১৬ সালে ‘জানান’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জগতে যাত্রা শুরু করেন হানিয়া। এরপর একের পর এক নাটক ও সিনেমায় অভিনয়প্রতিভার মাধ্যমে দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। ‘ফির ওহি মোহাব্বতে’ নাটকে অভিনয়ের জন্য অর্জন করেন সেরা টেলিভিশন সেনসেশন নারী বিভাগে হাম অ্যাওয়ার্ডস।

 

 

ফোর্বসের তথ্য বলছে, বর্তমানে ইনস্টাগ্রামে সবচেয়ে বেশি অনুসারী থাকা পাকিস্তানি নারী তারকাদের একজন হানিয়া আমির। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার অনুসারীর সংখ্যা ২ কোটিরও বেশি। অভিনয়, বিনোদন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তার প্রভাব এবং জনপ্রিয়তার স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায়।

এই অর্জন উদ্‌যাপন করতে নিজের স্বাভাবিক ও স্টাইলিশ উপস্থিতিতেই দেখা দেন হানিয়া। লাল রঙের ক্যামিসোল টপ ও জিন্সে ধরা দেন তিনি, যা নজর কাড়ে ভক্তদের।

গত বছরের শেষে জাতিসংঘের ‘ইউএন উইমেন’ এর জাতীয় শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিযুক্ত হন হানিয়া আমির। এবার ফোর্বসের ‘৩০ আন্ডার ৩০’ তালিকায় জায়গা করে নেওয়ায় এটি অভিনেত্রীর ক্যারিয়ারে শুধুমাত্র একটি অর্জন বা সম্মান নয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান আরও শক্ত ও বড় সাফল্যের পথে এটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে বলে ধারণা করছেন অনেকে।

 

বর্তমানে একটি বড় আন্তর্জাতিক প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন হানিয়া আমির। জানা গেছে, একটি ঐতিহাসিক পাকিস্তানি অরিজিনাল সিরিজে অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। সিরিজটি বিশ্বের অন্যতম বড় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

 

 

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মারামারিতে আহত অর্ধশতাধিক

হবিগঞ্জে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে ফুটবল খেলা ও হার-জিতকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের নারী-পুরুষসহ অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।

 

 

বুধবার (৩ জুন) সকালে সদর উপজেলার লোকড়া ইউনিয়নের কাশীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত বেশ কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে কাশীপুর গ্রামে স্থানীয় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। খেলায় আর্জেন্টিনা দল ২-০ গোলে ব্রাজিল দলকে হারিয়ে দেয়। খেলা শেষে হার-জিত ও ট্রল করা নিয়ে মাঠেই দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে তর্কাতর্কি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

সে সময় স্থানীয় মুরুব্বিরা বিষয়টি সাময়িকভাবে মীমাংসা করে দিলে সবাই বাড়ি ফিরে যান। তবে সেই বিরোধের জেরে বুধবার সকালে দুই পক্ষ আবারও নতুন করে তর্কে জড়ায়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের শত শত মানুষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা এই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন। খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খেলা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। এলাকা এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এ ঘটনায় দুপুর পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

 

পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

 

কুয়েত বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় নিন্দা জানাল ভারত

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় এক ভারতীয় নাগরিক নিহত হওয়ায় গভীর শোক ও নিন্দা জানিয়েছে ভারত। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

 

 

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংঘাতের শুরু থেকেই বেসামরিক মানুষ ও অবকাঠামোতে হামলার বিরোধিতা করে আসছে ভারত। তারা অবিলম্বে এ ধরনের হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।

 

 

এ ঘটনায় আহত ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তায় কুয়েতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস কাজ করছে বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে থাকা ভারতীয় মিশনগুলোকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

এর আগে কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ভোরে ইরানের হামলায় কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়েকটি কূটনৈতিক স্থাপনাও ক্ষতির মুখে পড়েছে।

হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে কুয়েত বলেছে, নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে।

এদিকে ইরানের ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর আংশিকভাবে আবারও চালু হয়েছে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

 

 

কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনাল বন্ধ থাকলেও বিকল্প টার্মিনাল থেকে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়েছে। তবে আপাতত অন্যান্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চালু হয়নি।

 

বিপিসির ৫০ কোটি টাকার ভবনে ফাটল, উদ্বোধনের আগেই শুরু বিতর্ক

দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ভাড়া ভবনে কার্যক্রম পরিচালনার পর অবশেষে নিজস্ব সদর দপ্তরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। দেশের জ্বালানি তেল আমদানি, সংরক্ষণ ও সরবরাহ কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু চট্টগ্রামে রাষ্ট্রায়ত্ত এই প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ভবন নির্মাণকে ঘিরে কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট মহলের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা।

 

 

কিন্তু ৫০ কোটিরও বেশি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নতুন সদর দপ্তর ভবনটি উদ্বোধনের আগেই এর বিভিন্ন অংশে দৃশ্যমান ফাঁক ও ফাটল সদৃশ চিহ্ন দেখা যাওয়ায় নির্মাণমান, তদারকি এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

 

 

নগরীর জামালখান এলাকার জয় পাহাড়ে নির্মিত পাঁচতলা স্টিল স্ট্রাকচার ভবনটির অধিকাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। রং, পাইপ ফিটিং, বৈদ্যুতিক সংযোগসহ সমাপ্তি পর্যায়ের কাজও প্রায় শেষ। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ভবনটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালুর প্রস্তুতি চলছিল। এমন সময় ভবনের বিভিন্ন দেয়াল ও সংযোগস্থলে দৃশ্যমান ফাঁক এবং ফাটল সদৃশ চিহ্ন চোখে পড়ে।

প্রতিবেদকের মঙ্গলবার ও বুধবারের সরেজমিন পরিদর্শনের চেষ্টা করা হলেও ভবনটিতে প্রবেশের অনুমতি মেলেনি। গেটে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মীরা জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া ভেতরে প্রবেশ করা যাবে না। পরে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা একে অপরের কাছে বিষয়টি জানতে বললেও কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে গেটের বাইরে থেকে ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ ও ছবিতে ভবনের কয়েকটি স্থানে শ্রমিকদের প্লাস্টার ও রংয়ের কাজ করতে দেখা যায়।

নির্মাণকাজে নিয়োজিত কয়েকজন শ্রমিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ভবনের কয়েকটি দেয়াল ও প্লাস্টারকৃত অংশে চিড় ও ফাঁক দেখা যাওয়ায় সেখানে পুনরায় প্লাস্টার ও রংয়ের কাজ করা হচ্ছে। তবে এসব চিহ্ন ভবনের কাঠামোগত নিরাপত্তার জন্য কোনো ঝুঁকি তৈরি করছে কি না, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন।

ভবনের কয়েকটি অংশে দ্রুত রং ও প্লাস্টারের কাজ করা হচ্ছে, ফলে আপাতদৃষ্টিতে দেয়ালগুলো চকচকে ও নতুন রূপ ধারণ করেছে। তবে এটি স্থায়ী সমাধান কি না, তা নিয়ে স্থানীয়ভাবে প্রশ্ন রয়েছে

 

 

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিপিসির কয়েকজন কর্মকর্তা কালবেলাকে বলেন, ভবন নির্মাণে কনসালটেন্ট নিয়োগ, প্রকৌশল তদারকি এবং টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঠিকাদার নির্বাচন করা হয়েছিল। তারপরও উদ্বোধনের আগেই ভবনের বিভিন্ন অংশে দৃশ্যমান ফাঁক দেখা যাওয়ার বিষয়টি তাদের কাছেও অস্বস্তির। তাদের মতে, নির্মাণকাজের বিভিন্ন ধাপে প্রয়োজনীয় তদারকি ও গুণগত মান নিশ্চিতকরণ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবে এ বিষয়ে তারা প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

 

 

জানা যায়, দেশের জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনের একমাত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিপিসির সদর দপ্তর স্বাধীনতার পর ঢাকায় থাকলেও প্রশাসনিক ও কার্যক্রমগত কারণে ১৯৯০ সালে তা চট্টগ্রামে স্থানান্তর করা হয়। কারণ দেশের প্রায় সব জ্বালানি তেল আমদানি, সংরক্ষণ এবং বিতরণ কার্যক্রম চট্টগ্রামকে ঘিরেই পরিচালিত হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে আগ্রাবাদ এবং পরে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের ভবনে ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।

 

 

বিপিসির নিজস্ব জমি থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন সময়ে সদর দপ্তর নির্মাণের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। একপর্যায়ে বাকলিয়া এলাকায় বৃহৎ প্রকল্পের পরিকল্পনা নেওয়া হলেও সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। পরে জয় পাহাড় এলাকায় নিজস্ব অর্থায়নে নতুন সদর দপ্তর নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নির্মাণকাজের দায়িত্ব পায় ইউনাইটেড কর্পোরেশন।

 

 

তবে নির্মাণকাজের শুরু থেকেই প্রকল্পটি বিতর্কমুক্ত ছিল না। ভবন নির্মাণের সময় পাহাড় কাটার অভিযোগ ওঠে বিপিসির বিরুদ্ধে। পরে পরিবেশ অধিদপ্তরের তদন্তে পাহাড় কাটার সত্যতা পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটিকে ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯ হাজার ৬০০ ঘনফুট পাহাড় কাটার প্রমাণ পাওয়া যায়। শুনানি শেষে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের আওতায় ওই জরিমানা আরোপ করা হয়।

 

 

 

ফাটল সদৃশ চিহ্নের বিষয়ে জানতে চাইলে বিপিসির উপ-মহাব্যবস্থাপক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রকৌশলী মো. আপেল মামুন কালবেলাকে বলেন, স্টিল স্ট্রাকচারের পুরো বিল্ডিংয়ে কাঠামোগত ফাটল ধরার সুযোগ নেই। স্টিল ও কংক্রিটের সংযোগস্থলে কিছু জায়গায় প্লাস্টারের গ্যাপ তৈরি হয়েছিল, যা পুটিংয়ের মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে। এটিকে কাঠামোগত ফাটল বলা যাবে না, এটি মূলত প্লাস্টারের গ্যাপ।

 

 

 

তিনি আরও বলেন, বিপিসিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় স্থানান্তরের পক্ষে একটি মহল কাজ করছে। তারা এসব বিষয় নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করছে। আমাদের অফিসের সামনে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের বাড়ি রয়েছে, সেখানে এই প্রকল্প হোক সেটা তারা চাচ্ছে না। নেগেটিভভাবে বিষয়গুলো তুলে ধরলে সেটি প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়।

