
সিরাজগঞ্জে কালেমার নিশান ইরানের পতাকা নিয়ে শোক মিছিল
- নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৭:২৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
কালেমা খচিত নিশান ও ইরানের পতাকা নিয়ে সিরাজগঞ্জে শোক মিছিল করলো ইরান সাপোর্টার সোসাইটি।
শুক্রবার (২৬ জুন) বাদ জুমা শহরের বাজার স্টেশন মুক্তির সোপান চত্বর থেকে শোক মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা হায় হোসেন হায় হোসেন, আল কোরআনের আলো ঘরে ঘরে জালো, ফিলিস্তিন জিন্দাবাদ শ্লোগান দিতে থাকেন।
মিছিলে ইরান সাপোর্টার্স সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মহিউদ্দিন সুজন ও সভাপতি লিমন শেখসহ বিভিন্ন ইরানের সমর্থকেরা অংশ নেন।
শোক মিছিল অংশ নেওয়া সমর্থকেরা বলেন, আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (স:) এর প্রিয় নাতিকে আজকে শহীদ করা হয়। এ জন্য আজ আমাদের শোকের দিন। চলমান ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের বিজয় প্রার্থনা করেন মুসুল্লীরা।
আয়োজক মহিউদ্দিন সুজন বলেন, কারবেলায় সত্যের জন্য জীবন দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন ইমাম হোসাইন। আজকে সেই শোকের দিনে মিছিল করছি। আমরা ইরান, ফিলিস্তিনি, ইয়মেন লেবাননের পক্ষে আমরা প্রতিবাদ মিছিল করেছি। আগামী বছর বিশাল তাজোয়া মিছিল করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।

সিরাজগঞ্জে নারী-শিশু নির্যাতন ও গুম-খুন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন
- নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৭:১৬:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং গুম-খুন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসুচি পালিতহয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে শহরের বাজার স্টেশন চত্বরে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।
মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা জজ আদালতের আইনজীবী ও সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাজমুল হাসান বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন একটি সামাজিক ব্যাধি। এসব অপরাধ প্রতিরোধে আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়ে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, মানবাধিকার রক্ষা এবং অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব, প্রধান শিক্ষককে জুতাপেটার অভিযোগ
- জয়পুরহাট প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৭:০৮:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

চার বছর পর দর্শকদের জন্য আবারও আসছে ‘হাওয়া’
- বিনোদন ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৬:৪৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ও সফল সিনেমাগুলোর একটি ‘হাওয়া’। সিনেমাটি আবারও বড় পর্দায় ফিরেছে। ২০২২ সালে মুক্তির পর দেশ-বিদেশে ব্যাপক সাড়া জাগানো মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত সিনেমাটি আজ শুক্রবার থেকে স্টার সিনেপ্লেক্সের বিভিন্ন শাখায় পুনরায় প্রদর্শিত হচ্ছে।
প্রথম মুক্তির আগেই ‘হাওয়া’ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। হাশিম মাহমুদের লেখা ও জনপ্রিয় হয়ে ওঠা ‘সাদা সাদা কালা কালা’ গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সর্বত্র ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। সিনেমা মুক্তির পর সেই উন্মাদনা আরও বেড়ে যায়। দেশের সিনেপ্লেক্স ও সিঙ্গেল-স্ক্রিন প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড়ের পাশাপাশি বিদেশের বিভিন্ন দেশেও সিনেমাটি উল্লেখযোগ্য ব্যবসায়িক সাফল্য পায়। ‘হাওয়া’র বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, নাজিফা তুষি, শরিফুল রাজ, সোহেল মণ্ডলসহ আরও অনেকে।
এদিকে কোরবানির ঈদে মুক্তি পাওয়া পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমনের নতুন সিনেমা ‘রইদ’ এখনো দেশের বিভিন্ন সিনেপ্লেক্সে প্রদর্শিত হচ্ছে। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, নাজিফা তুষি, গাজী রাকায়েতসহ একদল অভিনয়শিল্পী।
শুধু ‘হাওয়া’ নয়, আজ স্টার সিনেপ্লেক্সে পুনর্মুক্তি পেয়েছে এম রাহিম পরিচালিত ‘জংলি’ সিনেমাটিও। গত বছরের রোজার ঈদে মুক্তি পাওয়া এ সিনেমাতে অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ, শবনম বুবলী, প্রার্থনা ফারদিন দীঘিসহ আরও অনেকে। ফলে নতুন সিনেমার পাশাপাশি দর্শকদের জন্য জনপ্রিয় দুটি আলোচিত সিনেমাও আবার বড় পর্দায় উপভোগের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

পেলের-ম্যারাডোনার ১০ নম্বরের শুরুটা নাকি এক ভুল থেকে!
