সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গায় অনুমোদনহীন অবৈধ কুতুবের চর মৎস্য আড়তে অভিযান চালিয়ে অভিযান চালিয়ে ২৬ মণ নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। এ সময় যাদের হেফাজত থেকে মাছগুলো জব্দ করা হয়েছে তাদের অর্থদন্ড দেন ভ্রাম্যমান আদালত। তবে ঘটনাস্থলে মাছের মালিক অনুপস্থিত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো. রওশন কবিরের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত এই অভিযান চালানো হয়। এ সময় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। জব্দ করা মাছ উপজেলার বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়।
স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, ময়মনসিংহ থেকে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ কুতুবের চর মৎস্য আড়তে আনা হয়েছিল। মাছগুলোর মূল্য প্রায় ২ লাখ টাকারও বেশি।
রায়গঞ্জের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, পিরানহা মাছ দেশীয় প্রজাতির মাছের জন্য হুমকিস্বরূপ। এটি জলজ জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করে এবং দেশীয় মাছের বংশবিস্তার ও অস্তিত্বের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণে দেশে পিরানহা মাছের চাষ ও বিক্রি নিষিদ্ধ।
কুতুবের চর মৎস্য আড়তে নিষিদ্ধ এই মাছ আমদানির খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে প্রায় ২৬ মণ (১ হাজার ৪০ কেজি) নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ করা হয়। তবে মাছের মালিককে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। পরে মাছের হেফাজতে থাকা দুই ব্যক্তিকে ১ হাজার টাকা করে মোট ২ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক।
তিনি আরও বলেন, অভিযান চালিয়ে জব্দ করা মাছগুলো উপজেলার বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সলঙ্গার কুতুবের চর মৎস্য আড়তটি দীর্ঘদিন তিন বছর ধরে সরকারি পেরিফেরি অনুমোদন ছাড়াই পরিচালনা করছে প্রভাবশালীরা। অবৈধ এই আড়তটি নিয়ে একাধিক মামলা আদালতে চলমান রয়েছে।

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম 




