 

 

 

চট্টগ্রামের কয়েকজন ব্যবসায়ী ও জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বলেন, দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু চট্টগ্রাম হওয়ায় বিপিসির নিজস্ব সদর দপ্তর নির্মাণ ছিল দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। তাদের মতে, রাষ্ট্রীয় অর্থে নির্মিত এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠলে তা কারিগরি পরীক্ষার মাধ্যমে স্বচ্ছভাবে জনসমক্ষে তুলে ধরা উচিত। এতে একদিকে জনমনে থাকা সংশয় দূর হবে, অন্যদিকে প্রকল্পের মান নিয়েও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।

 

 

 

দেশের জ্বালানি খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিপিসির নতুন সদর দপ্তরকে ঘিরে দীর্ঘদিনের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, উদ্বোধনের আগেই দৃশ্যমান ফাঁক ও ফাটল সদৃশ চিহ্নের বিষয়টি সেই প্রকল্পকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

 

টানা তৃতীয়বার ফাইনালে উঠল বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল

আবারও ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী নেপালকে আজ ২–১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে টানা তৃতীয়বার ফাইনালের টিকিট কাটল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোল করেছেন ঋতুপর্ণা ও সাগরিকা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ঋতুপর্ণা কর্নার থেকে সরাসরি গোল করেন। আর সাগরিকা গোল করেছেন দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে, শামসুন্নাহার জুনিয়রের সহায়তায়। এর আগে বাংলাদেশ গোল হজম করেছিল ২৩ মিনিটে, গোল করেন নেপালের গীতা রানা।

 

 

 

গোয়ার মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই চরম উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে একসময় পিছিয়ে পড়েও অলিম্পিক গোল আর শেষ মুহূর্তের চমৎকার ফিনিশিংয়ে জয় ছিনিয়ে নিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই জয়ের ফলে দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলে বাংলাদেশের চার বছরের গৌরবময় রাজত্ব টিকে রইল, আর এক ধাপ দূরে রইল শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার মিশন।

 

 

 

ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে নেপাল। শুরুতেই নেপালের আক্রমণের চাপে কোণঠাসা হয়ে পড়ে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। ম্যাচের ২৩ মিনিটে কর্নার থেকে গোল করে নেপালকে এগিয়ে নেন গীতা রানা। দীপা শাহির দারুণ ক্রসে কেবল পায়ের টোকা দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। পিছিয়ে পড়ে গোল শোধের জন্য মরিয়া আক্রমণ তো দূরে থাক, উল্টো আফঈদাদের ব্যস্ত থাকতে হয়েছে প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামাল দিতে। ব্যবধান ২-০ হতে পারত ম্যাচের ৩৬ মিনিটে, তবে প্রীতি রাজের দূরপাল্লার শটটি গোলরক্ষক মিলির হাতে লেগে পোস্টে প্রতিহত হলে কোনোমতে রক্ষা পায় বাংলাদেশ।

যখন মনে হচ্ছিল প্রথমার্ধে বাংলাদেশ আর ম্যাচে ফিরতে পারছে না, ঠিক তখনই মাঠে দেখা গেল জাদুকরী এক মুহূর্ত। পুরো ম্যাচ জুড়ে প্রায় নিষ্ক্রিয় থাকা ঋতুপর্ণা চাকমা প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সরাসরি কর্নার থেকে এক অবিশ্বাস্য গোল করে বসেন। ফুটবল পরিভাষায় যাকে বলা হয় ‘অলিম্পিক গোল’। সরাসরি কর্নার থেকে বল জালে জড়িয়ে তিনি বাংলাদেশকে ১-১ সমতায় ফেরান এবং এই গোলের পর মাঠে নতুন করে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে সাবিনারা।

 

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই অবশ্য বাংলাদেশ আবারও গোল হজমের হাত থেকে অল্পের জন্য বেঁচে যায়। নেপালের রেখা বাংলাদেশের গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বল ফাঁকা জালের দিকে ঠেলে দিলেও তা পোস্টে লেগে দিক পরিবর্তন করে। এরপর দুই দলই পালাক্রমে সুযোগ তৈরি করতে থাকে। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে নেপালের সারু লিম্বুর একটি বিপজ্জনক বাঁকানো শট গোলপোস্টের সামান্য ওপর দিয়ে চলে যায়। এর ঠিক মিনিটখানেক আগে নেপালের আরেকটি আক্রমণ দক্ষতার সাথে রুখে দেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি।

 

 

ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ১২ মিনিট আগে অর্থাৎ ৭৮ মিনিটে লিড নেওয়ার সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগটি পেয়েছিলেন সাগরিকা। কিন্তু তার নেওয়া জোরালো শটটি নেপাল অধিনায়ক তথা গোলরক্ষক সুব্বা লাফিয়ে উঠে দারুণভাবে ঘুষি মেরে ফিরিয়ে দেন। তবে সেই সুযোগ মিসের হতাশা কাটাতে বেশি সময় নেননি সাগরিকা। ম্যাচের ৮১ মিনিটে শামসুন্নাহার জুনিয়রের নিখুঁত পাস থেকে বল পান তিনি। পেছনে নেপালের দুজন ডিফেন্ডার লেগে থাকলেও তাঁদের ফাঁকি দিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় বল জালে জড়িয়ে দেন সাগরিকা।

 

 

 

সাগরিকার এই জয়সূচক গোলেই উল্লাসে মেতে ওঠে বাংলাদেশ শিবির। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধান ধরে রেখে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ এবং টানা তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার লক্ষ্যে ফাইনালের মঞ্চে পা রাখল লাল-সবুজ বাহিনী।

 

দেশের সব মানুষের কথা বিবেচনায় রেখেই বাজেট: অর্থমন্ত্রী

দেশের প্রতিটি মানুষের কথা চিন্তা করে বাজেট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বাজেটে সকল অংশগ্রহণ নিশ্চিতের চেষ্টা করছে সরকার। অর্থনীতির সুফল যেন প্রতিটি মানুষ পায় সেটি মাথায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে।

 

 

 

 

বুধবার (৩ জুন) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

 

 

 

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিগত সময়ের অনিয়ম ও লুটপাটের কারণে অর্থনীতি দুর্বল অবস্থার মধ্যে রয়েছে। তবে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

 

অতীতের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার কারণে দেশ ঋণনির্ভর অবস্থায় চলে গেছে এবং সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে সরকার বিনিয়োগভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি বিনিয়োগভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করতে হবে। ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি পরিচালন ব্যয়ও ধীরে ধীরে কমিয়ে আনতে হবে।

 

 

তিনি আরও বলেন, জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

 

 

 

ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও নতুন বাজেটের মাধ্যমে ইতিবাচক সূচনা হবে বলে আশার কথা জানান মন্ত্রী। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং উৎপাদনশীল খাতের সম্প্রসারণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

 

হিলিতে মাদক ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ গ্রেফতার ৩

দিনাজপুরের হাকিমপুর থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী এবং ওয়ারেন্টভুক্ত এক পলাতক আসামিসহ মোট ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে।
​আজ বুধবার (৩ জুন) দুপুরে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকির হোসেন।
​পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাকিমপুর থানা পুলিশ পৃথক তিনটি অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ​মোঃ হাসান (২৩) দক্ষিণ বাসুদেবপুর (মহিলা কলেজ) এলাকার মোঃ ফিরোজ আলীর ছেলে। তার কাছ থেকে ১৫ পিস টাপেন্ডাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
মোঃ গোলাম রব্বানী ওরফে রাব্বী (৩৫) মধ্য বাসুদেবপুর (মাঠপাড়া) এলাকার মোঃ আজাদ বেলালের ছেলে। তাকে ২০ পিস টাপেন্ডাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করা হয়।
মোঃ রুবেল হোসেন (৩৮) দক্ষিণ বাসুদেবপুর (হিলি চুড়িপট্টি ক্যাম্পের সামনে) এলাকার মোঃ আফতাব উদ্দিনের ছেলে। তিনি একটি জিআর (নং-২৮/২০) মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।
​হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকির হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃত দুই মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে৷ তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে থানা পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। মাদকমুক্ত হাকিমপুর গড়তে আমাদের এই মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
​পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আজ দুপুরের দিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগের ১২০০ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় প্রায় ১২০০ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে সদর উপজেলার নিজড়া ইউনিয়নের জাঙ্গাল বাজার এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে তারা দল পরিবর্তনের ঘোষণা দেন।

 

 

 

অনুষ্ঠানে নিজড়া মধ্যপাড়ার আওয়ামী লীগ নেতা ছনোয়ার হোসেন মোল্লা ও নুর ইসলাম শেখ প্রায় ১২০০ নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপিতে যোগ দেন। তারা গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. কে এম বাবরের হাতে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন।

 

 

 

এ সময় সংসদ সদস্য ড. কে এম বাবর বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিএনপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় ব্যক্তিরা বিএনপিতে যোগদান করলে তাদের স্বাগত জানানো হবে।

 

নবাগত দুই নেতা ছনোয়ার হোসেন মোল্লা ও নুর ইসলাম শেখ বলেন, এলাকার উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তারা বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন। তারা দলের আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

 

অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শিকদার শহিদুল ইসলাম লেনিন, ফজলুল কবির দারা, পৌর বিএনপির সভাপতি শেখ হাচিবুর রহমান, বিএনপি নেতা এস এম জিয়াউল কবির বিপ্লব, সাজ্জাদ হোসেন হীরা, যুবদল নেতা রাজিব বিশ্বাস, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম, ইমরুল মিয়া সহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

 

উল্লাপাড়ায় ব্র্যাক সিড এন্ড এগ্রো এন্টারপ্রাইজের দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ব্র্যাক সিড অ্যান্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে হাইব্রিড ধান চাষের আধুনিক কলাকৌশল ও অধিক ফলন নিশ্চিতকরণ শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

 

 

মঙ্গলবার (২ জুন) দিনব্যাপী উপজেলার কৃষকগঞ্জ বাজারে আয়োজিত এ কর্মশালায় স্থানীয় কৃষকদের হাইব্রিড ধান চাষের আধুনিক প্রযুক্তি ও রোগবালাই দমনে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

 

 