- ক্রীড়া ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৬:৩৬:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
১০ নম্বর জার্সি। বললে কিংবদন্তি ফুটবলারদের মুখ ভেসে ওঠে। পেলে, ম্যারাডোনা থেকে মিশেল প্লাতিনি, জিনেদিন জিদান কিংবা মেসি-নেইমার-এমবাপ্পেরা যার মধ্যমণি। সবুজ গালিচার মতো মাঠে সেই জার্সিটা ঢেউ খেলিয়ে উঠলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে জাদুকরি সব মুহূর্ত। অনেকেই হয়তো জানেন না, কিংবদন্তি এই জার্সির ‘জন্ম’ অনেক বড় এক ভুল থেকে।
পেলের আবির্ভাবের আগে ১০ নম্বর জার্সি ছিল নিছক একটা সংখ্যা। ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন সময়মতো খেলোয়াড়দের জার্সি নম্বরের তালিকা জমা দিতে পারেনি। অগত্যা লোরেঞ্জো ভিলিজিও নামে ফিফার এক কর্তা ফুটবলারদের মধ্যে ১ থেকে ২২ নম্বর জার্সি লটারির মাধ্যমে বণ্টন করেন। গোলরক্ষক গিলমার পান ৩ নম্বর। ডিফেন্ডার জোজিমোর ভাগ্যে জোটে ৯ নম্বর। ঘটনাচক্রে ১০ নম্বর জার্সি চলে যায় ১৭ বছর বয়সি এক কিশোর ফুটবলারের কাছে। যার নাম এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো। বিশ্বজুড়ে সবাই যাকে একবাক্যে পেলে নামে চেনে।
চোটের কারণে শুরুতে বেঞ্চে ছিলেন। তবে মাঠে নামার পর বিশ্বকাপ মাতিয়ে তোলেন পেলে। ওয়েলসের বিপক্ষে গোল, ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনালে হ্যাটট্রিক, আয়োজক সুইডেনের সঙ্গে ফাইনালে জোড়া গোল করে ব্রাজিলকে প্রথম বিশ্বজয়ের শিরোপা এনে দেন। মাত্র ১৭ বছর ২৩৯ দিন বয়সে বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করা সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসাবেও ইতিহাস গড়েন। এরপর থেকে পেলে এবং ১০ নম্বর জার্সি একে অপরের পরিপূরক হয়ে যায়।
অনেকেই বলেন, ব্রাজিল যদি সময়মতো জার্সি তালিকা জমা দিত, তাহলে পেলে হয়তো অন্য কোনও নম্বরের জার্সি পরতেন। একেবারে অকাট্য যুক্তি। ১৯৫৭ সাল। তখনও জাতীয় দলে সুযোগ পাননি ‘কালো মানিক’। ১৯৫৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর সান্তোস এফসির হয়ে অভিষেক হয়েছিল পেলের। প্রতিপক্ষ করিন্থিয়ানস। মাত্র ১৫ বছর বয়সে বদলি খেলোয়াড় হিসাবে মাঠে নেমেছিলেন।
অভিষেক ম্যাচেই গোল করে দলের ৭-১ ব্যবধানের জয়ে অবদান রেখেছিলেন। ওই সময় ১০ নম্বর জার্সি পরতেন ভাসকোনসেলোস। তবে সাও পাওলোর বিপক্ষে তার পা ভেঙে যায়। ১৯৫৭ সালের শুরুতে সুইডেনের একটি ক্লাবের বিরুদ্ধে সান্তোসের ১০ নম্বর জার্সি পরে প্রথমবারের মতো মাঠে নামেন পেলে। যদিও তখনও সেই জার্সি পেলের জন্য শিরোধার্য ছিল না। অথচ ব্রাজিল ফেডারেশনের সেই ‘ভুল’ই ১০ নম্বর জার্সিকে পেলের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ করে দেয়। এই জার্সি পরেই পেলে জিতেছেন তিন-তিনটি বিশ্বকাপ।
শুরুর দিকে জার্সি নম্বর মাঠের অবস্থান অনুযায়ী ফুটবলারদের দেওয়া হত। তখন ১০ নম্বর জার্সি পরতেন সাধারণত সেই খেলোয়াড়, যিনি মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগের মধ্যে যোগসূত্র তৈরি করতেন। আক্রমণ গড়ে তুলতে মুখ্য ভূমিকা নিতেন। সময়ের সঙ্গে আরও আধুনিক হয়েছে ফুটবল। কিন্তু ১০ নম্বর জার্সির গুরুত্ব কমেনি। সময়ের সঙ্গে এই জার্সি দলের সেরা ফুটবলারের প্রতীক হয়ে উঠেছে।
পেলের পর ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ১০ নম্বর জার্সির মর্যাদা আরও বাড়িয়ে দেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা। তার নেতৃত্বে বিশ্বকাপ জেতে আর্জেন্টিনা। ১৯৯৮ সালে জিনেদিন জিদান ফ্রান্সকে প্রথম বিশ্বকাপ জিতিয়ে ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যান। একইভাবে ব্রাজিলের রিভালদো ও রোনালদিনহো ১০ নম্বর জার্সির গৌরব অটুট রাখেন। ২০২২ বিশ্বকাপ জিতে এই দশ নম্বরের ঐতিহ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন লিওনেল মেসি। কিলিয়ান এমবাপ্পে, নেইমারের মতো তারকারাও মাঠ মাতান ১০ নম্বর জার্সি পরে। মাঝেমাঝে ভুলও তৈরি করে ইতিহাস। ভুল না হলে হয়তো ১০ নম্বর জার্সি নিয়ে এত রূপকথার জন্মই হত না।

