সিরাজগঞ্জ , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হলেন বিএনপির এলিজা জামান Logo শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা Logo পোশাকশিল্প ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত স্বার্থান্বেষী মহল Logo টানা চার দিন দেশজুড়ে কম থাকবে গ্যাসের চাপ Logo ৩০ হাজার ইয়াবা লুটের অভিযোগে প্রত্যাহার ৩ পুলিশ সদস্য Logo ফুটপাতের অবৈধ ব্যবসায় বিপাকে শপিং মল, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার Logo সরিষাবাড়ী পৌরসভার তিন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, দুদকের অভিযান Logo আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিল নামিবিয়া Logo ভুটানের ‘মাইন্ডফুলনেস’ নগরে এক দিনেই নির্মিত ১০৮ বৌদ্ধ স্তূপ Logo পাঁচ কোটি টাকার ছয়টি সোনার ডিম জব্দ
সহযোগীর সহায়তায় আটক সন্দেহভাজন

সেনবাগের গরু ব্যবসায়ী রাকিব ডাকাতের হামলায় নিহত

নোয়াখালীর সেনবাগে রংপুর থেকে গরু কিনে ট্রাকযোগে ফেরার পথে ডাকাত দলের হামলায় মো. রাকিব (৩০) নামে এক গরু ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ডাকাত দলের সদস্য সন্দেহে আশাদুল (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে সেনবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন তাঁর ব্যবসায়িক সহযোগী অলি উল্লাহ।

 

 

 

 

 

নিহত রাকিব সেনবাগ উপজেলার ১০ নম্বর ইয়ারপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইয়ারপুর গ্রামের মনির উদ্দিন পণ্ডিত বাড়ি (প্রকাশ শেখ আহম্মদ মিয়ার বাড়ি) এলাকার সরাফত আলীর ছেলে।

 

 

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ অক্টোবর রংপুরের কাউনিয়া উপজেলা থেকে রাকিব ও তাঁর ব্যবসায়িক সহযোগী অলি উল্লাহ গরু কিনে ট্রাকযোগে সেনবাগের উদ্দেশে রওনা হন। পথে তাঁদের পূর্বপরিচিত রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার আমজাদ হোসেনের ছেলে আশাদুল (২৮) ও তাঁর ভগ্নিপতি সোহেল সেনবাগে যাওয়ার কথা বলে ওই ট্রাকে ওঠেন। এ সময় সোহেল ও রাকিব ট্রাকের পেছনে গরুর সঙ্গে অবস্থান করেন। অন্যরা ছিলেন চালকের কেবিনে।

 

 

 

 

ট্রাকটি সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল অতিক্রম করে গাজীপুর এলাকায় পৌঁছালে যাত্রাবিরতির জন্য থামানো হয়। এ সময় চা-নাশতা খাওয়ার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে রাকিব ও সোহেলকে ডাকাডাকি করা হলেও তাঁদের কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সোহেল কৌশলে পালিয়ে যান। তবে রাকিবের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

 

 

 

 

এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আশাদুলকে আটক করে সেনবাগে নিয়ে আসেন অলি উল্লাহ। পরে তাঁকে সেনবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

 

 

 

অন্যদিকে, গাজীপুর হাইওয়ে পুলিশ কোনাবাড়ী এলাকা থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্ত শেষে বেওয়ারিশ হিসেবে মরদেহটি দাফন করা হয় বলে জানা গেছে।

 

 

 

 

রোববার (১ নভেম্বর) রাকিবের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তাঁর পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।

 

 

 

 

এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত, মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজনরা।

 

 

 

জনতার কণ্ঠ/জেডএইচ

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হলেন বিএনপির এলিজা জামান

সহযোগীর সহায়তায় আটক সন্দেহভাজন

সেনবাগের গরু ব্যবসায়ী রাকিব ডাকাতের হামলায় নিহত

আপডেট টাইম : ১০:৫৮:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

নোয়াখালীর সেনবাগে রংপুর থেকে গরু কিনে ট্রাকযোগে ফেরার পথে ডাকাত দলের হামলায় মো. রাকিব (৩০) নামে এক গরু ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ডাকাত দলের সদস্য সন্দেহে আশাদুল (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে সেনবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন তাঁর ব্যবসায়িক সহযোগী অলি উল্লাহ।

 

 

 

 

 

নিহত রাকিব সেনবাগ উপজেলার ১০ নম্বর ইয়ারপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইয়ারপুর গ্রামের মনির উদ্দিন পণ্ডিত বাড়ি (প্রকাশ শেখ আহম্মদ মিয়ার বাড়ি) এলাকার সরাফত আলীর ছেলে।

 

 

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ অক্টোবর রংপুরের কাউনিয়া উপজেলা থেকে রাকিব ও তাঁর ব্যবসায়িক সহযোগী অলি উল্লাহ গরু কিনে ট্রাকযোগে সেনবাগের উদ্দেশে রওনা হন। পথে তাঁদের পূর্বপরিচিত রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার আমজাদ হোসেনের ছেলে আশাদুল (২৮) ও তাঁর ভগ্নিপতি সোহেল সেনবাগে যাওয়ার কথা বলে ওই ট্রাকে ওঠেন। এ সময় সোহেল ও রাকিব ট্রাকের পেছনে গরুর সঙ্গে অবস্থান করেন। অন্যরা ছিলেন চালকের কেবিনে।

 

 

 

 

ট্রাকটি সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল অতিক্রম করে গাজীপুর এলাকায় পৌঁছালে যাত্রাবিরতির জন্য থামানো হয়। এ সময় চা-নাশতা খাওয়ার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে রাকিব ও সোহেলকে ডাকাডাকি করা হলেও তাঁদের কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সোহেল কৌশলে পালিয়ে যান। তবে রাকিবের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

 

 

 

 

এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আশাদুলকে আটক করে সেনবাগে নিয়ে আসেন অলি উল্লাহ। পরে তাঁকে সেনবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

 

 

 

অন্যদিকে, গাজীপুর হাইওয়ে পুলিশ কোনাবাড়ী এলাকা থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্ত শেষে বেওয়ারিশ হিসেবে মরদেহটি দাফন করা হয় বলে জানা গেছে।

 

 

 

 

রোববার (১ নভেম্বর) রাকিবের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তাঁর পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।

 

 

 

 

এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত, মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজনরা।

 

 

 

জনতার কণ্ঠ/জেডএইচ