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উল্লাপাড়া উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ মো: তাসিন বিন নূর ,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক সিডের বগুড়া রিজিওনাল সেলস্ ম্যানেজার মানিক রাহা। সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া টেরিটোরি সেলস অফিসার আল আমিন – এর সঞ্চালনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। উল্লাপাড়া টেরিটোরির সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার কৃষকগঞ্জ বাজারের এর রিটেইলার মো: জহুরুল ইসলাম । আরোও উপস্থিত ছিলেন ধনুট টেরিটোরির সেলস অফিসার প্রতাপ চন্দ্র দাদা ।

 

 

 

কর্মশালায় বক্তারা গুণগত মানসম্পন্ন হাইব্রিড ধানের উৎপাদন ও ফলন বৃদ্ধিতে ব্র্যাকের বীজর গুরুত্ব তুলে ধরেন। চাষাবাদের আধুনিক পদ্ধতি হিসেবে মাটি নির্বাচন, মাটির পিএইচ পরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ, জমি শোধন এবং সঠিক দূরত্বে বীজ রোপণের ওপর বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া মাটির গুণাগুণ অনুযায়ী সারের সঠিক ব্যবহার এবং সেচ প্রয়োগের সময়সূচী মেনে চলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

 

 

 

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অধিবেশনে হাইব্রিড ধানের মড়ক বা ‘ধানের শিষ ব্লাষ্ট রোগসহ কাণ্ডপচা রোগের আধুনিক প্রতিকার নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বিশেষ করে ভাইরাসজনিত রোগ নিয়ন্ত্রণে জাব পোকা (এফিড) দমনের রাসায়নিক ও ম্যানুয়াল পদ্ধতিগুলো কৃষকদের হাতে-কলমে শিখিয়ে দেওয়া হয়।

 

 

 

 

উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ মো: তাসিন বিন নূর বলেন ফসল সংগ্রহের আগের ও পরের ব্যবস্থাপনাও অত্যন্ত জরুরি।

 

 

 

 

আয়োজক প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক সিড জানায়, দেশব্যাপী কৃষক পর্যায়ে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকরা আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনায় আরও দক্ষ হয়ে উঠবে। এর ফলে হাইব্রিড ধান চাষে ঝুঁকি কমবে এবং হাইব্রিড জাতের কাঙ্ক্ষিত ফলন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

 

 

 

আয়োজিত প্রোগ্রাম শেষে ব্র্যাক সিডের হাইব্রিড ধান রাজা কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

 

 

এনায়েতপুরে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ নেতা

যুগ্ম-সচিব সেই ছেলের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

রাজধানীর মিরপুরে নিজ ফ্ল্যাট থেকে বৃদ্ধা নুরজাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার ছেলে যুগ্ম-সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

 

 

 

 

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ সংক্রান্ত প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তার নৈতিক দায়বদ্ধতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

 

 

অভিযুক্ত এ কে এম আনিসুর রহমান বর্তমানে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

উল্লেখ্য, রোববার (৩১ মে) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে মিরপুর-১১ এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে নুরজাহান বেগমের পচা-গলা ও পোকা ধরা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

প্রতিবেশীদের অভিযোগ, ওই বৃদ্ধা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় দিন পার করছিলেন। তার আরেক ছেলে এ কে এম আশিকুর রহমান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক এবং মেয়ে একজন স্কুল শিক্ষিকা।

 

 

 

মায়ের সঙ্গে একই বাসায় মেয়ে অবস্থান করলেও তিনি মৃত্যুর বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাননি। অন্যদিকে, দুই ছেলে আলাদা থাকতেন এবং তাদের সঙ্গেও মায়ের কোনো যোগাযোগ ছিল না ।

 

 

হোসেনপুরে অটোরিকশার চাপায় বৃদ্ধের মৃত্যু

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে অটোরিকশার চাপায় মো. হাফিজ উদ্দিন (৭৪) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।
বুধবার (৩ জুন) সকালে পৌর এলাকার পূর্ব দীপেশ্বর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত হাফিজ উদ্দিন ওই গ্রামের মৃত আফতাব উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বাড়ির পাশের রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি দ্রুতগামী অটোরিকশা তাকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. তানভীর হাসান জিকো। এদিকে দুর্ঘটনার পর অটোরিকশা চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

একটি মামলায় ডা. দীপু মনির জামিন দিয়েছেন আদালত

রাজধানীর বিভিন্ন থানায় করা সাত মামলার মধ্যে এক মামলায় জামিন পেয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি। বাকি ছয় মামলায় তাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

 

 

 

বুধবার (৩ জুন) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

 

 

 

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী ছিলেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বারিধারা থেকে দীপু মনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে হত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি ও সহিংসতার নির্দেশনাসহ প্রায় ৩৮টিরও বেশি মামলা করা হয়েছে।

 

মারা গেলেন সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম রহমাতুল্লাহ

ঢাকা-১১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কার্যক্রম আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম রহমতুল্লাহ মারা গেছেন। বুধবার (৩ জুন) ভোর পৌনে ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়। 

 

 

তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

 

 

 

এ কে এম রহমতুল্লাহর ভাগ্নে ফারুক হোসাইন বলেন, রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা যান। 

 

 

খবর পাওয়ার পর হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ বাড্ডার বেরাইদের নিজের বাসভবনে আনা হয়েছে। বুধবার বিকেল ৪টায় বেরাইদ মাঠে জানাজার পর বেরাইদ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
 

এ কে এম রহমতুল্লাহ পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়া তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

 

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন করে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, এসব দেশ জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে, যা মার্কিন বাণিজ্য ও শ্রমিকদের জন্য ক্ষতিকর। খবর রয়টার্সের।

 

 

 

 

মঙ্গলবার মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর জানায়, তাদের পরিচালিত সেকশন ৩০১ তদন্তে এ ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

 

 

 

প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ, কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, মেক্সিকো, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান, কম্বোডিয়া, গুয়াতেমালা, এল সালভাদর, আর্জেন্টিনা, ইন্দোনেশিয়াসহ ১৫টি দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। বাকি ৪৫টি দেশের ক্ষেত্রে শুল্কের হার হবে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ।

এক বিবৃতিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদারদের জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানি বন্ধে ব্যর্থতা গ্রহণযোগ্য নয়। এর ফলে মার্কিন শ্রমিকদের বৈশ্বিক বাজারে অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হচ্ছে।

 

নতুন এ প্রস্তাব এসেছে এমন সময়ে, যখন গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনের জরুরি ক্ষমতা আইনের আওতায় আরোপিত শুল্ক বাতিল করে দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন নতুন আইনি কাঠামোর অধীনে শুল্ক ব্যবস্থা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে।

 

 

তবে প্রস্তাবিত শুল্ক থেকে জ্বালানি, বিরল খনিজ, কিছু ধাতু, গরুর মাংস, কফি, নির্দিষ্ট ফল ও সবজি, ওষুধ, জৈব রাসায়নিক এবং বিমানযন্ত্রাংশকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

 

 

 

এছাড়া পোশাক ও বস্ত্রখাতের জন্য একটি বিশেষ ব্যবস্থা প্রস্তাব করা হয়েছে, যার আওতায় নির্দিষ্ট পরিমাণ আমদানি কম শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ পেতে পারে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

 

 

 

মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর জানিয়েছে, প্রস্তাবিত শুল্ক নিয়ে আগামী ৬ জুলাই পর্যন্ত জনমত গ্রহণ করা হবে এবং ৭ জুলাই একটি প্রকাশ্য শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

 

 

 

যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপ বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব ফেলতে পারে, যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং সম্ভাব্য অব্যাহতির বিষয়গুলো এখনও স্পষ্ট নয়।

 

কাজিপুরে যুবশক্তি নেতার উপর হামলা: এনসিপির নিন্দা

সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে ​মসজিদ প্রাঙ্গণে জাতীয় যুবশক্তি জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাতুল রায়হানের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা।
মঙ্গলবার (২ জুন) এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তর) হযরত আলী উসমান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়।  এর আগে রোববার (৩১ মে জুন) রাতে এশার নামাজ শেষে যুবনেতা রাতুলের ওপর এ ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে , ​কাজিপুর উপজেলার দক্ষিণ বুরুঙ্গী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে ‘জাতীয় যুবশক্তি’ সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাতুল রায়হানের ওপর সংঘটিত ন্যাক্কারজনক, কাপুরুষোচিত ও বর্বর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
​মসজিদের উন্নয়ন তহবিল রক্ষা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে সামাজিক ও নৈতিক অবস্থান নেওয়ার কারণেই রাতুল রায়হানকে পরিকল্পিতভাবে এই হামলার শিকার হতে হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ​যারা মসজিদের সম্পদ রক্ষা ও জনস্বার্থের পক্ষে কথা বলায় বাধা সৃষ্টি করতে হামলা, মামলা ও ভয়ভীতির পথ বেছে নিয়েছে, তারা সমাজে চরম সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়। কিন্তু আমরা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই এই বাংলার যুবসমাজ ও সচেতন নাগরিকরা অন্যায়, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অতীতেও সোচ্চার ছিল, বর্তমানেও আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হামলা-হুমকি দিয়ে সত্যের কণ্ঠরোধ করতে পারবে না।
​অনতিবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে বলা হয়েছে, এই বর্বরোচিত ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

আ.লীগ নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ

আওয়ামী লীগের এক নেতাকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ বলে অভিযোগ তুলেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন।

 

 

 

বুধবার (৩ জুন) ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এ অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন।

 

 

 

রাশেদ খাঁন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে হান্নান মাসউদ! গণঅভ্যুত্থানের পরে হান্নান মাসউদের মিটিং শুরু হয় আওয়ামী লীগ নেতাদের দিয়ে। আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার অসংখ্য মিটিং হয়েছে। পল্টনের হোটেল ফার্সের কয়েকটা টেবিল যেন একপ্রকার হান্নান মাসউদের জন্য বরাদ্দ থাকত।

তিনি বলেন, একবার আওয়ামী লীগের এক এমপিকে ৪ কোটিতে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার আলাপ ওঠে। আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষ করে হান্নান মাসউদ জিসানকে বলে, ‘ভাই, ওরা ১ কোটি দিতে চায়, আপনি ৩ কোটিতে ডিল করেন। ওদের সব কাঁচা টাকা, টাকা-পয়সার দরকার আছে!’ এ কথা শুনে এক ধরনের স্তব্ধ হয়ে যায় জিসান! হান্নান মাসউদের অনেক ঘটনার রাজসাক্ষী হাতিয়ার এই সন্তান আবদুল গাফফার জিসান।

 