চট্টগ্রামে সেপটিক ট্যাংকে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ৪ জনের মৃত্যু
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৬:২৪:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামে পৃথক ঘটনায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে বিষাক্ত গ্যাসে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে রাউজান ও নগরীর ডাবলমুরিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নির্মাণাধীন ভবনের ট্যাংকে কাজ করতে নেমে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তারা প্রাণ হারান বলে জানিয়েছে হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্র।
চমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ডাবলমুরিং থানাধীন ধনিয়ালাপাড়া এলাকায় জাকির ম্যানশনের পাশে নির্মাণাধীন একটি ভবনের ওয়াটার রিজার্ভ ট্যাংকের সেন্টারিং খোলার কাজে দুইজন ট্যাংকের ভেতরে নামেন। এ সময় ভেতরে জমে থাকা গ্যাসে তারা অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাদের অজ্ঞান অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে তাদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে একজন সাকিব, তার পিতার নাম আমিনুল হক। তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীতে। অপরজন হৃদয় মিয়া (২৫)। তার পিতা মিলন মিয়া ও মাতা নাছিমা। তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর এলাহী এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
একই দিনে রাউজান উপজেলায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন- রাউজানের কচুখাইন এলাকার প্রদীপ দাশ এবং বোয়ালখালীর কদুরখিল এলাকার সমীরণ দাশ।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, রতন ডাক্তারের নির্মাণাধীন বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে তারা দুর্ঘটনার শিকার হন। প্রদীপ ওই বাড়ির মালিক রতন ডাক্তারের জামাতা বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রথমে প্রদীপ ট্যাংকে নামেন। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ট্যাংকের গ্যাসে তিনি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করতে নামেন সমীরণ। পরে তিনিও একইভাবে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

হাম সংকট আরও গভীর, প্রাণহানি ৭০০-এর বেশি
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৬:১৭:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০২ জনে।
শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কেউ মারা না গেলেও সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যু হয়েছে চার শিশুর। এ সময় ৮৬৯ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। একই সময়ে নিশ্চিত হামের রোগী শনাক্তের সংখ্যা ১০৭।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন বলছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে যে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তারা ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের।
এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ২৬৩ জন ঢাকায় মারা গেছে; রাজশাহী বিভাগে ৮৮, সিলেটে ৭৭, চট্টগ্রামে ৫১, বরিশালে ৩৯, ময়মনসিংহে ৫৬, খুলনায় ২৭ এবং রংপুরে ৮ জন মারা গেছে।
গত ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৩ শিশু। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মারা গেছে ৭০২ শিশু।
দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম রোগী ভর্তির সংখ্যা ৮১ হাজার ২৮৩ জন। যার মধ্যে ৭৭ হাজার ৬১৩ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন।
দেশজুড়ে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা, বিশেষ ক্যাম্পেইন পরিচালনা এবং স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নানা উদ্যোগের পরও হামের সংক্রমণ ও মৃত্যু প্রত্যাশিত হারে কমছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বের অন্যতম সংক্রামক এই রোগ নিয়ন্ত্রণে টিকাদানই সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র হলেও কভারেজের ঘাটতি, টিকা নিয়ে অভিভাবকদের দ্বিধা, মাঠপর্যায়ে নজরদারির দুর্বলতা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে নতুন কিছু প্রশ্ন পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। এমনকি টিকার পূর্ণ ডোজ নেওয়া শিশুদের মধ্যেও প্রত্যাশিত মাত্রায় রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠছে কি না, তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

সৌদিতে ওমরাহ, কাবা শরিফ থেকে ভাবনার আবেগঘন অনুভূতি
- বিনোদন ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৬:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন ছোট ও বড়পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। এ সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন মা, বাবা ও বোন।
শুক্রবার (২৬ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পবিত্র মক্কা শরিফ থেকে কয়েকটি ছবি শেয়ার করে ওমরাহ পালনের খবর জানান তিনি। একই সঙ্গে তুলে ধরেন কাবা শরিফ প্রথম দেখার অনুভূতিও।
ফেসবুক পোস্টে ভাবনা লেখেন, ‘প্রথমবার যখন পবিত্র কাবার দিকে তাকালাম, তখন মনে হলো সব শব্দ হারিয়ে গেছে। ভাষা দিয়ে সেই মুহূর্তের গভীর আবেগ, অন্তরের প্রশান্তি আর অসীম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’
তিনি আরও লেখেন, ‘জীবনের এই পরম সৌভাগ্যের জন্য মহান আল্লাহর কাছে অশেষ কৃতজ্ঞ। সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহই মালিক।’
অভিনেত্রীর এই পোস্ট প্রকাশের পর থেকেই ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং সহকর্মীরা মন্তব্যের ঘরে তাকে শুভেচ্ছা ও দোয়া জানাচ্ছেন। অনেকে তার এবং পরিবারের জন্য বিশেষ দোয়া কামনা করেছেন।
প্রসঙ্গত, ছোটপর্দার মাধ্যমে অভিনয়জগতে পথচলা শুরু হয় ভাবনার। পরে ২০১৭ সালে নির্মাতা অনিমেষ আইচ পরিচালিত ‘ভয়ংকর সুন্দর’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হয় তার। তারপর ওপার বাংলার অভিনেতা পরমব্রত চ্যাটার্জির বিপরীতে ‘নয়নতারা’ সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসা লাভ করেন।

নকআউটের সমীকরণ স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচে, অপেক্ষায় আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড
- ক্রীড়া ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৫:৫৭:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে এসে জমে উঠেছে ‘এইচ’ গ্রুপের সমীকরণ। নকআউট পর্বে ওঠার লড়াইয়ে এখনো টিকে আছে চার দলই। ফলে শেষ ম্যাচের ফলেই নির্ধারিত হবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন কে হবে, আর কারা জায়গা করে নেবে পরের পর্বে।
শনিবার (২৭ জুন) সকালে মেক্সিকোর গুয়াদালাহারায় মুখোমুখি হবে সাবেক দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন ও উরুগুয়ে। বাংলাদেশ সময় ম্যাচটি শুরু হবে সকাল ৬টায়। একই সময়ে হিউস্টনে মাঠে নামবে সৌদি আরব ও কেপ ভার্দে। গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে স্পেন। দুই ম্যাচে এক জয় ও এক ড্রয়ে তাদের সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট। অন্যদিকে দুটি ম্যাচই ড্র করে ২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে উরুগুয়ে। ফলে দুই দলের সামনেই রয়েছে গ্রুপসেরা হওয়ার সুযোগ।
