ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদানের অনুমোদন কেন বাতিল বা প্রত্যাহার করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) বিটিইবির পরিদর্শক প্রকৌশলী বি. এম. আমিনুল ইসলামের সই করা এক তাগিদপত্রে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।
বোর্ডের তালিকায় থাকা ৮৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ও ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার শিক্ষাক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
বিটিইবির অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বোর্ডের আওতাধীন এসব প্রতিষ্ঠান গত তিন বছর ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করেনি।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমোদনের শর্তে বলা হয়েছে, কোনো প্রতিষ্ঠানে পরপর তিন বছর শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে ওই প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমোদন বাতিল করা হবে।
অফিস আদেশে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা পর্যায়ের বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন, পাঠদান ও স্বীকৃতি প্রদান সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২০-এর উপনীতি ৫.৪ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের ফলাফল, অবকাঠামো, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, ব্যবস্থাপনা কমিটি, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, লাইব্রেরি এবং পাঠদানের অনুমতি প্রদানের সময় আরোপিত অন্যান্য প্রযোজ্য শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে সরকারের অনুমোদনক্রমে বোর্ড পাঠদানের অনুমতি বাতিল করতে পারবে।
এতে বলা হয়, গত তিন বছর ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা না করায় সংযুক্ত তালিকায় থাকা ৮৬টি প্রতিষ্ঠানের আগামী ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করা হবে।