স্ট্যাটাসে রাশেদ বলেন, ২৭ জুলাই থেকে রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আবদুল গফফার জিসান আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তাদের সঙ্গে এই ছেলেটি ছিল। ৩ জন সমন্বয়কদের ভিডিও বা ছবি তুলতে ক্যামেরার পেছনের মানুষটিই ছিলেন এই আবদুল গফফার জিসান। জিসান সম্পর্কে রিফাত রশিদ ও মাহিন সরকারকে জিজ্ঞেস করলেও উত্তর পাবেন। জিসানের ছোট ভাই হান্নান মাসউদের বন্ধু। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এবং শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

 

 

‘আর জিসান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। হান্নান মাসউদের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের পরেও বেশকিছুদিন জিসান ছিল। মূলত গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান-হান্নান মাসউদকে নিরাপত্তা দেওয়ার কাজেই সঙ্গে থাকত। কিন্তু হান্নান মাসউদের টাকার প্রতি মোহ ও আকস্মিক পরিবর্তন জিসান মেনে নিতে পারেনি। যে কারণে সে আর হান্নান মাসউদের সঙ্গে থাকেনি।’

 

স্ট্যাটাসের শেষে রাশেদ বলেন, নোয়াখালীর হাতিয়ার আওয়ামী লীগের এমপি মোহাম্মদ আলী যেন ছিল হান্নান মাসউদের এমপি হওয়ার পথের কাঁটা! হান্নান মাসউদ এটা বুঝতে পেরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রভাব খাটিয়ে শুরুতেই তাকে গ্রেপ্তার করাতে ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন জায়গায় মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে বক্তব্যও দিয়েছে হান্নান মাসউদ। ঘরোয়া আলাপে সে বলেছে, নোয়াখালীর যত আওয়ামী লীগ আছে, কারও সঙ্গে আমার কোনো দ্বন্দ্ব নেই। আমার একমাত্র দ্বন্দ্ব মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে। এমনকি বিভিন্ন আলাপে সে লোকজনকে বোঝাতে চেয়েছে, নোয়াখালীর এমপি হতে কোয়ালিটি ও কোয়ানটিটিতে তাকে মোহাম্মদ আলীর মতো অর্থবিত্তের মালিক হতে হবে।

 

কাস্টম হাউসে হয়রানির অভিযোগ, রুলিং মানা হচ্ছে না

কাস্টম হাউস নাকি হয়রানির কেন্দ্র?

শিল্পের কাজে ব্যবহারের জন্য রক সল্ট আমদানি করে ওয়ারদা অ্যান্ড জুবায়ের এগ্রো ইন্ডাস্ট্রি। হুট করে গত ৪ মে বিল অব এন্ট্রি সাবমিট করার পর প্রতিষ্ঠানটির পণ্যের চালান আটকে দেন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কর্মকর্তারা। চালানটি আটকে রেখে শিল্প মন্ত্রণালয় ও লবণ নীতিসহ নানা প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্যতা চাওয়া হয়। যদিও কাস্টমসে এ ধরনের কোনো আইন রয়েছে বলে আমদানিকারককে দেখাতে পারেননি শুল্ক কর্মকর্তারা। তবু পণ্য চালানটি আটকে রেখে শুরু হয় নানা টালবাহানা। পরে উপায় না দেখে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয় প্রতিষ্ঠানটি এবং আদালতে রায় প্রতিষ্ঠানটির পক্ষেই আসে। তবে ঈদুল আজহার আগে পক্ষে রায় পেলেও পণ্যের চালানটি খালাস করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। কৌশলে আদালতের রায়ের কপি গ্রহণ না করে কমিশনার ঈদের ছুটিতে ঢাকায় চলে আসেন। এরই মধ্যে পণ্যের চালানের দামের তুলনায় প্রায় দিগুণ হয়ে গেছে পোর্ট চার্জ। কাঁচামাল আটকে যাওয়ায় বাধাগ্রস্ত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন। এ কারণে ঈদে কর্মচারীদের ঠিকমতো বেতন-বোনাস পর্যন্ত দিতে পারেননি প্রতিষ্ঠানটির মালিক। এভাবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে প্রতিদিনই হয়রানির শিকার হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এটা যেন কাস্টম হাউস নয়, এ যেন এক হয়রানির আঁতুড়ঘর।

 

 

 

সরেজমিন ঘুরে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে আমদানিকারকদের হয়রানির এমন ঘটনা আরও পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস দিয়ে স্টিল স্ট্রাকচার আমদানি করেন এক আমদানিকারক। প্রথমবারের মতো আমদানি করা পণ্যে চালানটি আটকে দেয় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ উইং (এআইআর) শাখা। স্টিল স্ট্রাকচার নিয়ে এর আগে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অ্যাসেসমেন্ট কমিটির সিদ্ধান্ত রয়েছে। এ ছাড়া কাস্টম হাউসের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) একটি নির্দেশনাও রয়েছে। এর বাইরেও ওয়ার্ল্ড কাস্টম অর্গানাইজেশনের একটি ব্যাখ্যা রয়েছে। এতকিছুর পরও এআইআর শাখার কর্মকর্তাদের মনে হয়েছে স্টিলের স্ট্রাকচারটি ফার্নিচার পার্টসের এইচএস কোড অনুযায়ী শুল্কায়ন হবে। এরপর সব আইনের ঊর্ধ্বে উঠে কর্মকর্তারা সেই অনুযায়ী শুল্কায়নের জন্য রিপোর্ট দেন এবং প্রতিষ্ঠানটি রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে বলেও সুপারিশ করেন। প্রতিষ্ঠানটি এনবিআরের রুলিং দেখানোর পর পণ্য চালানটি আটকে রাখতে নতুন যুক্তি উপস্থাপন করেন কর্মকর্তারা—এটা রুলিংয়ের সঙ্গে যায় না। কর্মকর্তাদের নতুন যুক্তি, রুলিংয়ে একই পণ্য আলাদা তিনটি কনটেইনারে আনা হয়েছিল। এ চালানে একটি কনটেইনার, তাই এইচএস কোড পরিবর্তন হয়েছে। আর এতে মিথ্যা ঘোষণা হয়েছে। এ ছাড়া এনবিআরের এ রুলিং সঠিক নয় বলেও দাবি করেন কর্মকর্তারা। যদিও রুলিং সঠিক নয়—এ কথা আনুষ্ঠানিকভাবে বলতে রাজি নন এআইআরের উপকমিশনার। সর্বশেষ নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল থেকেই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন শুল্ক কর্মকর্তারা। এতে আমদানিকারকের মাত্র আঠারো হাজার ডলারের পণ্য এখন দেড় কোটির ঘরে গিয়ে ঠেকেছে। মজার বিষয় হলো, স্টিল স্ট্রাকচার শুল্ক কর্মকর্তাদের বদৌলতে হয়ে গেল ফার্নিচার পার্টস, আর আমদানিকারক রাতারাতি হয়ে গেল শুল্ক ফাঁকিবাজ।

 

 

 

অভিযোগ রয়েছে, এভাবেই প্রতিনিয়ত ছোট ব্যবসায়ীদের হয়রানি করেন এআইআর শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা আসাদ ও আরেফিন। তাদের টিম লিডার হিসেবে আছেন এআইআর শাখার উপকমিশনার তারেক মাহমুদ। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে এআইআরের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং সদ্য সাময়িক বরখাস্তের আদেশ থেকে মুক্তি পাওয়া চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার আমীমুল ইহসানের সঙ্গে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে গিয়ে সাক্ষাৎ করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে ফোনে একাধিকবার কল দিয়েও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমনকি মোবাইল ফোনে খুদে বার্তা পাঠিয়েও তার সাড়া মেলেনি। পরবর্তী সময়ে এআইআর শাখার উপকমিশনার তারেক মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কালবেলাকে বলেন, ওয়ার্ল্ড কাস্টম অর্গানাইজেশনের ব্যাখ্যা মানার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে বাংলাদেশে মানা হয়। আর এনবিআরের রুলিং মানার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে স্টিল স্ট্রাকচারের চালানটি এ রুলিংয়ে যথাযথ নয়। কারণ হিসেবে ওই কর্মকর্তা বলেন, রুলিংয়ে যে পণ্য চালানের বিষয়টি ছিল ওখানে তিনটি আলাদা আলাদা পণ্য চালান ছিল। আর এটি একটি পণ্য চালান। যেহেতু তিনটি নয়; তাই এ সুবিধা এ আমদানিকারক পাবেন না।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে আটকে রাখার জন্য এ ধরনের আরও উদ্ভট কিছু যুক্তিও মিলেছে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান ওয়ারদা অ্যান্ড জুবায়ের ইন্ডাস্ট্রিজের শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে রক সল্ট আমদানির ক্ষেত্রে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত কালবেলাকে বলেন, প্রায় এক মাসের কাছাকাছি হয়ে গেছে পণ্য চালানটি আটকে রেখেছে কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ। আমরা বিডা নিবন্ধিত একটি প্রতিষ্ঠান। বিডার অনুমতি সাপেক্ষে আমরা আমদানি করে থাকি। আমদানি নীতি আদেশেও কোনো বাধা নেই। অযথাই হয়রানি করে আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। কমিশনারের মেইলে আদেশের মূল কপি পাঠানো হলেও তিনি রিসিভ করেননি ঈদের আগে। এরই মধ্যে পণ্য চালানটির দামের প্রায় দ্বিগুণ পোর্ট চার্জ এখন পরিশোধ করতে হবে। আর উৎপাদন এবং কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হওয়ায় ঈদের আগে আমি ঠিকমতো কর্মচারীদের বেতন-বোনাস দিতে পারিনি।

 