আসর শুরু হয়েছিল ড্র দিয়ে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে স্পেন। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন ফুটবলারের চোট নিয়ে যে শঙ্কা ছিল, সেটিও অনেকটাই কেটে গেছে। তবু উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সতর্ক অবস্থানেই রয়েছেন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।
তিনি বলেন, আমাদের সবশেষ ম্যাচটা দারুণ ছিল। তবে উরুগুয়েকে হারানোর জন্য সে পারফরম্যান্স যথেষ্ট হবে না। আমাদের আরও ভালো করতে হবে, আরও মনোযোগী ও নিখুঁত হতে হবে।
উরুগুয়ের বিপক্ষে পরিসংখ্যানও স্পেনের পক্ষেই কথা বলছে। লাতিন আমেরিকার এই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ৭৬ বছরের মুখোমুখি লড়াইয়ের ইতিহাসে কখনো হারেনি স্পেন। ১০ ম্যাচে তাদের জয় ৫টি, বাকি ৫টি ড্র হয়েছে।
তবে উরুগুয়ের জন্য ম্যাচটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দুই ড্রয়ে ২ পয়েন্ট নিয়ে থাকা মার্সেলো বিয়েলসার দলকে নকআউটে যেতে হলে অন্তত ড্র করতে হবে। সেক্ষেত্রে তারা পরের পর্বে জায়গা নিশ্চিত করবে। তবে তখন নকআউটে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড।
অন্যদিকে স্পেনকে হারাতে পারলে ইতিহাস গড়বে উরুগুয়ে। একই সঙ্গে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথও খুলে যাবে তাদের সামনে। সে ক্ষেত্রে নকআউট পর্বে স্পেনের প্রতিপক্ষ হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
এদিকে এই গ্রুপে চমক জাগানো কেপ ভার্দের সামনেও রয়েছে শীর্ষস্থান দখলের সুযোগ। সৌদি আরবকে হারাতে পারলে ৫ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপপর্ব শেষ করবে তারা। তবে সেই ফল হলে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হবে সৌদি আরবকে।
সব মিলিয়ে ‘এইচ’ গ্রুপের শেষ দিনটি হতে যাচ্ছে রোমাঞ্চে ভরা। চার দলেরই সামনে যখন নকআউটের স্বপ্ন বেঁচে আছে, তখন শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত সমীকরণের হিসাবও বদলাতে পারে বারবার।

ফিফার বিতর্কিত সিদ্ধান্তে একসুরে আপত্তি ইরান-মিসরের
- ক্রীড়া ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৫:৫১:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
খেলা শুরুর আগেই বিতর্কের তুঙ্গে ইরান বনাম মিসর ম্যাচ। সিয়াটলে সমকামী অধিকার আন্দোলন ঘিরে ফিফা ও দুই দেশের ফুটবল ফেডারেশনের মধ্যে তৈরি হয়েছে তীব্র উত্তেজনা। আগামী শনিবার আমেরিকার সিয়াটল শহরে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে মাঠের লড়াই শুরুর আগেই মাঠের বাইরের একটি বিষয় নিয়ে ম্যাচটি টুর্নামেন্টের অন্যতম বিতর্কিত ম্যাচে পরিণত হয়েছে।
মূলত সপ্তাহান্তে সিয়াটল শহরে সমকামী অধিকার আন্দোলনের কিছু পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি এবং এর সঙ্গে এই ম্যাচের সংশ্লিষ্টতা নিয়েই তৈরি হয়েছে এই জটিলতা। খেলার সূচি নির্ধারণের সময় ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এই ম্যাচটিকে ‘প্রাইড ম্যাচ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।
এর মূল কারণ, সিয়াটল শহরটি ঐতিহাসিকভাবেই সমকামী অধিকার আন্দোলনের পক্ষের শহর হিসেবে পরিচিত এবং কাকতালীয়ভাবে ম্যাচের দিনই সেখানে ঐতিহ্যবাহী ‘প্রাইড প্যারেড’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে সূচি ঘোষণার পর থেকেই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।
ইরান এবং মিসর উভয় দেশের ফুটবল ফেডারেশনই তাদের ম্যাচের সঙ্গে সমকামী অধিকার সম্পর্কিত যে কোনো ধরনের কর্মকাণ্ড বা প্রচারণার সম্পৃক্ততার তীব্র বিরোধিতা করেছে। সম্প্রতি ক্রীড়া বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘দ্য অ্যাথলেটিক’-এ ইরানি ফুটবল ফেডারেশনের প্রতিনিধিদের কিছু বক্তব্য প্রকাশের পর এই বিতর্ক নতুন করে সামনে আসে।
