সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

হাসপাতাল গেটেই বেসরকারি ক্লিনিকে সরকারি ডাক্তার

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনেই ক্লিনিকগুলোতে বসছেন সরকারি ডাক্তার।

 

 

 

 

গত ২২ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রজ্ঞাপণ অনুযায়ী সরকারি কোন হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোন ক্লিনিক বা হাসপাতালের অনুমোদন দেওয়া যাবে না। বিদ্যমান ক্লিনিকগুলোতে কোন সরকারি ডাক্তার প্র্যাকটিস করতে পারবে না।

 

 

 

 

 

ওই প্রজ্ঞাপণ অমান্য করে তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৫০ থেকে ১০০ মিটারের মধ্যে বিদ্যমান ৫টি বেসরকারি ক্লিনিকে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা রোগী দেখছেন।

 

 

 

 

সম্প্রতি সরেজমিনে জানা যায়, তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আনুমানিক ১০০ মিটার পূর্বপাশে জনতা ডায়াগনস্টিক সেন্টার। যেখানে রোগী দেখছেন সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক সহকারী পরিচালক এবং বর্তমানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কর্মরত ডা. আনোয়ার হোসেন।

 

 

 

তাড়াশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গেইটের সরাসরি সামনে গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড। যেখানে অন্যান্য ডাক্তারের পাশাপাশি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. ইকবাল হোসেন রোগী দেখছেন।

 

 

 

এর পাশেই সরকার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখছেন ফরিদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. উর্মি সাহা। এছাড়াও যমুনা প্যাথলজিতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অপর চিকিৎসক ডা. রিনা আক্তার রুমি রোগী দেখছেন।

 

 

 

 

সরকারের প্রজ্ঞাপণ জারি করেছে, তার প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল। সরকার যদি ক্লিনিকগুলো এক কিলোমিটার দুরে নেয়, আমরাও সেই এক কিলোমিটার দুরেই প্র্যাকটিস করবো।

 

 

 

 

ডা. উর্মি সাহা বলেন, যদি আমাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মহোদয় নোটিশ করেন, আমি অবশ্যই চেম্বার করা বাদ দেব।

 

 

 

 

এ বিষয়ে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. তাসলিমা জান্নাত বলেন, প্রজ্ঞাপণের বিষয়ে কিছু ভুল বোঝাবুঝি রয়েছে। ওই প্রজ্ঞাপণে রয়েছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক কিলোমিটারের মধ্যে বিদ্যমান ক্লিনিকগুলোতে ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা প্র্যাকটিস করতে পারবেন না। দূরের কোন সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার প্র্যাকটিস করতে বাধা নেই।

 

 

জনতার কণ্ঠ/জেডএইচ

One thought on “হাসপাতাল গেটেই বেসরকারি ক্লিনিকে সরকারি ডাক্তার”

  1. হেলথ কেয়ার ইউনিট ২ এটা কি ১ কি.মি এর বাইরে নাকি,,,

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসপাতাল গেটেই বেসরকারি ক্লিনিকে সরকারি ডাক্তার

আপডেট টাইম : ০৬:২৮:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনেই ক্লিনিকগুলোতে বসছেন সরকারি ডাক্তার।

 

 

 

 

গত ২২ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রজ্ঞাপণ অনুযায়ী সরকারি কোন হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোন ক্লিনিক বা হাসপাতালের অনুমোদন দেওয়া যাবে না। বিদ্যমান ক্লিনিকগুলোতে কোন সরকারি ডাক্তার প্র্যাকটিস করতে পারবে না।

 

 

 

 

 

ওই প্রজ্ঞাপণ অমান্য করে তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৫০ থেকে ১০০ মিটারের মধ্যে বিদ্যমান ৫টি বেসরকারি ক্লিনিকে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা রোগী দেখছেন।

 

 

 

 

সম্প্রতি সরেজমিনে জানা যায়, তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আনুমানিক ১০০ মিটার পূর্বপাশে জনতা ডায়াগনস্টিক সেন্টার। যেখানে রোগী দেখছেন সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক সহকারী পরিচালক এবং বর্তমানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কর্মরত ডা. আনোয়ার হোসেন।

 

 

 

তাড়াশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গেইটের সরাসরি সামনে গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড। যেখানে অন্যান্য ডাক্তারের পাশাপাশি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. ইকবাল হোসেন রোগী দেখছেন।

 

 

 

এর পাশেই সরকার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখছেন ফরিদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. উর্মি সাহা। এছাড়াও যমুনা প্যাথলজিতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অপর চিকিৎসক ডা. রিনা আক্তার রুমি রোগী দেখছেন।

 

 

 

 

সরকারের প্রজ্ঞাপণ জারি করেছে, তার প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল। সরকার যদি ক্লিনিকগুলো এক কিলোমিটার দুরে নেয়, আমরাও সেই এক কিলোমিটার দুরেই প্র্যাকটিস করবো।

 

 

 

 

ডা. উর্মি সাহা বলেন, যদি আমাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মহোদয় নোটিশ করেন, আমি অবশ্যই চেম্বার করা বাদ দেব।

 

 

 

 

এ বিষয়ে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. তাসলিমা জান্নাত বলেন, প্রজ্ঞাপণের বিষয়ে কিছু ভুল বোঝাবুঝি রয়েছে। ওই প্রজ্ঞাপণে রয়েছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক কিলোমিটারের মধ্যে বিদ্যমান ক্লিনিকগুলোতে ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা প্র্যাকটিস করতে পারবেন না। দূরের কোন সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার প্র্যাকটিস করতে বাধা নেই।

 

 

জনতার কণ্ঠ/জেডএইচ