শুধু এ দুটি প্রতিষ্ঠান নয়, শিল্প প্রতিষ্ঠানের পণ্য চালানও আটকে রাখার অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে, সব নিয়ম মেনে আমদানি করা ঢাকার একটি বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের তিন কনটেইনার পণ্য আটকে দেন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার মুহা. মাহবুবুর রহমান। বৃষ্টির মধ্যে ট্রাকে লোড হওয়া পণ্য নষ্ট হলেও সর্বশেষ আট দিন পর ছেড়ে দেন। পরবর্তী সময়ে আরেকটি বন্ডেড পণ্যের চালান আটক করলেও পরে অদৃশ্য কারণে ছেড়েও দেন। এ ছাড়া এ কমিশনার নির্ধারিত সময়ের আগেই অফিস ত্যাগ করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে কথা বলতে সরাসরি এবং ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া হয়রানির নানা অভিযোগের কথা উল্লেখ করে এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানের বক্তব্য জানতে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানোর পর তিনি বার্তা দেখলেও কোনো বক্তব্য দেননি।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এআইআর টিমের বিরুদ্ধে পান থেকে চুন খসলেই ছোট ব্যবসায়ীদের আইনি ঝামেলায় ফেলার অভিযোগ বেশ পুরোনো। বিগত দিনে কেমিক্যাল থেকে শুরু করে অবৈধ সিগারেট আমদানি বন্ধে তৎপর হলেও বর্তমান টিম রহস্যজনক কারণে ঠুঁটো জগন্নাথের ভূমিকা পালন করছে। বিভিন্ন কাস্টম হাউসে শিট নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠলে এসব ক্ষেত্রেও এআইআর টিম যেন নীরব দর্শক। এ ছাড়া আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এ টিমের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, রাজস্ব কর্মকর্তা আসাদ ও আরেফিনের নেতৃত্বে ল্যাপটপের ব্যাটারির গ্রুপ দিয়ে অন্য পণ্যের চালান গেলেও আসাদ নিজে গিয়ে দেখেও তা ছেড়ে দেন। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের ফাইন্ডিং নেই। মূলত বড় বড় আমদানিকারকের পরিবর্তে এ টিমের নজর ছোট ব্যবসায়ীদের দিকে। এতে বাইরে আলোচনা হবে—খুব কড়া কাস্টম হাউসের এ এআইআর টিম। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে এআইআর টিমের রাজস্ব কর্মকর্তা আসাদকে গতকাল সোমবার দফায় দফায় ফোন দিয়েও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

 

 

কাস্টমসে হয়রানির শিকার হওয়া ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছেন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমও। এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিকেএমইএ সভাপতি রিনিউয়েবল এনার্জির প্লান্ট করতে পণ্য আমদানি করেন। প্রথম দিকে সোলার নিয়ে এলে সহজেই শুল্ক কর্মকর্তারা ছেড়ে দেন। তবে স্ট্রাকচার আনার পর আটকে দেয় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ। এ পণ্য চালানটি খালাস করতে ব্যবসায়ী নেতা হওয়ার পরও বেশ বেগ পেতে হয়েছে মোহাম্মদ হাতেমের। আর সময় লেগেছে প্রায় পনেরো দিন এবং এনবিআরের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দ্বারস্থ হতে হয়েছে। একই সঙ্গে গুনতে হয়েছে পোর্টের বড় অঙ্কের ডেমারেজ।

 

 

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম কালবেলাকে বলেন, প্রথম দিকে সোলার সহজে খালাস হলেও পরবর্তী সময়ে স্ট্রাকচার আটকে দেয় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। এ চালানটির জন্য আমাকে এনবিআরের দ্বারস্থ হতে হয়েছে প্রজ্ঞাপন থাকার পরও। আর এ কারণে আমাকে পোর্ট ডেমারেজ দিতে হয়েছে ৩৫ লাখ টাকা।

 

সুত্র: দৈনিক কালবেলা

 

 

লোকনাথ ব্রহ্মচারীর তীরোধান দিবসে বারদী আশ্রমে দর্শনার্থীর ভীড়

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ভক্তি আর আধ্যাত্মিক আবহে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ঐতিহাসিক বারদী আশ্রমে শুরু হয়েছে উপমহাদেশের প্রখ্যাত সাধক শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬তম তীরোধান উৎসব।

 

বুধবার (৩ জুন) দেশ-বিদেশ থেকে আসা লাখো ভক্তের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো বারদী এলাকা। তিন দিনব্যাপী এ ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে আশ্রম প্রাঙ্গণে বিরাজ করছে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ। ভোর থেকেই ভক্তরা আশ্রমে সমবেত হয়ে পূজা-অর্চনা, প্রার্থনা ও নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন। আশ্রমের বিভিন্ন স্থাপনা বর্ণিল আলোকসজ্জা ও নান্দনিক সাজে সজ্জিত করা হয়েছে, যা ভক্ত ও দর্শনার্থীদের বাড়তি আকর্ষণ যোগ করেছে।

 

উৎসবে অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও প্রতিবেশী ভারতসহ বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে হাজার হাজার লোকনাথ ভক্ত বারদীতে ছুটে এসেছেন। তাদের জন্য আশ্রম কর্তৃপক্ষ তীর্থ নিবাসসহ বিভিন্ন স্থানে আবাসন ও খাবারের বিশেষ ব্যবস্থা করেছে।

 

তিরোধান উৎসব উপলক্ষে বারদী এলাকায় বসেছে সাত দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী মেলা। মেলায় বিভিন্ন ধরনের লোকজ পণ্য, ধর্মীয় সামগ্রী ও গ্রামীণ সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ স্থান পেয়েছে। ফলে ধর্মীয় আয়োজনের পাশাপাশি উৎসবটি পরিণত হয়েছে এক মিলনমেলায়।

 

উৎসবের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে পূজা-অর্চনা, ঊষাকীর্তন, গীতা পাঠ, বাল্যভোগ ও রাজভোগ বিতরণ, প্রসাদ বিতরণ, ধর্মীয় আলোচনা, ভক্তিমূলক সংগীত এবং সন্ধ্যাকালীন কীর্তন। এসব আয়োজনে অংশ নিয়ে ভক্তরা মহাসাধকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন এবং নিজেদের ও পরিবারের কল্যাণ কামনা করছেন। উৎসবকে কেন্দ্র করে গ্রহণ করা হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

 

 

মঙ্গলবার আশ্রম এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ ব্রিফিং ও প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী।

 

তিনি বলেন, উৎসবস্থলে পুলিশ, র‍্যাব, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছয় শতাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সিসিটিভির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি, মেঘনা নদীতে নৌ-পুলিশের টহল এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

 

সোনারগাঁ থানার ওসি গোলাম সারোয়ার বলেন, ভক্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। উৎসব চলাকালে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে।

 

বারদী লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শংকর কুমার দে বলেন, উৎসবের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আসা ভক্তরা যাতে নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে আশ্রম কর্তৃপক্ষ সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

 

সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত বলেন, উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভক্তদের নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

 

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, উৎসবস্থলে পুলিশ, র‍্যাব, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছয় শতাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সিসিটিভির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি, মেঘনা নদীতে নৌ-পুলিশের টহল এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

 

হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ১৭৩০ খ্রিস্টাব্দে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কচুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মহাসাধক লোকনাথ ব্রহ্মচারী। দীর্ঘ সাধনা, ত্যাগ ও মানবসেবার মাধ্যমে তিনি আধ্যাত্মিক জগতে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেন। জীবনের শেষ ২৬ বছর তিনি সোনারগাঁয়ের বারদীতে অবস্থান করেন। বাংলা ১২৯৭ সালের ১৯ জ্যৈষ্ঠ বারদী আশ্রমেই তার মহাপ্রয়াণ ঘটে। সেই স্মৃতিকে ধারণ করেই প্রতিবছর ১৯ জ্যৈষ্ঠ পালিত হয় তার তীরোধান উৎসব।

 

ভক্তদের বিশ্বাস, মানবতা, প্রেম ও সেবার যে বাণী লোকনাথ ব্রহ্মচারী রেখে গেছেন, তা আজও মানুষকে আলোকিত পথের সন্ধান দেয়। আর সেই বিশ্বাসের টানেই প্রতি বছর লাখো ভক্ত সমবেত হন বারদীর এই পবিত্র তীর্থভূমিতে।

বিদ্যুতের মুল্য বাড়তে পারে ১৫-২০ শতাংশ

পরপরই বাড়তি খরচের নতুন চাপের মুখে পড়তে পারেন বিদ্যুৎ গ্রাহকেরা। আজ বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার ঘোষণা করতে যাচ্ছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে স্বল্প আয়ের গ্রাহকদের জন্য চালু থাকা ‘লাইফ লাইন’ সুবিধায় আপাতত কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না।

 

বিইআরসির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বুধবার সকাল ১১টায় কমিশনের কারিগরি কমিটির বৈঠকে ইউনিটপ্রতি মূল্যবৃদ্ধির হার চূড়ান্ত করা হবে। এরপর বিকেলে নতুন ট্যারিফ ঘোষণা করা হতে পারে।

 

সূত্র জানায়, নতুন মূল্যহার জুন থেকে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, কারিগরি কমিটি বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে এবং আজই এ বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে।

 

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পূরণ এবং জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কমানোর অংশ হিসেবেই এ মূল্য সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

এর আগে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি ইউনিটপ্রতি ১ থেকে ১ দশমিক ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর সুপারিশ করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুতের দাম বাড়লে এর প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ বিলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; শিল্প-কারখানা, সেচ, পরিবহন, কোল্ড স্টোরেজসহ প্রায় সব খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে। ফলে নিত্যপণ্যের বাজারেও চাপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

এরই মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও পরিবহন ব্যয় বাড়ায় বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্যও ঊর্ধ্বমুখী। এখন বিদ্যুতের নতুন মূল্য কার্যকর হলে মূল্যস্ফীতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা অর্থনীতিবিদদের।

 

বিদ্যুৎ খাতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম, ডলারের বিনিময় হার এবং এলএনজি, কয়লা ও তেল আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। একইসঙ্গে ভর্তুকির চাপও বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

বিইআরসির গণশুনানিতে বিভিন্ন বিতরণ কোম্পানি খুচরা পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। পরে কারিগরি দল গড়ে ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ২৫ পয়সা বৃদ্ধির সুপারিশ করে, যা কমিশন গ্রহণ করতে পারে বলে জানা গেছে।

 

সূত্র আরও জানায়, ২০০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের জন্য তুলনামূলক কম হারে মূল্যবৃদ্ধি এবং এর বেশি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে হার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, লোকসান কমানো এবং ভর্তুকি হ্রাসের লক্ষ্যেই এ সমন্বয় করা হচ্ছে।

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সিস্টেম লস, ক্যাপাসিটি চার্জ ও অদক্ষতা নিয়ন্ত্রণ ছাড়া মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ গ্রাহকের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে।

 

ভোক্তা সংগঠনগুলোও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বিরোধিতা করে বলছে, এতে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে এবং সীমিত আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সূত্র: বাংলানিউজ

 

 

যুদ্ধবিরতি আলোচনা স্থবির: যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা

মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে চলমান আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে নতুন করে ‘আত্মরক্ষামূলক’ হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন জাহাজ ও উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ছোড়া ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে তারা।