ফেডারেশনের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তারা তাদের আনুষ্ঠানিক অবস্থান সরাসরি ফিফাকে জানিয়ে দিয়েছেন। তার ভাষায়, ‘আমাদের অবস্থান পরিষ্কার; স্টেডিয়ামের ভেতরে বা ম্যাচের পরিবেশের আশপাশে এই আন্দোলনের সাথে সম্পর্কিত কোনো অনুষ্ঠান বা প্রচারণামূলক কার্যক্রম চালানো যাবে না।’
ওই কর্মকর্তার দাবি, মিসরীয় ফুটবল ফেডারেশনও এই বিষয়ে একই মতামত পোষণ করে। মূলত ইরান ও মিসর দুটিই মুসলিম প্রধান দেশ হওয়ায়, তাদের গভীর সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের জায়গা থেকেই ফেডারেশন দুটি এমন অবস্থান নিয়েছে।
জনগণের তীব্র প্রতিক্রিয়ার মুখে ফিফা অবশ্য এই ম্যাচের প্রতীকী গুরুত্ব কিছুটা কমিয়ে দেখানোর চেষ্টা করেছে। গত জানুয়ারিতে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো সুইজারল্যান্ডের একটি ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করেছিলেন যে, আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ‘প্রাইড ম্যাচ’ হচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘এটি স্রেফ বিশ্বকাপের একটি সাধারণ ম্যাচ। একই দিনে শহরের অন্যান্য সংস্থা কিছু বাহ্যিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে মাত্র।’
তবে মাঠের ভেতরের নিয়মকানুনের ব্যাপারে ফিফা তাদের শক্ত অবস্থানেই অনড় রয়েছে। ‘দ্য অ্যাথলেটিক’-কে ফিফা নিশ্চিত করেছে যে, বিশ্বকাপের স্টেডিয়ামের আচরণবিধি অনুযায়ী গ্যালারিতে রেইনবো ফ্ল্যাগ (রংধনু পতাকা) বা সমকামী অধিকারের প্রতীকী চিহ্ন প্রদর্শনে কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকবে না।
অন্যদিকে, ম্যাচের ভেন্যু ‘লুমেন ফিল্ড’-এর বাইরে সিয়াটলের স্থানীয় কমিটির পূর্বনির্ধারিত ‘প্রাইড’ কর্মসূচির নানাবিধ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও উদযাপন যথানিয়মেই চলবে।
জানা গেছে, ইরান ও মিসরের ফেডারেশন থেকে স্টেডিয়ামের আশপাশের এলাকা থেকেও প্রাইড সংক্রান্ত সব ধরনের ভিজ্যুয়াল বা ব্যানার সরিয়ে ফেলার অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু ফিফা সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং স্থানীয় আয়োজক কমিটির তৈরি করা সূচি ও সাজসজ্জা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ভিনিসিয়ুসের গোল বাতিল কেন? ফিফাকে প্রশ্ন ব্রাজিলের, যুক্তি হিসেবে মেসির ঘটনা
- ক্রীড়া ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৫:৩২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের একটি গোল বাতিল হওয়া নিয়ে ফিফার কাছে প্রতিবাদ জানিয়েছে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। নিজেদের অভিযোগ জোরালো করতে টুর্নামেন্টে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে লিওনেল মেসির একটি গোলকে উদাহরণ হিসেবে টেনেছে তারা। ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘এস্তাদাও’ এই খবর নিশ্চিত করেছে।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের ২২ মিনিটে স্কটিশ ডিফেন্ডার জ্যাক হেনরির কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে গোল করেছিলেন ভিনিসিয়ুস। তবে মেক্সিকান রেফারি সিজার রামোস ভিএআর দেখে দাবি করেন, ভিনি পেছন থেকে হেনরিকে ফাউল করেছেন। ফলে গোলটি বাতিল হয়। ম্যাচে পরে ভিনিসিয়াস দুটি গোল করেন এবং ব্রাজিল ৩-০ ব্যবধানে জেতে। রেফারি গোলটি বাতিল না করলে হ্যাটট্রিক হতো এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকার।
সিবিএফ তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, রেফারি রামোসের এই সিদ্ধান্ত শুধু ব্রাজিলের জন্যই নয়, স্কটল্যান্ডের খেলোয়াড়দের জন্যও বিস্ময়ের ছিল। স্কটিশ ফুটবলারদের প্রতিক্রিয়া দেখেই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল যে তারাও কোনো ফাউল বা গোল বাতিলের আশা করেননি।