 

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের হামলার চেষ্টার জবাবে হরমুজ প্রণালীর কেশম দ্বীপে (ইরানের বৃহত্তম দ্বীপ) এ হামলা চালানো হয়েছে।

 

এদিকে ইরান বলেছে, প্রতিশোধ হিসেবে একটি ‘আঞ্চলিক দেশে’ অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও হেলিকপ্টারে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে তারা।

 

তবে সেন্টকম দাবি করেছে, তেহরান কুয়েতের দিকে দুটি এবং বাহরাইনের দিকে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল, যার সব কটিই মাঝপথে বিধ্বস্ত হয়েছে অথবা প্রতিহত করা হয়েছে।

 

কয়েক মাস ধরে চলা যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে গত সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত আলোচনা কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়।

 

এ যুদ্ধবিরতি আলোচনা থমকে থাকার মধ্যেই নতুন করে এ হামলার ঘটনা ঘটল। সেন্টকম বলেছে, কেশম দ্বীপের হামলায় ইরানের একটি সামরিক স্থল নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র নিশানা করা হয়েছিল।

 

এ ছাড়া আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে বৈধভাবে চলাচলকারী বেসামরিক নাবিকদের লক্ষ্য করে ইরান তিনটি ড্রোন ছুড়েছিল, যা মার্কিন বাহিনী গুলি করে নামিয়েছে।

 

ড. খলিলুর রহমানের সাফল্যে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

 

মঙ্গলবার (০২ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া দেওয়া এক পোস্টে এ অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।

 

 

পোস্টে তিনি বলেন, এই অর্জন বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অবদান ও বিশ্বাসযোগ্যতারই প্রতিফলন।

পোস্টে তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, তিনি (খলিলুর রহমান) গর্বের সঙ্গে প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং বহুপাক্ষিক ও অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংযোগ, সংলাপ ও সহযোগিতা গড়ে তুলবেন। এই নতুন দায়িত্বে আমরা তার সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ৯৯ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার হওয়া ভোটাভুটিতে তিনি জয়ী হন।

বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের ৪১তম অধিবেশনে সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হলেন।

 

গ্রুপ ‘এইচ’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

স্পেন চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক উনাই সিমোন, ডেভিড রায়া, জোয়ান গার্সিয়া

ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরো, মার্কোস লরেন্তে, আয়মেরিক লাপোর্তে, পাউ কুবারসি, মার্ক পুবিল, এরিক গার্সিয়া, মার্ক কুকুরেয়া, আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো

মিডফিল্ডার রদ্রি (রদ্রিগো হার্নান্দেজ), মার্টিন জুবিমেন্ডি, পেদ্রি গনসালেস, ফাবিয়ান রুইজ, মিকেল মেরিনো, পাবলো পায়েজ ‘গাভি’, আলেক্স বায়েনা

ফরোয়ার্ড মিকেল ওয়ারিয়াবাল, লামিনে ইয়ামাল, ফেরান তোরেস, বোরহা ইগলেসিয়াস, দানি ওলমো, ভিক্টর মুনিয়োস, নিকো উইলিয়ামস, এরেমি পিনো

 

 

সৌদি আরব চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক আহমেদ আল কাসার, মোহাম্মেদ আল ওয়াইস, নাওয়াফ আল আকিদি, আবদুলকুদুস আতিয়া

 

 

ডিফেন্ডার সাউদ আবদুলহামিদ, মোহাম্মেদ আবু আল শামাত, খালিদ আল ঘান্নাম, মোতেব আল হারবি, আবদুল্লাহ আল আমরি, নাওয়াফ বউশাল, জাকারিয়া হাওয়াসাভি, হাসান কাদেশ, আলি লাজামি, আলি মাজারাশি, হাসান তাম্বাকতি, জেহাদ থিকরি

 

 

মিডফিল্ডার নাসের আল দাওসারি, আলা আল হাজ্জি, জিয়াদ আল জোহানি, মুসআব আল জুয়াইর, আবদুল্লাহ আল খাবাইরি, সালেহ আবু আল শামাত, মোহাম্মেদ কান্নো, সুলতান মানদাশ, আয়মান ইয়াহিয়া

 

 

ফরোয়ার্ড ফেরাস আল ব্রিকান, সালেম আল দাওসারি, আবদুল্লাহ আল হামদান, আবদুল্লাহ আল সালেম, সালেহ আল শেহরি

 

 

উরুগুয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক সান্তিয়াগো মেলে, ফার্নান্দো মুস্লেরা, সার্জিও রোচেত

 

 

ডিফেন্ডার রোনাল্ড আরাউহো, সান্তিয়াগো বুয়েনো, সেবাস্তিয়ান কাসেরেস, হোসে মারিয়া গিমেনেজ, মাতিয়াস অলিভেরা, জোয়াকিন পিকেরেজ, গুইয়ের্মো ভ্যারেলা, মাতিয়াস ভিনা

 

 

মিডফিল্ডার ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো, জর্জিয়ান দে আরাসকায়েতা, রদ্রিগো বেন্টানকুর, আগুস্তিন ক্যানোবিও, নিকোলাস দে লা ক্রুজ, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, ফাকুন্দো পেলিস্ত্রি, ব্রায়ান রদ্রিগেজ, হুয়ান ম্যানুয়েল সানাব্রিয়া, ম্যানুয়েল উগার্তে, ফেদেরিকো ভালভার্দে, রদ্রিগো জালাজার

 

 

ফরোয়ার্ড রদ্রিগো আগুইরে, ফেদেরিকো ভিনাস, ডারউইন নুনিয়েজ

 

 

কাবো ভার্দে চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ভোজিনহা, মার্সিও রোজা, সি. জে. দোস সান্তোস

 

 

ডিফেন্ডার ডিনে বোর্হেস, সিডনি কাব্রাল, লোগান কস্তা, স্টিভেন মোরেরা, ওয়াগনার পিনা, জোয়াও পাওলো ফার্নান্দেস, রবার্তো ‘পিকো’ লোপেস, কেভিন পিরেস, ইআনিকে ‘স্টোপিরা’ তাভারেস

 

 

মিডফিল্ডার টেলমো আরকানজো, লারোস দুয়ার্তে, ডেরয় দুয়ার্তে, জামিরো মন্টেইরো, কেভিন পিনা, ইয়ানিক সেমেদো

 

 

ফরোয়ার্ড গিলসন বেনচিমল, জোভানে কাব্রাল, নুনো দা কস্তা, দাইলন লিভ্রামেন্তো, রায়ান মেন্দেস, গ্যারি রদ্রিগেস, উইলি সেমেদো, হেলিও ভেরেলা

 

গ্রুপ ‘জি’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

বেলজিয়াম চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক থিবো কুর্তোয়া, সেনে ল্যামেন্স, মাইক পেন্ডার্স

ডিফেন্ডার টিমোথি কাস্তানিয়ে, জেনো ডেবাস্ট, ম্যাক্সিম ডে কুইপার, কোনি ডে উইন্টার, ব্র্যান্ডন মেখেলে, থমাস মুনিয়ে, নাথান এনগয়, জোয়াকিন সেইস, আর্থার থিয়াতে

মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনে, আমাদু ওনানা, নিকোলাস রাসকিন, ইউরি টিলেমান্স, হান্স ভানাকেন, অ্যাক্সেল উইটসেল

ফরোয়ার্ড চার্লস ডে কেতেলায়েরে, জেরেমি ডোকু, মাতিয়াস ফার্নান্দেজ-পার্দো, রোমেলু লুকাকু, দোদি লুকেবাকিও, দিয়েগো মোরেইরা, আলেক্সিস সালেমেকার্স, লিয়ান্দ্রো ত্রোসার্ড।

 

 

মিশর চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক মোহামেদ আলা, মোহামেদ এল শেনাওয়ি, মোস্তফা শোবেয়র, এল মাহদি সোলিমান

 

 

ডিফেন্ডার হোসাম আবদেলমাগিদ, মোহামেদ আবদেলমোনেম, তারেক আলা, আহমেদ ফাতহি, কারিম হাফেজ, মোহামেদ হানি, ইয়াসের ইব্রাহিম, রামি রাবিয়া

 

 

মিডফিল্ডার ইমাম আশুর, মারওয়ান আত্তিয়া, নাবিল এমাদ, হামদি ফাথি, হাইথাম হাসান, মোহান্নাদ লাশিন, মাহমুদ সাবের, মাহমুদ হাসান ট্রেজেগুয়েত, মোস্তফা জিকো, আহমেদ সাঈদ জিজো

 

 

ফরোয়ার্ড হামজা আবদুলকরিম, ইব্রাহিম আদেল, ওমর মারমুশ, মোহামেদ সালাহ

 

 

ইরান চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ, হোসেইন হোসেইনি, পায়াম নিয়াজমান্দ

 

 

ডিফেন্ডার দানিয়াল ইরি, এহসান হাজসাফি, সালেহ হার্দানি, হোসেইন কানানি, শুজা খলিলজাদে, মিলাদ মোহাম্মাদি, আলি নেমাতি, রামিন রেজায়িয়ান

 

 

মিডফিল্ডার রৌজবেহ চেশমি, সাঈদ এজাতোলাহি, মেহদি ঘাইদি, সামান ঘোদ্দোস, মোহাম্মদ ঘোরবানী, আলিরেজা জাহানবাখশ, মোহাম্মদ মোহেবি, আমির মোহাম্মদ রাজাঘিনিয়া, মেহদি তারেমি, আরিয়া ইউসেফি

 

 

ফরোয়ার্ড আলি আলিপুর, ডেনিস দারঘাহি, আমিরহোসেইন হোসেইনজাদে, শাহরিয়ার মোগানলু, মেহদি তারেমি

 

 

নিউজিল্যান্ড চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ম্যাক্স ক্রোকম্ব, অ্যালেক্স পলসেন, মাইকেল উড

 

 

ডিফেন্ডার টাইলার বিন্ডন, মাইকেল বক্সঅল, লিবারাতো কাকাচে, ফ্রান্সিস দে ভ্রিস, ক্যালান এলিয়ট, টিম পেইন, ন্যান্ডো পাইনাকার, টমি স্মিথ, ফিন সারম্যান

 

 

মিডফিল্ডার ল্যাচলান বেইলিস, জো বেল, ম্যাট গারবেট, এলি জাস্ট, ক্যালাম ম্যাককাওয়াট, বেন ওল্ড, অ্যালেক্স রুফার, মার্কো স্ট্যামেনিচ, স্যারপ্রিত সিং, রায়ান থমাস