অভিযোগপত্রে ব্রাজিল টেনেছে আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসির গোল প্রসঙ্গ। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ৩৮ মিনিটে মেসির করা একটি গোল নিয়ে বেশ বিতর্ক রয়েছে। সেই গোলের বিল্ডআপে অস্ট্রিয়ার সাভের শ্লাগারকে ট্যাকল করেছিলেন আর্জেন্টিনার আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। বলের লড়াইয়ের বাইরে শ্লাগার মাটিতে পড়ে গেলেও রেফারি খেলা চালিয়ে যান এবং সেই আক্রমণ থেকেই মেসি গোল করেন। অস্ট্রিয়ার খেলোয়াড়দের প্রতিবাদও তখন আমলে নেওয়া হয়নি। ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশনের প্রশ্ন, মেসির গোলটি যদি বৈধ হয়, তবে ভিনির গোলটি কেন ফাউলের অজুহাতে বাতিল করা হলো?
স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে ইতিমধ্যেই ‘সি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট নিশ্চিত করেছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। যেখানে শেষ ষোলোয় ওঠার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ এশিয়ান পরাশক্তি জাপান।

মতবিনিময় সভায় শিক্ষার মান উন্নয়নের দাবি জানান চরাঞ্চলের শিক্ষকগণ
- মোঃ কাজল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৫:২৫:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

যত বড় প্রভাবশালীই হোক গুমের সঙ্গে জড়িতদেরকে ছাড় দেওয়া হবে না: মির্জা ফখরুল
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৫:০৭:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
যত বড় প্রভাবশালীই হোক গুমের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। খুব দ্রুতই গুমের বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, একে একে প্রত্যেকে ধরা পড়বে, প্রত্যেকের বিচার হবে।
শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। গুমের শিকার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গঠিত ‘মায়ের ডাক’ এ সভার আয়োজন করে।
গুমকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ অভিহিত করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘গুমের ঘটনাগুলোর সঙ্গে আমরা আর সম্পৃক্ত হতে চাই না। এটি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। এর প্রকাশ্যে বিচার এবং শাস্তি হওয়া উচিত।’
এই অপরাধের সঙ্গে জড়িতরা যত বড় প্রভাবশালীই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
গুমের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতি কখনো পূরণ করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ক্ষতিগুলো পূরণ করা যাবে না। পাশে তো দাঁড়াতে পারি, সাহস দিতে পারি। ভবিষ্যৎ নির্মাণের ব্যবস্থা রাষ্ট্র করতে পারে।’
গুমের ঘটনায় অভিযুক্তদের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সবচেয়ে ভয়াবহ লোক জিয়া (অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান), সে ধরা পড়েছে, তার বিচার হচ্ছে। আরেকজন ধরা পড়েছে দুবাইয়ে— বেনজীর (পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ)। তাদের যে বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ছিল, তাদের যে অহংকার, দাম্ভিকতা ছিল, দেখুন, আল্লাহ ঠিক হাজির করছেন আদালতের সামনে, জনগণের সামনে। বিশ্বাস করি, একে একে প্রত্যেকে ধরা পড়বে, প্রত্যেকের বিচার হবে। আল্লাহ আমাদের সেটা দেখাবেন— আমি এটা বিশ্বাস করি।’
গুমের শিকার পরিবারগুলোর সন্তানদের দায়িত্ব নেওয়ার কথা উল্লেখ করে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘যদি বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধাদের ভাতা দেওয়া হতে পারে, তবে গুম হওয়া পরিবারগুলো কেন বঞ্চিত থাকবে?’