 

 

ফরোয়ার্ড কোস্টা বারবারোসেস, জেসি র‍্যান্ডাল, বেন ওয়েইন, ক্রিস উড

 

সব ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তুত সেনাবাহিনী: আইআরজিসি

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আগের তুলনায় বেশি প্রস্তুত এবং ভবিষ্যতের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ সক্ষম।

 

 

মঙ্গলবার (২ জুন) ফার্স নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি বলেন, বিদ্যমান সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি শত্রুর সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতাও ইরানের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।

 

 

তিনি বলেন, শত্রুপক্ষ যদি আবার সামরিক সংঘাতে ফিরে আসে, তাহলে অভিযানের ধরন, যুদ্ধক্ষেত্রের ভৌগোলিক পরিসর এবং ব্যবহৃত অস্ত্র; সবকিছুই ভিন্ন হবে। সম্ভাব্য সব পরিস্থিতির জন্য আইআরজিসি সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

মোহেব্বির দাবি, যুদ্ধবিরতির সময়কে কাজে লাগিয়ে ইরান তার সামরিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করেছে এবং ক্ষয়ক্ষতিও মেরামত করেছে।

তিনি বলেন, বাস্তবতা হলো, যুদ্ধবিরতির সময় আমাদের সামরিক ও অপারেশনাল সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

মোহেব্বি বলেন, সাম্প্রতিক সংঘর্ষের অন্যতম বড় অর্জন হলো শত্রুপক্ষ সম্পর্কে আরও গভীর ও বাস্তবভিত্তিক ধারণা পাওয়া।

 

 

তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগে যেসব তথ্য গোয়েন্দা প্রতিবেদন ও গণমাধ্যমের তথ্যের ওপর নির্ভরশীল ছিল, এখন তার সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রের অভিজ্ঞতাও যুক্ত হয়েছে।

 

 

তিনি দাবি করেন, ইরানের বাহিনী এখন শত্রুপক্ষের সামরিক সম্পদ, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ঘাঁটি এবং যুদ্ধকৌশল সম্পর্কে অনেক বেশি নির্ভুল ধারণা রাখে।

 

 

মোহেব্বি বলেন, আজ শত্রুর আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম, প্রতারণামূলক কৌশল এবং সামরিক অভিযানের প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের ধারণা আগের তুলনায় অনেক বেশি স্পষ্ট।

 

 

ইরানের সামরিক শক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে, এমন দাবিও প্রত্যাখ্যান করেন তিনি। তার মতে, যেসব দাবি করা হচ্ছে, তার বিপরীতে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নৌবাহিনী ধ্বংস হয়নি এবং দেশের সামরিক সক্ষমতাও কমে যায়নি।

 

 

মোহেব্বি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক সামরিক শক্তি ব্যবহার করলেও হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। কৌশলগত এই জলপথের ওপর ইরানের সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ এখনো পুরোপুরি অক্ষুণ্ন রয়েছে।

 

গ্রুপ ‘এফ’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

নেদারল্যান্ডস চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক মার্ক ফ্লেকেন, রবিন রোয়েফস, বার্থ ফারব্রুগেন

ডিফেন্ডার নাথান আক, ডেনজেল ডামফ্রিস, জোরেল হাটো, জুরিয়েন টিম্বার, ইয়ান পল ভ্যান হেক, ভার্জিল ভ্যান ডাইক, মিকি ভ্যান ডে ভেন

মিডফিল্ডার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং, মার্টেন ডে রুন, রায়ান গ্রাভেনবার্খ, টেইন কুপমেইনার্স, তিজানি রেইনডার্স, গুস টিল, কুইন্টেন টিম্বার, ম্যাটস উইফার

ফরোয়ার্ড ব্রায়ান ব্রোবি, মেমফিস ডিপাই, কোডি গাকপো, জাস্টিন ক্লুইভার্ট, নোয়া ল্যাং, ডনিয়েল মালেন, ক্রেসেনসিও সামারভিল, ওউট ভেগহর্স্ট

 

 

জাপান চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক তোমোকি হায়াকাওয়া, কেইসুকে ওসাকো, জায়ন সুজুকি

 

 

ডিফেন্ডার কো ইটাকুরা, হিরোকি ইতো, ইউতো নাগাতোমো, আয়ুমু সেকো, ইউকিনারি সুগাওয়ারা, জুনোসুকে সুজুকি, শোগো তানিগুচি, টেকহিরো তমিয়াসু, তসুইয়োশি ওয়াতানাবে

 

 

মিডফিল্ডার রিতসু দোয়ান, ওয়াতারু এন্ডো, জুনিয়া ইতো, দাইচি কামাদা, তাকেফুসা কুবো, কেইতো নাকামুরা, কাইশু সানো, আও তানাকা

 

 

ফরোয়ার্ড কেইসুকে গোটো, দাইজেন মায়েদা, কোকি ওগাওয়া, কেন্তো শিওগাই, ইউইতো সুজুকি, আয়াসে উএদা

 

 

তিউনিশিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক সাবরি বেন হাসান, আবদেলমউহিব চামাখ, আয়মান দাহমেনে

 

 

ডিফেন্ডার আলি আবদি, মোহামেদ আমিন বেন হামিদা, আদেম আরৌস, ডিলান ব্রোন, রায়েদ চিকাহুই, মউতাজ নেফাতি, ওমর রেকিক, মন্তাসার তালবি, ইয়ান ভ্যালেরি

 

 

মিডফিল্ডার মরতাদা বেন ওয়ানেস, আনিস বেন স্লিমান, ইসমাইল ঘারবি, রানি খেদিরা, হাদজ মাহমুদ, হানিবাল মেজব্রি, এলিয়েস স্কিরি

 

 

ফরোয়ার্ড এলিয়াস আচৌরি, খলিল আয়ারি, ফিরাস শাওয়াত, রায়ান এল্লুমি, হাযেম মাস্তুরি, এলিয়াস সাদ, সেবাস্তিয়ান তৌনেকতি

 

 

সুইডেন চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ভিক্টর ইয়োহানসন, গুস্তাফ লাগারবিয়েলকে, ক্রিস্টোফার নর্ডফেল্ট, জ্যাকব জেটারস্ট্রম

 

 

ডিফেন্ডার হ্যালমার একডাল, গ্যাব্রিয়েল গুডমুন্ডসন, ইসাক হিয়েন, ভিক্টর লিন্ডেলফ, এরিক স্মিথ, কার্ল স্টারফেল্ট, ড্যানিয়েল সুয়েনসন

 

 

মিডফিল্ডার ইয়াসিন আয়ারি, লুকাস বের্গভাল, ইয়েসপার কার্লস্ট্রম, বেঞ্জামিন নাইগ্রেন, কেন সেমা, এলিয়ট স্ট্রাউড, ম্যাটিয়াস স্ভানবার্গ, বেসফর্ট জেনেলি

 

 

ফরোয়ার্ড তাহা আলি, আলেকজান্ডার বার্নহার্ডসন, অ্যান্থনি এলাঙ্গা, ভিক্টর গিয়োকেরেস, আলেকজান্ডার ইসাক, গুস্তাফ নিলসন

 

গ্রুপ ‘ই’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

জার্মানি চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক অলিভার বাউমান, ম্যানুয়েল নয়্যার, আলেকজান্ডার নুবেল

ডিফেন্ডার ওয়াল্ডেমার আন্তন, নাথানিয়েল ব্রাউন, জশুয়া কিমিখ, ডেভিড রাউম, আন্তোনিও রুডিগার, নিকো শ্লটারবেক, জোনাথন তাহ, মালিক থিয়াও

মিডফিল্ডার নাদিয়েম আমিরি, লেওন গোরেটজকা, পাসকাল গ্রস, লেনার্ট কার্ল, জেমি লেভেলিং, জামাল মুসিয়ালা, ফেলিক্স এনমেচা, আলেকসান্দার পাভলোভিচ, লেরয় সানে, অ্যাঞ্জেলো স্টিলার, ফ্লোরিয়ান ভির্ট্‌জ

ফরোয়ার্ড ম্যাক্সিমিলিয়ান বায়ার, কাই হাভার্টজ, ডেনিজ উন্দাভ, নিক ভোল্টেমেড

 

 

আইভরি কোস্ট চূড়ান্ত স্কোয়াড

 

গোলরক্ষক ইয়াহিয়া ফোফানা, মোহামেদ কোনে, আলবান লাফোঁ

 

 

ডিফেন্ডার এমমানুয়েল আগবাদু, ক্রিস্টোফার ওপেরি, ওসমান দিওমান্দে, গ্যুয়েলা দোয়ে, ঘিসলাঁ কোনান, ওডিলন কসুনু, উইলফ্রিড সিঙ্গো, ইভান এনডিক্কা

 

 

মিডফিল্ডার সেকো ফোফানা, পারফে গুইয়াগন, ক্রিস্ট ইনাওয়া ওলাই, ফ্রাঙ্ক কেসিয়ে, ইব্রাহিম সাঙ্গারে, জ্যাঁ-মিশেল সেরি

 

 

ফরোয়ার্ড সাইমন আদিংরা, আঞ্জ-ইয়োয়ান বনি, আমাদ দিওলো, ওমর দিয়াকিতে, ইয়ান দিওমান্দে, ইভান গুয়েসঁদ, নিকোলাস পেপে, বাজারমানা তুরে, এলিয়ে ওয়াহি

 

 

 

ইকুয়েডর চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক হেরনান গালিন্দেস, গনসালো ভাল্লে, মোইসেস রামিরেস

 

 

ডিফেন্ডার পিয়েরো হিনকাপিয়ে, উইলিয়ান পাচো, পেরভিস এস্তুপিনিয়ান, অ্যাঞ্জেলো প্রেসিয়াদো, জোয়েল অর্দোনিয়েজ, ফেলিক্স তোরেস, জ্যাকসন পোরোজো, ইয়াইমার মেদিনা

 

 

 

মিডফিল্ডার মোইসেস কাইসেদো, অ্যালান ফ্রাঙ্কো, গনসালো প্লাতা, কেন্দ্রি পায়েস, পেদ্রো ভিতে, জর্ডি আলসিভার, ডেনিল কাস্তিলো, জন ইয়েবোয়া, নিলসন আঙ্গুলো, অ্যালান মিন্ডা

 

 

 

 

ফরোয়ার্ড এন্নার ভালেন্সিয়া, কেভিন রদ্রিগেজ, জর্ডি কাইসেদো, অ্যান্থনি ভালেন্সিয়া, জেরেমি আরেভালো

 

 

 

কুরাসাও চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক টাইরিক বডাক, ট্রেভর ডুর্নবুশ, এলয় রুম

 

 

 

ডিফেন্ডার রিশেদলি বাজোয়ার, জোশুয়া ব্রেনেট, রোশন ভ্যান আইজমা, শেরেল ফ্লোরানুস, ডেভেরন ফোনভিল, জুরিয়েন গারি, আরমান্দো ওবিস্পো, শুরান্দি সাম্বো

 

 

মিডফিল্ডার জুনিনহো বাকুনা, লিয়ান্দ্রো বাকুনা, লিভানো কোমেনেনসিয়া, কেভিন ফেলিদা, আরজানি মার্থা, টাইরিস নসলিন, গডফ্রিড রোমেরাতোয়ে

 

 

ফরোয়ার্ড জেরেমি আন্তোনিসে, তাহিথ চং, কেনজি গোরে, সঁতিয়ে হ্যানসেন, জারভেন কাস্তানিয়ার, ব্র্যান্ডলি কুয়াস, জুর্গেন লোকাদিয়া, জার্ল মার্গারিথা

 

 

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে ড. খলিলুর রহমান

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি আগামী এক বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবকের স্থলাভিষিক্ত হবেন।

 

 

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ জুন) জাতিসংঘের সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হন তিনি।

 

 

জানা যায়, জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ দূত আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস।

 

গ্রুপ ‘ডি’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

অস্ট্রেলিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ, পল ইজ্জো, ম্যাথিউ রায়ান

ডিফেন্ডার আজিজ বেহিচ, জর্ডান বস, ক্যামেরন বার্গেস, আলেসান্দ্রো সিরকাতি, মিলোস ডেগেনেক, জেসন গেরিয়া, লুকাস হেরিংটন, জ্যাকব ইতালিয়ানো, হ্যারি সাউতার, কাই ট্রেউইন

মিডফিল্ডার ক্যামেরন ডেভলিন, আজদিন হ্রুস্টিচ, জ্যাকসন আরভিন, কনর মেটকাফ, পল ওকন-এংস্টলার, এইডেন ও’নিল

ফরোয়ার্ড নেস্টরি ইরানকুন্ডা, ম্যাথিউ লেকি, আওয়ার মাবিল, মোহামেদ তুরে, নিশান ভেলুপিল্লাই, ক্রিস্টিয়ান ভলপাটো, টেটে ইয়েঙ্গি।

 

 

প্যারাগুয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল, রবার্তো ফার্নান্দেস, গাস্তন ওলভেইরা

 

 

ডিফেন্ডার হুয়ান কাসেরেস, গুস্তাভো ভেলাসকেস, গুস্তাভো গোমেস, জুনিয়র আলোনসো, হোসে কানালে, ওমার আলদেরেতে, আলেক্সান্দ্রো মাইদানা, ফাবিয়ান বালবুয়েনা

 

 

মিডফিল্ডার দিয়েগো গোমেস, মৌরিসিও মাগালায়েস, দামিয়ান বোবাডিয়া, ব্রায়ান ওহেদা, আন্দ্রেস কুবাস, মাতিয়াস গালারজা, আলেহান্দ্রো গামাররা

 

 

ফরোয়ার্ড গুস্তাভো কাবালেরো, রামন সোসা, আলেক্স আরসে, ইসিদ্রো পিত্তা, গ্যাব্রিয়েল আভালোস, মিগেল আলমিরন, হুলিও এনসিসো, আন্তোনিও সানাব্রিয়া

 

 

তুর্কি চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক আলতায় বাইয়িন্দির, এরসিন দেস্তানোউলু, মের্ত গুনক, মুহাম্মেদ শেংজের, উগুরচান চাকির

 

 

ডিফেন্ডার আবদুলকেরিম বারদাকচি, আহমেতজান কাপলান, চাগলার সোয়ুনচু, এরেন এলমালি, ফেরদি কাদিওগ্লু, মেরিহ দেমিরাল, মের্ত মুলদুর, মুস্তাফা এস্কিহেল্লাচ, ওজান কাবাক, সামেত আকায়দিন, ইউসুফ আকচিচেক, জেকি চেলিক

 

 

মিডফিল্ডার আতাকান কারাজোর, দেমির এজে তিকনাজ, হাকান চালহানওগ্লু, ইসমাইল ইউকশেক, কান আয়হান, ওরকুন কোকচু, সালিহ ওজকান

 

 

ফরোয়ার্ড আরাল সিমসির, আর্দা গুলের, বারিশ আলপার ইলমাজ, ক্যান উজুন, ডেনিজ গুল, ইরফান কান কাহভেচি, কেনান ইয়িলদিজ, কেরেম আক্তুরকোগলু, ওগুজ আয়দিন, ইউনুস আকগুন, ইউসুফ সারি

 

 

যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ক্রিস ব্র্যাডি, ম্যাট ফ্রিস, ম্যাট টার্নার

 

 

ডিফেন্ডার ম্যাক্স আর্ফস্টেন, সার্জিনো ডেস্ট, অ্যালেক্স ফ্রিম্যান, মার্ক ম্যাকেঞ্জি, টিম রিম, ক্রিস রিচার্ডস, অ্যান্টোনি রবিনসন, মাইলস রবিনসন, জো স্ক্যালি, অস্টন ট্রাস্টি

 

 

মিডফিল্ডার টাইলার অ্যাডামস, সেবাস্তিয়ান বেরহাল্টার, ওয়েস্টন ম্যাককেনি, ক্রিশ্চিয়ান রোলদান, ব্রেন্ডেন অ্যারনসন, ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক, জিও রেয়না, মালিক টিলম্যান, টিমোথি ওয়াহ, আলেহান্দ্রো জেনদেজাস

 

 

ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুন, রিকার্ডো পেপি, হাজি রাইট।

 

 

গ্রুপ ‘সি’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

 

ব্রাজিল চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক আলিসন, এদেরসন, ওয়েভারতন

ডিফেন্ডার আলেক্স সান্দ্রো, ব্রেমার, দানিলো, ডগলাস সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, ইবানিয়েজ, লেও পেরেইরা, মার্কিনিয়োস, ওয়েসলি

মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারায়েস, কাসেমিরো, দানিলো সান্তোস, ফাবিনিও, লুকাস পাকেতা

ফরোয়ার্ড এন্দ্রিক, গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি, ইগর থিয়াগো, লুইজ হেনরিকে, মাতেউস কুনিয়া, নেইমার জুনিয়র, রাফিনিয়া, রায়ান, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

 

 

হাইতি চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক জোস্যু দুভেরজে, আলেক্সান্দ্রে পিয়ের, জনি প্লাসিদ

 

 

 

ডিফেন্ডার রিকার্দো আডে, কার্লেন্স আর্কুস, হানেস ডেলক্রোয়া, জঁ-কেভিন দুভের্নে, মার্টিন এক্সপেরিয়েন্স, ডিউক ল্যাক্রোয়া, উইলগুয়েন্স পোগাঁ, কেতো থেরমন্সি

 

 

 

মিডফিল্ডার কার্ল ফ্রেড সাঁত, জঁ-রিকনার বেলগার্দ, লেভারটন পিয়ের, ড্যানলি জাঁ জ্যাক, উডেনস্কি পিয়ের, ডমিনিক সাইমন

 

 

 

ফরোয়ার্ড জোস্যু কাসিমির, লুইসিয়াস ডিডসন, ডেরিক এত্যিয়েন জুনিয়র, ইয়াসিন ফর্চুন, উইলসন ইসিডর, লেনি জোসেফ, ডুকেন্স নাজঁ, ফ্রাঁৎসদি পিয়েরে, রুবেন প্রভিদঁস

 

 

 

মরক্কো চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনু, মুনির এল কাজুই, রেদা তাগনাউতি

 

 

 

ডিফেন্ডার নুসাইর মাজরাউই, আনাস সালাহ-এদ্দিন, ইউসুফ বেলামারি, আচরাফ হাকিমি, জাকারিয়া এল ওয়াহদি, নায়েফ আগুয়ের্ড, চাদি রিয়াদ, রেদোয়ান হালহাল, ইসা দিয়োপ

 

 

 

মিডফিল্ডার সামির এল মরাবেত, আয়্যুব বোউআদি, নীল এল আয়নাউই, সোফিয়ান আম্রাবাত, আজজেদিন উনাহি, বিলাল এল খান্নুস, ইসমাইল সাইবারি

 

 

 

ফরোয়ার্ড আবদে এজালজুলি, শেমসদিন তালবি, সুফিয়ান রহিমি, আয়্যুব এল কাবি, ব্রাহিম দিয়াজ, গেসিম ইয়াসিন, আয়ুব আমাইমুনি

 

 

স্কটল্যান্ড চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ক্রেগ গর্ডন, অ্যাঙ্গাস গান, লিয়াম কেলি

 

 

 

ডিফেন্ডার গ্রান্ট হ্যানলি, জ্যাক হেনড্রি, অ্যারন হিকি, ডম হাইয়াম, স্কট ম্যাককেনা, নাথান প্যাটারসন, অ্যান্থনি রালস্টন, অ্যান্ডি রবার্টসন, জন সাউটার, কিয়েরান টিয়ার্নি

 

 

মিডফিল্ডার রায়ান ক্রিস্টি, ফিন্ডলে কার্টিস, লুইস ফার্গুসন, টাইলার ফ্লেচার, বেন গ্যানন-ডোয়াক, জন ম্যাকগিন, কেনি ম্যাকলিন, স্কট ম্যাকটমিনে

 

 

ফরোয়ার্ড চে অ্যাডামস, লিন্ডন ডাইমন, জর্জ হার্স্ট, লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ড, রস স্টুয়ার্ট

 

 

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় খালেদা জিয়ার নামে প্রতিষ্ঠানের নামকরণ

কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নাম পরিবর্তন করে ‘বেগম খালেদা জিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কেরানীগঞ্জ’ হিসেবে পুনঃনামকরণের একটি সার-সংক্ষেপ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। তবে, প্রধানমন্ত্রী এ প্রস্তাবটি অনুমোদন না করে একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রদান করেন।

 

 

তিনি সুস্পষ্টভাবে অনুশাসন দেন যে, ‘প্রয়োজনে নতুন প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করুন, পুরাতন নয়।’ অর্থাৎ, পুরাতন প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন না করে, প্রয়োজনে নতুন কোনো উদ্যোগ বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই নামকরণ বিবেচনা করা যেতে পারে।

 

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।