এ সময় তিনি আগামী বাজেটেই গুমের শিকার পরিবারের সদস্যদের জন্য বিশেষ ভাতার ব্যবস্থা করার প্রস্তাব রাখবেন বলে জানান।

মার্কিন চুক্তি বাতিলের দাবিতে দিনব্যাপী পথ সভা
- প্রেস বিজ্ঞপ্তি । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৫:১৫:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, বাণিজ্য চুক্তির প্রতিটি ধারা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর। গার্মেন্টস শিল্পকে রক্ষার অজুহাতে দেশের অন্যান্য শিল্প, বাণিজ্য, ও কৃষিখাতকে ধ্বংস করার জন্য এই চুক্তি করেছিলো ইউনূস গং। যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট এরই মধ্যে রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ বাতিল ঘোষণা করলেও বাংলাদেশে সেই চুক্তি বহাল রেখে ক্ষমতায় এসে-বিরোধী দল হয়ে বোবার ভূমিকায় অবর্তীণ হয়েছে ছাত্র আন্দোলনে তথাকথিত নেতারা। যে চুক্তির কারণে দেশের ওষুধ শিল্প, পোল্ট্রি, ডেইরি, ই-কমার্স ও কৃষিসহ বিভিন্ন খাত ক্ষতির মুখে পড়বে বিএনপি সরকার সেই চুক্তির উপর দাঁড়িয়ে ক্ষমতায় এসেছে আর জামায়ান-এনসিপি বিরোধী দল হয়েছে বলেই আজ জাতীয় সংকট তৈরি হলেও চুক্তি বাতিলের বিষয়ে তাদের কোনো ভূমিকা নাই। আর স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই- মার্কিন চুক্তি বাতিল না হলে একজন এমপিকেও শান্তিতে সংসদে যেতে দেয়া হবে না। তাদের গাড়ি লক্ষ্য করে ময়লা নিক্ষেপ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

তাড়াশ মহিলা ডিগ্রি কলেজ সরকারীকরণ এখন সময়ের দাবি
- তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৫:০১:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে চীন অটল থাকবে: শি জিনপিং
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৪:৫৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে ‘নতুন যুগের চীন-বাংলাদেশ অভিন্ন সম্প্রদায়’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ ঘোষণা দেন দুই নেতা।
বৈঠকে শি জিনপিং বলেন, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের উন্নয়নকে বেইজিং সবসময়ই অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। বিশ্ব পরিস্থিতি যেভাবেই বদলাক না কেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে চীন অটল থাকবে এবং বাংলাদেশকে বিশ্বস্ত বন্ধু, প্রতিবেশী ও অংশীদার হিসেবে পাশে রাখবে।
তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সমর্থন করে এবং বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে। একই সঙ্গে দুই দেশের মূল স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পারস্পরিক সমর্থন অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
শি জিনপিং জানান, চীন উচ্চমানের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) সহযোগিতা এগিয়ে নিতে এবং সবুজ ও স্বল্প-কার্বন উন্নয়ন, ডিজিটাল অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। এছাড়া চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোরের উন্নয়নেও একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকীতে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে চীন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিশ্বস্ত অংশীদার।
তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে চীনের আধুনিকায়ন বাংলাদেশের জন্য অনুকরণীয় উদাহরণ। বাংলাদেশ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, বিআরআই সহযোগিতা এবং বাণিজ্য, যোগাযোগ, কৃষি, প্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায়।
প্রধানমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে ‘এক চীন নীতি’ অনুসরণ করে এবং তাইওয়ানকে চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। তিনি তাইওয়ানের স্বাধীনতার যেকোনো উদ্যোগের বিরোধিতা এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৭৫৮ নম্বর প্রস্তাবের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনের কথাও উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, মানবজাতির অভিন্ন ভবিষ্যতের সম্প্রদায় গঠন এবং প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রস্তাবিত চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগ বিশ্ব শান্তি, উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ বিষয়ে চীনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যায়ে সমন্বয় জোরদারে বাংলাদেশ প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।


হাসান আলী, হাকিমপুর দিনাজপুর প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম। 


















































































































One thought on “হিলিতে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু”